ঢাকা ০২:৩২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০২ জুন ২০২৬, ১৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
রোহিঙ্গাদের জন্য ২০ লাখ ইউরো সহায়তা দিচ্ছে ফিনল্যান্ড মায়ের টানে ৭৮ তলা সমান গভীর গুহা থেকে অলৌকিক ফেরা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান: সামনে কঠিন সময়, দায়িত্বশীল না হলে দেশের ক্ষতি হবে সমঝোতা না হলে ইরানে আবারও হামলার হুঁশিয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের দেশ গঠনে নাগরিক দায়িত্ব আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর ঈদের টানা সাতদিনের ছুটি শেষে সোমবার খুলছে অফিস-আদালত ঢাকায় পশু কোরবানি ৭লাখ: সাভার ট্যানারী পল্লীতে চামড়া  ঢুকেছে সোয়া ৫ লাখ প্রথম ফিরতি ফ্লাইটে  ৪১৯ জন হজযাত্রী ঢাকায় পৌঁছেছেন চামড়া: অর্থনীতিতে আয়ের উৎস, সেই মূল্যবান সম্পদের এমন অর্থহীন পরিণতি! সড়ক নয়, যেন মৃত্যুর উপত্যকা! লোবানের গন্ধে ফিকে ঈদের আনন্দ

উত্তরম-মধ্যাঞ্চলের বন্যা পরিস্থিতি অবণতির বার্তা

ভয়েস রিপোর্ট, ঢাকা
  • আপডেট সময় : ১২:৩৮:৫৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৩ অগাস্ট ২০২১ ২৬৩ বার পড়া হয়েছে
ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ছবি সংগ্রহ

উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল, ভারীবর্ষণ মিলিয়ে প্রধান নদ-নদীর জল ফুঁসে ওঠেছে। রাতপোহালেই জলমগ্ন হচ্ছে নতুন নতুন এলাকা। বানভাসী মানুষের ঠাই নিয়েছেন উচুস্থান ও বেড়ি বাধে। অনেকে দুর্ভোগকে সঙ্গী করে রয়েছে গিয়েছেন নিজ বাড়িতে।

বেশ কয়েক দিন আগেই থেকেই উজালের ঢলে উত্তরজনপদের বন্যা পরিস্থিতি অবণতি ঘটছিল। দিনে দিনে তা আরও অবনতি হচ্ছে। ইতিমধ্যে উত্তরের আট জেলার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়ে

গিয়েছে। প্লাবিত হচ্ছে নতুন নতুন এলাকা। দেশের পাঁচটি নদীর আটটি পয়েন্টের জল বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্রের নির্বাহী প্রকৌশলী

আরিফুজ্জামান ভূইয়া বলেছেন, উজানের পাহাড়ি ঢল আর ভারীবর্ষণে বন্যা পরিস্থিতি অবণতি ঘটছে। উত্তরজনপদের সঙ্গে দেশের মধ্যাঞ্ছলের বন্যাপরিস্থিতিও অভণতি ঘটছে। আগামী দশ দিনের পরিস্থিতির চিত্র তুলে ধরে এই প্রকৌশলী।

ব্রহ্মপুত্র-যমুনা ও পদ্মার জল বেড়ে চলেছে। যা অব্যাহত থাকতে পারে। স্থিতিশীল থাকতে পারে তিস্তা জল। সোমবারের মধ্যে কুড়িগ্রাম, সিরাজগঞ্জ, পাবনা, কুষ্টিয়া, মানিকগঞ্জ, রাজবাড়ী,

ফরিদপুর ও শরিয়তপুর জেলার নিম্নাঞ্চলে বন্যা পরিস্থিতির অবনতির পূর্বাভাস। এ সময় যমুনার জল সিরাজগঞ্জ পয়েন্টে এবং ধলেশ্বরী নদীর জল এলাসিন পয়েন্টে বিপৎসীমা অতিক্রম করতে

পারে। পরবর্তী ১০ দিনের মধ্যমেয়াদি এক পূর্বাভাসে এতথ্য জানিয়ে বলা হয়েছে, ব্রহ্মপুত্র-যমুনা নদীর জল বৃদ্ধি অব্যাহত থাকতে পারে।

২৭ আগস্টের মধ্যে জামালপুর জেলার বাহাদুরাবাদ স্টেশন, বগুড়া জেলার সারিয়াকান্দি স্টেশন, সিরাজগঞ্জ জেলার কাজীপুর স্টেশনে জল বিপৎসীমার কাছাকাছি পৌঁছাতে পারে। মানিকগঞ্জের

আরিচা স্টেশন, সিরাজগঞ্জের সিরাজগঞ্জ স্টেশন এবং টাঙ্গাইলের এলাসিন ঘাট স্টেশনেও জল বিপৎসীমার কাছাকাছি পৌঁছাতে পারে। ইতিমধ্যে এসব স্থানের কোথাও কোথাও জল বিপৎসীমা

ছাড়িয়েছে। গঙ্গা নদীর জল আগামী পাঁচ দিন স্থিতিশীল থাকতে পারে। তবে পদ্মার জল বৃদ্ধি অব্যাহত থাকবে। রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ পয়েন্টে ও শরীয়তপুরের সুরেশ্বর পয়েন্টে জল আগামী সাত দিন স্থিতিশীল থাকতে পারে। যার ফলে চলমান বন্যা পরিস্থিতি আগামী সাত দিন অব্যাহত

থাকবে। মুন্সীগঞ্জের ভাগ্যকূল এবং মাওয়া পয়েন্টে জল ২৫ আগস্ট নাগাদ বিপৎসীমার কাছাকাছি পৌঁছাতে পারে। ঢাকার চারপাশের নদীগুলোতে জল বাড়লেও বিপৎসীমা অতিক্রম করবে না।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

উত্তরম-মধ্যাঞ্চলের বন্যা পরিস্থিতি অবণতির বার্তা

আপডেট সময় : ১২:৩৮:৫৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৩ অগাস্ট ২০২১

ছবি সংগ্রহ

উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল, ভারীবর্ষণ মিলিয়ে প্রধান নদ-নদীর জল ফুঁসে ওঠেছে। রাতপোহালেই জলমগ্ন হচ্ছে নতুন নতুন এলাকা। বানভাসী মানুষের ঠাই নিয়েছেন উচুস্থান ও বেড়ি বাধে। অনেকে দুর্ভোগকে সঙ্গী করে রয়েছে গিয়েছেন নিজ বাড়িতে।

বেশ কয়েক দিন আগেই থেকেই উজালের ঢলে উত্তরজনপদের বন্যা পরিস্থিতি অবণতি ঘটছিল। দিনে দিনে তা আরও অবনতি হচ্ছে। ইতিমধ্যে উত্তরের আট জেলার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়ে

গিয়েছে। প্লাবিত হচ্ছে নতুন নতুন এলাকা। দেশের পাঁচটি নদীর আটটি পয়েন্টের জল বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্রের নির্বাহী প্রকৌশলী

আরিফুজ্জামান ভূইয়া বলেছেন, উজানের পাহাড়ি ঢল আর ভারীবর্ষণে বন্যা পরিস্থিতি অবণতি ঘটছে। উত্তরজনপদের সঙ্গে দেশের মধ্যাঞ্ছলের বন্যাপরিস্থিতিও অভণতি ঘটছে। আগামী দশ দিনের পরিস্থিতির চিত্র তুলে ধরে এই প্রকৌশলী।

ব্রহ্মপুত্র-যমুনা ও পদ্মার জল বেড়ে চলেছে। যা অব্যাহত থাকতে পারে। স্থিতিশীল থাকতে পারে তিস্তা জল। সোমবারের মধ্যে কুড়িগ্রাম, সিরাজগঞ্জ, পাবনা, কুষ্টিয়া, মানিকগঞ্জ, রাজবাড়ী,

ফরিদপুর ও শরিয়তপুর জেলার নিম্নাঞ্চলে বন্যা পরিস্থিতির অবনতির পূর্বাভাস। এ সময় যমুনার জল সিরাজগঞ্জ পয়েন্টে এবং ধলেশ্বরী নদীর জল এলাসিন পয়েন্টে বিপৎসীমা অতিক্রম করতে

পারে। পরবর্তী ১০ দিনের মধ্যমেয়াদি এক পূর্বাভাসে এতথ্য জানিয়ে বলা হয়েছে, ব্রহ্মপুত্র-যমুনা নদীর জল বৃদ্ধি অব্যাহত থাকতে পারে।

২৭ আগস্টের মধ্যে জামালপুর জেলার বাহাদুরাবাদ স্টেশন, বগুড়া জেলার সারিয়াকান্দি স্টেশন, সিরাজগঞ্জ জেলার কাজীপুর স্টেশনে জল বিপৎসীমার কাছাকাছি পৌঁছাতে পারে। মানিকগঞ্জের

আরিচা স্টেশন, সিরাজগঞ্জের সিরাজগঞ্জ স্টেশন এবং টাঙ্গাইলের এলাসিন ঘাট স্টেশনেও জল বিপৎসীমার কাছাকাছি পৌঁছাতে পারে। ইতিমধ্যে এসব স্থানের কোথাও কোথাও জল বিপৎসীমা

ছাড়িয়েছে। গঙ্গা নদীর জল আগামী পাঁচ দিন স্থিতিশীল থাকতে পারে। তবে পদ্মার জল বৃদ্ধি অব্যাহত থাকবে। রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ পয়েন্টে ও শরীয়তপুরের সুরেশ্বর পয়েন্টে জল আগামী সাত দিন স্থিতিশীল থাকতে পারে। যার ফলে চলমান বন্যা পরিস্থিতি আগামী সাত দিন অব্যাহত

থাকবে। মুন্সীগঞ্জের ভাগ্যকূল এবং মাওয়া পয়েন্টে জল ২৫ আগস্ট নাগাদ বিপৎসীমার কাছাকাছি পৌঁছাতে পারে। ঢাকার চারপাশের নদীগুলোতে জল বাড়লেও বিপৎসীমা অতিক্রম করবে না।