ঢাকা ১০:০৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৯ জুন ২০২৬, ২৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ঢলনের চাপে আমচাষি, কেজিভিত্তিক বেচাকেনার সিদ্ধান্তেও মিলছে না সুফল বাজেটে বিশেষ বরাদ্দ: শিগগিরই জারি হচ্ছে নবম পে-স্কেলের গেজেট পুশইন বিতর্ক, কূটনৈতিক চাপ বাড়াচ্ছে বাংলাদেশ প্রথম বাজেটেই জনগণের আস্থা জয়ের বার্তা নতুন সরকারের ১০০ কোটির প্রথম নায়িকা, বিয়ের পরই রুপালি পর্দা থেকে বিদায়, এখন কোথায় আসিন? টসে হেরে ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশ, ১৫ বছর পর দেশের মাটিতে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজ শুরু ইসরায়েলকে সতর্ক করলেন ট্রাম্প: ইরানে হামলা হলে পাশে থাকবে না ওয়াশিংটন ফিলিপাইনে শক্তিশালী ভূমিকম্পে নিহত বেড়ে ৩৫, বাস্তুচ্যুত প্রায় ১০ হাজার পরিবার নতুন টোল বসানোর পরিকল্পনা: হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলতে যাচ্ছে ইরান-ওমান দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক ও বৈশ্বিক সহযোগিতা জোরদারে একমত বাংলাদেশ-রাশিয়া

সারাবছর কাঁচা মরিচ কেনেননি কেন, অর্থমন্ত্রীর প্রশ্ন

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:৫৬:০২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ জুলাই ২০২৩ ২১৯ বার পড়া হয়েছে
ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক 

কাঁচা মরিচের কেজি ৪০০-৫০০ টাকা সাংবাদিকদের এমন প্রশ্ন শুনে অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামালের পাল্টা প্রশ্ন কাঁচা মরিচ সারাবছর কেনেননি কেন? আপনারা একদিনের জন্য কাঁচা মরিচ কেনেন। কেউ তৈরি করবে বলেন? ক্ষেত লাগবে।

এসময় কাঁচা মরিচের দাম বাড়ার কারণ জানিয়ে অর্থমন্ত্রী বলেন, বর্ষা এলেই কাঁচা মরিচের দাম বেড়ে যায়। এসময় অনেকেই অতিরিক্ত কিনে রাখেন। এজন্য এখন বাজারে কাচাঁ মরিচের দাম অস্বাভাবিক।

আইএমএফের ঋণ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আইএমএফ যে লোন দিয়েছে তা আমাদের দুই মাসের রেমিট্যান্সের সমান। তাই এটা শোধ করা আমাদের জন্য কোনো ব্যাপার না।

মূল্যস্ফীতি প্রসঙ্গে অর্থমন্ত্রী বলেন, আমরা যখন শুরু করি তখন মূল্যস্ফীতি ছিল ১২ দশমিক ৩ শতাংশ। এখন এর চেয়ে কম। তার মানে মূল্যস্ফীতি বাড়েনি। বর্তমানে মূল্যস্ফীতি স্থিতিশীল রয়েছে। শুধু টাকার অঙ্কে বিচার করলে হবে না। সামাজিক সুরক্ষা বিবেচনা করতে হবে।

বৃহস্পতিবার জাপান ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশন এজেন্সি (জাইকা) প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বৈঠক শেষে মন্তব্য করেন অর্থমন্ত্রী।

এসময় অর্থমন্ত্রীকে বলা হয়, কাঁচা মরিচের কেজি ৪০০-৫০০ টাকা। এর উত্তরে তিনি বলেন, কাঁচা মরিচ সারাবছর কেনেননি কেন? আপনারা একদিনের জন্য কাঁচা মরিচ কেনেন।

তিনি বলেন, মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ করতে হলে যাদের খাবার নেই, তাদের খাবার দিতে হবে। আমরা খাবার দিচ্ছি। ভ্যাট মাফ করতে হবে। আয়কর কম নিতে হবে। সেই কাজটি আমরা করছি।

জাইকা নতুন কোনো সহযোগিতা দেওয়ার কথা বলেছে কি না? জানতে চাইলে তিনি বলেন, তাদের প্রকল্পগুলো বর্তমানে কী অবস্থায় রয়েছে, তারা তা দেখতে এসেছে। কিছু কিছু নতুন প্রকল্পও আসবে। নতুন যে প্রকল্পগুলো আসবে, সেগুলোর অধিকাংশই প্রযুক্তি সম্পর্কিত।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

সারাবছর কাঁচা মরিচ কেনেননি কেন, অর্থমন্ত্রীর প্রশ্ন

আপডেট সময় : ০৯:৫৬:০২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ জুলাই ২০২৩

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক 

কাঁচা মরিচের কেজি ৪০০-৫০০ টাকা সাংবাদিকদের এমন প্রশ্ন শুনে অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামালের পাল্টা প্রশ্ন কাঁচা মরিচ সারাবছর কেনেননি কেন? আপনারা একদিনের জন্য কাঁচা মরিচ কেনেন। কেউ তৈরি করবে বলেন? ক্ষেত লাগবে।

এসময় কাঁচা মরিচের দাম বাড়ার কারণ জানিয়ে অর্থমন্ত্রী বলেন, বর্ষা এলেই কাঁচা মরিচের দাম বেড়ে যায়। এসময় অনেকেই অতিরিক্ত কিনে রাখেন। এজন্য এখন বাজারে কাচাঁ মরিচের দাম অস্বাভাবিক।

আইএমএফের ঋণ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আইএমএফ যে লোন দিয়েছে তা আমাদের দুই মাসের রেমিট্যান্সের সমান। তাই এটা শোধ করা আমাদের জন্য কোনো ব্যাপার না।

মূল্যস্ফীতি প্রসঙ্গে অর্থমন্ত্রী বলেন, আমরা যখন শুরু করি তখন মূল্যস্ফীতি ছিল ১২ দশমিক ৩ শতাংশ। এখন এর চেয়ে কম। তার মানে মূল্যস্ফীতি বাড়েনি। বর্তমানে মূল্যস্ফীতি স্থিতিশীল রয়েছে। শুধু টাকার অঙ্কে বিচার করলে হবে না। সামাজিক সুরক্ষা বিবেচনা করতে হবে।

বৃহস্পতিবার জাপান ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশন এজেন্সি (জাইকা) প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বৈঠক শেষে মন্তব্য করেন অর্থমন্ত্রী।

এসময় অর্থমন্ত্রীকে বলা হয়, কাঁচা মরিচের কেজি ৪০০-৫০০ টাকা। এর উত্তরে তিনি বলেন, কাঁচা মরিচ সারাবছর কেনেননি কেন? আপনারা একদিনের জন্য কাঁচা মরিচ কেনেন।

তিনি বলেন, মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ করতে হলে যাদের খাবার নেই, তাদের খাবার দিতে হবে। আমরা খাবার দিচ্ছি। ভ্যাট মাফ করতে হবে। আয়কর কম নিতে হবে। সেই কাজটি আমরা করছি।

জাইকা নতুন কোনো সহযোগিতা দেওয়ার কথা বলেছে কি না? জানতে চাইলে তিনি বলেন, তাদের প্রকল্পগুলো বর্তমানে কী অবস্থায় রয়েছে, তারা তা দেখতে এসেছে। কিছু কিছু নতুন প্রকল্পও আসবে। নতুন যে প্রকল্পগুলো আসবে, সেগুলোর অধিকাংশই প্রযুক্তি সম্পর্কিত।