মার্কিন হামলার পরও ইরানের প্রধান তেল রপ্তানি কেন্দ্র খারগ দ্বীপ থেকে স্বাভাবিকভাবে তেল রপ্তানি কার্যক্রম চলছে বলে জানিয়েছে তেহরান। দেশটির এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তার বরাত দিয়ে ইরানের বিভিন্ন বার্তা সংস্থা এ তথ্য প্রকাশ করেছে।
ওই কর্মকর্তা জানান, খারগ দ্বীপে পরিচালিত তেল রপ্তানি কার্যক্রমে কোনো ধরনের বিঘ্ন ঘটেনি। দ্বীপটি থেকে তেল রপ্তানি “সম্পূর্ণরূপে চলমান” রয়েছে এবং সেখানে কর্মরত তেল কোম্পানিগুলোর কার্যক্রমও স্বাভাবিকভাবে অব্যাহত আছে। অবকাঠামো বা রপ্তানি ব্যবস্থায় উল্লেখযোগ্য কোনো ক্ষতি হয়নি বলেও তিনি দাবি করেন।
সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্র ইরানের এই কৌশলগত দ্বীপে অবস্থিত কয়েকটি সামরিক স্থাপনাকে লক্ষ্য করে বিমান হামলা চালায়। হামলার পর ওয়াশিংটন সতর্ক করে জানিয়েছে, ইরান যদি পারস্য উপসাগরের গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ হরমুজ প্রণালি অবরোধের চেষ্টা চালিয়ে যায়, তবে খারগ দ্বীপের গুরুত্বপূর্ণ তেল স্থাপনাগুলো পরবর্তী হামলার লক্ষ্যবস্তু হতে পারে।
খারগ দ্বীপ ইরানের জ্বালানি রপ্তানির ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি কেন্দ্র। পারস্য উপসাগরে অবস্থিত এই দ্বীপ থেকে দেশটির মোট তেল রপ্তানির ৯০ শতাংশেরও বেশি পরিচালিত হয়। ফলে এখানে কোনো ধরনের হামলা বা কার্যক্রম বন্ধ হয়ে গেলে তা আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারে বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে বলে বিশ্লেষকদের ধারণা।
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে খারগ দ্বীপে হামলা ও পাল্টা হুমকির ঘটনায় আন্তর্জাতিক মহলে উদ্বেগ বেড়েছে। বিশেষ করে বৈশ্বিক তেল সরবরাহ ও সমুদ্রপথে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলের নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে শঙ্কা দেখা দিয়েছে।
সূত্র: আল জাজিরা


















