ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে দু’দিনব্যাপী ইয়ং স্কলার কনফারেন্স শুরু হয়েছে
- আপডেট সময় : ০৬:১০:২৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬ ২৮ বার পড়া হয়েছে
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে দু’দিনব্যাপী ইয়ং স্কলার কনফারেন্স শুরু হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের জাপানিজ স্টাডিজ বিভাগ ও জাপানিজ স্টাডিজ অ্যাসোসিয়েশন ইন সাউথ এশিয়ার যৌথ উদ্যোগে এবং জাপান ফাউন্ডেশনের অর্থায়নে দক্ষিণ এশিয়ায় জাপানের নরম কূটনীতি: পরিবর্তন ও ধারাবাহিকতা শীর্ষক এই আন্তর্জাতিক সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।
সোমবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনে সম্মেলনের উদ্বোধনী অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম।
প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন টোকিওর জাপান ফাউন্ডেশনের ম্যানেজিং ডিরেক্টর ওয়াকাও কোইকে এবং ঢাকাস্থ জাপান দূতাবাসের মিনিস্টার তাকাহাশি নাওকি।
সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. তৈয়েবুর রহমান এবং নয়াদিল্লিস্থ জাপান ফাউন্ডেশনের ডিরেক্টর জেনারেল কোজি সাতো।
এছাড়া অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জাপানিজ স্টাডিজ অ্যাসোসিয়েশন ইন সাউথ এশিয়ার সভাপতি অধ্যাপক ড. শ্রাবণী রায় চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. আব্দুল্লাহ আল মামুন এবং জাপানিজ স্টাডিজ বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. জাহাঙ্গীর আলম, যিনি স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন।

সভাপতির বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম বলেন, জাপান-বাংলাদেশ সম্পর্কের পরিবর্তনশীল প্রেক্ষাপটে, বিশেষ করে বাণিজ্য, উন্নয়ন সহায়তা ও বিনিয়োগ নিয়ে গভীর গবেষণা অত্যন্ত জরুরি।
তিনি উল্লেখ করেন, জাপান বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান দ্বিপাক্ষিক উন্নয়ন সহযোগী এবং বৈশ্বিক রাজনীতির পরিবর্তিত প্রেক্ষাপটে, যেমন নতুন আঞ্চলিকতাবাদ, চীনের প্রভাব বৃদ্ধি ও যুক্তরাষ্ট্র-চীন বাণিজ্য সংঘাতের আলোকে জাপানকে নতুনভাবে বিশ্লেষণ করা প্রয়োজন।
তিনি আশা প্রকাশ করেন, এই সম্মেলন তরুণ গবেষকদের জন্য একটি কার্যকর প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করবে এবং জাপান-বাংলাদেশ সম্পর্ক আরও জোরদারে ভূমিকা রাখবে। একই সঙ্গে তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক উৎকর্ষ, বৃত্তি কার্যক্রম এবং গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের প্রতি অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে রেহান আসিফ আসাদ বলেন, জাপান ও বাংলাদেশের সম্পর্ক ঐতিহাসিক ও গভীর।
১৯৭২ সালে স্বাধীনতার পরপরই জাপান বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় এবং দীর্ঘদিন ধরে উন্নয়ন সহযোগী হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। তিনি জাপানি জনগণের কর্মনিষ্ঠা, শৃঙ্খলা ও সততার প্রশংসা করে শিক্ষার্থীদের এসব গুণাবলি থেকে শিক্ষা নেওয়ার আহ্বান জানান।
দুই দিনব্যাপী এই সম্মেলনে জাপান, চীন, ভারত, নেপাল ও শ্রীলঙ্কাসহ বিভিন্ন দেশের গবেষকরা অংশ নিচ্ছেন। সম্মেলনে মোট ১৪টি গবেষণাপত্র ১০টি সেশনে উপস্থাপন করা হবে।



















