ঢাকা ০৬:৫৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬, ১১ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
১৭ জেলায় তাপপ্রবাহ অব্যাহত, ঢাকায় তাপমাত্রা সামান্য কমলেও ভ্যাপসা গরম লাইনে দাঁড়িয়ে স্বস্তি: অল্প সময়েই তেল পেলেন বাইকচালক মোহাম্মদ আলী দেশের স্বার্থে বিরোধী দলের সঙ্গে আলোচনায় প্রস্তুত সরকার: তারেক রহমান সোনার ভরিতে ৩২৬৫ ও রুপার ভরিতে ৩৫০ টাকা কমলো জাতীয় মহিলা পার্টির আহ্বায়ক নুরুন নাহার বেগম সদস্য সচিব জেসমীন নূর প্রিয়াংকা পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচন প্রথম দফায় ১৫২ আসনে ভোটগ্রহণ চলছে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান অবরোধে অচলাবস্থা, আলোচনায় চাপ বাড়াচ্ছে পাকিস্তান হরমুজে নৌ-সংঘাত: ইরানের হামলায় তিন জাহাজ ক্ষতিগ্রস্ত, আটক দুটি ১০ বছর পর তনু হত্যা রহস্যে অগ্রগতি, সাবেক সেনা সদস্য রিমান্ডে পাচারের অর্থ উদ্ধারে ১০ দেশের সঙ্গে চুক্তি প্রক্রিয়াধীন: সংসদে প্রধানমন্ত্রী

Bangladesh Railway : এবার যমুনার বুকে স্বপ্নের বাস্তবায়ন

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:৩০:১৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২২ ২৬২ বার পড়া হয়েছে
ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব রেল সেতু : ছবি সংগ্রহ

 

‘যমুনায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব ডুয়েলগেজ রেল সেতু নির্মাণের জোর কদমে এগিয়ে চলছে,

এরই মধ্যে দৃশ্যমান  হলো প্রথম স্প্যান, চলতি মাসে বসবে আরও একটি স্প্যান’

 

আমিনুল হক, ঢাকা

বাংলাদেশের রেলপথ মন্ত্রী নুরুল ইসলাম সুজন বলছিলেন, ‘একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধকালীন’ সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত তালিকায় রেলওয়ে। স্বাধীনতার পরবর্তী সময়ে বিভিন্ন প্রতিকূল পরিবেশের কারণে রেলের গতি প্রায় থেমে যাবার উপক্রম হয়েছিল। হাজারো প্রতিকূলতাকে ডিঙ্গিয়ে অবশেষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ‘জনবান্ধব’ রেল ব্যবস্থাপনায় আলাদা ‘রেলপথ মন্ত্রক’ সৃষ্টি করেন। এরপর পরিকল্পিত উন্নয়নে হাত লাগানো হয়। দীর্ঘ মেয়াদী পরিকল্পনা এবং ধারাবাহিক প্রকল্প বাস্তবায়নের মধ্য দিয়ে রেল আজকের অবস্থানে পৌছে।

একই পথে রেল

পশ্চিমাঞ্চল ও পূর্বাঞ্চল দুই ভাগে বিভক্ত রেলওয়ের কর্মকাণ্ড। পশ্চিমাঞ্চলের রেলপথ হচ্ছে ব্রডগেজ আর পূর্বাঞ্চলের রেলপথ মিটারগেজ। রেলপথের এই ব্যবধানের কারণে এক অঞ্চলের রেল অপর অঞ্চলে চলাচল করতে পারত না। ডুয়েলগেজ রেলপথ নির্মাণের ফলে সারাদেশের রেলযোগাযোগের ক্ষেত্রে সেই ব্যবধান আর থাকছে না। তাতে রেলের গতি আরও বাড়বে।

যমুনার বুকে স্বপ্ন পূরণ

দুই অঞ্চল থেকে রেল যোগে ভারী পণ্যপরিবহন বাধাগ্রস্ত। পশ্চিমাঞ্চল থেকে যমুনা পেরিয়ে পূর্বাঞ্চলের পণ্যপরিবহনে সিরাজগঞ্জ প্রান্তে নামিয়ে ফের বিকল্প ব্যবস্থায় পণ্যপরিবহন করা হচ্ছে। এপার-ওপার অঞ্চলের রেলকে গতিশীল করতে যমুনা নদীতে নির্মাণ কাজ জোর কদমে এগিয়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব রেলওয়ে সেতুর। এরই মধ্যে প্রথম স্প্যান বসানো কাজ সম্পন্ন। মাসের শেষ নাগাদ আরও একটি স্প্যান বসাবে সেতুতে। প্রকল্প আধিকারিকরা অক্টোবর মাসে আরও একটি স্প্যান বসানোর পরিকল্পনা নিয়ে কাজ এগিয়ে নিচ্ছেন।

যমুনা নদীর উপর বঙ্গবন্ধু সেতুর ৩০০ মিটার উত্তরে অবস্থিত পৃৃৃৃথক রেল সেতুর নির্মাণ কাজ জোর কদমে এগিয়ে চলছে। ২০২০ সালের ২৯ নভেম্বর সেতুটির ভিত্তি স্থাপন করা হয়। ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ৩৮ শতাংশ কাজ সম্পন্ন হয়েছে।

যমুনায় বঙ্গবন্ধু সেতুতে এক লাইনের একটি রেল ট্র্যাক রয়েছে। কোন ট্রেনকে খুব ধীরে গতিতে ট্রেন সেতুটি পার হতে হচ্ছে। বঙ্গবন্ধু রেল সেতুতে ডুয়েলগেজ রেল সেতু নির্মাণের কাজ চলছে। ফলে সেতু পারাপারে কোন ট্রেনকে আর অপেক্ষায় থাকতে হবে না।

উদাহরণ টেনে রেলপথমন্ত্রী নূরুল ইসলাম সুজন বলেছেন, দেশের প্রতিটি জেলাকে রেল নেটওয়ার্কে যুক্ত করতে উদ্যোগ নিয়েছে হাসিনা সরকার। রেলব্যবস্থা ব্রডগেজ রূপান্তর করা হচ্ছে। এতে করে আন্তঃদেশীয় ট্রেন চলাচলেও সুবিধা হবে।

বর্তমানে বঙ্গবন্ধু সেতু দিয়ে ৩৮টি ট্রেন চলাচল করছে। বঙ্গবন্ধু বহুমুখী সেতু দিয়ে ঘণ্টায় ১৫ থেকে ২০ কিলোমিটার বেশি গতিতে ট্রেন চলাচল বারণ। রেল সেতুটি নির্মাণ হলে ঘণ্টায় ১২০ কিলোমিটার গতিতে ট্রেন চলাচলের পথ উন্মুক্ত হবে। তখন ট্রেনের সংখ্যা বেড়ে দিনে ৮৮টিতে দাড়াবে।

৩১ আগস্ট পর্যন্ত নির্মাণকাজের ভৌত অগ্রগতি হয়েছে ৪৪ শতাংশ। এ পর্যন্ত একটি স্প্যান বসানো হয়েছে। ভিয়েতনামে তৈরি ১০টি স্প্যান এসে পৌঁছেছে প্রকল্প এলাকায়। আরও ২০টি স্প্যান নির্মাণ কাজ দ্রুত এগুচ্ছে। সেতুর নির্মাণ কাজের অগ্রগতিতে সন্তোষজনক বলে মনে করেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব রেলওয়ে সেতু প্রকল্পের পরিচালক আল ফাত্তাহ মো. মাসুদুর রহমান। তার আশা বেঁধে দেওয়া সময়েই প্রকল্পের কাজ সম্পন্ন হবে।

সেতুর মোট ৫০টি খুঁটির মধ্যে আটটির কাজ শেষ। ৩০টির কাজ প্রায় শেষের পথে। সেতুর ৫০টি খুঁটির মধ্যে ২৩টি পশ্চিমাঞ্চলে, ২৭টি পূর্বাঞ্চলে। গত ২৯ জুলাই সেতুর ৪৭-৪৮ নম্বর খুঁটিতে প্রথম স্প্যান বসানোর কাজ শুরু হয়। ২০ আগস্ট স্প্যানটি স্থাপন্ন সম্পন্ন হয়।  ২০২৪ সালে সেতুর নির্মাণ কাজ সম্পন্নর কথা  থাকলেও ১৬ মাস সময় বাড়ানো হয়েছে ২০২৫ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত।

একনজরে রেল সেতু

৯ হাজার ৭৩৪ কোটি টাকা ব্যয়ে রেল সেতুটি নির্মাণের কথা থাকলেও প্রথম সংশোধনীর পর সেতুর প্রকল্পের ব্যয় বেড়ে গিয়ে দাঁড়িয়েছে ১৬ হাজার ৭৮০ কোটি ৯৫ লাখ ৬৩ হাজার টাকা। যার মধ্যে দেশীয় অর্থায়ন ৪ হাজার ৬৩১ কোটি টাকা (২৭.৬০ শতাংশ)। আর জাপান ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশন এজেন্সি (জাইকা) ঋণ ১২ হাজার ১৪৯ কোটি টাকা (৭২.৪০ শতাংশ)।

সেতুটির দৈর্ঘ্য প্রায় ৪.৮০ কিলোমিটার। দুই পাশে .০৫ কিলোমিটার ভায়াডাক্ট (উড়াল সেতু), ৭.৬৭ কিলোমিটার রেলওয়ে অ্যাপ্রোচ সড়ক (সংযোগ বাঁধ), আর লুপ, সাইডিংসহ মোট ৩০.৭৩ কিলোমিটার রেললাইন নির্মাণ কাজ জোর কদমে এগিয়ে চলছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

Bangladesh Railway : এবার যমুনার বুকে স্বপ্নের বাস্তবায়ন

আপডেট সময় : ০৯:৩০:১৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২২

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব রেল সেতু : ছবি সংগ্রহ

 

‘যমুনায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব ডুয়েলগেজ রেল সেতু নির্মাণের জোর কদমে এগিয়ে চলছে,

এরই মধ্যে দৃশ্যমান  হলো প্রথম স্প্যান, চলতি মাসে বসবে আরও একটি স্প্যান’

 

আমিনুল হক, ঢাকা

বাংলাদেশের রেলপথ মন্ত্রী নুরুল ইসলাম সুজন বলছিলেন, ‘একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধকালীন’ সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত তালিকায় রেলওয়ে। স্বাধীনতার পরবর্তী সময়ে বিভিন্ন প্রতিকূল পরিবেশের কারণে রেলের গতি প্রায় থেমে যাবার উপক্রম হয়েছিল। হাজারো প্রতিকূলতাকে ডিঙ্গিয়ে অবশেষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ‘জনবান্ধব’ রেল ব্যবস্থাপনায় আলাদা ‘রেলপথ মন্ত্রক’ সৃষ্টি করেন। এরপর পরিকল্পিত উন্নয়নে হাত লাগানো হয়। দীর্ঘ মেয়াদী পরিকল্পনা এবং ধারাবাহিক প্রকল্প বাস্তবায়নের মধ্য দিয়ে রেল আজকের অবস্থানে পৌছে।

একই পথে রেল

পশ্চিমাঞ্চল ও পূর্বাঞ্চল দুই ভাগে বিভক্ত রেলওয়ের কর্মকাণ্ড। পশ্চিমাঞ্চলের রেলপথ হচ্ছে ব্রডগেজ আর পূর্বাঞ্চলের রেলপথ মিটারগেজ। রেলপথের এই ব্যবধানের কারণে এক অঞ্চলের রেল অপর অঞ্চলে চলাচল করতে পারত না। ডুয়েলগেজ রেলপথ নির্মাণের ফলে সারাদেশের রেলযোগাযোগের ক্ষেত্রে সেই ব্যবধান আর থাকছে না। তাতে রেলের গতি আরও বাড়বে।

যমুনার বুকে স্বপ্ন পূরণ

দুই অঞ্চল থেকে রেল যোগে ভারী পণ্যপরিবহন বাধাগ্রস্ত। পশ্চিমাঞ্চল থেকে যমুনা পেরিয়ে পূর্বাঞ্চলের পণ্যপরিবহনে সিরাজগঞ্জ প্রান্তে নামিয়ে ফের বিকল্প ব্যবস্থায় পণ্যপরিবহন করা হচ্ছে। এপার-ওপার অঞ্চলের রেলকে গতিশীল করতে যমুনা নদীতে নির্মাণ কাজ জোর কদমে এগিয়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব রেলওয়ে সেতুর। এরই মধ্যে প্রথম স্প্যান বসানো কাজ সম্পন্ন। মাসের শেষ নাগাদ আরও একটি স্প্যান বসাবে সেতুতে। প্রকল্প আধিকারিকরা অক্টোবর মাসে আরও একটি স্প্যান বসানোর পরিকল্পনা নিয়ে কাজ এগিয়ে নিচ্ছেন।

যমুনা নদীর উপর বঙ্গবন্ধু সেতুর ৩০০ মিটার উত্তরে অবস্থিত পৃৃৃৃথক রেল সেতুর নির্মাণ কাজ জোর কদমে এগিয়ে চলছে। ২০২০ সালের ২৯ নভেম্বর সেতুটির ভিত্তি স্থাপন করা হয়। ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ৩৮ শতাংশ কাজ সম্পন্ন হয়েছে।

যমুনায় বঙ্গবন্ধু সেতুতে এক লাইনের একটি রেল ট্র্যাক রয়েছে। কোন ট্রেনকে খুব ধীরে গতিতে ট্রেন সেতুটি পার হতে হচ্ছে। বঙ্গবন্ধু রেল সেতুতে ডুয়েলগেজ রেল সেতু নির্মাণের কাজ চলছে। ফলে সেতু পারাপারে কোন ট্রেনকে আর অপেক্ষায় থাকতে হবে না।

উদাহরণ টেনে রেলপথমন্ত্রী নূরুল ইসলাম সুজন বলেছেন, দেশের প্রতিটি জেলাকে রেল নেটওয়ার্কে যুক্ত করতে উদ্যোগ নিয়েছে হাসিনা সরকার। রেলব্যবস্থা ব্রডগেজ রূপান্তর করা হচ্ছে। এতে করে আন্তঃদেশীয় ট্রেন চলাচলেও সুবিধা হবে।

বর্তমানে বঙ্গবন্ধু সেতু দিয়ে ৩৮টি ট্রেন চলাচল করছে। বঙ্গবন্ধু বহুমুখী সেতু দিয়ে ঘণ্টায় ১৫ থেকে ২০ কিলোমিটার বেশি গতিতে ট্রেন চলাচল বারণ। রেল সেতুটি নির্মাণ হলে ঘণ্টায় ১২০ কিলোমিটার গতিতে ট্রেন চলাচলের পথ উন্মুক্ত হবে। তখন ট্রেনের সংখ্যা বেড়ে দিনে ৮৮টিতে দাড়াবে।

৩১ আগস্ট পর্যন্ত নির্মাণকাজের ভৌত অগ্রগতি হয়েছে ৪৪ শতাংশ। এ পর্যন্ত একটি স্প্যান বসানো হয়েছে। ভিয়েতনামে তৈরি ১০টি স্প্যান এসে পৌঁছেছে প্রকল্প এলাকায়। আরও ২০টি স্প্যান নির্মাণ কাজ দ্রুত এগুচ্ছে। সেতুর নির্মাণ কাজের অগ্রগতিতে সন্তোষজনক বলে মনে করেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব রেলওয়ে সেতু প্রকল্পের পরিচালক আল ফাত্তাহ মো. মাসুদুর রহমান। তার আশা বেঁধে দেওয়া সময়েই প্রকল্পের কাজ সম্পন্ন হবে।

সেতুর মোট ৫০টি খুঁটির মধ্যে আটটির কাজ শেষ। ৩০টির কাজ প্রায় শেষের পথে। সেতুর ৫০টি খুঁটির মধ্যে ২৩টি পশ্চিমাঞ্চলে, ২৭টি পূর্বাঞ্চলে। গত ২৯ জুলাই সেতুর ৪৭-৪৮ নম্বর খুঁটিতে প্রথম স্প্যান বসানোর কাজ শুরু হয়। ২০ আগস্ট স্প্যানটি স্থাপন্ন সম্পন্ন হয়।  ২০২৪ সালে সেতুর নির্মাণ কাজ সম্পন্নর কথা  থাকলেও ১৬ মাস সময় বাড়ানো হয়েছে ২০২৫ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত।

একনজরে রেল সেতু

৯ হাজার ৭৩৪ কোটি টাকা ব্যয়ে রেল সেতুটি নির্মাণের কথা থাকলেও প্রথম সংশোধনীর পর সেতুর প্রকল্পের ব্যয় বেড়ে গিয়ে দাঁড়িয়েছে ১৬ হাজার ৭৮০ কোটি ৯৫ লাখ ৬৩ হাজার টাকা। যার মধ্যে দেশীয় অর্থায়ন ৪ হাজার ৬৩১ কোটি টাকা (২৭.৬০ শতাংশ)। আর জাপান ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশন এজেন্সি (জাইকা) ঋণ ১২ হাজার ১৪৯ কোটি টাকা (৭২.৪০ শতাংশ)।

সেতুটির দৈর্ঘ্য প্রায় ৪.৮০ কিলোমিটার। দুই পাশে .০৫ কিলোমিটার ভায়াডাক্ট (উড়াল সেতু), ৭.৬৭ কিলোমিটার রেলওয়ে অ্যাপ্রোচ সড়ক (সংযোগ বাঁধ), আর লুপ, সাইডিংসহ মোট ৩০.৭৩ কিলোমিটার রেললাইন নির্মাণ কাজ জোর কদমে এগিয়ে চলছে।