ইরানের দাবি : দুটি যুদ্ধবিমান, তিনটি ড্রোন এবং দুটি ক্ষেপণাস্ত্র ভূপাতিত
- আপডেট সময় : ০১:০৭:২৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ৪ এপ্রিল ২০২৬ ১৩ বার পড়া হয়েছে
একদিনে একাধিক আকাশ প্রতিরক্ষা সাফল্যের দাবি করেছে ইরান। দেশটির সশস্ত্র বাহিনী জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের অন্তত দুটি যুদ্ধবিমান, তিনটি ড্রোন এবং দুটি ক্ষেপণাস্ত্র ভূপাতিত করা হয়েছে।
শুক্রবার সংঘটিত এসব অভিযানের পর দিনটিকে মার্কিন ও ইসরায়েলি বিমান বাহিনীর জন্য ‘কালো দিন’ হিসেবে আখ্যা দিয়েছে তেহরান।
শনিবার প্রকাশিত এক বিবৃতিতে ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি)-এর জনসংযোগ শাখা বিভিন্ন প্রদেশে পরিচালিত প্রতিরোধ অভিযানের বিস্তারিত তুলে ধরে।
বিবৃতিতে বলা হয়, আইআরজিসির অ্যারোস্পেস ডিফেন্স ফোর্স খোমেইন ও জানজান অঞ্চলের আকাশসীমায় দুটি ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র শনাক্ত করে সফলভাবে ধ্বংস করেছে। একই সময়ে ইসফাহানের আকাশে যুক্তরাষ্ট্রের দুটি এমকিউ–৯ ‘রিপার’ অ্যাটাক ড্রোন ভূপাতিত করা হয়।
এছাড়া দক্ষিণাঞ্চলের বুশেহর প্রদেশে একটি ইসরায়েলি ‘হারমেস’ ড্রোন ধ্বংস করার দাবি করা হয়েছে।
আইআরজিসি জানায়, এসব প্রতিরোধ অভিযান দেশটির নবউন্নত ও সমন্বিত বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার মাধ্যমে পরিচালিত হয়েছে, যা সাম্প্রতিক সময়ে আরও আধুনিকীকরণ করা হয়েছে।
এদিকে পৃথক এক গুরুত্বপূর্ণ অভিযানে ইরানের মধ্যাঞ্চলে একটি অত্যাধুনিক মার্কিন যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করার দাবি করা হয়েছে।
আইআরজিসির ভাষ্য অনুযায়ী, বিমানটি আঘাতপ্রাপ্ত হয়ে বিধ্বস্ত হয় এবং এর পাইলটের খোঁজে তল্লাশি চালানো হচ্ছে। প্রাথমিক তথ্যে ধারণা করা হচ্ছে, পাইলট নিরাপদে ইজেক্ট করতে পারেননি।
অন্যদিকে, একই দিনে ইরানের নিয়মিত সেনাবাহিনী জানায়, হরমুজ প্রণালির নিকটবর্তী দক্ষিণাঞ্চলীয় জলসীমায় একটি মার্কিন এ–১০ ‘ওয়ারথগ’ যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করা হয়েছে।
সেনাবাহিনীর দাবি, তাদের আর্মি এয়ার ডিফেন্স ফোর্সের সমন্বিত প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার মাধ্যমে বিমানটি প্রথমে শনাক্ত ও আঘাতপ্রাপ্ত হয়, পরে সেটি পারস্য উপসাগরে বিধ্বস্ত হয়।
তবে ইরানের এসব দাবির বিষয়ে এখনো পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্র বা ইসরায়েলের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। ফলে ঘটনাগুলোর স্বতন্ত্র যাচাইও সম্ভব হয়নি।
সূত্র: প্রেস টিভি















