ঢাকা ১১:৩১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
নৃশংস ৭ বছরের শিশুর হাত চেপে ধরেন স্ত্রী আঙ্গুল কাটেন পুলিশ  কনস্টেবল জাতিসংঘ সফর শেষে সচিবালয়ে ফিরলেন প্রধানমন্ত্রী, শুরু দাপ্তরিক কার্যক্রম জাতিসংঘ অধিবেশনে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ সার্থক হয়েছে : পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বাংলাদেশের উন্নয়ন প্রচেষ্টায় চীনের সমর্থন অব্যাহত থাকবে: রাষ্ট্রদূত ১৮ দেশের বাজারকেন্দ্রিক রপ্তানি কৌশল প্রণয়ন করছে সরকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি সরকারের সমালোচনা এনসিপি আহ্বায়কের কাগজে নদীর সংখ্যা বাড়ছে নদী রক্ষাই এখন সবচেয়ে বড় সংকট সাশ্রয়ী আবাসন অর্থায়নে বাংলাদেশকে ১০ কোটি ডলার ঋণ দিচ্ছে এডিবি শেরপুর সীমান্তে ভারতীয় সাবান-মদ জব্দ বিজিবির গরু আটক নিয়ে চাঞ্চল্য যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে সংঘাতের সমাধান কেবল কূটনীতিতেই: ইরান

গুম প্রতিরোধ অধ্যাদেশে চূড়ান্ত অনুমোদন, সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৩:৪৮:৫৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ নভেম্বর ২০২৫ ১৮৯ বার পড়া হয়েছে

গুম প্রতিরোধ অধ্যাদেশে চূড়ান্ত অনুমোদন, সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড

ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা পরিষদ ‘গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার অধ্যাদেশ’-এর চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে। এই আইনে গুমের ঘটনায় সংশ্লিষ্টদের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৬ নভেম্বর) রাজধানীর বেইলি রোডে ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে অনুষ্ঠিত উপদেষ্টা পরিষদের ৪৭তম বৈঠকে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সভাপতিত্বে এ অনুমোদন দেওয়া হয়। বৈঠক শেষে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম বিকেলে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান।

প্রেস সচিব বলেন, “গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার অধ্যাদেশের লক্ষ্য হচ্ছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থাসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা। কাউকে বেআইনিভাবে আটক, অপহরণ বা গুম করলে তার দায়ে কঠোর শাস্তির ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।”

তিনি জানান, অধ্যাদেশে গুমের সংজ্ঞা, প্রতিরোধ ব্যবস্থা, ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে সহায়তা ও পুনর্বাসন, এবং তদন্ত প্রক্রিয়া স্পষ্টভাবে নির্ধারণ করা হয়েছে। গুমে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে জড়িত থাকলে মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে।

প্রেস ব্রিফিংয়ে জ্যেষ্ঠ সহকারী সচিব ফয়েজ আহম্মদ ও সহকারী প্রেস সচিব সুচিস্মিতা তিথি উপস্থিত ছিলেন। উপদেষ্টা পরিষদ জানিয়েছে, গুম প্রতিরোধে এটি হবে বাংলাদেশের প্রথম পূর্ণাঙ্গ আইনি কাঠামো, যা আন্তর্জাতিক মানবাধিকার নীতির সঙ্গেও সামঞ্জস্যপূর্ণ।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :