ঢাকা ০৪:২৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬, ৩০ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
পেঁয়াজ-আলুর দামপতনে কৃষকের কান্না, `কৃষিপণ্য কমিশন গঠনের দাবি’ বাগদাদে মার্কিন দূতাবাসে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা ভোটের কালি শুকানোর আগেই প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে কাজ শুরু: প্রধানমন্ত্রী ফিরলেন কাতারে আটকে পড়া ৪৩০ বাংলাদেশি কৃষকের কল্যাণে প্রধানমন্ত্রীর উদ্যোগকে স্বাগত, ইফতার মাহফিলে বিশেষ মোনাজাত বিশ্বকাপ ইস্যুতে ট্রাম্পকে ইরানের কড়া জবাব পেঁয়াজের ন্যায্যমূল্য না পাওয়ায় চরম হতাশায় কৃষকরা পাবনায় পেঁয়াজের বাজার ধস, কৃষকেরা এক্ষুণি লোকসানে বেনাপোলে বিজিবির অভিযানে চোরাচালান পণ্য আটক এভারকেয়ার হাসপাতালে মির্জা আব্বাসের  শয্যাপাশে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

ইন্টারনেট স্বাধীনতায় ভারতের খুব কাছাকাছি অবস্থানে বাংলাদেশ

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ১০:১৫:৪৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৫ নভেম্বর ২০২৫ ২৯৫ বার পড়া হয়েছে

ইন্টারনেট স্বাধীনতায় ভারতের কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে বাংলাদেশ

ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বৈশ্বিকভাবে অনলাইন স্বাধীনতা কমলেও বাংলাদেশ এ বছর যে অগ্রগতি দেখিয়েছে তা সত্যিই উল্লেখযোগ্য। ফ্রিডম হাউসের ১৩ নভেম্বর প্রকাশিত ফ্রিডম অন দ্য নেট ২০২৫’ প্রতিবেদনে বাংলাদেশের স্কোর গত বছরের ৪০ থেকে বেড়ে ৪৫-এটি শুধু সাত বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ নয়, বরং ইন্টারনেট স্বাধীনতায় বাংলাদেশকে ভারত (৫১) ও শ্রীলঙ্কার (৫৩)-এর খুব কাছাকাছি নিয়ে এসেছে।

শনিবার (১৫ নভেম্বর) ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয় এক বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, এ অগ্রগতি হঠাৎ আসেনি, বরং সাম্প্রতিক নীতিগত সংস্কারের ফল। প্রধান উপদেষ্টার দপ্তরের বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব দায়িত্ব নেওয়ার পর নতুন টেলিকম অধ্যাদেশ, ব্যক্তিগত উপাত্ত সুরক্ষা আইন, জাতীয় উপাত্ত ব্যবস্থাপনা অধ্যাদেশ এবং সার্ভেইল্যান্স ব্যবস্থার আধুনিক সংস্কার ইন্টারনেটকে আরও উন্মুক্ত ও স্বাধীন করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।

বিশ্বব্যাংকের প্রতিনিধিদলও ইতোমধ্যে বাংলাদেশের উপাত্ত সুরক্ষা আইনকে বিশ্বমানের’ বলে প্রশংসা করেছে।

ফ্রিডম হাউসের প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, ২০২৪ সালের শিক্ষার্থী নেতৃত্বাধীন গণ–অভ্যুত্থানের পর দমনমূলক সরকার অপসারণ এবং নতুন অন্তর্বর্তী সরকারের সংস্কার—বিশেষ করে ইন্টারনেট বন্ধের নীতি পরিবর্তন ও বিতর্কিত সাইবার নিরাপত্তা আইন বাতিল—বাংলাদেশের স্কোর বৃদ্ধিতে বড় ভূমিকা রাখে।

বিশ্বের ৭২টি দেশের মধ্যে এ বছর সবচেয়ে বেশি উন্নতি করেছে বাংলাদেশ, এটিও এক অনন্য অর্জন।

ডিজিটাল গভর্নেন্স উন্নয়ন, টেলিকম লাইসেন্স সহজীকরণ, নাগরিক সেবায় স্বচ্ছতা এবং ইন্টার-অপারেবিলিটি বাড়াতে চলমান কার্যক্রমের ফলে আশা করা যাচ্ছে, বাংলাদেশ খুব দ্রুতই ইন্টারনেট স্বাধীনতার সূচকে ৫০-এর ঘর ছাড়াবে।

এ অগ্রগতি শুধু একটি সংখ্যা নয়; এটি বাংলাদেশের আরও উন্মুক্ত, নিরাপদ ও স্বাধীন ডিজিটাল ভবিষ্যতের শক্ত প্রতিশ্রুতি।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

ইন্টারনেট স্বাধীনতায় ভারতের খুব কাছাকাছি অবস্থানে বাংলাদেশ

আপডেট সময় : ১০:১৫:৪৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৫ নভেম্বর ২০২৫

বৈশ্বিকভাবে অনলাইন স্বাধীনতা কমলেও বাংলাদেশ এ বছর যে অগ্রগতি দেখিয়েছে তা সত্যিই উল্লেখযোগ্য। ফ্রিডম হাউসের ১৩ নভেম্বর প্রকাশিত ফ্রিডম অন দ্য নেট ২০২৫’ প্রতিবেদনে বাংলাদেশের স্কোর গত বছরের ৪০ থেকে বেড়ে ৪৫-এটি শুধু সাত বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ নয়, বরং ইন্টারনেট স্বাধীনতায় বাংলাদেশকে ভারত (৫১) ও শ্রীলঙ্কার (৫৩)-এর খুব কাছাকাছি নিয়ে এসেছে।

শনিবার (১৫ নভেম্বর) ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয় এক বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, এ অগ্রগতি হঠাৎ আসেনি, বরং সাম্প্রতিক নীতিগত সংস্কারের ফল। প্রধান উপদেষ্টার দপ্তরের বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব দায়িত্ব নেওয়ার পর নতুন টেলিকম অধ্যাদেশ, ব্যক্তিগত উপাত্ত সুরক্ষা আইন, জাতীয় উপাত্ত ব্যবস্থাপনা অধ্যাদেশ এবং সার্ভেইল্যান্স ব্যবস্থার আধুনিক সংস্কার ইন্টারনেটকে আরও উন্মুক্ত ও স্বাধীন করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।

বিশ্বব্যাংকের প্রতিনিধিদলও ইতোমধ্যে বাংলাদেশের উপাত্ত সুরক্ষা আইনকে বিশ্বমানের’ বলে প্রশংসা করেছে।

ফ্রিডম হাউসের প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, ২০২৪ সালের শিক্ষার্থী নেতৃত্বাধীন গণ–অভ্যুত্থানের পর দমনমূলক সরকার অপসারণ এবং নতুন অন্তর্বর্তী সরকারের সংস্কার—বিশেষ করে ইন্টারনেট বন্ধের নীতি পরিবর্তন ও বিতর্কিত সাইবার নিরাপত্তা আইন বাতিল—বাংলাদেশের স্কোর বৃদ্ধিতে বড় ভূমিকা রাখে।

বিশ্বের ৭২টি দেশের মধ্যে এ বছর সবচেয়ে বেশি উন্নতি করেছে বাংলাদেশ, এটিও এক অনন্য অর্জন।

ডিজিটাল গভর্নেন্স উন্নয়ন, টেলিকম লাইসেন্স সহজীকরণ, নাগরিক সেবায় স্বচ্ছতা এবং ইন্টার-অপারেবিলিটি বাড়াতে চলমান কার্যক্রমের ফলে আশা করা যাচ্ছে, বাংলাদেশ খুব দ্রুতই ইন্টারনেট স্বাধীনতার সূচকে ৫০-এর ঘর ছাড়াবে।

এ অগ্রগতি শুধু একটি সংখ্যা নয়; এটি বাংলাদেশের আরও উন্মুক্ত, নিরাপদ ও স্বাধীন ডিজিটাল ভবিষ্যতের শক্ত প্রতিশ্রুতি।