ঢাকা ১১:৫৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বৈদেশিক মুদ্রা ব্যয়ে  আমদানির বিদ্যুৎ গিলছে অবৈধ ব্যাটারি অটোরিকশা জর্ডানে মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানের হামলা, ক্ষতিগ্রস্ত একাধিক যুদ্ধবিমান দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক জোরদারে ঢাকা-নয়াদিল্লির নতুন প্রত্যাশা খুব দ্রুত বিশ্ববাজারে কমবে জ্বালানি তেলের দাম: ট্রাম্প ইসরায়েলে বহুমুখী হামলার প্রস্তুতি, মিত্রদের একজোট করছে ইরান এলএনজি সংরক্ষণ ও গ্যাসে রূপান্তরে বিনিয়োগে আগ্রহী যুক্তরাষ্ট্র নিউ মেক্সিকো’র নাম পরিবর্তন করে নিউ আমেরিকা রাখার প্রস্তাব ট্রাম্পের রোহিঙ্গা সংকট বাংলাদেশের অন্যতম বড় সংকট : প্রধানমন্ত্রী সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অবৈধ ব্যাটারিচালিত অটো নিয়ন্ত্রণে কঠোর পদক্ষেপ গঙ্গার পানির ন্যায্য হিস্যা নিশ্চিতের আহ্বান জনপ্রশাসন উপদেষ্টার

সিলেটে বন্যার পদধ্বনি

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৭:০২:১৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৫ অগাস্ট ২০২১ ২৭১ বার পড়া হয়েছে
ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ছবি সংগ্রহ

সিলেট ঘিরে পাঁচটি নদ-নদীর জল ফুঁসছে। প্রতিটি পয়েন্টেই জল বাড়ছে। উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে বৃষ্টির জল। এ অবস্থায় বাসিন্দাদের মধ্যে দেখা উদ্বেগ।

সিলেট জল উন্নয়ন বোর্ড সূত্রের খবর, সুরমা, কুশিয়ারা, লোভা, ধলাই এবং সারি নদীর জল আগের দিনের চেয়ে শনিবারও বেড়েছে। জলবৃদ্ধি থাকায় দুশ্চিন্তাও তাড়া করছে।

সুরমা নদীর জল শুক্রবার সন্ধ্যা ৬টা নাগাদ কানাইঘাট পয়েন্টে ছিল ১২.৩৬ সেন্টিমিটার। শনিবার সকাল ৯টায় তা বেড়ে দাঁড়ায় ১২.৬৬ সেন্টিমিটার। বিপদসীমা থেকে মাত্র ০.৯ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

সুরমার জল বেড়েছে সিলেট পয়েন্টেও। শুক্রবার সন্ধ্যায় যেখানে ৯.৭৮ সেন্টিমিটার, শনিবার সেখানে ৯.৯৫ সেন্টিমিটার। কুশিয়ারা নদীর জল আমলশিদ পয়েন্টে শুক্রবারের চেয়ে বেড়েছে ০.৮ সেন্টিমিটার। শুক্রবার যেখানে ১৩.৩১ সেন্টিমিটার তা শনিবার বেড়ে গিয়ে ঠেকেছে ১৩.৩৯ সেন্টিমিটার।

শেওলা পয়েন্টে কুশিয়ারা নদীর জল শুক্রবার সন্ধ্যা ৬টায় ছিল ১০.৯৭ সেন্টিমিটার। শনিবার সকাল ৯টায় তা ১১.০৮ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। কুশিয়ারার স্থিতিশীল রয়েছে ফেঞ্চুগঞ্জ পয়েন্টে।

কানাইঘাট দিয়ে বয়ে যাওয়া লোভা নদীর জল শুক্রবারের চেয়ে বেড়েছে ০.৭৪ সেন্টিমিটার। শুক্রবার লোভাছড়া পয়েন্টে নদীর জল সন্ধ্যায় ছিল ১৩.৪৯ সেন্টিমিটার, আর রাত পোহাতেই শনিবার ১৪.২৩ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল। সারি

নদীর জলও থেমে নেই। সারিঘাট পয়েন্টে শুক্রবার ১১.৭০ এবং শনিবার ০.২৬ সেন্টিমিটার বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১১.৯৬ সেন্টিমিটার। এদিকে ধলাই নদীর ইসলামপুর পয়েন্টে শনিবার বেড়ে ১০.৯৮ সেন্টিমিটার হয়েছে। শনিবার বাংলাদেশ জল উন্নয়ন বোর্ডের বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ

কেন্দ্রের বৃষ্টিপাত ও নদ-নদীর জল বৃদ্ধি বিষয়ক প্রতিবেদনে বলেছে, দেশের প্রধান নদ-নদীর জল বাড়ছে, যা আগামী ৪৮ ঘণ্টা পর্যন্ত অব্যাহত থাকতে পারে। এ ছাড়াও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সিলেট ও

সুনামগঞ্জ জেলার নিম্নাঞ্চলে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হতে পারে। জল উন্নয়ন বোর্ড সিলেট নির্বাহী প্রকৌশলী আসিফ আহমেদ মতে বৃষ্টি অব্যাহত থাকলে সিলেটের নিম্নাঞ্চলে শীঘ্রই বন্যা দেখা দিতে পারে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

সিলেটে বন্যার পদধ্বনি

আপডেট সময় : ০৭:০২:১৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৫ অগাস্ট ২০২১

ছবি সংগ্রহ

সিলেট ঘিরে পাঁচটি নদ-নদীর জল ফুঁসছে। প্রতিটি পয়েন্টেই জল বাড়ছে। উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে বৃষ্টির জল। এ অবস্থায় বাসিন্দাদের মধ্যে দেখা উদ্বেগ।

সিলেট জল উন্নয়ন বোর্ড সূত্রের খবর, সুরমা, কুশিয়ারা, লোভা, ধলাই এবং সারি নদীর জল আগের দিনের চেয়ে শনিবারও বেড়েছে। জলবৃদ্ধি থাকায় দুশ্চিন্তাও তাড়া করছে।

সুরমা নদীর জল শুক্রবার সন্ধ্যা ৬টা নাগাদ কানাইঘাট পয়েন্টে ছিল ১২.৩৬ সেন্টিমিটার। শনিবার সকাল ৯টায় তা বেড়ে দাঁড়ায় ১২.৬৬ সেন্টিমিটার। বিপদসীমা থেকে মাত্র ০.৯ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

সুরমার জল বেড়েছে সিলেট পয়েন্টেও। শুক্রবার সন্ধ্যায় যেখানে ৯.৭৮ সেন্টিমিটার, শনিবার সেখানে ৯.৯৫ সেন্টিমিটার। কুশিয়ারা নদীর জল আমলশিদ পয়েন্টে শুক্রবারের চেয়ে বেড়েছে ০.৮ সেন্টিমিটার। শুক্রবার যেখানে ১৩.৩১ সেন্টিমিটার তা শনিবার বেড়ে গিয়ে ঠেকেছে ১৩.৩৯ সেন্টিমিটার।

শেওলা পয়েন্টে কুশিয়ারা নদীর জল শুক্রবার সন্ধ্যা ৬টায় ছিল ১০.৯৭ সেন্টিমিটার। শনিবার সকাল ৯টায় তা ১১.০৮ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। কুশিয়ারার স্থিতিশীল রয়েছে ফেঞ্চুগঞ্জ পয়েন্টে।

কানাইঘাট দিয়ে বয়ে যাওয়া লোভা নদীর জল শুক্রবারের চেয়ে বেড়েছে ০.৭৪ সেন্টিমিটার। শুক্রবার লোভাছড়া পয়েন্টে নদীর জল সন্ধ্যায় ছিল ১৩.৪৯ সেন্টিমিটার, আর রাত পোহাতেই শনিবার ১৪.২৩ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল। সারি

নদীর জলও থেমে নেই। সারিঘাট পয়েন্টে শুক্রবার ১১.৭০ এবং শনিবার ০.২৬ সেন্টিমিটার বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১১.৯৬ সেন্টিমিটার। এদিকে ধলাই নদীর ইসলামপুর পয়েন্টে শনিবার বেড়ে ১০.৯৮ সেন্টিমিটার হয়েছে। শনিবার বাংলাদেশ জল উন্নয়ন বোর্ডের বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ

কেন্দ্রের বৃষ্টিপাত ও নদ-নদীর জল বৃদ্ধি বিষয়ক প্রতিবেদনে বলেছে, দেশের প্রধান নদ-নদীর জল বাড়ছে, যা আগামী ৪৮ ঘণ্টা পর্যন্ত অব্যাহত থাকতে পারে। এ ছাড়াও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সিলেট ও

সুনামগঞ্জ জেলার নিম্নাঞ্চলে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হতে পারে। জল উন্নয়ন বোর্ড সিলেট নির্বাহী প্রকৌশলী আসিফ আহমেদ মতে বৃষ্টি অব্যাহত থাকলে সিলেটের নিম্নাঞ্চলে শীঘ্রই বন্যা দেখা দিতে পারে।