ঢাকা ০৫:০০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬, ২৭ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বড়পুকুরিয়া কয়লার পাহাড়, আগুনে নষ্ট হচ্ছে বিপুল মজুদ সূর্যমুখীর হলুদ হাসিতে ভরেছে টাঙ্গাইলের মাঠ, স্বপ্ন দেখছেন কৃষক ত্রয়োদশ সংসদের প্রথম দিনেই ঐতিহাসিক মুহূর্ত, শপথ নেবেন স্পিকার-ডেপুটি স্পিকার ভোলার চরাঞ্চলে ৫০ হাজার হেক্টর জমিতে তরমুজ চাষ: কৃষকের স্বপ্নে অর্থনৈতিক মুক্তির সম্ভাবনা প্রান্তিক নারীদের আয়বৃদ্ধিমূলক দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণ দিতে হবে: বিএনপিএস নদী ভাঙনের হুমকিতে মধ্যনগরের মহিষখলা জাতীয় স্মৃতিসৌধ ট্রাম্প-পুতিনের ফোন আলোচনা ইরান যুদ্ধ ও তেল বাজার যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তি, ১,৩২৭ কোটি টাকা রাজস্ব ক্ষতির আশঙ্কা বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে ঘুষ চাওয়ার অভিযোগে অভ্যন্তরীণ তদন্ত দেড় কোটি মানুষ ছাড়ছে ঢাকা, ঈদে জনস্রোত সামাল দেওয়া বড় চ্যালেঞ্জ

‘রবীর সুরে সমাজের মলিনতা দূর করতে চান ছন্দা দত্ত’

উদয়ন চৌধুরী, ঢাকা
  • আপডেট সময় : ০২:১৪:২২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৬ অগাস্ট ২০২১ ১৩৮৭ বার পড়া হয়েছে
ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

‘রথযাত্রা লোকারণ্য মহাধুমধাম, ভক্তেরা লুটায়ে পথে করিছে প্রণাম, রথ ভাবে আমি দেব, পথ ভাবে আমি, মূর্ত্তিভাবে আমি দেব হাসেন অন্তরজামি’

দু’চোখ বন্ধ করে ধ্যানমগ্ন শিল্পী। সুরের মায়াজালে একের পর এক গান করে যাচ্ছেন। এক সময়ে নিজের অজান্তের মুখ থেকে বেড়িয়ে আসে-এগানই আমার আরাধনা। একে সঙ্গী করেই পথ চলছেন জীবনের দীর্ঘ বছর।

এখনও ভোরের আলোর সঙ্গে সঙ্গে হারমুনিয়াটা ধরতে না পারলে শান্তি পান না। সুরে সুরেই সকালের ধ্যানটা করে নেন শিল্পী। এযে তার পাহাড়সম শক্তির দেওয়াল। আত্মার শান্তির চেয়ে
বিশ্বভ্রহ্মান্ডে বড় আর কি হতে পারে?

তাকে কেন্দ্র করেই তিনদিক ঘিরে বসে তালিম নিচ্ছেন শিক্ষার্থীরা। শিল্পী মোলায়েম কন্ঠে তাদের প্রথমে তাদেরকে বুঝিয়ে দিয়ে তারপর সুরের বলয়ে প্রবেশ করেন। শিক্ষার্থীরা গুরুর দীক্ষায় প্রশান্তির ছোঁয়া নিয়ে বাড়ির পথে পা বাড়ান।

ঘরের মধ্যে থেকে সহযোগিতার হাত বাড়ানো না হলে এতো পথ কি আসা সম্ভব হতো।

আজকের আলোচনায় যিনি, তিনি বিশুদ্ধ এক বরীন্দ্র সঙ্গীত শিল্পী ছন্দা দত্ত। যিনি সুর নিয়েই বেচে আছেন আপনভূবনে। জানালেন, রবীন্দ্রনাথের গানই তার চাওয়া-পাওয়া এবং সাধনার শক্তি। তবে বিশুদ্ধ রবীন্দ্র সঙ্গীতের র্চ্চায় বিশ্বাসী। তার শিক্ষার্থীদেরও এই কথাটি সর্বপ্রথমে বলে থাকেন।

চন্দনগর থেকে পথ চলা। তারপর কলকতা। যেখানেই গিয়েছেন, সেখানেই গড়ে তুলেছেন রবীসুরের ঘরবসতি। রবীন্দ্র সঙ্গীতের এক নিবেদিত প্রাণ ছন্দা দত্ত। এই সুরের তরী বেয়ে চলেছেন ক্লান্তহীনভাবে। যতটাই বেয়ে চলেছেন, মনে হয়েছে সামনে আরও একটা সমৃদ্ধ দিনের দেখা মিলবে।

এই সুরের মোহ তাকে এক ভিন্ন জগতে টেনে নেয়, শক্তি যোগায়। তাই অবলীলায় বলেন, ‘রবীর সুরে সমাজের মলিনতা দূর করতে চান তিনি।

সঙ্গীতের পাশাপাশি সমাজকল্যাণমূলক কাজের সঙ্গেও নিজেকে জড়িয়ে রেখেন শিল্পী। তিনি বিশিষ্ট সংগীতজ্ঞ, রবীন্দ্র সংগীত প্রশিক্ষিক ও সংগীত সংগ্রামী মুক্তমনা ব্যক্তি ছন্দা দত্ত।

‘রবীন্দ্রভারতী সোসাইটি’ জোড়াসাঁকো ঠাকুরবাড়ির সংগীত শিক্ষিকা। পাশাপাশি জোড়াসাঁকো বিশ্বসাহিত্য সভা ও জোড়াসাঁকো চলমান সাহিত্য পরিষদ, কলকাতার মুখ্য সভাপতি মণ্ডলীতে যুক্ত রয়েছেন।

তিনি মনে করেন, রবীন্দ্রনাথের গান একজন মানুষকে পূর্ণতা এনে দেয়। বাঙালিকে বিশ্বদরবারে প্রথম পরিচিত করে তোলেন রবীন্দ্রনাথ। তিনিই বাঙলার সাংস্কৃতির শিকড়। আজ গোটা বিশ্বে ছড়িয়ে গিয়েছেন রবীন্দ্রনাথ। তাই সুরের সাধনার মধ্য দিয়েই মনোমন্দিরে দ্বীপ জানাতে চান ছন্দা দত্ত।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

‘রবীর সুরে সমাজের মলিনতা দূর করতে চান ছন্দা দত্ত’

আপডেট সময় : ০২:১৪:২২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৬ অগাস্ট ২০২১

‘রথযাত্রা লোকারণ্য মহাধুমধাম, ভক্তেরা লুটায়ে পথে করিছে প্রণাম, রথ ভাবে আমি দেব, পথ ভাবে আমি, মূর্ত্তিভাবে আমি দেব হাসেন অন্তরজামি’

দু’চোখ বন্ধ করে ধ্যানমগ্ন শিল্পী। সুরের মায়াজালে একের পর এক গান করে যাচ্ছেন। এক সময়ে নিজের অজান্তের মুখ থেকে বেড়িয়ে আসে-এগানই আমার আরাধনা। একে সঙ্গী করেই পথ চলছেন জীবনের দীর্ঘ বছর।

এখনও ভোরের আলোর সঙ্গে সঙ্গে হারমুনিয়াটা ধরতে না পারলে শান্তি পান না। সুরে সুরেই সকালের ধ্যানটা করে নেন শিল্পী। এযে তার পাহাড়সম শক্তির দেওয়াল। আত্মার শান্তির চেয়ে
বিশ্বভ্রহ্মান্ডে বড় আর কি হতে পারে?

তাকে কেন্দ্র করেই তিনদিক ঘিরে বসে তালিম নিচ্ছেন শিক্ষার্থীরা। শিল্পী মোলায়েম কন্ঠে তাদের প্রথমে তাদেরকে বুঝিয়ে দিয়ে তারপর সুরের বলয়ে প্রবেশ করেন। শিক্ষার্থীরা গুরুর দীক্ষায় প্রশান্তির ছোঁয়া নিয়ে বাড়ির পথে পা বাড়ান।

ঘরের মধ্যে থেকে সহযোগিতার হাত বাড়ানো না হলে এতো পথ কি আসা সম্ভব হতো।

আজকের আলোচনায় যিনি, তিনি বিশুদ্ধ এক বরীন্দ্র সঙ্গীত শিল্পী ছন্দা দত্ত। যিনি সুর নিয়েই বেচে আছেন আপনভূবনে। জানালেন, রবীন্দ্রনাথের গানই তার চাওয়া-পাওয়া এবং সাধনার শক্তি। তবে বিশুদ্ধ রবীন্দ্র সঙ্গীতের র্চ্চায় বিশ্বাসী। তার শিক্ষার্থীদেরও এই কথাটি সর্বপ্রথমে বলে থাকেন।

চন্দনগর থেকে পথ চলা। তারপর কলকতা। যেখানেই গিয়েছেন, সেখানেই গড়ে তুলেছেন রবীসুরের ঘরবসতি। রবীন্দ্র সঙ্গীতের এক নিবেদিত প্রাণ ছন্দা দত্ত। এই সুরের তরী বেয়ে চলেছেন ক্লান্তহীনভাবে। যতটাই বেয়ে চলেছেন, মনে হয়েছে সামনে আরও একটা সমৃদ্ধ দিনের দেখা মিলবে।

এই সুরের মোহ তাকে এক ভিন্ন জগতে টেনে নেয়, শক্তি যোগায়। তাই অবলীলায় বলেন, ‘রবীর সুরে সমাজের মলিনতা দূর করতে চান তিনি।

সঙ্গীতের পাশাপাশি সমাজকল্যাণমূলক কাজের সঙ্গেও নিজেকে জড়িয়ে রেখেন শিল্পী। তিনি বিশিষ্ট সংগীতজ্ঞ, রবীন্দ্র সংগীত প্রশিক্ষিক ও সংগীত সংগ্রামী মুক্তমনা ব্যক্তি ছন্দা দত্ত।

‘রবীন্দ্রভারতী সোসাইটি’ জোড়াসাঁকো ঠাকুরবাড়ির সংগীত শিক্ষিকা। পাশাপাশি জোড়াসাঁকো বিশ্বসাহিত্য সভা ও জোড়াসাঁকো চলমান সাহিত্য পরিষদ, কলকাতার মুখ্য সভাপতি মণ্ডলীতে যুক্ত রয়েছেন।

তিনি মনে করেন, রবীন্দ্রনাথের গান একজন মানুষকে পূর্ণতা এনে দেয়। বাঙালিকে বিশ্বদরবারে প্রথম পরিচিত করে তোলেন রবীন্দ্রনাথ। তিনিই বাঙলার সাংস্কৃতির শিকড়। আজ গোটা বিশ্বে ছড়িয়ে গিয়েছেন রবীন্দ্রনাথ। তাই সুরের সাধনার মধ্য দিয়েই মনোমন্দিরে দ্বীপ জানাতে চান ছন্দা দত্ত।