ঢাকা ০২:৫৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৪ এপ্রিল ২০২৬, ২১ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ইরানের দাবি : দুটি যুদ্ধবিমান, তিনটি ড্রোন এবং দুটি ক্ষেপণাস্ত্র ভূপাতিত যুদ্ধবিরতি আলোচনায় অনাগ্রহ ইরানের, মার্কিন দাবির  গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে তেহরানের প্রশ্ন ভূপাতিত মার্কিন যুদ্ধবিমানের পাইলটকে খুঁজে পেতে মাঠে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য স্থল হামলা মোকাবিলায় প্রস্তুতি ইরানের বাংলাদেশ-ভারত সীমান্ত পাহারায় সাপ ও কুমির ব্যবহারের চিন্তা বিএসএফ’র জৈব সার : মাটির প্রাণ বাঁচাতে ও বিষমুক্ত ফসলের স্বপ্নে নিবেদিত প্রকৃতিবন্ধু উজ্জ্বল কুন্ডু বাজার দর: মাছ, মুরগি, সব্জির দামে আগুন, চাপে সাধারণ মানুষ এভারেস্টে বিষ-ফাঁদ :পর্যটকদের অসুস্থ বানিয়ে ১৫০ কোটি টাকার বিমা কেলেঙ্কারি গোপন তথ্য উন্মোচন সৌদিতে মার্কিন নজরদারি বিমান ধ্বংসের স্যাটেলাইট ছবি প্রকাশ মধ্যপ্রাচ্য সংকট নিরসনে সর্বাত্মক সহায়তার আশ্বাস পুতিনের

জাতি  কঠিন সময় পার করছে: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় উপাচার্য

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ১২:৫১:০১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ ডিসেম্বর ২০২৫ ১১০ বার পড়া হয়েছে

জাতি  কঠিন সময় পার করছে: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় উপাচার্য

ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ঘরে বাইরে বহুমুখী শত্রুতা বিদ্যমান থাকায় সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে

শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস উপলক্ষে রায়েরবাজার বধ্যভূমি স্মৃতিসৌধে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য (ভিসি) অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমদ খান। এ সময় তিনি বলেন, জাতি বর্তমানে একটি কঠিন সময় পার করছে। ঘরে ও বাইরে বহুমুখী শত্রুতা বিদ্যমান থাকায় সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।

রোববার সকালে শহীদ বুদ্ধিজীবীদের স্মরণে রায়েরবাজার বধ্যভূমিতে এসে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন ঢাবি ভিসি। তিনি বলেন, আজ বুদ্ধিজীবী দিবসে আমরা জাতির সূর্য সন্তানদের গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করছি। তাদের চূড়ান্ত আত্মত্যাগ আমাদের সাহস ও শক্তি যুগিয়েছে।

ড. নিয়াজ আহমদ খান বলেন, ইতিহাসের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সময়ে জাতি সেই সাহসের প্রমাণ দিয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন, ১৯৯০ ও ২০২৪ সালে জনগণের ঐক্য ও সাহস জাতিকে সামনে এগিয়ে নিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। বর্তমান প্রেক্ষাপটেও জাতীয় ঐক্য অটুট রাখা জরুরি বলে মন্তব্য করেন তিনি।

তিনি আরও বলেন, স্বাধীনতা ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ রক্ষায় শহীদ বুদ্ধিজীবীদের আদর্শ অনুসরণ করতে হবে। বিভক্তি নয়, বরং ঐক্যের মধ্য দিয়েই সব সংকট মোকাবিলা করা সম্ভব।

শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস উপলক্ষে রায়েরবাজার বধ্যভূমিতে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন পৃথক পৃথক ব্যানারে শ্রদ্ধা নিবেদন করে। সকাল থেকেই সেখানে মানুষের ঢল নামে। সরেজমিনে দেখা গেছে, রাজনৈতিক সংগঠনের নেতাকর্মীদের তুলনায় স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষের উপস্থিতি ছিল বেশি, যা দিবসটির গুরুত্ব ও তাৎপর্যকে আরও গভীরভাবে তুলে ধরে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

জাতি  কঠিন সময় পার করছে: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় উপাচার্য

আপডেট সময় : ১২:৫১:০১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ ডিসেম্বর ২০২৫

ঘরে বাইরে বহুমুখী শত্রুতা বিদ্যমান থাকায় সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে

শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস উপলক্ষে রায়েরবাজার বধ্যভূমি স্মৃতিসৌধে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য (ভিসি) অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমদ খান। এ সময় তিনি বলেন, জাতি বর্তমানে একটি কঠিন সময় পার করছে। ঘরে ও বাইরে বহুমুখী শত্রুতা বিদ্যমান থাকায় সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।

রোববার সকালে শহীদ বুদ্ধিজীবীদের স্মরণে রায়েরবাজার বধ্যভূমিতে এসে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন ঢাবি ভিসি। তিনি বলেন, আজ বুদ্ধিজীবী দিবসে আমরা জাতির সূর্য সন্তানদের গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করছি। তাদের চূড়ান্ত আত্মত্যাগ আমাদের সাহস ও শক্তি যুগিয়েছে।

ড. নিয়াজ আহমদ খান বলেন, ইতিহাসের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সময়ে জাতি সেই সাহসের প্রমাণ দিয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন, ১৯৯০ ও ২০২৪ সালে জনগণের ঐক্য ও সাহস জাতিকে সামনে এগিয়ে নিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। বর্তমান প্রেক্ষাপটেও জাতীয় ঐক্য অটুট রাখা জরুরি বলে মন্তব্য করেন তিনি।

তিনি আরও বলেন, স্বাধীনতা ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ রক্ষায় শহীদ বুদ্ধিজীবীদের আদর্শ অনুসরণ করতে হবে। বিভক্তি নয়, বরং ঐক্যের মধ্য দিয়েই সব সংকট মোকাবিলা করা সম্ভব।

শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস উপলক্ষে রায়েরবাজার বধ্যভূমিতে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন পৃথক পৃথক ব্যানারে শ্রদ্ধা নিবেদন করে। সকাল থেকেই সেখানে মানুষের ঢল নামে। সরেজমিনে দেখা গেছে, রাজনৈতিক সংগঠনের নেতাকর্মীদের তুলনায় স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষের উপস্থিতি ছিল বেশি, যা দিবসটির গুরুত্ব ও তাৎপর্যকে আরও গভীরভাবে তুলে ধরে।