ঢাকা ০৪:২৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬, ৩ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
শিলাবৃষ্টির আতঙ্কে ধর্মপাশা-মধ্যনগরের কৃষক, ফসল রক্ষায় দুশ্চিন্তা বাড়ছে কৃষকের কল্যাণে দোয়া ও ইফতার, ভোলায় মানবিকতা ও সংহতির অনন্য আয়োজন কোদাল হাতে খাল খননে প্রধানমন্ত্রী, কৃষিতে স্বনির্ভরতার ডাক ভারতের কাছে তিন ট্যাংকার জাহাজ ফেরত চাইল ইরান ভারতের ‘বৃক্ষমাতা’ তুলসী গৌড়া, প্রকৃতির সঙ্গে মানুষের সহাবস্থানের অনন্য নজির ঈদে মহাসড়কে কড়াকড়ি, ৭ দিন বন্ধ থাকবে ট্রাক-লরি চলাচল নেতানিয়াহুর বেঁচে থাকার প্রমাণ ভুয়া নাকি আসল? ৫ আঙুল দেখানো ভিডিওই ডিপফেক? মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধমঞ্চে ইরানের দাপট, পাল্টে গেল হিসাব! জিয়ার ঐতিহাসিক উদ্যোগের ধারাবাহিকতায় আবারও খাল খনন শুরু করলেন তারেক রহমান ক্যামেলী পালের কবিতা ‘চাইলেই কি যাওয়া যায়’

কানাডায় লাখো মানুষ বিদ্যুৎবিহীন

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৭:১৮:০১ অপরাহ্ন, শনিবার, ৮ এপ্রিল ২০২৩ ২০১ বার পড়া হয়েছে
ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

অনলাইন ডেস্ক

তুষার ঝড়ের দু’দিন পরও কানাডার পূর্বাঞ্চলের কয়েক লাখ মানুষ বিদ্যুৎহীন। ভয়াবহ এই দুর্যোগে তিনজনের প্রাণহানি ও ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, বিশেষ করে মন্ট্রিয়লে মোটা দাগের ক্ষতি হয়েছে।

বার্তা সংস্থা এএফপির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ঝড়ের পরপর কুইবেকের প্রায় ১১ লাখ ঘরবাড়ি বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হলেও শুক্রবার তা প্রায় চার লাখে নেমে এসেছে।

কুইবেকে বিদ্যুৎ সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান হাইড্রো-কুইবেক জানিয়েছে, বিভ্রাটের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত ৫০ শতাংশেরও বেশি গ্রাহকের কাছে বিদ্যুৎ সরবরাহ পুনরায় শুরু হয়েছে।

হাইড্রো-কুইবেকের মুখপাত্র রেগিস টেলিয়ার বলেন, কিছু বাড়ি রোববার এবং কিছু কিছু বাড়ি সোমবার পর্যন্ত বিদুৎবিহীন থাকবে। তবে অনুকূল আবহাওয়া পরিস্থিতি পুনরুদ্ধারকে ত্বরান্বিত করবে।

কুইবেকের রাজ্য প্রধান ফ্রাঁসো লেগল্ট বলেছেন, মন্ট্রিয়লের প্রায় ৪০ কিলোমিটার উত্তর-পশ্চিমে তৃতীয় একজনের মৃত্যু হয়। ঘরে বহনযোগ্য জেনারেটর ব্যবহার করার সময় কার্বন মনোক্সাইডের বিষক্রিয়ার তার মৃত্যু হয়।

এর আগে বুধবার পূর্ব অন্টারিওর এক বাসিন্দার গাছ চাপা পড়ে মারা যান। এছাড়া বৃহস্পতিবার ভোরে কুইবেকের ৬০ বছর বয়সী এক বাসিন্দা জমি পরিষ্কার করতে গিয়ে গাছের ডাল পড়ে মারা যান।

বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন অবস্থায় থাকা জনগোষ্ঠীর প্রায় অর্ধেকই মন্ট্রিয়লের বাসিন্দা। সেখানে ছয়টি অস্থায়ী জরুরি আশ্রয় কেন্দ্র খোলা হয়েছে। বাসিন্দারা এসব আশ্রয়কেন্দ্রে রাত কাটাচ্ছেন।

ঝড়ের আঘাতে কানাডার দুটি সর্বাধিক জনবহুল রাজ্য কুইবেক ও অন্টারিওতে সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয়েছে।

মন্ট্রিয়েলের স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা পরিবারগুলো উষ্ণ থাকার জন্য ঘরের ভেতরে বারবিকিউ ব্যবহার করায় কার্বন মনোক্সাইড বিষক্রিয়ার প্রায় ৬০টি ঘটনার খবর পেয়েছেন।

শুক্রবার মন্ট্রিয়ল নগরীর শত শত কর্মচারীকে ধ্বংসস্তূপ পরিষ্কার করতে দেখা গেছে, বিশেষ করে বরফের ভারে ভেঙে পড়া ডাল ও আবর্জনাপূর্ণ পার্কগুলো পরিষ্কার করছেন তারা।

প্রায় এক ডিগ্রি সেলসিয়াস (৩৩ ডিগ্রি ফারেনহাইট) তাপমাত্রায় বরফ গলতে শুরু করেছে। তবে ঝড়ো হাওয়ায় গাছগুলো কাঁপছে। এতে আরও গাছের ডাল ভেঙে পড়ার ঝুঁকি তৈরি হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

কানাডায় লাখো মানুষ বিদ্যুৎবিহীন

আপডেট সময় : ০৭:১৮:০১ অপরাহ্ন, শনিবার, ৮ এপ্রিল ২০২৩

অনলাইন ডেস্ক

তুষার ঝড়ের দু’দিন পরও কানাডার পূর্বাঞ্চলের কয়েক লাখ মানুষ বিদ্যুৎহীন। ভয়াবহ এই দুর্যোগে তিনজনের প্রাণহানি ও ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, বিশেষ করে মন্ট্রিয়লে মোটা দাগের ক্ষতি হয়েছে।

বার্তা সংস্থা এএফপির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ঝড়ের পরপর কুইবেকের প্রায় ১১ লাখ ঘরবাড়ি বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হলেও শুক্রবার তা প্রায় চার লাখে নেমে এসেছে।

কুইবেকে বিদ্যুৎ সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান হাইড্রো-কুইবেক জানিয়েছে, বিভ্রাটের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত ৫০ শতাংশেরও বেশি গ্রাহকের কাছে বিদ্যুৎ সরবরাহ পুনরায় শুরু হয়েছে।

হাইড্রো-কুইবেকের মুখপাত্র রেগিস টেলিয়ার বলেন, কিছু বাড়ি রোববার এবং কিছু কিছু বাড়ি সোমবার পর্যন্ত বিদুৎবিহীন থাকবে। তবে অনুকূল আবহাওয়া পরিস্থিতি পুনরুদ্ধারকে ত্বরান্বিত করবে।

কুইবেকের রাজ্য প্রধান ফ্রাঁসো লেগল্ট বলেছেন, মন্ট্রিয়লের প্রায় ৪০ কিলোমিটার উত্তর-পশ্চিমে তৃতীয় একজনের মৃত্যু হয়। ঘরে বহনযোগ্য জেনারেটর ব্যবহার করার সময় কার্বন মনোক্সাইডের বিষক্রিয়ার তার মৃত্যু হয়।

এর আগে বুধবার পূর্ব অন্টারিওর এক বাসিন্দার গাছ চাপা পড়ে মারা যান। এছাড়া বৃহস্পতিবার ভোরে কুইবেকের ৬০ বছর বয়সী এক বাসিন্দা জমি পরিষ্কার করতে গিয়ে গাছের ডাল পড়ে মারা যান।

বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন অবস্থায় থাকা জনগোষ্ঠীর প্রায় অর্ধেকই মন্ট্রিয়লের বাসিন্দা। সেখানে ছয়টি অস্থায়ী জরুরি আশ্রয় কেন্দ্র খোলা হয়েছে। বাসিন্দারা এসব আশ্রয়কেন্দ্রে রাত কাটাচ্ছেন।

ঝড়ের আঘাতে কানাডার দুটি সর্বাধিক জনবহুল রাজ্য কুইবেক ও অন্টারিওতে সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয়েছে।

মন্ট্রিয়েলের স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা পরিবারগুলো উষ্ণ থাকার জন্য ঘরের ভেতরে বারবিকিউ ব্যবহার করায় কার্বন মনোক্সাইড বিষক্রিয়ার প্রায় ৬০টি ঘটনার খবর পেয়েছেন।

শুক্রবার মন্ট্রিয়ল নগরীর শত শত কর্মচারীকে ধ্বংসস্তূপ পরিষ্কার করতে দেখা গেছে, বিশেষ করে বরফের ভারে ভেঙে পড়া ডাল ও আবর্জনাপূর্ণ পার্কগুলো পরিষ্কার করছেন তারা।

প্রায় এক ডিগ্রি সেলসিয়াস (৩৩ ডিগ্রি ফারেনহাইট) তাপমাত্রায় বরফ গলতে শুরু করেছে। তবে ঝড়ো হাওয়ায় গাছগুলো কাঁপছে। এতে আরও গাছের ডাল ভেঙে পড়ার ঝুঁকি তৈরি হয়েছে।