ঢাকা ০২:১২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৫ মার্চ ২০২৬, ১ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
সংস্কার পরিষদের সাংবিধানিক অস্তিত্ব নেই: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ইরানের প্রতিবেশীদের উসকে দিতে ‘ভুয়া ড্রোন’ কৌশল যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের কয়েকটি তেলের জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছেছে, রেশনিং তুলে নেওয়ার ঘোষণা বহুদলীয় গণতন্ত্র ও ধর্মীয় মূল্যবোধ রক্ষায় সরকার বদ্ধপরিকর: তথ্যমন্ত্রী ইরানের প্রতি মানবিক সহমর্মিতা জানিয়ে পাশে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে চীন মার্কিন হামলার পরও খারগ দ্বীপ থেকে তেল রপ্তানি অব্যাহত: ইরান ডলার নয়, ইউয়ানে লেনদেন হলে খুলতে পারে হরমুজ প্রণালি আমিরাতের জ্বালানি স্থাপনায় ইরানের হামলা ৫০ হাজার কোটি টাকার পোলট্রি খাত ঝুঁকিতে, খামারিদের রক্ষায় ৬ দফা দাবি পেঁয়াজ-আলুর দামপতনে কৃষকের কান্না, `কৃষিপণ্য কমিশন গঠনের দাবি’

কাবুলে হত মেরিনস কমান্ডো, ইজরায়েলি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক স্থগিত বাইডেনের

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৭:২৫:৩৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ অগাস্ট ২০২১ ২৩৮ বার পড়া হয়েছে
ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ফাইল ছবি

সংবাদ সংস্থা : হোয়াইট হাউসে তখন ইজরায়েলি প্রধানমন্ত্রী নাফতালি বেনেটের সঙ্গে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের বৈঠকের প্রস্তুতি চলছিল। সে সময়ই কাবুল বিমানবন্দরের অ্যাবে গেট থেকে

প্রথম বিস্ফোরণের খবর মেলে। পত্রপাঠ বৈঠক পিছিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন বাইডেন। দ্রুত নিরাপত্তা উপদেষ্টাদের কাছে সর্বশেষ পরিস্থিতির খোঁজ নিতে শুরু করেন।

কিছুক্ষণ পরেই বিমানবন্দরের অদূরে ব্যারন হোটেলের সামনে দ্বিতীয় বিস্ফোরণ। সেই সঙ্গে ভিড়ের মধ্যে এলোপাথাড়ি গুলি চালানোর খবর। আশঙ্কা বহুগুণ বেড়ে যায় এক লহমায়। কারণ, বিমানবন্দরের প্রবেশপথ এবং প্রাণভয়ে দেশ ছাড়তে মরিয়া আফগান আমজনতার ভিড় ছিল

নোংরা নালার পাশে। কিন্তু তারকা হোটেলেই ঠাঁই নিয়েছেন আফগানিস্তানে থেকে যাওয়া আমেরিকার নাগরিকদের অনেকে।

হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র জন কিরবি টুইটারে জানিয়েছেন, বৃহস্পতিবারের জঙ্গি হানায় অসামরিক নাগরিকদের পাশাপাশি আমেরিকানদের ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। আমেরিকার সংবাদপত্র

ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের দাবি, বিস্ফোরণে আমেরিকার ৪ মেরিনস কমান্ডোর মৃত্যু হয়েছে। অন্য একটি খবরে দাবি, তিন জন মেরিনস আহত হয়েছেন বিস্ফোরণে। এই নাশকতার পিছনে

ইসলামিক স্টেট খোরাসান (আইএস)-এর হাত রয়েছে বলেই জানিয়েছে ওয়াশিংটন এবং তালিবান।

বুধবারই আমেরিকার একটি গোয়েন্দা রিপোর্টে কাবুল বিমানবন্দরে আইএস হামলার সম্ভাবনার কথা বলা হয়েছিল। জারি হয়েছিল, নিরাপত্তাজনিত সতর্কতাও।

প্রসঙ্গত, পশ্চিম এশিয়ায় সক্রিয় জঙ্গিগোষ্ঠী আইএস-এর আফগানিস্তান শাখা ‘কট্টর তালিবান-বিরোধী’ হিসেবে পরিচিত। গত কয়েক বছরে আইএস-এর হামলায় বিস্ফোরণে বেশ কিছু তালিব

জঙ্গির মৃত্যুও হয়েছে। আইএস নেতা আবু বকর আল বাগদাদির অনুগত এই বাহিনী সিরিয়া, ইরাক, আফগানিস্তান এবং পাকিস্তানের একাংশ নিয়ে ঐতিহাসিক খোরাসান অঞ্চলে নয়া ইসলামিক রাষ্ট্র গড়তে চায়।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

কাবুলে হত মেরিনস কমান্ডো, ইজরায়েলি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক স্থগিত বাইডেনের

আপডেট সময় : ০৭:২৫:৩৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ অগাস্ট ২০২১

ফাইল ছবি

সংবাদ সংস্থা : হোয়াইট হাউসে তখন ইজরায়েলি প্রধানমন্ত্রী নাফতালি বেনেটের সঙ্গে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের বৈঠকের প্রস্তুতি চলছিল। সে সময়ই কাবুল বিমানবন্দরের অ্যাবে গেট থেকে

প্রথম বিস্ফোরণের খবর মেলে। পত্রপাঠ বৈঠক পিছিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন বাইডেন। দ্রুত নিরাপত্তা উপদেষ্টাদের কাছে সর্বশেষ পরিস্থিতির খোঁজ নিতে শুরু করেন।

কিছুক্ষণ পরেই বিমানবন্দরের অদূরে ব্যারন হোটেলের সামনে দ্বিতীয় বিস্ফোরণ। সেই সঙ্গে ভিড়ের মধ্যে এলোপাথাড়ি গুলি চালানোর খবর। আশঙ্কা বহুগুণ বেড়ে যায় এক লহমায়। কারণ, বিমানবন্দরের প্রবেশপথ এবং প্রাণভয়ে দেশ ছাড়তে মরিয়া আফগান আমজনতার ভিড় ছিল

নোংরা নালার পাশে। কিন্তু তারকা হোটেলেই ঠাঁই নিয়েছেন আফগানিস্তানে থেকে যাওয়া আমেরিকার নাগরিকদের অনেকে।

হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র জন কিরবি টুইটারে জানিয়েছেন, বৃহস্পতিবারের জঙ্গি হানায় অসামরিক নাগরিকদের পাশাপাশি আমেরিকানদের ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। আমেরিকার সংবাদপত্র

ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের দাবি, বিস্ফোরণে আমেরিকার ৪ মেরিনস কমান্ডোর মৃত্যু হয়েছে। অন্য একটি খবরে দাবি, তিন জন মেরিনস আহত হয়েছেন বিস্ফোরণে। এই নাশকতার পিছনে

ইসলামিক স্টেট খোরাসান (আইএস)-এর হাত রয়েছে বলেই জানিয়েছে ওয়াশিংটন এবং তালিবান।

বুধবারই আমেরিকার একটি গোয়েন্দা রিপোর্টে কাবুল বিমানবন্দরে আইএস হামলার সম্ভাবনার কথা বলা হয়েছিল। জারি হয়েছিল, নিরাপত্তাজনিত সতর্কতাও।

প্রসঙ্গত, পশ্চিম এশিয়ায় সক্রিয় জঙ্গিগোষ্ঠী আইএস-এর আফগানিস্তান শাখা ‘কট্টর তালিবান-বিরোধী’ হিসেবে পরিচিত। গত কয়েক বছরে আইএস-এর হামলায় বিস্ফোরণে বেশ কিছু তালিব

জঙ্গির মৃত্যুও হয়েছে। আইএস নেতা আবু বকর আল বাগদাদির অনুগত এই বাহিনী সিরিয়া, ইরাক, আফগানিস্তান এবং পাকিস্তানের একাংশ নিয়ে ঐতিহাসিক খোরাসান অঞ্চলে নয়া ইসলামিক রাষ্ট্র গড়তে চায়।