ঢাকা ০৭:২১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০১ অগাস্ট ২০২৬, ১৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
গাইডের নির্দেশনা অমান্য বান্দরবানে মোটরসাইকেল খাদে পড়ে প্রাণ হারালেন দুই পর্যটক কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সাবেক ডেপুটি গভর্নর এস কে সুরের ৩ বছরের কারাদণ্ড জ্বালানি তেলের দামে বড় পতন স্বস্তির আভাস তবুও কাটেনি শঙ্কা সমঝোতা স্মারক লঙ্ঘনের পর যুক্তরাষ্ট্রের নিহত ২০০ ছাড়িয়েছে: আইআরজিসি প্রকৃতি ও পরিবেশ চাঁইয়ের ফাঁদে পাঙাশ নিধন উপকূলের নদ-নদীতে মাছশূন্য ভবিষ্যতের অশনিসংকেত এলএনজি টার্মিনাল সচলে আরও পাঁচ দিন দেশজুড়ে গ্যাস সংকট তীব্র, বাসা-বাড়ি, শিল্প ও যানবাহনে চরম ভোগান্তি পরিবেশের মারাত্মক প্রভাবে হুমকির মুখে সুন্দরবন সশস্ত্র বাহিনীকে দলীয় হাতিয়ার হতে দেওয়া হবে না বিশ্ব ঐতিহ্যের তালিকায় স্থান ভারতের ঐতিহাসিক বৌদ্ধ তীর্থস্থান সারনাথ স্বামীর নির্যাতন বরিশালে আওয়ামী লীগ নেত্রীর আত্মহত্যা

সেনা দিবসে প্রধানমন্ত্রীর বার্তা: সীমান্ত বাহিনী হবে আধুনিক ও সুসংহত

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৮:৪৪:৫১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ ১০৯ বার পড়া হয়েছে

সেনা দিবসে প্রধানমন্ত্রীর বার্তা: সীমান্ত বাহিনী হবে আধুনিক ও সুসংহত: ছবি বাসস

ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সীমান্তরক্ষী বাহিনীকে আরও আধুনিক, সুসংহত ও সময়োপযোগী করে গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন। জাতীয় সেনা দিবস-২০২৬ উপলক্ষে শহীদ সেনা কর্মকর্তাদের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে মতবিনিময় ও ইফতার অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, দীর্ঘ সংগ্রামের পর জনগণের রায়ে নির্বাচিত সরকার দেশ পরিচালনা করছে।

দেশের সার্বভৌমত্ব ও নিরাপত্তার প্রশ্নে সীমান্ত বাহিনীকে যুগোপযোগী করে তুলতে যা যা প্রয়োজন, আমরা তা করব। ২০০৯ সালের ২৫ ও ২৬ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর পিলখানায় সংঘটিত হত্যাকাণ্ডের প্রসঙ্গ টেনে প্রধানমন্ত্রী গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে ৫৭ জন সেনা কর্মকর্তাসহ মোট ৭৪ জন শহীদকে স্মরণ করেন। তিনি বলেন, এই দিনটি জাতির ইতিহাসে এক রক্তাক্ত ও বেদনাবিধুর অধ্যায়।

১৭ বছর পরও সেই ক্ষত শুকায়নি। প্রতিটি শহীদের নাম একটি পরিবারের নিভে যাওয়া প্রদীপ, একটি অসমাপ্ত স্বপ্নের গল্প, মন্তব্য করেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী জানান, পিলখানার ঘটনাকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় স্মরণ করা হবে এবং ২৫-২৬ ফেব্রুয়ারিকে ইতিহাসে যথাযথভাবে চিহ্নিত করতে সেনাবাহিনী ও শহীদ পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে আলোচনা করে উদ্যোগ নেওয়া হবে।

সীমান্তরক্ষী বাহিনীর ঐতিহাসিক ভূমিকার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ১৯৭১ সালে স্বাধীনতা সংগ্রামের সূচনালগ্ন থেকে এই বাহিনী সেনাবাহিনীর সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে দায়িত্ব পালন করেছে।

পরবর্তীকালে রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বাহিনীকে পুনর্গঠন ও প্রাতিষ্ঠানিক শক্তি বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নেন। বাংলাদেশের সেনাবাহিনীকে দেশের সার্বভৌমত্বের প্রতীক আখ্যা দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, জাতীয় নিরাপত্তা কাঠামোকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করা এখন সময়ের দাবি।

একই সঙ্গে শহীদ পরিবারের সদস্যদের শিক্ষা, চিকিৎসা ও পুনর্বাসনে দীর্ঘমেয়াদি সুরক্ষা নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতিও পুনর্ব্যক্ত করেন তিনি।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

সেনা দিবসে প্রধানমন্ত্রীর বার্তা: সীমান্ত বাহিনী হবে আধুনিক ও সুসংহত

আপডেট সময় : ০৮:৪৪:৫১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সীমান্তরক্ষী বাহিনীকে আরও আধুনিক, সুসংহত ও সময়োপযোগী করে গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন। জাতীয় সেনা দিবস-২০২৬ উপলক্ষে শহীদ সেনা কর্মকর্তাদের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে মতবিনিময় ও ইফতার অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, দীর্ঘ সংগ্রামের পর জনগণের রায়ে নির্বাচিত সরকার দেশ পরিচালনা করছে।

দেশের সার্বভৌমত্ব ও নিরাপত্তার প্রশ্নে সীমান্ত বাহিনীকে যুগোপযোগী করে তুলতে যা যা প্রয়োজন, আমরা তা করব। ২০০৯ সালের ২৫ ও ২৬ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর পিলখানায় সংঘটিত হত্যাকাণ্ডের প্রসঙ্গ টেনে প্রধানমন্ত্রী গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে ৫৭ জন সেনা কর্মকর্তাসহ মোট ৭৪ জন শহীদকে স্মরণ করেন। তিনি বলেন, এই দিনটি জাতির ইতিহাসে এক রক্তাক্ত ও বেদনাবিধুর অধ্যায়।

১৭ বছর পরও সেই ক্ষত শুকায়নি। প্রতিটি শহীদের নাম একটি পরিবারের নিভে যাওয়া প্রদীপ, একটি অসমাপ্ত স্বপ্নের গল্প, মন্তব্য করেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী জানান, পিলখানার ঘটনাকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় স্মরণ করা হবে এবং ২৫-২৬ ফেব্রুয়ারিকে ইতিহাসে যথাযথভাবে চিহ্নিত করতে সেনাবাহিনী ও শহীদ পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে আলোচনা করে উদ্যোগ নেওয়া হবে।

সীমান্তরক্ষী বাহিনীর ঐতিহাসিক ভূমিকার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ১৯৭১ সালে স্বাধীনতা সংগ্রামের সূচনালগ্ন থেকে এই বাহিনী সেনাবাহিনীর সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে দায়িত্ব পালন করেছে।

পরবর্তীকালে রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বাহিনীকে পুনর্গঠন ও প্রাতিষ্ঠানিক শক্তি বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নেন। বাংলাদেশের সেনাবাহিনীকে দেশের সার্বভৌমত্বের প্রতীক আখ্যা দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, জাতীয় নিরাপত্তা কাঠামোকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করা এখন সময়ের দাবি।

একই সঙ্গে শহীদ পরিবারের সদস্যদের শিক্ষা, চিকিৎসা ও পুনর্বাসনে দীর্ঘমেয়াদি সুরক্ষা নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতিও পুনর্ব্যক্ত করেন তিনি।