ঢাকা ১১:১০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
নৃশংস ৭ বছরের শিশুর হাত চেপে ধরেন স্ত্রী আঙ্গুল কাটেন পুলিশ  কনস্টেবল জাতিসংঘ সফর শেষে সচিবালয়ে ফিরলেন প্রধানমন্ত্রী, শুরু দাপ্তরিক কার্যক্রম জাতিসংঘ অধিবেশনে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ সার্থক হয়েছে : পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বাংলাদেশের উন্নয়ন প্রচেষ্টায় চীনের সমর্থন অব্যাহত থাকবে: রাষ্ট্রদূত ১৮ দেশের বাজারকেন্দ্রিক রপ্তানি কৌশল প্রণয়ন করছে সরকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি সরকারের সমালোচনা এনসিপি আহ্বায়কের কাগজে নদীর সংখ্যা বাড়ছে নদী রক্ষাই এখন সবচেয়ে বড় সংকট সাশ্রয়ী আবাসন অর্থায়নে বাংলাদেশকে ১০ কোটি ডলার ঋণ দিচ্ছে এডিবি শেরপুর সীমান্তে ভারতীয় সাবান-মদ জব্দ বিজিবির গরু আটক নিয়ে চাঞ্চল্য যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে সংঘাতের সমাধান কেবল কূটনীতিতেই: ইরান

বাংলাদেশের সংখ্যালঘু সংক্রান্ত মার্কিন  কংগ্রেসম্যানের চিঠি প্রত্যাখ্যান

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৬:১৪:০৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ জুন ২০২৩ ২১৩ বার পড়া হয়েছে
ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

নিজস্ব প্রিতিনিধি, ঢাকা 

বাংলাদেশের সংখ্যালঘু কমে যাওয়া সংক্রান্ত ৬ মার্কিন কংগ্রেসম্যানের চিঠি প্রত্যাখান করেছে সেকুলার সিটিজেন বাংলাদেশ। সংগঠনের নেতারা বলছেন, গত ১৭ মে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের কাছে দেওয়া চিঠির তথ্য মিথ্যা এবং বাস্তবতা বিবর্জিত। ৬ মার্কিন কংগ্রেসম্যান তাদের চিঠিতে যে বিভ্রান্তিকর তথ্য দিয়েছেন, তাতে বেশ আতঙ্কিত ও হতবাক হয়েছেন বাংলাদেশের বিভিন্ন ধর্মীয় সম্প্রদায়ের নেতারা।

সোমবার ঢাকার জাতীয় প্রেস ক্লাবে সাংবাদিক বৈঠকে চিঠি প্রত্যাখ্যানের কথা তুলে ধরেন সংগঠনের আহ্বায়ক ব্যারিস্টার তাপস কান্তি বল। লিখিত বক্তব্যে তিনি ব্যারিস্টার তাপস বলেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত পিটার হাসের কাছে পাঠানো এক ইমেইলে সেকুলার সিটিজেনস, বাংলাদেশের সদস্যরা দাবি করেছেন যে, মার্কিন কংগ্রেস সদস্যদের উল্লিখিত চিঠিটি পক্ষপাতদুষ্ট এবং সংখ্যালঘুর সংখ্যা কমানোর বিষয়ে ইতিহাস বিকৃত করে বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রদান করেছেন।

কংগ্রেস সদস্যদের চিঠিতে দাবি করা হয়েছে যে, শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পর বাংলাদেশে হিন্দুদের সংখ্যা অর্ধেক হয়ে গেছে। পাশাপাশি খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের মানুষও একই ভাবে নির্যাতনের শিকার হচ্ছে।

কিন্তু সেখানে একেবারেই উল্লেখ করা হয়নি যে, বিএনপি-জামায়াত ক্ষমতার বাইরে থেকেও বিগত ২০০১-৬ সালে তাদের নেতৃত্বে দেশের বিভিন্ন স্থানে সংখ্যালঘুদের ওপর নির্যাতন করা হয়। এছাড়াও এই জোটের নেতৃত্বাধীন সরকারের আমলেও সংঘটিত সংখ্যালঘু নির্যাতনের বিষয়ে কোনো আলোচনাই করেননি এই কংগ্রেসম্যানেরা, যার কিনা সাহাবুদ্দিন কমিশনের রিপোর্টে পরিষ্কারভাবে উল্লেখ করা হয়েছে।

কংগ্রেসম্যানেরা এই চিঠিতে গত এক দশকে হিন্দু ধর্মীয় শারদীয় দুর্গা পূজার সংখ্যা সামগ্রিকভাবে সারা বাংলাদেশে বৃদ্ধি পাওয়ার বিষয়টি বিবেচনায় নেননি।

ব্যারিস্টার তাপস বলেন, ১৯৭৫ সালের পরে বাংলাদেশের সংবিধানের অসাম্প্রদায়িক চরিত্র হরণ করা হয়েছিল। সংবিধানের সেই অসাম্প্রদায়িক চরিত্র কিছুটা হলেও হাসিনা সরকার ফিরিয়ে এনেছে দ্বাদশ সংশোধনীর মাধ্যমে।

আমরা সকলেই জানি, নির্বাচন আসলেই ধর্মীয় ও জাতিগত সম্প্রদায় সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। কংগ্রেসম্যানদের উচিত এবারের নির্বাচনে ধর্মীয় ও জাতিগত সম্প্রদায়গুলোকে নিরাপত্তা প্রদানের জন্যে সরকারকে উৎসাহিত করা।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :