ঢাকা ০৬:২৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক জোরদারে ঢাকা-নয়াদিল্লির নতুন প্রত্যাশা খুব দ্রুত বিশ্ববাজারে কমবে জ্বালানি তেলের দাম: ট্রাম্প ইসরায়েলে বহুমুখী হামলার প্রস্তুতি, মিত্রদের একজোট করছে ইরান এলএনজি সংরক্ষণ ও গ্যাসে রূপান্তরে বিনিয়োগে আগ্রহী যুক্তরাষ্ট্র নিউ মেক্সিকো’র নাম পরিবর্তন করে নিউ আমেরিকা রাখার প্রস্তাব ট্রাম্পের রোহিঙ্গা সংকট বাংলাদেশের অন্যতম বড় সংকট : প্রধানমন্ত্রী সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অবৈধ ব্যাটারিচালিত অটো নিয়ন্ত্রণে কঠোর পদক্ষেপ গঙ্গার পানির ন্যায্য হিস্যা নিশ্চিতের আহ্বান জনপ্রশাসন উপদেষ্টার ডেঙ্গুর ভয়াবহ ছোবল একদিনে রেকর্ড ১,৫৫৮ ভর্তি, মৃত্যু ৪ বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক সুদৃঢ় করতে সাংস্কৃতিক আদান-প্রদানে গুরুত্ব

জাতীয় মহিলা সংস্থায় বঙ্গমাতা জাদুঘর এবং বঙ্গবন্ধু কর্ণার উদ্বোধন

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১০:১০:১৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ মার্চ ২০২১ ৪০৭ বার পড়া হয়েছে
ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক, ঢাকা 
মুজিববর্ষ ও স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীতে জাতীয় মহিলা সংস্থায় ‘বঙ্গমাতা জাদুঘর ও বঙ্গবন্ধু কর্ণার’ উদ্বোধন করলেন মহিলা ও শিশু বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ফজিলাতুন নেসা ইন্দিরা।

আজ সোমবার রাজধানীর বেইলি রোডে জাতীয় মহিলা সংস্থা ভবনে তিনি প্রধান অতিথি হিসেবে বঙ্গমাতা জাদুঘর ও মুজিব কর্ণার উদ্বোধন করেন। এর মাধ্যমে জাতীয় মহিলা সংস্থায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুননেছা মুজিবের জীবন, কর্ম ও আদর্শের ওপর বই, ছবি,  ভিডিওডকুমেন্টারি ও বিভিন্ন বিষয়ে সমৃদ্ধ সংগ্রহশালা তৈরি করা হয়েছে।

বঙ্গমাতা জাদুঘর ও মুজিব কর্ণার উদ্বোধনকালে মহিলা ও শিশু বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ফজিলাতুন নেসা ইন্দিরা বলেন, জাতির পিতা আজীবন নারীর ক্ষমতায়ন ও সমতা প্রতিষ্ঠায় সচেষ্ট ছিলেন। তিনি সংবিধানে নারীর অধিকার নিশ্চিত করেন। মুক্তিযুদ্ধে নির্যাতিত নারীদের পূনর্বাসনের জন্য নারী পুনর্বাসন বোর্ড গঠন করেন। নারীদের অর্থনৈতিক ক্ষমতায়নের জন্য কুটির শিল্পসহ কর্মমুখী প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করেন। বঙ্গমাতা নির্যাতিত নারীদের পূনর্বাসন ও চিকিৎসার ব্যবস্থা করেন। বঙ্গমাতা জাতির পিতার বিশ্বস্ত সহচর ও সাহসী শক্তি হয়ে আজীবন পাশে ছিলেন। মহান মুক্তিযুদ্ধে তার রয়েছে অপরিসীম অবদান।

প্রতিমন্ত্রী ইন্দিরা আরও বলেন, বঙ্গমাতা জাদুঘর ও বঙ্গবন্ধু কর্ণারে স্থাপিত বই, ছবি ও ঐতিহাসিক বিষয় নতুন প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করবে। যার মাধ্যমে বঙ্গমাতা ও বঙ্গবন্ধুর জীবন, আদর্শ ও মুক্তিযুদ্ধের  চেতনা ছড়িয়ে যাবে। এটা জাতীয় মহিলা সংস্থার অত্যন্ত প্রশংসনীয় একটা উদ্যোগ।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. সায়েদুল ইসলাম বলেন, জাতির পিতা সংবিধানে নারীর অধিকার নিশ্চিত করেন। তিনি সর্বস্তরে নারীর ক্ষমতায়নের জন্য কার্যক্রম গ্রহণ করেন।

জাতীয় মহিলা সংস্থার চেয়ারম্যান চেমন আরা তৈয়বের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের মহাপরিচালক রাম চন্দ্র দাস, জয়িতা ফাউন্ডেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আফরোজা খান, শিশু একাডেমির মহাপরিচালক জ্যোতি লাল কুরী, অতিরিক্ত সচিব ফরিদা পারভীন, অতিরিক্ত সচিব ড. মহিউদ্দীন আহমেদ, জাতীয় মহিলা সংস্থার নির্বাহী পরিচালক বেগম মাকসুরা নূর এবং জাতীয় মহিলা সংস্থার নির্বাহী ও পরিচালনা পরিষদের সদস্যবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

জাতীয় মহিলা সংস্থায় বঙ্গমাতা জাদুঘর এবং বঙ্গবন্ধু কর্ণার উদ্বোধন

আপডেট সময় : ১০:১০:১৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ মার্চ ২০২১
ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক, ঢাকা 
মুজিববর্ষ ও স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীতে জাতীয় মহিলা সংস্থায় ‘বঙ্গমাতা জাদুঘর ও বঙ্গবন্ধু কর্ণার’ উদ্বোধন করলেন মহিলা ও শিশু বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ফজিলাতুন নেসা ইন্দিরা।

আজ সোমবার রাজধানীর বেইলি রোডে জাতীয় মহিলা সংস্থা ভবনে তিনি প্রধান অতিথি হিসেবে বঙ্গমাতা জাদুঘর ও মুজিব কর্ণার উদ্বোধন করেন। এর মাধ্যমে জাতীয় মহিলা সংস্থায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুননেছা মুজিবের জীবন, কর্ম ও আদর্শের ওপর বই, ছবি,  ভিডিওডকুমেন্টারি ও বিভিন্ন বিষয়ে সমৃদ্ধ সংগ্রহশালা তৈরি করা হয়েছে।

বঙ্গমাতা জাদুঘর ও মুজিব কর্ণার উদ্বোধনকালে মহিলা ও শিশু বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ফজিলাতুন নেসা ইন্দিরা বলেন, জাতির পিতা আজীবন নারীর ক্ষমতায়ন ও সমতা প্রতিষ্ঠায় সচেষ্ট ছিলেন। তিনি সংবিধানে নারীর অধিকার নিশ্চিত করেন। মুক্তিযুদ্ধে নির্যাতিত নারীদের পূনর্বাসনের জন্য নারী পুনর্বাসন বোর্ড গঠন করেন। নারীদের অর্থনৈতিক ক্ষমতায়নের জন্য কুটির শিল্পসহ কর্মমুখী প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করেন। বঙ্গমাতা নির্যাতিত নারীদের পূনর্বাসন ও চিকিৎসার ব্যবস্থা করেন। বঙ্গমাতা জাতির পিতার বিশ্বস্ত সহচর ও সাহসী শক্তি হয়ে আজীবন পাশে ছিলেন। মহান মুক্তিযুদ্ধে তার রয়েছে অপরিসীম অবদান।

প্রতিমন্ত্রী ইন্দিরা আরও বলেন, বঙ্গমাতা জাদুঘর ও বঙ্গবন্ধু কর্ণারে স্থাপিত বই, ছবি ও ঐতিহাসিক বিষয় নতুন প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করবে। যার মাধ্যমে বঙ্গমাতা ও বঙ্গবন্ধুর জীবন, আদর্শ ও মুক্তিযুদ্ধের  চেতনা ছড়িয়ে যাবে। এটা জাতীয় মহিলা সংস্থার অত্যন্ত প্রশংসনীয় একটা উদ্যোগ।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. সায়েদুল ইসলাম বলেন, জাতির পিতা সংবিধানে নারীর অধিকার নিশ্চিত করেন। তিনি সর্বস্তরে নারীর ক্ষমতায়নের জন্য কার্যক্রম গ্রহণ করেন।

জাতীয় মহিলা সংস্থার চেয়ারম্যান চেমন আরা তৈয়বের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের মহাপরিচালক রাম চন্দ্র দাস, জয়িতা ফাউন্ডেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আফরোজা খান, শিশু একাডেমির মহাপরিচালক জ্যোতি লাল কুরী, অতিরিক্ত সচিব ফরিদা পারভীন, অতিরিক্ত সচিব ড. মহিউদ্দীন আহমেদ, জাতীয় মহিলা সংস্থার নির্বাহী পরিচালক বেগম মাকসুরা নূর এবং জাতীয় মহিলা সংস্থার নির্বাহী ও পরিচালনা পরিষদের সদস্যবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।