ঢাকা ০৭:৫৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৫ মে ২০২৬, ১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বাড়ল পেট্রোল-ডিজেলের দাম, কূটনীতিতেও কোণঠাসা ভারত জ্বালানি সহযোগিতায় বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্রের সমঝোতা সই শি জিনপিংয়ের সঙ্গে ‘খুবই সফল’ বৈঠক শেষে বেইজিং ছাড়লেন ট্রাম্প ভারতীয় হাই কমিশনের আয়োজনে ঢাকায় রবীন্দ্র-নজরুল জয়ন্তী উদযাপন মশা নৌবহর: হরমুজ প্রণালিতে ইরানের ছোট নৌকা যেভাবে যুক্তরাষ্ট্রকে চ্যালেঞ্জ দিচ্ছে গরীবের পুষ্টিতে থাবা: গরম ডিম-সবজির বাজার, পেঁয়াজের হাফ সেঞ্চুরী ঈদুল আজহায় টানা ৭ দিনের ছুটি, ঢাকা ছাড়তে পারেন কোটি মানুষ পর্যটকদের নিরাপত্তায় কক্সবাজার-কুয়াকাটা স্বাস্থ্যকেন্দ্র স্থাপনের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার সূচিতে পরিবর্তন: ২০২৭ সালের এসএসসি শুরু ৭ জানুয়ারি, এইচএসসি ৬ জুনে বিয়ের সওদা করতে গিয়ে ৪ ভাইয়ের মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া

গণতন্ত্র সুশাসন ও মানবাধিকার সমুন্নত রাখতে বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র একসঙ্গে কাজ করবে

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১১:২০:১২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৩১ মার্চ ২০২১ ৩৮৩ বার পড়া হয়েছে
ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বাংলাদেশের বিদেশমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন ও মার্কিন বিদেশমন্ত্রী ব্লিঙ্কেন। ছবি: সংগৃহীত

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক

গণতন্ত্র, সুশাসন ও মানবাধিকার সমুন্নত রাখতে একসঙ্গে কাজ করবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং বাংলাদেশ। মার্কিন বিদেশমন্ত্রী ব্লিঙ্কেনের সঙ্গে বাংলাদেশের বিদেশমন্ত্রী ড. এ. কে. আব্দুল মোমেনের এক ফোনালাপে বিষয়গুলো গুরুত্ব পায়।

বিষয়টি ঢাকায় অবস্থিত মার্কিন দূতাবাস এক তাদের বার্তায় জানানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের বিদেশ মন্ত্রকের মানবাধিকার অনুশীলনের ওপর দেশভিত্তিক প্রতিবেদন ২০২০ (কান্ট্রি রিপোর্টস অন হিউম্যান রাইটস প্রাকটিসেস) প্রকাশ করেছে। যুক্তরাষ্ট্রের আইন অনুযায়ী বিদেশ মন্ত্রক প্রতি বছর মানবাধিকার অনুশীলনের অবস্থা তুলে ধরে দেশভিত্তিক বার্ষিক প্রতিবেদন প্রকাশ করে থাকে।

এই প্রতিবেদন তৈরিতে জাতিসংঘের সার্বজনীন মানবাধিকার ঘোষণা এবং তৎপরবর্তী মানবাধিকার চুক্তি সমূহে নির্দেশিত পথ অনুসরণ করা হয়। তবে দেশভিত্তিক এই প্রতিবেদনে কোন ধরনের আইনি সিদ্ধান্ত দেয়া হয় না। বিশ্বের দেশগুলোর জন্য অবস্থান ভিত্তিক কোন ক্রম তালিকা তৈরিও করা হয় না। আদর্শমান অর্জনে ব্যর্থ হয়েছে কিনা তাও ঘোষণা করা হয় না।

যুক্তরাষ্ট্র এমন একটি বিশ্বের প্রতি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ যেখানে মানবাধিকার সুরক্ষিত, এর রক্ষাকারীরা সম্মানিত ও প্রশংসিত, এবং যারা মানবাধিকার লঙ্ঘন করে তাদেরকে জবাবদিহিতার আওতায় আনা হয়।

মানবাধিকারের প্রতি শ্রদ্ধাশীলতা বাড়ানোর কাজটি একা একা করার মতো কোন কাজ নয়। বরং এটি অর্জন করার সর্বোত্তম উপায় হলো বাংলাদেশসহ বিশ্বব্যাপী আমাদের মিত্র ও অংশীদারদের সাথে কাজ করা।

প্রেসিডেন্ট বাইডেন এমন একটি বৈদেশিক নীতির প্রতি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ যা আমাদের কূটনৈতিক নেতৃত্বের সঙ্গে আমাদের গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের মিলন ঘটায় এবং এটি গণতন্ত্র ও মানবাধিকারের সুরক্ষাকেন্দ্রিক বৈদেশিক নীতি।

স্টেট ব্লিঙ্কেনের সঙ্গে মোমেনের গত ২১ ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠিত ফোনালাপে যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশ, উভয়দেশের, সাধারণ চ্যালেঞ্জগুলো নিয়ে আলোচনার পাশাপাশি গণতন্ত্র, সুশাসন ও মানবাধিকার সমুন্নত রাখা ও এগিয়ে নেওয়ার বিষয় গুলো গুরুত্ব পেয়েছে, যার গুরুত্ব আগামীতেও বহাল থাকবে। এই বিষয় গুলো মোকাবেলা ও সমাধানে যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশ বরাবরের মতো একসাথে কাজ করবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

গণতন্ত্র সুশাসন ও মানবাধিকার সমুন্নত রাখতে বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র একসঙ্গে কাজ করবে

আপডেট সময় : ১১:২০:১২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৩১ মার্চ ২০২১

বাংলাদেশের বিদেশমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন ও মার্কিন বিদেশমন্ত্রী ব্লিঙ্কেন। ছবি: সংগৃহীত

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক

গণতন্ত্র, সুশাসন ও মানবাধিকার সমুন্নত রাখতে একসঙ্গে কাজ করবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং বাংলাদেশ। মার্কিন বিদেশমন্ত্রী ব্লিঙ্কেনের সঙ্গে বাংলাদেশের বিদেশমন্ত্রী ড. এ. কে. আব্দুল মোমেনের এক ফোনালাপে বিষয়গুলো গুরুত্ব পায়।

বিষয়টি ঢাকায় অবস্থিত মার্কিন দূতাবাস এক তাদের বার্তায় জানানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের বিদেশ মন্ত্রকের মানবাধিকার অনুশীলনের ওপর দেশভিত্তিক প্রতিবেদন ২০২০ (কান্ট্রি রিপোর্টস অন হিউম্যান রাইটস প্রাকটিসেস) প্রকাশ করেছে। যুক্তরাষ্ট্রের আইন অনুযায়ী বিদেশ মন্ত্রক প্রতি বছর মানবাধিকার অনুশীলনের অবস্থা তুলে ধরে দেশভিত্তিক বার্ষিক প্রতিবেদন প্রকাশ করে থাকে।

এই প্রতিবেদন তৈরিতে জাতিসংঘের সার্বজনীন মানবাধিকার ঘোষণা এবং তৎপরবর্তী মানবাধিকার চুক্তি সমূহে নির্দেশিত পথ অনুসরণ করা হয়। তবে দেশভিত্তিক এই প্রতিবেদনে কোন ধরনের আইনি সিদ্ধান্ত দেয়া হয় না। বিশ্বের দেশগুলোর জন্য অবস্থান ভিত্তিক কোন ক্রম তালিকা তৈরিও করা হয় না। আদর্শমান অর্জনে ব্যর্থ হয়েছে কিনা তাও ঘোষণা করা হয় না।

যুক্তরাষ্ট্র এমন একটি বিশ্বের প্রতি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ যেখানে মানবাধিকার সুরক্ষিত, এর রক্ষাকারীরা সম্মানিত ও প্রশংসিত, এবং যারা মানবাধিকার লঙ্ঘন করে তাদেরকে জবাবদিহিতার আওতায় আনা হয়।

মানবাধিকারের প্রতি শ্রদ্ধাশীলতা বাড়ানোর কাজটি একা একা করার মতো কোন কাজ নয়। বরং এটি অর্জন করার সর্বোত্তম উপায় হলো বাংলাদেশসহ বিশ্বব্যাপী আমাদের মিত্র ও অংশীদারদের সাথে কাজ করা।

প্রেসিডেন্ট বাইডেন এমন একটি বৈদেশিক নীতির প্রতি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ যা আমাদের কূটনৈতিক নেতৃত্বের সঙ্গে আমাদের গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের মিলন ঘটায় এবং এটি গণতন্ত্র ও মানবাধিকারের সুরক্ষাকেন্দ্রিক বৈদেশিক নীতি।

স্টেট ব্লিঙ্কেনের সঙ্গে মোমেনের গত ২১ ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠিত ফোনালাপে যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশ, উভয়দেশের, সাধারণ চ্যালেঞ্জগুলো নিয়ে আলোচনার পাশাপাশি গণতন্ত্র, সুশাসন ও মানবাধিকার সমুন্নত রাখা ও এগিয়ে নেওয়ার বিষয় গুলো গুরুত্ব পেয়েছে, যার গুরুত্ব আগামীতেও বহাল থাকবে। এই বিষয় গুলো মোকাবেলা ও সমাধানে যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশ বরাবরের মতো একসাথে কাজ করবে।