ঢাকা ১২:২৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩১ মে ২০২৬, ১৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
সমঝোতা না হলে ইরানে আবারও হামলার হুঁশিয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের দেশ গঠনে নাগরিক দায়িত্ব আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর ঈদের টানা সাতদিনের ছুটি শেষে সোমবার খুলছে অফিস-আদালত ঢাকায় পশু কোরবানি ৭লাখ: সাভার ট্যানারী পল্লীতে চামড়া  ঢুকেছে সোয়া ৫ লাখ প্রথম ফিরতি ফ্লাইটে  ৪১৯ জন হজযাত্রী ঢাকায় পৌঁছেছেন চামড়া: অর্থনীতিতে আয়ের উৎস, সেই মূল্যবান সম্পদের এমন অর্থহীন পরিণতি! সড়ক নয়, যেন মৃত্যুর উপত্যকা! লোবানের গন্ধে ফিকে ঈদের আনন্দ বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে  উল্লেখযোগ্য পতন, কেন? ঈদুল আজহায় বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী ও জনগণকে নরেন্দ্র মোদীর শুভেচ্ছা দেশজুড়ে উৎসবের আমেজে উদযাপিত পবিত্র ঈদুল আজহা

জামাত-শিবির-হেফাজতের জঙ্গিদের অবিলম্বে বিচার দাবি ওয়ার্কাস পার্টির

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১০:১৪:৫৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ মার্চ ২০২১ ৩০০ বার পড়া হয়েছে
ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক, ঢাকা

গত কয়েকদিন ধরে জামাত-শিবির ও হেফাজত  দেশব্যাপী সন্ত্রাস চালিয়ে হত্যা, ভাংচুর, অগ্নিসংযোগ করে রাষ্ট্রীয় সম্পদের ক্ষতিসাধান করেছে বলে জানিয়েছে মহানগর ওয়ার্কার্স পার্টি।

সোমবার বিকেল ৪টায় বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টি ঢাকা মহানগর আয়োজিত এক বিক্ষোভ সমাবেশে পার্টির নেতৃবৃন্দ এ কথা বলেন। পার্টি কার্যালয়ের সামনে থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল শুরু হয় এবং জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে এক সংক্ষিপ্ত সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

পার্টির মহানগর সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা কমরেড আবুল হোসাইনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সমাবেশে বক্তব্য রাখেন, কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য কমরেড জাকির হোসেন রাজু, কমরেড মোস্তফা আলমগীর রতন, মহানগর সাধারণ সম্পাদক কমরেড কিশোর রায়, কমরেড শাহানা ফেরদৌসি লাকী, কমরেড মোঃ তৌহিদ প্রমুখ।

বক্তারা বলেন, তারা এমন সময় এই সন্ত্রাস সৃষ্টি করেছে যখন বাংলাদেশের স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী ও স্বাধীনতার মহান স্থপতি বঙ্গবন্ধুর জন্ম শতবার্ষিকীর অনুষ্ঠান চলছিল। এই জঙ্গিদের মূল উদ্দেশ্য ছিল দেশে অরাজগতা সৃষ্টি করে স্বাধীনতার সুর্বণজয়ন্তী ও বঙ্গবন্ধুর জন্মশত বার্ষিকী অনুষ্ঠান ভন্ডুল করা।

জঙ্গিদের ঔদ্ধত্য এতটাই ছিল যে, তারা থানা ও পুলিশ ফাঁড়িতে হামলা চালিয়েছে। তারা বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও স্বার্বভৌমত্বে বিশ্বাস করে না, জাতীয় সঙ্গীতকে সম্মান জানায় না। ওরা এতদিন সরকারি একটি অংশের ছত্রছায়ার বেড়ে উঠেছে। এদের এখনই নির্মূল করতে না পারলে বাংলাদেশের সংবিধান ও রাষ্ট্র ব্যবস্থায় সংকট সৃষ্টি হবে।

এই সাম্প্রদায়িক মৌলবাদি গোষ্ঠী সংবিধানের মৌলিক চারনীতি গণতন্ত্র, সমাজতন্ত্র, ধর্মনিরপেক্ষতা ও বাঙালি জাতীয়তাবাদে বিশ্বাস করে না। ওরা দেশদ্রোহী। এই জঙ্গীদের অবিলম্বে গ্রেফতার, বিচার ও নিষিদ্ধ করতে হবে। তা না হলে দেশে এক ভয়াবহ সংকট সৃষ্টি হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

জামাত-শিবির-হেফাজতের জঙ্গিদের অবিলম্বে বিচার দাবি ওয়ার্কাস পার্টির

আপডেট সময় : ১০:১৪:৫৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ মার্চ ২০২১

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক, ঢাকা

গত কয়েকদিন ধরে জামাত-শিবির ও হেফাজত  দেশব্যাপী সন্ত্রাস চালিয়ে হত্যা, ভাংচুর, অগ্নিসংযোগ করে রাষ্ট্রীয় সম্পদের ক্ষতিসাধান করেছে বলে জানিয়েছে মহানগর ওয়ার্কার্স পার্টি।

সোমবার বিকেল ৪টায় বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টি ঢাকা মহানগর আয়োজিত এক বিক্ষোভ সমাবেশে পার্টির নেতৃবৃন্দ এ কথা বলেন। পার্টি কার্যালয়ের সামনে থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল শুরু হয় এবং জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে এক সংক্ষিপ্ত সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

পার্টির মহানগর সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা কমরেড আবুল হোসাইনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সমাবেশে বক্তব্য রাখেন, কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য কমরেড জাকির হোসেন রাজু, কমরেড মোস্তফা আলমগীর রতন, মহানগর সাধারণ সম্পাদক কমরেড কিশোর রায়, কমরেড শাহানা ফেরদৌসি লাকী, কমরেড মোঃ তৌহিদ প্রমুখ।

বক্তারা বলেন, তারা এমন সময় এই সন্ত্রাস সৃষ্টি করেছে যখন বাংলাদেশের স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী ও স্বাধীনতার মহান স্থপতি বঙ্গবন্ধুর জন্ম শতবার্ষিকীর অনুষ্ঠান চলছিল। এই জঙ্গিদের মূল উদ্দেশ্য ছিল দেশে অরাজগতা সৃষ্টি করে স্বাধীনতার সুর্বণজয়ন্তী ও বঙ্গবন্ধুর জন্মশত বার্ষিকী অনুষ্ঠান ভন্ডুল করা।

জঙ্গিদের ঔদ্ধত্য এতটাই ছিল যে, তারা থানা ও পুলিশ ফাঁড়িতে হামলা চালিয়েছে। তারা বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও স্বার্বভৌমত্বে বিশ্বাস করে না, জাতীয় সঙ্গীতকে সম্মান জানায় না। ওরা এতদিন সরকারি একটি অংশের ছত্রছায়ার বেড়ে উঠেছে। এদের এখনই নির্মূল করতে না পারলে বাংলাদেশের সংবিধান ও রাষ্ট্র ব্যবস্থায় সংকট সৃষ্টি হবে।

এই সাম্প্রদায়িক মৌলবাদি গোষ্ঠী সংবিধানের মৌলিক চারনীতি গণতন্ত্র, সমাজতন্ত্র, ধর্মনিরপেক্ষতা ও বাঙালি জাতীয়তাবাদে বিশ্বাস করে না। ওরা দেশদ্রোহী। এই জঙ্গীদের অবিলম্বে গ্রেফতার, বিচার ও নিষিদ্ধ করতে হবে। তা না হলে দেশে এক ভয়াবহ সংকট সৃষ্টি হবে।