ঢাকা ১১:৩১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
নৃশংস ৭ বছরের শিশুর হাত চেপে ধরেন স্ত্রী আঙ্গুল কাটেন পুলিশ  কনস্টেবল জাতিসংঘ সফর শেষে সচিবালয়ে ফিরলেন প্রধানমন্ত্রী, শুরু দাপ্তরিক কার্যক্রম জাতিসংঘ অধিবেশনে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ সার্থক হয়েছে : পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বাংলাদেশের উন্নয়ন প্রচেষ্টায় চীনের সমর্থন অব্যাহত থাকবে: রাষ্ট্রদূত ১৮ দেশের বাজারকেন্দ্রিক রপ্তানি কৌশল প্রণয়ন করছে সরকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি সরকারের সমালোচনা এনসিপি আহ্বায়কের কাগজে নদীর সংখ্যা বাড়ছে নদী রক্ষাই এখন সবচেয়ে বড় সংকট সাশ্রয়ী আবাসন অর্থায়নে বাংলাদেশকে ১০ কোটি ডলার ঋণ দিচ্ছে এডিবি শেরপুর সীমান্তে ভারতীয় সাবান-মদ জব্দ বিজিবির গরু আটক নিয়ে চাঞ্চল্য যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে সংঘাতের সমাধান কেবল কূটনীতিতেই: ইরান

১৯ প্রাণ হরণের পর সোশাল মিডিয়ার নিষেধাজ্ঞা তুললো নেপালের শাষক

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ১২:১৮:৪৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫ ৫৫৯ বার পড়া হয়েছে

নেপালের রাজপথে আন্দোলনরত যুবক বুক পেতে দাড়িয়ে : ছবি সংগ্রহ

ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

অনেকটা কাকের মতোই দুর্নীতি ডাকার চেষ্টা করছিলো নেপালের শাষক। কিন্তু কণ্ঠরোধের নিষেধাজ্ঞার প্রতিবাদে ফুঁসে ওঠে নেপালের আমজনতা। রাজপথ থেকে সংসদ ভবন দখল নেয় উত্তেজিত জনতা।

সাধারণ নাগরিকের অধিকার হরণকারী শাষক গোষ্ঠী নির্বিচার গুলি চালাতে কসুর করেনি। তাতে ১৯ জন নিহত হয় এবং বহু সংখ্যক আহত হবার খবর পাওয়া যায়।

পরিস্থিতি যখন পুরোপুরি সরকারের নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাচ্ছে-ঠিক তখন মঙ্গলবার দেশটির মন্ত্রিসভার মুখপাত্র এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তিমন্ত্রী পৃথ্বী সুব্বা গুরুং সোশাল মিডিয়ার ওপর নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার কথা জানান।

গত সপ্তাহে সামাজিক মাধ্যমের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করার কথা জানিয়ে সুব্বা গুরুং জানান, সরকার আরোপিত নিষেধাজ্ঞা তুলে নিয়েছে।

১৯ প্রাণ হরণের পর সোশাল মিডিয়ার নিষেধাজ্ঞা তুলল নেপালের শাষক
আহত বিক্ষোভকারীকে রাজপথ থেকে সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে : ছবি সংগ্রহ

এর আগে সরকারের এই নিষেধাজ্ঞার কারণে নেপালের রাজধানী কাঠমান্ডুতে প্রতিবাদ শুরু হয়। সোমবার জেন-জি প্রজন্ম নামে পরিচিত বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে নিরাপত্তা বাহিনীর তীব্র সংঘর্ষ হয়। এসময় ১৯ জন নিহত ও শতাধিক আহত হয়।

সাধারণ মানুষের বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের ওপর সরকারের নিষেধাজ্ঞা এবং ব্যাপক দুর্নীতির প্রতিবাদে রাস্তায় নেমেছেন তারা।

প্রতিবাদ নেপালের অন্য শহরগুলোতেও ছড়িয়ে পড়ে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে বানেশ্বর, সিংহদরবার, নারায়ণহিতি ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় কারফিউ জারি করে সরকার।

বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে গুরুং বলেন, সোশাল মিডিয়া বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করে নিয়েছি আমরা। সেগুলো এখন কাজ করছে।

বিক্ষোভকারীদের ওপর চড়াও হয় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা : ছবি সংগ্রহ

নেপালের প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা ওলি সহিংসতার ঘটনায় দুঃখপ্রকাশ করেছেন। সহিংসতার জন্য তিনি ‘বিভিন্ন স্বার্থপর কেন্দ্র থেকে অনুপ্রবেশ করা’ লোকজনকে দায়ী করেছেন।

তিনি জানান, সরকার নিহতদের পরিবারগুলোকে ক্ষতিপূরণ দেবে এবং আহতদের ফ্রি চিকিৎসার ব্যবস্থা করবে।

সোমবার গভীর রাতে দেওয়া এক বিবৃতিতে ওলি বলেন, ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি যেন না হয় সেটি নিশ্চিত করতে ১৫ দিনের মধ্যে কারণ খুঁজে বের করার, ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণ করার এবং কী কী পদক্ষেপ নেওয়া যায় তা প্রস্তাব করতে একটি তদন্ত প্যানেল গঠন করা হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :