ঢাকা ১০:৪৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
নৃশংস ৭ বছরের শিশুর হাত চেপে ধরেন স্ত্রী আঙ্গুল কাটেন পুলিশ  কনস্টেবল জাতিসংঘ সফর শেষে সচিবালয়ে ফিরলেন প্রধানমন্ত্রী, শুরু দাপ্তরিক কার্যক্রম জাতিসংঘ অধিবেশনে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ সার্থক হয়েছে : পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বাংলাদেশের উন্নয়ন প্রচেষ্টায় চীনের সমর্থন অব্যাহত থাকবে: রাষ্ট্রদূত ১৮ দেশের বাজারকেন্দ্রিক রপ্তানি কৌশল প্রণয়ন করছে সরকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি সরকারের সমালোচনা এনসিপি আহ্বায়কের কাগজে নদীর সংখ্যা বাড়ছে নদী রক্ষাই এখন সবচেয়ে বড় সংকট সাশ্রয়ী আবাসন অর্থায়নে বাংলাদেশকে ১০ কোটি ডলার ঋণ দিচ্ছে এডিবি শেরপুর সীমান্তে ভারতীয় সাবান-মদ জব্দ বিজিবির গরু আটক নিয়ে চাঞ্চল্য যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে সংঘাতের সমাধান কেবল কূটনীতিতেই: ইরান

ডিপফেক বিতর্ক: সাবেক সঙ্গীর মামলায় মুখোমুখি ইলন মাস্কের এআই কোম্পানি এক্সএআই

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৭:৩৭:৩৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬ ৩৬৭ বার পড়া হয়েছে

ডিপফেক বিতর্ক: সাবেক সঙ্গীর মামলায় মুখোমুখি ইলন মাস্কের এআই কোম্পানি এক্সএআই

ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ইলন মাস্কের সাবেক সঙ্গী ও তাঁর সন্তানের মা অ্যাশলি সেন্ট ক্লেয়ার ইলন মাস্কের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক প্রতিষ্ঠান এক্সএআইয়ের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন। অভিযোগে বলা হয়েছে, এক্সএআইয়ের এআই চ্যাটবট ‘গ্রোক’ তার সম্মতি ছাড়াই তার নামে আপত্তিকর ও ভুয়া (ডিপফেক) ছবি তৈরি এবং তা ছড়িয়ে দেওয়ার সুযোগ দিয়েছে।

বুধবার নিউইয়র্ক অঙ্গরাজ্যের সুপ্রিম কোর্টে দায়ের করা মামলায় অ্যাশলি সেন্ট ক্লেয়ার দাবি করেন, গ্রোকের মাধ্যমে তার অবয়ব ব্যবহার করে একাধিক যৌন হয়রানিমূলক কৃত্রিম ছবি তৈরি করা হয়েছে। এসব ছবির মধ্যে এমন কনটেন্টও রয়েছে, যেখানে তাকে অপ্রাপ্তবয়স্ক হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছে, যা অত্যন্ত গুরুতর অভিযোগ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। মামলায় বলা হয়, এসব কার্যক্রম বন্ধের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হলেও বাস্তবে তা কার্যকর হয়নি।

মামলার নথি অনুযায়ী, গ্রোক ব্যবহার করে তৈরি ডজনেরও বেশি আপত্তিকর ও অবমাননাকর ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে ছড়িয়ে পড়ে। এসব ঘটনায় মানসিক ও সামাজিক ক্ষতির অভিযোগ এনে অ্যাশলি সেন্ট ক্লেয়ার দণ্ডমূলক ক্ষতিপূরণ দাবি করেছেন।

অভিযোগের প্রতিক্রিয়ায় ইলন মাস্ক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে বলেন, গ্রোক ব্যবহার করে তৈরি কনটেন্টের দায় সম্পূর্ণভাবে ব্যবহারকারীর। তাঁর ভাষায়, গ্রোক নিজে থেকে কোনো কনটেন্ট তৈরি করে না; সবকিছুই ব্যবহারকারীর নির্দেশের ভিত্তিতে তৈরি হয়। কেউ যদি গ্রোক ব্যবহার করে অবৈধ কনটেন্ট তৈরি করে, তাহলে তাকে সেই কনটেন্ট আপলোড করার মতোই আইনি পরিণতি ভোগ করতে হবে।

এ ঘটনার প্রেক্ষাপটে গত দুই সপ্তাহ ধরে নারী ও শিশুদের যৌনভাবে উপস্থাপনের অভিযোগে তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েছে এক্সএআই। বুধবার (১৪ জানুয়ারি) প্রতিষ্ঠানটি জানায়, যেসব দেশে এ ধরনের কনটেন্ট অবৈধ, সেখানে গ্রোক ও এক্স প্ল্যাটফর্মে বাস্তব মানুষের বিকিনি, অন্তর্বাস বা অনুরূপ পোশাকে ছবি তৈরির সুবিধা জিওব্লক করা হবে।

এ ছাড়া বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) এক বিবৃতিতে এক্স জানায়, শিশু যৌনশোষণ, সম্মতিহীন নগ্নতা এবং অনাকাঙ্ক্ষিত যৌন কনটেন্টের বিরুদ্ধে তাদের শূন্য সহনশীলতার নীতি রয়েছে।

২৭ বছর বয়সী অ্যাশলি সেন্ট ক্লেয়ার বর্তমানে ইলন মাস্কের সঙ্গে কোনো সম্পর্কে নেই। তিনি একজন ডানপন্থী সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ইনফ্লুয়েন্সার, লেখক ও রাজনৈতিক ভাষ্যকার। তাদের এক পুত্রসন্তান রয়েছে, যার জন্ম ২০২৪ সালে।

অ্যাশলি সেন্ট ক্লেয়ারের পক্ষে মামলাটি পরিচালনা করছেন ভুক্তভোগীদের অধিকারবিষয়ক আইনজীবী ক্যারি গোল্ডবার্গ। তিনি বলেন, এক্সএআই কোনোভাবেই নিরাপদ নয় এবং এটি জনস্বার্থের জন্য ক্ষতিকর। তার ভাষায়, গ্রোককে ইচ্ছাকৃতভাবে একটি ‘অস্ত্র’ হিসেবে ব্যবহার করে অ্যাশলি সেন্ট ক্লেয়ারের সম্মতি ছাড়া অবমাননাকর ও নির্যাতনমূলক ছবি তৈরি ও প্রকাশ করা হয়েছে।

সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান, সিএনএন

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :