ঢাকা ০১:৩৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৭ মার্চ ২০২৬, ২৩ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ইরান যুদ্ধ নিয়ে মুখ খুললেন পুতিন তেহরানের বিমানবন্দরে বিস্ফোরণ, পাল্টা ক্ষেপণাস্ত্র হামলা ইরানের ইরান যুদ্ধের প্রথম ১০০ ঘণ্টায় যুক্তরাষ্ট্রের ব্যয় ৩.৭ বিলিয়ন ডলার ইরান জয়ের ভাবনায় ট্রাম্পের সব হিসাব-নিকাশ পাল্টে যাচ্ছে সাবেক দুই উপদেষ্টার গ্রেপ্তার দাবিতে উত্তাল কর্মসূচি ঘোষণা, রাজপথে নামছে জামায়াত চলমান জীবনের গল্প: কফির ধোঁয়ায় তিন বন্ধুর আড্ডা যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের হামলায় যুক্ত হবেন না, সাফ জানালেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী মার্কিন তেলবাহী জাহাজে হামলার দাবি আইআরজিসির ইরানের সঙ্গে যুদ্ধে চরম মাশুল গুনছে ইসরায়েল, সপ্তাহে ক্ষতি ৯ বিলিয়ন শেকেল কৃষি ও জেলেদের সুরক্ষায় ইলিশা-রাজাপুর খাল পুনঃখননের দাবিতে মন্ত্রণালয়ে স্মারকলিপি

জাতীয় মহিলা সংস্থায় বঙ্গমাতা জাদুঘর এবং বঙ্গবন্ধু কর্ণার উদ্বোধন

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১০:১০:১৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ মার্চ ২০২১ ৩৫৯ বার পড়া হয়েছে
ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক, ঢাকা 
মুজিববর্ষ ও স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীতে জাতীয় মহিলা সংস্থায় ‘বঙ্গমাতা জাদুঘর ও বঙ্গবন্ধু কর্ণার’ উদ্বোধন করলেন মহিলা ও শিশু বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ফজিলাতুন নেসা ইন্দিরা।

আজ সোমবার রাজধানীর বেইলি রোডে জাতীয় মহিলা সংস্থা ভবনে তিনি প্রধান অতিথি হিসেবে বঙ্গমাতা জাদুঘর ও মুজিব কর্ণার উদ্বোধন করেন। এর মাধ্যমে জাতীয় মহিলা সংস্থায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুননেছা মুজিবের জীবন, কর্ম ও আদর্শের ওপর বই, ছবি,  ভিডিওডকুমেন্টারি ও বিভিন্ন বিষয়ে সমৃদ্ধ সংগ্রহশালা তৈরি করা হয়েছে।

বঙ্গমাতা জাদুঘর ও মুজিব কর্ণার উদ্বোধনকালে মহিলা ও শিশু বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ফজিলাতুন নেসা ইন্দিরা বলেন, জাতির পিতা আজীবন নারীর ক্ষমতায়ন ও সমতা প্রতিষ্ঠায় সচেষ্ট ছিলেন। তিনি সংবিধানে নারীর অধিকার নিশ্চিত করেন। মুক্তিযুদ্ধে নির্যাতিত নারীদের পূনর্বাসনের জন্য নারী পুনর্বাসন বোর্ড গঠন করেন। নারীদের অর্থনৈতিক ক্ষমতায়নের জন্য কুটির শিল্পসহ কর্মমুখী প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করেন। বঙ্গমাতা নির্যাতিত নারীদের পূনর্বাসন ও চিকিৎসার ব্যবস্থা করেন। বঙ্গমাতা জাতির পিতার বিশ্বস্ত সহচর ও সাহসী শক্তি হয়ে আজীবন পাশে ছিলেন। মহান মুক্তিযুদ্ধে তার রয়েছে অপরিসীম অবদান।

প্রতিমন্ত্রী ইন্দিরা আরও বলেন, বঙ্গমাতা জাদুঘর ও বঙ্গবন্ধু কর্ণারে স্থাপিত বই, ছবি ও ঐতিহাসিক বিষয় নতুন প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করবে। যার মাধ্যমে বঙ্গমাতা ও বঙ্গবন্ধুর জীবন, আদর্শ ও মুক্তিযুদ্ধের  চেতনা ছড়িয়ে যাবে। এটা জাতীয় মহিলা সংস্থার অত্যন্ত প্রশংসনীয় একটা উদ্যোগ।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. সায়েদুল ইসলাম বলেন, জাতির পিতা সংবিধানে নারীর অধিকার নিশ্চিত করেন। তিনি সর্বস্তরে নারীর ক্ষমতায়নের জন্য কার্যক্রম গ্রহণ করেন।

জাতীয় মহিলা সংস্থার চেয়ারম্যান চেমন আরা তৈয়বের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের মহাপরিচালক রাম চন্দ্র দাস, জয়িতা ফাউন্ডেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আফরোজা খান, শিশু একাডেমির মহাপরিচালক জ্যোতি লাল কুরী, অতিরিক্ত সচিব ফরিদা পারভীন, অতিরিক্ত সচিব ড. মহিউদ্দীন আহমেদ, জাতীয় মহিলা সংস্থার নির্বাহী পরিচালক বেগম মাকসুরা নূর এবং জাতীয় মহিলা সংস্থার নির্বাহী ও পরিচালনা পরিষদের সদস্যবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

জাতীয় মহিলা সংস্থায় বঙ্গমাতা জাদুঘর এবং বঙ্গবন্ধু কর্ণার উদ্বোধন

আপডেট সময় : ১০:১০:১৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ মার্চ ২০২১
ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক, ঢাকা 
মুজিববর্ষ ও স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীতে জাতীয় মহিলা সংস্থায় ‘বঙ্গমাতা জাদুঘর ও বঙ্গবন্ধু কর্ণার’ উদ্বোধন করলেন মহিলা ও শিশু বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ফজিলাতুন নেসা ইন্দিরা।

আজ সোমবার রাজধানীর বেইলি রোডে জাতীয় মহিলা সংস্থা ভবনে তিনি প্রধান অতিথি হিসেবে বঙ্গমাতা জাদুঘর ও মুজিব কর্ণার উদ্বোধন করেন। এর মাধ্যমে জাতীয় মহিলা সংস্থায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুননেছা মুজিবের জীবন, কর্ম ও আদর্শের ওপর বই, ছবি,  ভিডিওডকুমেন্টারি ও বিভিন্ন বিষয়ে সমৃদ্ধ সংগ্রহশালা তৈরি করা হয়েছে।

বঙ্গমাতা জাদুঘর ও মুজিব কর্ণার উদ্বোধনকালে মহিলা ও শিশু বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ফজিলাতুন নেসা ইন্দিরা বলেন, জাতির পিতা আজীবন নারীর ক্ষমতায়ন ও সমতা প্রতিষ্ঠায় সচেষ্ট ছিলেন। তিনি সংবিধানে নারীর অধিকার নিশ্চিত করেন। মুক্তিযুদ্ধে নির্যাতিত নারীদের পূনর্বাসনের জন্য নারী পুনর্বাসন বোর্ড গঠন করেন। নারীদের অর্থনৈতিক ক্ষমতায়নের জন্য কুটির শিল্পসহ কর্মমুখী প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করেন। বঙ্গমাতা নির্যাতিত নারীদের পূনর্বাসন ও চিকিৎসার ব্যবস্থা করেন। বঙ্গমাতা জাতির পিতার বিশ্বস্ত সহচর ও সাহসী শক্তি হয়ে আজীবন পাশে ছিলেন। মহান মুক্তিযুদ্ধে তার রয়েছে অপরিসীম অবদান।

প্রতিমন্ত্রী ইন্দিরা আরও বলেন, বঙ্গমাতা জাদুঘর ও বঙ্গবন্ধু কর্ণারে স্থাপিত বই, ছবি ও ঐতিহাসিক বিষয় নতুন প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করবে। যার মাধ্যমে বঙ্গমাতা ও বঙ্গবন্ধুর জীবন, আদর্শ ও মুক্তিযুদ্ধের  চেতনা ছড়িয়ে যাবে। এটা জাতীয় মহিলা সংস্থার অত্যন্ত প্রশংসনীয় একটা উদ্যোগ।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. সায়েদুল ইসলাম বলেন, জাতির পিতা সংবিধানে নারীর অধিকার নিশ্চিত করেন। তিনি সর্বস্তরে নারীর ক্ষমতায়নের জন্য কার্যক্রম গ্রহণ করেন।

জাতীয় মহিলা সংস্থার চেয়ারম্যান চেমন আরা তৈয়বের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের মহাপরিচালক রাম চন্দ্র দাস, জয়িতা ফাউন্ডেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আফরোজা খান, শিশু একাডেমির মহাপরিচালক জ্যোতি লাল কুরী, অতিরিক্ত সচিব ফরিদা পারভীন, অতিরিক্ত সচিব ড. মহিউদ্দীন আহমেদ, জাতীয় মহিলা সংস্থার নির্বাহী পরিচালক বেগম মাকসুরা নূর এবং জাতীয় মহিলা সংস্থার নির্বাহী ও পরিচালনা পরিষদের সদস্যবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।