ঢাকা ০৫:৫১ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক জোরদারে ঢাকা-নয়াদিল্লির নতুন প্রত্যাশা খুব দ্রুত বিশ্ববাজারে কমবে জ্বালানি তেলের দাম: ট্রাম্প ইসরায়েলে বহুমুখী হামলার প্রস্তুতি, মিত্রদের একজোট করছে ইরান এলএনজি সংরক্ষণ ও গ্যাসে রূপান্তরে বিনিয়োগে আগ্রহী যুক্তরাষ্ট্র নিউ মেক্সিকো’র নাম পরিবর্তন করে নিউ আমেরিকা রাখার প্রস্তাব ট্রাম্পের রোহিঙ্গা সংকট বাংলাদেশের অন্যতম বড় সংকট : প্রধানমন্ত্রী সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অবৈধ ব্যাটারিচালিত অটো নিয়ন্ত্রণে কঠোর পদক্ষেপ গঙ্গার পানির ন্যায্য হিস্যা নিশ্চিতের আহ্বান জনপ্রশাসন উপদেষ্টার ডেঙ্গুর ভয়াবহ ছোবল একদিনে রেকর্ড ১,৫৫৮ ভর্তি, মৃত্যু ৪ বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক সুদৃঢ় করতে সাংস্কৃতিক আদান-প্রদানে গুরুত্ব

সতর্কসংকেত ছাড়াই ৩০ থেকে ৬০ মিনিটের অন্ধ হয়ে যেতে পারেন!

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১১:২৪:২৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১০ জানুয়ারী ২০২৪ ৪৫৭ বার পড়া হয়েছে

আগাম কোনো সংকেত ছাড়াই অনেক সময় দৃষ্টিশক্তি হারিয়ে ফেলে মানুষ ছবি: সংগৃহীত

ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

 

রক্ত প্রবাহে প্লাগ বা বাধা থাকলে প্লাগ গলানোর ইনজেকশন দেওয়া হয়

চোখের ওপর বিশেষ চাপ দিয়ে প্লাগ সরানোর ব্যবস্থা নেওয়া যায়

 

ভয়েস হেলথ ডেক্স

আগাম কোনো সতর্কসংকেত ছাড়াই অনেক ক্ষেত্রে কোন ব্যক্তি দৃষ্টিশক্তি হারিয়ে ফেলতে পারেন। ঘুমের মধ্যেও আচমকা ঘটতে পারে।

এই অন্ধত্ব সাধারণত ৩০ থেকে ৬০ মিনিটের মধ্যে ঘটে থাকে। একারণে চিকিৎসকের কাছে পৌঁছানোর পরও অনেক সময় রোগীর দৃষ্টি শক্তি

ফেরানো সম্ভব হয় না।

কেন এমন হতে পারে ?

চোখের মারাত্মক কোনো আঘাত।

রেটিনার রোগ।

চোখের ধমনির হঠাৎ রক্ত সঞ্চালন বন্ধ হওয়া।

চোখের অপটিক স্নায়ুর মারাত্মক প্রদাহ।

ডায়াবেটিস

উচ্চ রক্তচাপ।

হৃদ্রোগের জটিলতা।

ধমনির নিজস্ব রোগ, প্রদাহ।

রেটিনা ডিসপ্লেসমেন্ট।

এর মধ্যে চোখের কেন্দ্রীয় রক্ত ধমনির সঞ্চালন (সিআরএও নামে পরিচিত) হঠাৎ বন্ধ হয়ে যাওয়া অন্যতম কারণ।

শরীরের রক্ত প্রবাহের মধ্যে যদি কোনো জমাট বস্তু বাধা (প্লাগ) সৃষ্টি করে, তবে ধমনির পরবর্তী অংশ রক্তশূন্যতায় ভোগে। শরীরের

সংবেদনশীল এলাকাগুলোর যেমন মস্তিষ্ক, হৃৎপিণ্ড কিংবা চোখের স্নায়ু স্তর বা রেটিনা অন্যতম।

লক্ষণ কী

মাথায় বা চোখের আঘাত না হলে রোগী সাধারণত কোনো যন্ত্রণা ছাড়াই হঠাৎ ঝাপসা বোধ করতে থাকেন। এক চোখ বা দুই চোখেও

এটা হতে পারে।

রোগীর কাছে দুপুরকে হঠাৎ মনে হতে পারে সন্ধ্যা

রোগীর কাছে দুপুরকে হঠাৎ মনে হতে পারে সন্ধ্যা। মনে হতে পারে কালো একটা ছায়া নিচে নেমে আসছে আর ঝাপসা হয়ে আসছে

দৃষ্টি। কোনো ব্যথা, জ্বালা-যন্ত্রণা, পানি পড়া বা পিঁচুটি ছাড়াই এমনটি হতে পারে। চোখের সামনে সবকিছু অন্ধকার। ক্ষেত্রবিশেষে সামনে

হয়তো বিদ্যুৎ চমকানি বা আলোর ছটা দেখতে পারেন।

তখন বিলম্ব না করে তাড়াতাড়ি সম্ভব চক্ষুবিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিতে হবে। চক্ষুবিশেষজ্ঞ যত তাড়াতাড়ি রোগীকে হাতে পাবেন (৩০-৬০ মিনিট),

ততই ফলাফল ভালো হতে পারে।

রক্ত প্রবাহে প্লাগ বা বাধা থাকলে প্লাগ গলানোর ইনজেকশন দেওয়া এবং চোখের ওপর বিশেষ চাপ দিয়ে প্লাগ সরানোর ব্যবস্থা নেওয়া যায়।

মনে রাখা দরকার, চোখের স্নায়ু স্তর (রেটিনা) কোষ দেহের কেন্দ্রীয় স্নায়ুর অংশ, যথাযথ রক্ত প্রবাহ ছাড়া যা মোটেও টিকে থাকতে পারে না।

একবার এ ধরনের কোষের মৃত্যু হলে তাকে আর বাঁচানো সম্ভব হয় না।

তাই পরিণামে স্থায়ী অন্ধত্ব বরণ করে নেওয়া ছাড়া আর কোনো পথ থাকে না। এমনটিই জানালেন চক্ষুবিশেষজ্ঞ ও ফেকো সার্জন ডা. আহসান কবির।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

সতর্কসংকেত ছাড়াই ৩০ থেকে ৬০ মিনিটের অন্ধ হয়ে যেতে পারেন!

আপডেট সময় : ১১:২৪:২৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১০ জানুয়ারী ২০২৪

 

রক্ত প্রবাহে প্লাগ বা বাধা থাকলে প্লাগ গলানোর ইনজেকশন দেওয়া হয়

চোখের ওপর বিশেষ চাপ দিয়ে প্লাগ সরানোর ব্যবস্থা নেওয়া যায়

 

ভয়েস হেলথ ডেক্স

আগাম কোনো সতর্কসংকেত ছাড়াই অনেক ক্ষেত্রে কোন ব্যক্তি দৃষ্টিশক্তি হারিয়ে ফেলতে পারেন। ঘুমের মধ্যেও আচমকা ঘটতে পারে।

এই অন্ধত্ব সাধারণত ৩০ থেকে ৬০ মিনিটের মধ্যে ঘটে থাকে। একারণে চিকিৎসকের কাছে পৌঁছানোর পরও অনেক সময় রোগীর দৃষ্টি শক্তি

ফেরানো সম্ভব হয় না।

কেন এমন হতে পারে ?

চোখের মারাত্মক কোনো আঘাত।

রেটিনার রোগ।

চোখের ধমনির হঠাৎ রক্ত সঞ্চালন বন্ধ হওয়া।

চোখের অপটিক স্নায়ুর মারাত্মক প্রদাহ।

ডায়াবেটিস

উচ্চ রক্তচাপ।

হৃদ্রোগের জটিলতা।

ধমনির নিজস্ব রোগ, প্রদাহ।

রেটিনা ডিসপ্লেসমেন্ট।

এর মধ্যে চোখের কেন্দ্রীয় রক্ত ধমনির সঞ্চালন (সিআরএও নামে পরিচিত) হঠাৎ বন্ধ হয়ে যাওয়া অন্যতম কারণ।

শরীরের রক্ত প্রবাহের মধ্যে যদি কোনো জমাট বস্তু বাধা (প্লাগ) সৃষ্টি করে, তবে ধমনির পরবর্তী অংশ রক্তশূন্যতায় ভোগে। শরীরের

সংবেদনশীল এলাকাগুলোর যেমন মস্তিষ্ক, হৃৎপিণ্ড কিংবা চোখের স্নায়ু স্তর বা রেটিনা অন্যতম।

লক্ষণ কী

মাথায় বা চোখের আঘাত না হলে রোগী সাধারণত কোনো যন্ত্রণা ছাড়াই হঠাৎ ঝাপসা বোধ করতে থাকেন। এক চোখ বা দুই চোখেও

এটা হতে পারে।

রোগীর কাছে দুপুরকে হঠাৎ মনে হতে পারে সন্ধ্যা

রোগীর কাছে দুপুরকে হঠাৎ মনে হতে পারে সন্ধ্যা। মনে হতে পারে কালো একটা ছায়া নিচে নেমে আসছে আর ঝাপসা হয়ে আসছে

দৃষ্টি। কোনো ব্যথা, জ্বালা-যন্ত্রণা, পানি পড়া বা পিঁচুটি ছাড়াই এমনটি হতে পারে। চোখের সামনে সবকিছু অন্ধকার। ক্ষেত্রবিশেষে সামনে

হয়তো বিদ্যুৎ চমকানি বা আলোর ছটা দেখতে পারেন।

তখন বিলম্ব না করে তাড়াতাড়ি সম্ভব চক্ষুবিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিতে হবে। চক্ষুবিশেষজ্ঞ যত তাড়াতাড়ি রোগীকে হাতে পাবেন (৩০-৬০ মিনিট),

ততই ফলাফল ভালো হতে পারে।

রক্ত প্রবাহে প্লাগ বা বাধা থাকলে প্লাগ গলানোর ইনজেকশন দেওয়া এবং চোখের ওপর বিশেষ চাপ দিয়ে প্লাগ সরানোর ব্যবস্থা নেওয়া যায়।

মনে রাখা দরকার, চোখের স্নায়ু স্তর (রেটিনা) কোষ দেহের কেন্দ্রীয় স্নায়ুর অংশ, যথাযথ রক্ত প্রবাহ ছাড়া যা মোটেও টিকে থাকতে পারে না।

একবার এ ধরনের কোষের মৃত্যু হলে তাকে আর বাঁচানো সম্ভব হয় না।

তাই পরিণামে স্থায়ী অন্ধত্ব বরণ করে নেওয়া ছাড়া আর কোনো পথ থাকে না। এমনটিই জানালেন চক্ষুবিশেষজ্ঞ ও ফেকো সার্জন ডা. আহসান কবির।