ঢাকা ০৫:৫১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বাংলাদেশে ‘বিধর্মী সংসদ সদস্য থাকতে পারে না’ জামায়াতের জনসভা ঘিরে বিতর্ক তায়কোয়ানডো প্রতিযোগিতা সিনিয়রে আনসার, জুনিয়রে বিকেএসপি চ্যাম্পিয়ন কোকোর ১১তম মৃত্যুবার্ষিকীতে বনানীতে কবর জিয়ারত করলেন তারেক রহমান অনিশ্চয়তায় অমর একুশে বইমেলা, পহেলা ফেব্রুয়ারিতে একদিনের প্রতীকী আয়োজন দেশপ্রেমের নামে গোপনে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বৈঠক করছে তারা: চরমোনাই পীর ঢাকায় ব্যাটারিচালিত রিকশার দৌরাত্ম্য: সড়কে  বিশৃঙ্খলা, দুর্ঘটনা ও স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়িয়েছে ফরিদপুরে অবৈধ অস্ত্র কারখানায় সেনা অভিযান, একাধিক সরঞ্জাম উদ্ধার পশ্চিমবঙ্গের মুড়িগঙ্গা নদীতে ডুবে গেল বাংলাদেশি জাহাজ, উদ্ধার ১২ জন অস্ট্রেলিয়ায় হাঙরের কামড়ে আহত কিশোরের মৃত্যু বাংলাদেশ ক্রিকেট ইস্যুতে মন্তব্যের পর ভারতে মুসলিম অভিনেতা কেআরকের গ্রেফতার, বিতর্ক তুঙ্গে

রাজ্যে বিজেপি-র দুর্বল সংগঠন বলেই নবান্ন দখল অধরা, প্রকাশ্যে মানলেন শুভেন্দু

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৫:৩২:২৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ২ অক্টোবর ২০২১ ২৫৪ বার পড়া হয়েছে
ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

শুভেন্দু অধিকারী
ছবি সংগৃহীত।

২০২১ সালে নীলবাড়ি দখলের স্বপ্ন দেখেছিল বিজেপি। কিন্তু আশানুরূপ ফল হয়নি। ৭৭ আসনেই আটকে যায় গেরুয়া শিবির। সেই সময়েই রাজনৈতিক বিশ্লেষকেরা বলেছিলেন, তৃণমূলের তুলনায় অনেক দুর্বল সংগঠনের জন্যই আশানুরূপ ফল হয়নি বিজেপি-র। রাজ্যে গেরুয়া বাহিনীর

সংগঠন নেই বলে ভোটের সময় সমালোচনা করেছে তৃণমূলও। শুক্রবার সেই কথা প্রকারান্তরে মেনে নিলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। নতুন রাজ্য সভাপতির সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে সুকান্ত মজুমদারের কাছেই সেই আর্জি জানান শুভেন্দু। এমন আত্মসমালোচনা আগেও হয়েছে

বিজেপি-তে। কিন্তু কোনও প্রকাশ্য সভায় এই ভাবে প্রকান্তরে সাংগঠনিক দুর্বলতাকেই ভরাডুবির কারণ হিসেবে তুলে ধরেননি কেউ।

শুভেন্দু শুক্রবার নিজের বক্তব্যের সমর্থনে পরিসংখ্যানও দেন। তিনি বলেন, ‘‘বিজেপি-র সমর্থনের কোনও কমতি নেই। ৩৮.১৩ শতাংশ ভোট পেলে কেন্দ্রে সরকার গড়া যায়। কিন্তু

এখানে আমরা এত ভোট পাওয়ার পরেও বিধায়ক সংখ্যা বাড়াতে পারিনি কারণ, অন্য দিকে ৪৭ শতাংশের বেশি ভোট একত্রিত হয়েছে।’’ এর পরেই তিনি বলেন, ‘‘রাজ্যে ৭৭ হাজার বুথ রয়েছে। এর মধ্যে ১২ হাজার বুথে কমিটি তৈরি করা খুব কঠিন।‌ কিন্তু বাকি জায়গায় যদি আমরা বুথ

কমিটি তৈরি করতে না পারি, বুথ সংগঠন তৈরি করতে না পারি তা হলে আমরা একটা বড় অংশের আসনে জিতব কিন্তু সরকারে যেতে পারব না।’’ শুভেন্দু কর্মীদের বোঝান, গণতন্ত্রে ৫১ মানে একশো আর ৪৯ মানে শূন্য।

বিধাননগরে পূর্বাঞ্চলীয় সংস্কৃতি কেন্দ্রে (ইজেডসিসি) শুভেন্দু জানান, দিলীপ ঘোষ রাজ্য সভাপতি থাকার সময়ে বিধানসভা ভোটের পর্যালোচনা বৈঠকে তিনি কিছু প্রস্তাব দিয়েছিলেন। তাতে বুথ স্তরে সংগঠন বিস্তারের কথা বলেছিলেন। শুক্রবার তিনি সুকান্তের উদ্দেশে বলেন,

‘‘আমি আশা করব নতুন রাজ্য সভাপতি সেই বিষয়ে খানিকটা যত্নবান হবেন।’’ শুক্রবার শুভেন্দুর বক্তব্যের বড় অংশ জুড়েই ছিল তৃণমূলের সমালোচনা। তারই মধ্যে তিনি বলেন, ‘‘এই সরকারকে সরাতে হলে বুথ স্তরে সংগঠন মজবুত করতে হবে।’’ সেই সঙ্গে কর্মীদের উদ্দেশে তিনি বলেন,

‘‘আমি দলে নতুন। পুরনো সাংগঠনিক বিষয় জানি না। তবে এখন প্রচারে বাকিদের থেকে অনেক এগিয়ে থাকি, জমজমাট প্রচার করতে পারি। কিন্তু আমাদের সাংগঠনিক দুর্বলতার কারণেই

নির্বাচনী রাজনীতিতে বিজেপি ধাক্কা খায়।’’ তিনি দাবি করেন, রাজ্যে প্রচুর মানুষ বিজেপিকে সমর্থন করলেও সংগঠন তৈরি না করলে সরকার গড়া যাবে না। সূত্রআনন্দবাজার

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

রাজ্যে বিজেপি-র দুর্বল সংগঠন বলেই নবান্ন দখল অধরা, প্রকাশ্যে মানলেন শুভেন্দু

আপডেট সময় : ০৫:৩২:২৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ২ অক্টোবর ২০২১

শুভেন্দু অধিকারী
ছবি সংগৃহীত।

২০২১ সালে নীলবাড়ি দখলের স্বপ্ন দেখেছিল বিজেপি। কিন্তু আশানুরূপ ফল হয়নি। ৭৭ আসনেই আটকে যায় গেরুয়া শিবির। সেই সময়েই রাজনৈতিক বিশ্লেষকেরা বলেছিলেন, তৃণমূলের তুলনায় অনেক দুর্বল সংগঠনের জন্যই আশানুরূপ ফল হয়নি বিজেপি-র। রাজ্যে গেরুয়া বাহিনীর

সংগঠন নেই বলে ভোটের সময় সমালোচনা করেছে তৃণমূলও। শুক্রবার সেই কথা প্রকারান্তরে মেনে নিলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। নতুন রাজ্য সভাপতির সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে সুকান্ত মজুমদারের কাছেই সেই আর্জি জানান শুভেন্দু। এমন আত্মসমালোচনা আগেও হয়েছে

বিজেপি-তে। কিন্তু কোনও প্রকাশ্য সভায় এই ভাবে প্রকান্তরে সাংগঠনিক দুর্বলতাকেই ভরাডুবির কারণ হিসেবে তুলে ধরেননি কেউ।

শুভেন্দু শুক্রবার নিজের বক্তব্যের সমর্থনে পরিসংখ্যানও দেন। তিনি বলেন, ‘‘বিজেপি-র সমর্থনের কোনও কমতি নেই। ৩৮.১৩ শতাংশ ভোট পেলে কেন্দ্রে সরকার গড়া যায়। কিন্তু

এখানে আমরা এত ভোট পাওয়ার পরেও বিধায়ক সংখ্যা বাড়াতে পারিনি কারণ, অন্য দিকে ৪৭ শতাংশের বেশি ভোট একত্রিত হয়েছে।’’ এর পরেই তিনি বলেন, ‘‘রাজ্যে ৭৭ হাজার বুথ রয়েছে। এর মধ্যে ১২ হাজার বুথে কমিটি তৈরি করা খুব কঠিন।‌ কিন্তু বাকি জায়গায় যদি আমরা বুথ

কমিটি তৈরি করতে না পারি, বুথ সংগঠন তৈরি করতে না পারি তা হলে আমরা একটা বড় অংশের আসনে জিতব কিন্তু সরকারে যেতে পারব না।’’ শুভেন্দু কর্মীদের বোঝান, গণতন্ত্রে ৫১ মানে একশো আর ৪৯ মানে শূন্য।

বিধাননগরে পূর্বাঞ্চলীয় সংস্কৃতি কেন্দ্রে (ইজেডসিসি) শুভেন্দু জানান, দিলীপ ঘোষ রাজ্য সভাপতি থাকার সময়ে বিধানসভা ভোটের পর্যালোচনা বৈঠকে তিনি কিছু প্রস্তাব দিয়েছিলেন। তাতে বুথ স্তরে সংগঠন বিস্তারের কথা বলেছিলেন। শুক্রবার তিনি সুকান্তের উদ্দেশে বলেন,

‘‘আমি আশা করব নতুন রাজ্য সভাপতি সেই বিষয়ে খানিকটা যত্নবান হবেন।’’ শুক্রবার শুভেন্দুর বক্তব্যের বড় অংশ জুড়েই ছিল তৃণমূলের সমালোচনা। তারই মধ্যে তিনি বলেন, ‘‘এই সরকারকে সরাতে হলে বুথ স্তরে সংগঠন মজবুত করতে হবে।’’ সেই সঙ্গে কর্মীদের উদ্দেশে তিনি বলেন,

‘‘আমি দলে নতুন। পুরনো সাংগঠনিক বিষয় জানি না। তবে এখন প্রচারে বাকিদের থেকে অনেক এগিয়ে থাকি, জমজমাট প্রচার করতে পারি। কিন্তু আমাদের সাংগঠনিক দুর্বলতার কারণেই

নির্বাচনী রাজনীতিতে বিজেপি ধাক্কা খায়।’’ তিনি দাবি করেন, রাজ্যে প্রচুর মানুষ বিজেপিকে সমর্থন করলেও সংগঠন তৈরি না করলে সরকার গড়া যাবে না। সূত্রআনন্দবাজার