ঢাকা ০৭:৩৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০১ অগাস্ট ২০২৬, ১৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
গাইডের নির্দেশনা অমান্য বান্দরবানে মোটরসাইকেল খাদে পড়ে প্রাণ হারালেন দুই পর্যটক কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সাবেক ডেপুটি গভর্নর এস কে সুরের ৩ বছরের কারাদণ্ড জ্বালানি তেলের দামে বড় পতন স্বস্তির আভাস তবুও কাটেনি শঙ্কা সমঝোতা স্মারক লঙ্ঘনের পর যুক্তরাষ্ট্রের নিহত ২০০ ছাড়িয়েছে: আইআরজিসি প্রকৃতি ও পরিবেশ চাঁইয়ের ফাঁদে পাঙাশ নিধন উপকূলের নদ-নদীতে মাছশূন্য ভবিষ্যতের অশনিসংকেত এলএনজি টার্মিনাল সচলে আরও পাঁচ দিন দেশজুড়ে গ্যাস সংকট তীব্র, বাসা-বাড়ি, শিল্প ও যানবাহনে চরম ভোগান্তি পরিবেশের মারাত্মক প্রভাবে হুমকির মুখে সুন্দরবন সশস্ত্র বাহিনীকে দলীয় হাতিয়ার হতে দেওয়া হবে না বিশ্ব ঐতিহ্যের তালিকায় স্থান ভারতের ঐতিহাসিক বৌদ্ধ তীর্থস্থান সারনাথ স্বামীর নির্যাতন বরিশালে আওয়ামী লীগ নেত্রীর আত্মহত্যা

ভারীবর্ষণ ও উজানের ঢলে ভেসে গেলো সিলেটে ঈদ আনন্দ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৬:১৫:৩৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৭ জুন ২০২৪ ২২৫ বার পড়া হয়েছে
ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

 

ভারীবর্ষণ ও উজানের ঢলে ভেসে গেলো সিলেটে ঈদ আনন্দ। সিলেটের নগরীর ৭০ শতাংশ এলাকা জলমগ্ন হয়ে পড়েছে। ঈদ জামাতের অংশ নিতে পারেননি বহু মানুষ। কোরবানির দিতেও বেগ পেতে হয়েছে। দুর্ভোগকে সঙ্গী করেই সিলেট ও সুনামগঞ্জের বাসিন্দারা ঈদ পালন করতে হয়েছে। ভারতের মেঘালয় রাজ্যের চেরাপুঞ্জিতে ১৫ জুন সকাল ৯টা থেকে ১৬ জুন সকাল ৯টা পর্যন্ত ৪৪১ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়।

এর আগের ২৪ ঘণ্টায় চেরাপুঞ্জিতে ১২৬ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে। চেরাপুঞ্জির বৃষ্টির জল পুরোটাই বাংলাদেশের সিলেট ও সুনামগঞ্জ নেমে আসে। এরই মধ্যে সুনামগঞ্জের অধিকাংশ এলাকায় বন্যা দেখা দিয়েছে। ঈদের দিন সোমবার সকাল ৬টা থেকে ৯টা পর্যন্ত সিলেটে ৮৬ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড হয়েছে। রোববার সকাল ৬টা থেকে সোমবার সকাল ৬টা পর্যন্ত ১৭৩ দশমিক ৬ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়।

চেরাপুঞ্জি ও স্থানীয়ভাবে বৃষ্টির কারণে সিলেটের সুরমা, কুশিয়ারাসহ সকল নদ নদীর জল বিপৎসীমা অতিক্রম করে সুরমার জলে প্লাবিত হয়ে পড়ে সিলেট নগরীর অধিকাংশ এলাকা । তাতে করে সিলেটে ঈদ আনন্দ ভেসে যায় বানের জলে। ভোর থেকে ভারী বর্ষণে সিলেট নগরীর বিভিন্ন এলাকা জলমগ্ন হয়ে পড়ে। রাস্তায় কোমর সমান জল। নগরীর বহু বাসিন্দা ঈদ জামাতে অংশ নিতে পারেননি। কোরবানি দিতেও সমস্যা হয়।

সিলেট নগরীর মেজরটিলা ইসলামপুরের বিভিন্ন এলাকা, উপশহরের বিভিন্ন এলাকা, তেররতন, যতরপুর, শাপলাবাগ, মাছিমপুর, ছড়ারপাড়. কালীঘাট, সুবহানীঘাট, শিবগঞ্জ, সোনারপাড়া, মিরাবাজার, আগপাড়া, ঝেরঝেরীপাড়া, লামাবাজার, মীরের ময়দান, বাগবাড়ি, মদীনা মার্কেট, কুয়ারপাড় লালা দিঘীর পাড়, কানিশাইল, শাহী ঈদগাহ, খাসদবির, চৌখিদেখি, এয়ারপোর্ট সড়ক ও বিভিন্ন এলাকা প্লাবিত হয়েছে। বিভিন্ন এলাকায় হাঁটু-কোমর সমান জল।

জলমগ্ন এলাকার রাস্তাঘাটে স্রোত। প্রতিটি রাস্তাই ছোটখাটো খালে পরিণত হয়েছে। ড্রেনের নোংরা জল ঘরবাড়িতে প্রবেশ করেছে। খাবার জলের সংকট দেখা দিয়েছে। বৃষ্টির কারণে কারণে কর্তৃপক্ষ ঈদের জামাতের স্থান ও সময় পরিবর্তন করা হয়। নগরের অন্তত ৭০ ভাগ জলমগ্ন। রাস্তাঘাট, বাড়িঘর, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, স্কুল-কলেজ ও মসজিদ-মাদরাসা জল প্রবেশ করেছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

ভারীবর্ষণ ও উজানের ঢলে ভেসে গেলো সিলেটে ঈদ আনন্দ

আপডেট সময় : ০৬:১৫:৩৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৭ জুন ২০২৪

 

ভারীবর্ষণ ও উজানের ঢলে ভেসে গেলো সিলেটে ঈদ আনন্দ। সিলেটের নগরীর ৭০ শতাংশ এলাকা জলমগ্ন হয়ে পড়েছে। ঈদ জামাতের অংশ নিতে পারেননি বহু মানুষ। কোরবানির দিতেও বেগ পেতে হয়েছে। দুর্ভোগকে সঙ্গী করেই সিলেট ও সুনামগঞ্জের বাসিন্দারা ঈদ পালন করতে হয়েছে। ভারতের মেঘালয় রাজ্যের চেরাপুঞ্জিতে ১৫ জুন সকাল ৯টা থেকে ১৬ জুন সকাল ৯টা পর্যন্ত ৪৪১ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়।

এর আগের ২৪ ঘণ্টায় চেরাপুঞ্জিতে ১২৬ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে। চেরাপুঞ্জির বৃষ্টির জল পুরোটাই বাংলাদেশের সিলেট ও সুনামগঞ্জ নেমে আসে। এরই মধ্যে সুনামগঞ্জের অধিকাংশ এলাকায় বন্যা দেখা দিয়েছে। ঈদের দিন সোমবার সকাল ৬টা থেকে ৯টা পর্যন্ত সিলেটে ৮৬ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড হয়েছে। রোববার সকাল ৬টা থেকে সোমবার সকাল ৬টা পর্যন্ত ১৭৩ দশমিক ৬ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়।

চেরাপুঞ্জি ও স্থানীয়ভাবে বৃষ্টির কারণে সিলেটের সুরমা, কুশিয়ারাসহ সকল নদ নদীর জল বিপৎসীমা অতিক্রম করে সুরমার জলে প্লাবিত হয়ে পড়ে সিলেট নগরীর অধিকাংশ এলাকা । তাতে করে সিলেটে ঈদ আনন্দ ভেসে যায় বানের জলে। ভোর থেকে ভারী বর্ষণে সিলেট নগরীর বিভিন্ন এলাকা জলমগ্ন হয়ে পড়ে। রাস্তায় কোমর সমান জল। নগরীর বহু বাসিন্দা ঈদ জামাতে অংশ নিতে পারেননি। কোরবানি দিতেও সমস্যা হয়।

সিলেট নগরীর মেজরটিলা ইসলামপুরের বিভিন্ন এলাকা, উপশহরের বিভিন্ন এলাকা, তেররতন, যতরপুর, শাপলাবাগ, মাছিমপুর, ছড়ারপাড়. কালীঘাট, সুবহানীঘাট, শিবগঞ্জ, সোনারপাড়া, মিরাবাজার, আগপাড়া, ঝেরঝেরীপাড়া, লামাবাজার, মীরের ময়দান, বাগবাড়ি, মদীনা মার্কেট, কুয়ারপাড় লালা দিঘীর পাড়, কানিশাইল, শাহী ঈদগাহ, খাসদবির, চৌখিদেখি, এয়ারপোর্ট সড়ক ও বিভিন্ন এলাকা প্লাবিত হয়েছে। বিভিন্ন এলাকায় হাঁটু-কোমর সমান জল।

জলমগ্ন এলাকার রাস্তাঘাটে স্রোত। প্রতিটি রাস্তাই ছোটখাটো খালে পরিণত হয়েছে। ড্রেনের নোংরা জল ঘরবাড়িতে প্রবেশ করেছে। খাবার জলের সংকট দেখা দিয়েছে। বৃষ্টির কারণে কারণে কর্তৃপক্ষ ঈদের জামাতের স্থান ও সময় পরিবর্তন করা হয়। নগরের অন্তত ৭০ ভাগ জলমগ্ন। রাস্তাঘাট, বাড়িঘর, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, স্কুল-কলেজ ও মসজিদ-মাদরাসা জল প্রবেশ করেছে।