ঢাকা ১০:৩৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬, ১০ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
দেশের স্বার্থে বিরোধী দলের সঙ্গে আলোচনায় প্রস্তুত সরকার: তারেক রহমান সোনার ভরিতে ৩২৬৫ ও রুপার ভরিতে ৩৫০ টাকা কমলো জাতীয় মহিলা পার্টির আহ্বায়ক নুরুন নাহার বেগম সদস্য সচিব জেসমীন নূর প্রিয়াংকা পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচন প্রথম দফায় ১৫২ আসনে ভোটগ্রহণ চলছে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান অবরোধে অচলাবস্থা, আলোচনায় চাপ বাড়াচ্ছে পাকিস্তান হরমুজে নৌ-সংঘাত: ইরানের হামলায় তিন জাহাজ ক্ষতিগ্রস্ত, আটক দুটি ১০ বছর পর তনু হত্যা রহস্যে অগ্রগতি, সাবেক সেনা সদস্য রিমান্ডে পাচারের অর্থ উদ্ধারে ১০ দেশের সঙ্গে চুক্তি প্রক্রিয়াধীন: সংসদে প্রধানমন্ত্রী ইরান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষেপণাস্ত্র ভাণ্ডারে টান: প্যাট্রিয়ট ও থাডের অর্ধেক প্রায় শেষ ভারত-শাসিত কাশ্মীরে যাত্রীবাহী বাস খাদে পড়ে অন্তত ২১ জনের প্রাণহানি

অস্ত্র মামলায় ১৭ বছর পর খালাস সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০১:৪১:০২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ মার্চ ২০২৫ ১৪৭ বার পড়া হয়েছে
ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

অস্ত্র মামলায় ১৭ বছরের সাজা থেকে খালাস পেলেন সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর। সেনা সমর্থিত সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে ২০০৭ সালের ২৮ মে বাবরের গুলশানের বাসার শোবার ঘর থেকে অবৈধ অস্ত্র ও গুলি উদ্ধার করার অভিযোগে একই বছরের ৩ জুন রাজধানীর গুলশান থানায় এ মামলা হয়।

বিচার শেষে একই বছরের ৩০ অক্টোবর ঢাকার মহানগর নয় নম্বর বিশেষ ট্রাইব্যুনাল আদালত বাবরকে ১৭ বছরের কারাদণ্ড দেন। রায়ের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে ২০০৭ সালে আপিল করেন বাবর। সেই আপিলের শুনানি শেষে বুধবার খালাস দেয় হাইকোর্ট।

আইনজীবী শিশির মনির জানান, গ্রেপ্তারের ৭দিন পর এ মামলা দেওয়া হয়। অভিযোগে বলা হয়, ৪টি অস্ত্র উদ্ধার করা হয়। এর মধ্যে বাবরের স্ত্রী একটি রিভলবারের লাইসেন্স দেখাতে পারেননি। ২০ দিন পর মামলার চার্জশিট দাখিল করেন। আর ১৪ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য নিয়ে ৩০ অক্টোবর রায় দেন।

শিশির মনিরের মতে, গ্রেপ্তারের ৭ দিন পর উদ্দেশ্যেমূলকভাবে এ মামলা দায়ের করা হয়। বলা হয়েছে, লাল-কালো ব্যাগ থেকে অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। কিন্তু জব্দ তালিকায় সেই ব্যাগ ছিল না। যেই জিডিমূলে তাকে (বাবর) গ্রেপ্তার করা হয়েছে, সেই জিডি আদালতে উপস্থাপন করা হয়নি।

ঘটনার দিনের সিসিটিভি ফুটেজ উপস্থাপনের আবেদন জানালেও সেটি মঞ্জুর করা হয়নি। এছাড়া মামলার নিরপেক্ষ দুই জন সাক্ষী (দারোয়ান এবং ওয়েল্ডিং মিস্ত্রি) বলেছে, তাদের সামনে জব্দ করা হয়নি। শুধু তাদের সাক্ষ্য নেওয়া হয়েছে।

সেনা সমর্থিত সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় ২০০৭ সালের ২৮ মে আটক হন লুৎফুজ্জামান বাবর। সেই থেকে প্রায় ১৭ বছর কারাবন্দি ছিলেন বিএনপির এই নেতা। এরপর বিভিন্ন মামলায় তার দণ্ড হয়। সেই সব মামলা থেকে খালাস ও জামিনের পর ১৬ জানুয়ারি ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে মুক্ত হন তিনি।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

অস্ত্র মামলায় ১৭ বছর পর খালাস সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

আপডেট সময় : ০১:৪১:০২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ মার্চ ২০২৫

অস্ত্র মামলায় ১৭ বছরের সাজা থেকে খালাস পেলেন সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর। সেনা সমর্থিত সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে ২০০৭ সালের ২৮ মে বাবরের গুলশানের বাসার শোবার ঘর থেকে অবৈধ অস্ত্র ও গুলি উদ্ধার করার অভিযোগে একই বছরের ৩ জুন রাজধানীর গুলশান থানায় এ মামলা হয়।

বিচার শেষে একই বছরের ৩০ অক্টোবর ঢাকার মহানগর নয় নম্বর বিশেষ ট্রাইব্যুনাল আদালত বাবরকে ১৭ বছরের কারাদণ্ড দেন। রায়ের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে ২০০৭ সালে আপিল করেন বাবর। সেই আপিলের শুনানি শেষে বুধবার খালাস দেয় হাইকোর্ট।

আইনজীবী শিশির মনির জানান, গ্রেপ্তারের ৭দিন পর এ মামলা দেওয়া হয়। অভিযোগে বলা হয়, ৪টি অস্ত্র উদ্ধার করা হয়। এর মধ্যে বাবরের স্ত্রী একটি রিভলবারের লাইসেন্স দেখাতে পারেননি। ২০ দিন পর মামলার চার্জশিট দাখিল করেন। আর ১৪ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য নিয়ে ৩০ অক্টোবর রায় দেন।

শিশির মনিরের মতে, গ্রেপ্তারের ৭ দিন পর উদ্দেশ্যেমূলকভাবে এ মামলা দায়ের করা হয়। বলা হয়েছে, লাল-কালো ব্যাগ থেকে অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। কিন্তু জব্দ তালিকায় সেই ব্যাগ ছিল না। যেই জিডিমূলে তাকে (বাবর) গ্রেপ্তার করা হয়েছে, সেই জিডি আদালতে উপস্থাপন করা হয়নি।

ঘটনার দিনের সিসিটিভি ফুটেজ উপস্থাপনের আবেদন জানালেও সেটি মঞ্জুর করা হয়নি। এছাড়া মামলার নিরপেক্ষ দুই জন সাক্ষী (দারোয়ান এবং ওয়েল্ডিং মিস্ত্রি) বলেছে, তাদের সামনে জব্দ করা হয়নি। শুধু তাদের সাক্ষ্য নেওয়া হয়েছে।

সেনা সমর্থিত সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় ২০০৭ সালের ২৮ মে আটক হন লুৎফুজ্জামান বাবর। সেই থেকে প্রায় ১৭ বছর কারাবন্দি ছিলেন বিএনপির এই নেতা। এরপর বিভিন্ন মামলায় তার দণ্ড হয়। সেই সব মামলা থেকে খালাস ও জামিনের পর ১৬ জানুয়ারি ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে মুক্ত হন তিনি।