ঢাকা ০১:৩৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬, ২৫ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
শিরীণ বেবীর কবিতা ‘নারী তুমি মানুষ হতে শেখো’ পর্যালোচনা ছাড়াই মানবাধিকার কমিশন অধ্যাদেশ অনুমোদনের দাবি তিস্তা  প্রকল্পে বিনিয়োগে আগ্রহ প্রকাশ করেছে চীন মজুদ পর্যাপ্ত, তবু বাজারে তেলের সংকট  মুনাফাখোরদের কারসাজি বাড়ির দরজা খুলেই প্রধানমন্ত্রী বললেন, ‘চলুন, যুদ্ধে যাই’ দেশে নারী ক্ষমতায়নের ভিত্তি স্থাপন করেন জিয়াউর রহমান : রাষ্ট্রপতি ইউনূস জমানায় চুক্তিতে নিয়োগ ৪ কূটনীতিককে ঢাকায় ফেরানো হলো অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত হয়েছে অন্ধকারে: টিআইবি ১০ মাসের সর্বোচ্চে মূল্যস্ফীতি, চাপে সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতা এক বছরে ধর্ষণ মামলা বেড়েছে ২৭ শতাংশ

canberra : ক্যানবেরায় শেখ রাসেল দিবস উদযাপন

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৪:৫৫:৫৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ অক্টোবর ২০২২ ২২৭ বার পড়া হয়েছে
ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

শিশুদের অংশগ্রহণে অস্ট্রেলিয়ার রাজধানী ক্যানবেরায়

 

নিজস্ব প্রতিনিধি, ঢাকা

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কনিষ্ঠ পুত্র শেখ রাসেলের ৫৯তম জন্মদিন এবং শেখ রাসেল দিবস উদযাপিত হয়েছে। দূতালয় প্রধান ও কাউন্সেলর তাহলীল দেলাওয়ার মুনের উপস্থাপনায় এ অনুষ্ঠানে বক্তৃতা করেন হাইকমিশনের চার্জ দ্যঅ্যাফেয়ার্স ড. দেওয়ান শাহরিয়ার ফিরোজ এবং অস্ট্রেলিয়া প্রবাসী তুষার রায়।

বাংলাদেশ হাইকমিশন আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে ড. শাহরিয়ার ফিরোজ বলেন, অসীম সম্ভাবনাময় শিশু ছিলেন শেখ রাসেল। যারা শিশু রাসেলকে হত্যা করেছিল তাদের প্রতি তিনি ধিক্কার জানান। হাইকমিশন থেকে পাঠানো বিবৃতিতে েএসব তথ্য জানানো হয়।

চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স উল্লেখ করেন, বিখ্যাত দার্শনিক রাসেলের নামানুসারে বঙ্গবন্ধু তাঁর ছোট ছেলের নাম রেখেছিলেন শেখ রাসেল এবং বেঁচে থাকলে তিনি দেশ ও জাতির কল্যাণে রাখতে পারতেন অসাধারণ অবদান।

শিশুরা যেন সৎ, দেশপ্রেমিক ও সুনাগরিক হিসেবে গড়ে উঠতে পারে সেজন্য সব ধরনের সহিংসতামুক্ত সমাজ গঠনে সকলকে এগিয়ে আসার আহবান জানান ড. ফিরোজ। অস্ট্রেলিয়া প্রবাসী তুষার রায় শিশু রাসেলের অসাধারণ গুণাবলীর ওপর আলোকপাত করেন তিনি বলেন, শেখ রাসেল বেঁচে থাকলে হতে পারতেন অবিসংবাদিত এক নেতা।

অনুষ্ঠানে শিশুদের নিয়ে কেক কাটেন হাইকমিশনের চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স ড. ফিরোজ। এসময় শেখ রাসেলের জন্মদিন উপলক্ষ্যে চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদপ্তর নির্মিত প্রামাণ্য চিত্র প্রদর্শন করা হয়। দিবসটি উপলক্ষ্যে রাষ্ট্রপতি প্রদত্ত বাণী পাঠ করেন কাউন্সেলর মো: সাইফুল্লাহ এবং প্রধানমন্ত্রী প্রদত্তবাণী পাঠ করেন কাউন্সেলর নাঈম রুবাইয়্যাত। শেখ রাসেলের ওপর কবিতা আবৃত্তি করেন কাউন্সেলর সালাহউদ্দিন। এসময় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও তাঁর পরিবারের শহিদ সদস্যদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে দোয়া ও মোনাজাত করা হয়।

এছাড়া বঙ্গবন্ধু পরিবারের সকল শহিদের আত্মার শান্তি কামনা করে নিজ নিজ ধর্মমত ও প্রথা মোতাবেক মৌন প্রার্থনা করা হয়। অনুষ্ঠানে হাইকমিশনের কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ, তাদের পরিবারের শিশু সদস্যরা এবং প্রবাসী বাংলাদেশিরা অংশগ্রহণ করেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

canberra : ক্যানবেরায় শেখ রাসেল দিবস উদযাপন

আপডেট সময় : ০৪:৫৫:৫৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ অক্টোবর ২০২২

শিশুদের অংশগ্রহণে অস্ট্রেলিয়ার রাজধানী ক্যানবেরায়

 

নিজস্ব প্রতিনিধি, ঢাকা

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কনিষ্ঠ পুত্র শেখ রাসেলের ৫৯তম জন্মদিন এবং শেখ রাসেল দিবস উদযাপিত হয়েছে। দূতালয় প্রধান ও কাউন্সেলর তাহলীল দেলাওয়ার মুনের উপস্থাপনায় এ অনুষ্ঠানে বক্তৃতা করেন হাইকমিশনের চার্জ দ্যঅ্যাফেয়ার্স ড. দেওয়ান শাহরিয়ার ফিরোজ এবং অস্ট্রেলিয়া প্রবাসী তুষার রায়।

বাংলাদেশ হাইকমিশন আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে ড. শাহরিয়ার ফিরোজ বলেন, অসীম সম্ভাবনাময় শিশু ছিলেন শেখ রাসেল। যারা শিশু রাসেলকে হত্যা করেছিল তাদের প্রতি তিনি ধিক্কার জানান। হাইকমিশন থেকে পাঠানো বিবৃতিতে েএসব তথ্য জানানো হয়।

চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স উল্লেখ করেন, বিখ্যাত দার্শনিক রাসেলের নামানুসারে বঙ্গবন্ধু তাঁর ছোট ছেলের নাম রেখেছিলেন শেখ রাসেল এবং বেঁচে থাকলে তিনি দেশ ও জাতির কল্যাণে রাখতে পারতেন অসাধারণ অবদান।

শিশুরা যেন সৎ, দেশপ্রেমিক ও সুনাগরিক হিসেবে গড়ে উঠতে পারে সেজন্য সব ধরনের সহিংসতামুক্ত সমাজ গঠনে সকলকে এগিয়ে আসার আহবান জানান ড. ফিরোজ। অস্ট্রেলিয়া প্রবাসী তুষার রায় শিশু রাসেলের অসাধারণ গুণাবলীর ওপর আলোকপাত করেন তিনি বলেন, শেখ রাসেল বেঁচে থাকলে হতে পারতেন অবিসংবাদিত এক নেতা।

অনুষ্ঠানে শিশুদের নিয়ে কেক কাটেন হাইকমিশনের চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স ড. ফিরোজ। এসময় শেখ রাসেলের জন্মদিন উপলক্ষ্যে চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদপ্তর নির্মিত প্রামাণ্য চিত্র প্রদর্শন করা হয়। দিবসটি উপলক্ষ্যে রাষ্ট্রপতি প্রদত্ত বাণী পাঠ করেন কাউন্সেলর মো: সাইফুল্লাহ এবং প্রধানমন্ত্রী প্রদত্তবাণী পাঠ করেন কাউন্সেলর নাঈম রুবাইয়্যাত। শেখ রাসেলের ওপর কবিতা আবৃত্তি করেন কাউন্সেলর সালাহউদ্দিন। এসময় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও তাঁর পরিবারের শহিদ সদস্যদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে দোয়া ও মোনাজাত করা হয়।

এছাড়া বঙ্গবন্ধু পরিবারের সকল শহিদের আত্মার শান্তি কামনা করে নিজ নিজ ধর্মমত ও প্রথা মোতাবেক মৌন প্রার্থনা করা হয়। অনুষ্ঠানে হাইকমিশনের কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ, তাদের পরিবারের শিশু সদস্যরা এবং প্রবাসী বাংলাদেশিরা অংশগ্রহণ করেন।