ঢাকা ০৩:১৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬, ১১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
এলএনজি টার্মিনাল সচলে আরও পাঁচ দিন দেশজুড়ে গ্যাস সংকট তীব্র, বাসা-বাড়ি, শিল্প ও যানবাহনে চরম ভোগান্তি পরিবেশের মারাত্মক প্রভাবে হুমকির মুখে সুন্দরবন সশস্ত্র বাহিনীকে দলীয় হাতিয়ার হতে দেওয়া হবে না বিশ্ব ঐতিহ্যের তালিকায় স্থান ভারতের ঐতিহাসিক বৌদ্ধ তীর্থস্থান সারনাথ স্বামীর নির্যাতন বরিশালে আওয়ামী লীগ নেত্রীর আত্মহত্যা রোববার বঙ্গভবন ছাড়ছেন সদ্যবিদায়ি রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন সংবিধানের ৫৪ অনুচ্ছেদ মেনে রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব গ্রহণ করেছি: স্পিকার রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন তাঁর পদত্যাগপত্রে যা লিখেন রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের গুঞ্জন আপনারা যেমন শুনেছেন, আমিও তেমনই শুনেছি  স্পিকার রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন পদত্যাগ করতে যাচ্ছেন, জোরালো হচ্ছে রাজনৈতিক আলোচনা

নির্বাচন উপলক্ষ্যে সেনা মোতায়েন

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১১:০০:৪৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৩ জানুয়ারী ২০২৪ ৩৭১ বার পড়া হয়েছে

ছবি সংগ্রহ

ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

 

নিজস্ব প্রতিনিধি, ঢাকা

দ্বাদশ জাতীয় নির্বাচন উপলক্ষে ৩ থেকে ১০ জানুয়ারি পর্যন্ত ৮ দিন মাঠে থাকবে সেনাবাহিনী। বেসামরিক প্রশাসনকে সহায়তা করতে সেনা

মোতায়েনের এই সিদ্ধান্ত নেয় নির্বাচন কমিশন (ইসি)। রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন সেনা মোতায়েনের অনুমতি দিয়েছেন।

হাতে সময় মাত্র চারদিন। বাংলাদেশের দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনের ভোট গ্রহণে প্রস্তুত নির্বাচন কমিশন। বুধবার থেকে সাতদিনের জন্য দেশজুড়ে

সেনা মোতায়েন করা হয়েছে। ৩-১০ জানুয়ারি পর্যন্ত ৬২ জেলায় দায়িত্ব পালন করবেন তারা। উপকূলের ১৯টি উপজেলায় দায়িত্ব পালন করবে

নৌবাহিনী। পাশাপাশি পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলের জন্য প্রস্তুত বিমান বাহিনীর হেলিকপ্টার। সীমান্তে বিজিবি ও উপকূলে কোস্টগার্ডের সঙ্গে থাকবে সেনাবাহিনী।

আন্তঃকাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) জানিয়েছে, আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন

করতে স্থানীয় বেসামরিক প্রশাসনকে সহায়তা প্রদানের লক্ষ্যে ইন এইড টু দ্য সিভিল পাওয়ার-এর আওতায় সশস্ত্র বাহিনী নিয়োজিত হয়েছে।

সশস্ত্র বাহিনী ভোটগ্রহণের পূর্বে, ভোটগ্রহণের দিন ও ভোট গ্রহণের পরে শান্তি-শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণ নিশ্চিতে দেশব্যাপী ৩-১০ জানুয়ারি পর্যন্ত নির্বাচন কমিশন তথা স্থানীয় বেসামরিক প্রশাসনকে সহায়তা প্রদান করবে।

সেনা বাহিনীর সদস্যরা প্রতিটি জেলা, উপজেলা, মেট্রোপলিটন এলাকার নোডাল পয়েন্ট এবং সুবিধাজনক স্থানে অবস্থান করবে। রিটার্নিং কর্মকর্তাদের সঙ্গে সমন্বয় করে সেনাবাহিনীর সদস্যদের মোতায়েন করা হবে। একজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সশস্ত্র বাহিনীর সঙ্গে থাকবেন।

আইএসপিআর জানিয়েছে, সেনাবাহিনী ৬২টি জেলায় নিয়োজিত হয়েছে। সমতলে সীমান্তবর্তী ৪৫টি উপজেলায় বিজিবি এককভাবে দায়িত্ব পালন করবে। সীমান্তবর্তী ৪৭টি উপজেলায় সেনাবাহিনী বিজিবির সঙ্গে এবং উপকূলীয় ৪টি উপজেলায় কোস্টগার্ডের সঙ্গে সমন্বয়ের করে যৌথভাবে দায়িত্ব পালন করবে। ১৯টি উপকূলীয় জেলা-উপজেলায় নৌবাহিনী দায়িত্ব পালন করবে।

সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের চিঠি অনুযায়ী, সেনাবাহিনীর কার্যক্রম সমন্বয় করতে একটি সেল থাকবে।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

নির্বাচন উপলক্ষ্যে সেনা মোতায়েন

আপডেট সময় : ১১:০০:৪৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৩ জানুয়ারী ২০২৪

 

নিজস্ব প্রতিনিধি, ঢাকা

দ্বাদশ জাতীয় নির্বাচন উপলক্ষে ৩ থেকে ১০ জানুয়ারি পর্যন্ত ৮ দিন মাঠে থাকবে সেনাবাহিনী। বেসামরিক প্রশাসনকে সহায়তা করতে সেনা

মোতায়েনের এই সিদ্ধান্ত নেয় নির্বাচন কমিশন (ইসি)। রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন সেনা মোতায়েনের অনুমতি দিয়েছেন।

হাতে সময় মাত্র চারদিন। বাংলাদেশের দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনের ভোট গ্রহণে প্রস্তুত নির্বাচন কমিশন। বুধবার থেকে সাতদিনের জন্য দেশজুড়ে

সেনা মোতায়েন করা হয়েছে। ৩-১০ জানুয়ারি পর্যন্ত ৬২ জেলায় দায়িত্ব পালন করবেন তারা। উপকূলের ১৯টি উপজেলায় দায়িত্ব পালন করবে

নৌবাহিনী। পাশাপাশি পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলের জন্য প্রস্তুত বিমান বাহিনীর হেলিকপ্টার। সীমান্তে বিজিবি ও উপকূলে কোস্টগার্ডের সঙ্গে থাকবে সেনাবাহিনী।

আন্তঃকাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) জানিয়েছে, আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন

করতে স্থানীয় বেসামরিক প্রশাসনকে সহায়তা প্রদানের লক্ষ্যে ইন এইড টু দ্য সিভিল পাওয়ার-এর আওতায় সশস্ত্র বাহিনী নিয়োজিত হয়েছে।

সশস্ত্র বাহিনী ভোটগ্রহণের পূর্বে, ভোটগ্রহণের দিন ও ভোট গ্রহণের পরে শান্তি-শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণ নিশ্চিতে দেশব্যাপী ৩-১০ জানুয়ারি পর্যন্ত নির্বাচন কমিশন তথা স্থানীয় বেসামরিক প্রশাসনকে সহায়তা প্রদান করবে।

সেনা বাহিনীর সদস্যরা প্রতিটি জেলা, উপজেলা, মেট্রোপলিটন এলাকার নোডাল পয়েন্ট এবং সুবিধাজনক স্থানে অবস্থান করবে। রিটার্নিং কর্মকর্তাদের সঙ্গে সমন্বয় করে সেনাবাহিনীর সদস্যদের মোতায়েন করা হবে। একজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সশস্ত্র বাহিনীর সঙ্গে থাকবেন।

আইএসপিআর জানিয়েছে, সেনাবাহিনী ৬২টি জেলায় নিয়োজিত হয়েছে। সমতলে সীমান্তবর্তী ৪৫টি উপজেলায় বিজিবি এককভাবে দায়িত্ব পালন করবে। সীমান্তবর্তী ৪৭টি উপজেলায় সেনাবাহিনী বিজিবির সঙ্গে এবং উপকূলীয় ৪টি উপজেলায় কোস্টগার্ডের সঙ্গে সমন্বয়ের করে যৌথভাবে দায়িত্ব পালন করবে। ১৯টি উপকূলীয় জেলা-উপজেলায় নৌবাহিনী দায়িত্ব পালন করবে।

সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের চিঠি অনুযায়ী, সেনাবাহিনীর কার্যক্রম সমন্বয় করতে একটি সেল থাকবে।