ঢাকা ০৪:১০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬, ১২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
সমঝোতা স্মারক লঙ্ঘনের পর যুক্তরাষ্ট্রের নিহত ২০০ ছাড়িয়েছে: আইআরজিসি প্রকৃতি ও পরিবেশ চাঁইয়ের ফাঁদে পাঙাশ নিধন উপকূলের নদ-নদীতে মাছশূন্য ভবিষ্যতের অশনিসংকেত এলএনজি টার্মিনাল সচলে আরও পাঁচ দিন দেশজুড়ে গ্যাস সংকট তীব্র, বাসা-বাড়ি, শিল্প ও যানবাহনে চরম ভোগান্তি পরিবেশের মারাত্মক প্রভাবে হুমকির মুখে সুন্দরবন সশস্ত্র বাহিনীকে দলীয় হাতিয়ার হতে দেওয়া হবে না বিশ্ব ঐতিহ্যের তালিকায় স্থান ভারতের ঐতিহাসিক বৌদ্ধ তীর্থস্থান সারনাথ স্বামীর নির্যাতন বরিশালে আওয়ামী লীগ নেত্রীর আত্মহত্যা রোববার বঙ্গভবন ছাড়ছেন সদ্যবিদায়ি রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন সংবিধানের ৫৪ অনুচ্ছেদ মেনে রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব গ্রহণ করেছি: স্পিকার রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন তাঁর পদত্যাগপত্রে যা লিখেন

বঙ্গমাতার আদর্শ ও আত্মত্যাগের দৃষ্টান্ত যুগে যুগে নতুন প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করবে

ভয়েস রিপোর্ট
  • আপডেট সময় : ০৯:৫৫:৪৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ৯ অগাস্ট ২০২১ ২৩৫ বার পড়া হয়েছে
ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ. কে. আব্দুল মোমেন বলেন, বঙ্গমাতার আদর্শ ও আত্মত্যাগের দৃষ্টান্ত যুগে যুগে নতুন প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করবে। বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর বঙ্গবন্ধুর যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশ

গঠনের  প্রচেষ্টায় বঙ্গমাতা বঙ্গবন্ধুকে পরামর্শ ও প্রেরণা প্রদানের সাথে সাথে নিজেও নির্যাতিত মা-বোনদের চিকিৎসার ব্যবস্থা করেন এবং তাদের সামাজিকভাবে প্রতিষ্ঠা করার উদ্যোগ নেন।

বঙ্গমাতা ফজিলাতুন নেছা মুজিবের ৯১তম জন্মবার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষ্যে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আয়োজিত ওয়েবিনারে সভাপতির বক্তৃতায় পররাষ্ট্র মন্ত্রী ড. এ. কে. আব্দুল মোমেন এসব কথা বলেন।

ড. মোমেন বলেন, প্রকাশ্য রাজনীতি না করলেও প্রয়োজনে বঙ্গমাতা নিজেই সক্রিয়
হছেন আন্দোলন-সংগ্রামে। তিনি প্রায় সকল আন্দোলন-সংগ্রামে বিভিন্নভাবে

ভূমিকা রাখেন। স্বকীয় বৈশিষ্ট্য ও স্বমহীমায় অনন্য বঙ্গমাতা চিরায়ত বাঙালি নারীর
পরিচয়কে ছাপিয়ে গিয়েছিলেন।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী উল্লেখ করেন, বঙ্গমাতা আমৃত্যু স্বামীর পাশে থেকে একজন যোগ্য ও বিশ্বস্ত সহচর হিসেবে বাঙালির প্রতিটি আন্দোলন-সংগ্রামে নেতৃত্ব দেওয়ার কাজে বঙ্গবন্ধুকে
পরামর্শ ও সহযোগিতা প্রদান করে এসেছেন। তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত

আত্মজীবনী কিংবা কারাগারের রোজনামচা বইয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও শেখ
রেহানার নানান স্মৃতিচারণায় বঙ্গমাতার যে চারিত্রিক বিচক্ষণতা ও দৃঢতার কথা জানা
যায় তা অনুকরণীয়।

ড. মোমেন বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জীবন-আদর্শকে
বুঝতে হলে তাঁর কর্ম সম্পর্কে জানার পাশাপাশি বঙ্গবন্ধুর ছায়াসঙ্গী হয়ে পাশে থাকা বঙ্গমাতা ফজিলাতুন নেছা মুজিবের অবদানও জানা প্রয়োজন। অন্যথায় বঙ্গবন্ধু সম্পর্কে আমাদের জানা

অসম্পূর্ণ রয়ে যাবে। একই সাথে বাঙালি জাতির মুক্তির সংগ্রামে এই মহীয়সী নারীর অবদানের কথাও অজানা রয়ে যাবে।

আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তৃতা করেন সাবেক বাণিজ্য মন্ত্রী ও বাংলাদেশআওয়ামী লীগের উপদেষ্ঠামন্ডলীর সদস্য তোফায়েল আহমেদ। বাঙালির প্রতিটি
আন্দোলন- সংগ্রামে বঙ্গমাতা কিভাবে বঙ্গবন্ধুর পাশে থেকে তাকে প্রেরণা দিয়েছেন

ও বঙ্গবন্ধুর অনুপস্থিতিতে কিভাবে রাজনৈতিক কার্যক্রম এগিয়ে নিয়েছেন সে বিষয় তিনি প্রাণবন্তভাবে তুলে ধরেন।

অনুষ্ঠানে সূচনা বক্তব্য প্রদান করেন পররাষ্ট্রসচিব মাসুদ বিন মোমেন। এসময় আলোচনা সভার মুখ্য আলোচক ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক প্রোভিসি ও ভূগোল বিভাগের

সাবেক অধ্যাপক ও বঙ্গবন্ধু পরিবারের নিকটতম প্রতিবেশী ড. নাসরিন আহমাদ
বঙ্গমাতা ফজিলাতুন নেছা মুজিব সম্পর্কে আবেগঘন স্মৃতিচারণ করেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

বঙ্গমাতার আদর্শ ও আত্মত্যাগের দৃষ্টান্ত যুগে যুগে নতুন প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করবে

আপডেট সময় : ০৯:৫৫:৪৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ৯ অগাস্ট ২০২১

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ. কে. আব্দুল মোমেন বলেন, বঙ্গমাতার আদর্শ ও আত্মত্যাগের দৃষ্টান্ত যুগে যুগে নতুন প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করবে। বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর বঙ্গবন্ধুর যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশ

গঠনের  প্রচেষ্টায় বঙ্গমাতা বঙ্গবন্ধুকে পরামর্শ ও প্রেরণা প্রদানের সাথে সাথে নিজেও নির্যাতিত মা-বোনদের চিকিৎসার ব্যবস্থা করেন এবং তাদের সামাজিকভাবে প্রতিষ্ঠা করার উদ্যোগ নেন।

বঙ্গমাতা ফজিলাতুন নেছা মুজিবের ৯১তম জন্মবার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষ্যে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আয়োজিত ওয়েবিনারে সভাপতির বক্তৃতায় পররাষ্ট্র মন্ত্রী ড. এ. কে. আব্দুল মোমেন এসব কথা বলেন।

ড. মোমেন বলেন, প্রকাশ্য রাজনীতি না করলেও প্রয়োজনে বঙ্গমাতা নিজেই সক্রিয়
হছেন আন্দোলন-সংগ্রামে। তিনি প্রায় সকল আন্দোলন-সংগ্রামে বিভিন্নভাবে

ভূমিকা রাখেন। স্বকীয় বৈশিষ্ট্য ও স্বমহীমায় অনন্য বঙ্গমাতা চিরায়ত বাঙালি নারীর
পরিচয়কে ছাপিয়ে গিয়েছিলেন।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী উল্লেখ করেন, বঙ্গমাতা আমৃত্যু স্বামীর পাশে থেকে একজন যোগ্য ও বিশ্বস্ত সহচর হিসেবে বাঙালির প্রতিটি আন্দোলন-সংগ্রামে নেতৃত্ব দেওয়ার কাজে বঙ্গবন্ধুকে
পরামর্শ ও সহযোগিতা প্রদান করে এসেছেন। তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত

আত্মজীবনী কিংবা কারাগারের রোজনামচা বইয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও শেখ
রেহানার নানান স্মৃতিচারণায় বঙ্গমাতার যে চারিত্রিক বিচক্ষণতা ও দৃঢতার কথা জানা
যায় তা অনুকরণীয়।

ড. মোমেন বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জীবন-আদর্শকে
বুঝতে হলে তাঁর কর্ম সম্পর্কে জানার পাশাপাশি বঙ্গবন্ধুর ছায়াসঙ্গী হয়ে পাশে থাকা বঙ্গমাতা ফজিলাতুন নেছা মুজিবের অবদানও জানা প্রয়োজন। অন্যথায় বঙ্গবন্ধু সম্পর্কে আমাদের জানা

অসম্পূর্ণ রয়ে যাবে। একই সাথে বাঙালি জাতির মুক্তির সংগ্রামে এই মহীয়সী নারীর অবদানের কথাও অজানা রয়ে যাবে।

আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তৃতা করেন সাবেক বাণিজ্য মন্ত্রী ও বাংলাদেশআওয়ামী লীগের উপদেষ্ঠামন্ডলীর সদস্য তোফায়েল আহমেদ। বাঙালির প্রতিটি
আন্দোলন- সংগ্রামে বঙ্গমাতা কিভাবে বঙ্গবন্ধুর পাশে থেকে তাকে প্রেরণা দিয়েছেন

ও বঙ্গবন্ধুর অনুপস্থিতিতে কিভাবে রাজনৈতিক কার্যক্রম এগিয়ে নিয়েছেন সে বিষয় তিনি প্রাণবন্তভাবে তুলে ধরেন।

অনুষ্ঠানে সূচনা বক্তব্য প্রদান করেন পররাষ্ট্রসচিব মাসুদ বিন মোমেন। এসময় আলোচনা সভার মুখ্য আলোচক ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক প্রোভিসি ও ভূগোল বিভাগের

সাবেক অধ্যাপক ও বঙ্গবন্ধু পরিবারের নিকটতম প্রতিবেশী ড. নাসরিন আহমাদ
বঙ্গমাতা ফজিলাতুন নেছা মুজিব সম্পর্কে আবেগঘন স্মৃতিচারণ করেন।