ঢাকা ০৫:০২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২২ মার্চ ২০২৬, ৮ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বাহরাইনে বিস্ফোরণ: ইরান নয়, যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষেপণাস্ত্র, রয়টার্সের বিশ্লেষণে চাঞ্চল্যকর তথ্য মেঘনার বুকে জেগে ওঠা স্বপ্ন, লাখো মানুষের কর্মসংস্থানের নতুন ঠিকানা দেশের প্রায় ১০ কোটি মানুষ এখনও নিরাপদ পানির বাইরে, পানি দিবসে বার্তা ইসরায়েলি শহর ও উপসাগরীয় ঘাঁটিতে ইরানের হামলা, আইআরজিসির দাবি নিহত ২০০ ছড়িয়ে ঘন কুয়াশার চাদরে ঢেকে গেছে ফরিদপুর, বিপাকে পেঁয়াজ চাষিরা সড়কে পুলিশ সার্জেন্টের সঙ্গে কোলাকুলি, মানবিকতায় নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন প্রধানমন্ত্রী ভোর রাতে কুমিল্লায় মৃত্যু মিছিল: বাস-ট্রেন সংঘর্ষে ঝরল ১২ প্রাণ দিয়েগো গার্সিয়ায় ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা, ইউরোপেও ছড়িয়ে পড়ার শঙ্কা  ‘প্রত্যাশিত বাংলাদেশ’ গড়তে দেশবাসীর সমর্থন চাইলেন প্রধানমন্ত্রী পরিবার নিয়ে বাবা-মায়ের কবর জিয়ারত করলেন তারেক রহমান

বাহরাইনে বিস্ফোরণ: ইরান নয়, যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষেপণাস্ত্র, রয়টার্সের বিশ্লেষণে চাঞ্চল্যকর তথ্য

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৪:৫৬:৫৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২২ মার্চ ২০২৬ ৮ বার পড়া হয়েছে

বাহরাইনে বিস্ফোরণ: ইরান নয়, যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষেপণাস্ত্র রয়টার্সের বিশ্লেষণে চাঞ্চল্যকর তথ্য: ছবি সংগ্রহ

ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

উপসাগরীয় দেশ বাহরাইন-এ সাম্প্রতিক বড় বিস্ফোরণ নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থা রয়টার্স-এর পর্যালোচনায় উঠে এসেছে, হামলায় ব্যবহৃত ক্ষেপণাস্ত্রটি সম্ভবত যুক্তরাষ্ট্র পরিচালিত প্যাট্রিয়ট আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার অংশ ছিল।

গত ৯ মার্চ, ইরানকে ঘিরে চলমান উত্তেজনার মধ্যে দেশটিতে বড় ধরনের বিস্ফোরণে কেঁপে ওঠে রাজধানী মানামার উপকণ্ঠ। এতে শিশুসহ অন্তত ৩২ জন আহত হন, যাদের কয়েকজনের অবস্থা গুরুতর ছিল। শুরুতে ইরান-এর ড্রোন হামলাকে দায়ী করা হলেও পরবর্তীতে ঘটনাটির ভিন্ন চিত্র সামনে আসে।

রয়টার্সের অনুসন্ধানে জানা যায়, বিস্ফোরণে ব্যবহৃত বস্তুটি ছিল একটি প্যাট্রিয়ট প্রতিরক্ষা ক্ষেপণাস্ত্র, যা আকাশে লক্ষ্যবস্তু প্রতিহত করতে ব্যবহৃত হয়। বাহরাইনের কর্মকর্তারাও প্রথমবারের মতো স্বীকার করেছেন যে, রাজধানীর কাছে সিত্রা দ্বীপের মাহাজ্জা এলাকায় বিস্ফোরণে একটি প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্র জড়িত ছিল।

তবে দেশটির দাবি, ওই ক্ষেপণাস্ত্র একটি ইরানি ড্রোন সফলভাবে ধ্বংস করেছিল এবং এতে বড় ধরনের প্রাণহানি এড়ানো সম্ভব হয়েছে। তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, ক্ষয়ক্ষতি সরাসরি ক্ষেপণাস্ত্র বা ড্রোনের আঘাতে হয়নি।

অন্যদিকে বিশ্লেষকরা বলছেন, ঘটনাস্থলে ইরানি ড্রোনের উপস্থিতির কোনো সুস্পষ্ট প্রমাণ এখনো উপস্থাপন করা হয়নি। এতে করে পুরো ঘটনার দায়-দায়িত্ব নিয়ে প্রশ্ন আরও জোরালো হয়েছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, এই ঘটনা মধ্যপ্রাচ্যের চলমান উত্তেজনাকে আরও বাড়িয়ে দিতে পারে এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতিতে নতুন অনিশ্চয়তা তৈরি করতে পারে।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

বাহরাইনে বিস্ফোরণ: ইরান নয়, যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষেপণাস্ত্র, রয়টার্সের বিশ্লেষণে চাঞ্চল্যকর তথ্য

আপডেট সময় : ০৪:৫৬:৫৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২২ মার্চ ২০২৬

উপসাগরীয় দেশ বাহরাইন-এ সাম্প্রতিক বড় বিস্ফোরণ নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থা রয়টার্স-এর পর্যালোচনায় উঠে এসেছে, হামলায় ব্যবহৃত ক্ষেপণাস্ত্রটি সম্ভবত যুক্তরাষ্ট্র পরিচালিত প্যাট্রিয়ট আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার অংশ ছিল।

গত ৯ মার্চ, ইরানকে ঘিরে চলমান উত্তেজনার মধ্যে দেশটিতে বড় ধরনের বিস্ফোরণে কেঁপে ওঠে রাজধানী মানামার উপকণ্ঠ। এতে শিশুসহ অন্তত ৩২ জন আহত হন, যাদের কয়েকজনের অবস্থা গুরুতর ছিল। শুরুতে ইরান-এর ড্রোন হামলাকে দায়ী করা হলেও পরবর্তীতে ঘটনাটির ভিন্ন চিত্র সামনে আসে।

রয়টার্সের অনুসন্ধানে জানা যায়, বিস্ফোরণে ব্যবহৃত বস্তুটি ছিল একটি প্যাট্রিয়ট প্রতিরক্ষা ক্ষেপণাস্ত্র, যা আকাশে লক্ষ্যবস্তু প্রতিহত করতে ব্যবহৃত হয়। বাহরাইনের কর্মকর্তারাও প্রথমবারের মতো স্বীকার করেছেন যে, রাজধানীর কাছে সিত্রা দ্বীপের মাহাজ্জা এলাকায় বিস্ফোরণে একটি প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্র জড়িত ছিল।

তবে দেশটির দাবি, ওই ক্ষেপণাস্ত্র একটি ইরানি ড্রোন সফলভাবে ধ্বংস করেছিল এবং এতে বড় ধরনের প্রাণহানি এড়ানো সম্ভব হয়েছে। তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, ক্ষয়ক্ষতি সরাসরি ক্ষেপণাস্ত্র বা ড্রোনের আঘাতে হয়নি।

অন্যদিকে বিশ্লেষকরা বলছেন, ঘটনাস্থলে ইরানি ড্রোনের উপস্থিতির কোনো সুস্পষ্ট প্রমাণ এখনো উপস্থাপন করা হয়নি। এতে করে পুরো ঘটনার দায়-দায়িত্ব নিয়ে প্রশ্ন আরও জোরালো হয়েছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, এই ঘটনা মধ্যপ্রাচ্যের চলমান উত্তেজনাকে আরও বাড়িয়ে দিতে পারে এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতিতে নতুন অনিশ্চয়তা তৈরি করতে পারে।