ঢাকা ০৮:৫০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬, ১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
তারল্য  সকট মোকাবিলায় ২,৫০০ কোটি টাকার ঋণ দিল বাংলাদেশ ব্যাংক  অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহার রোধে সম্মিলিত উদ্যোগ জরুরি: মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী  দুবাইয়ে গ্রেপ্তার সাবেক আইজিপি বেনজীর প্রত্যর্পণ প্রক্রিয়া শুরু অভিনেত্রীর রহস্যজনক মৃত্যু হত্যার অভিযোগে স্বামী কারাগারে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান শান্তিচুক্তি, ঘোষণা পাকিস্তানের সমর্থক ভাইয়ারা না থাকলে ঘটনা অন্য রকম হয়ে যেতো: নাঈম হাসান আদ্-দ্বীনের কোটি টাকার চাপ উপেক্ষা করে লাইসেন্স বাতিল: স্বাস্থ্যমন্ত্রী গুণীজনদের জীবদ্দশায় সম্মান জানালে সমাজসেবায় উৎসাহ বাড়বে: কৃষিমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর কক্সবাজার সফর শনিবার, উন্নয়ন প্রত্যাশায় মুখিয়ে স্থানীয়রা যৌথ টহল ও গোয়েন্দা তথ্য বিনিময়ে সম্মত বিজিবি-বিএসএফ, নভেম্বরে ঢাকায় পরবর্তী বৈঠক

৭ আগস্ট ৩২ লাখের বেশি মানুষকে টিকা দেওয়া হবে

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ১২:১০:২৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ অগাস্ট ২০২১ ২৭২ বার পড়া হয়েছে
ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

আগামী ৭ আগস্ট থেকে দেশজুড়ে শুরু হতে যাচ্ছে গণটিকা কর্যক্রম। এবিষয়ে সরকারের তরফে জোর প্রস্তুতি প্রায় সম্পন্ন। টিকাকার্যক্রম বাস্তবায়নে তৃণমূল পর্যায়ে সচেতনতামূলক প্রচারণা চালানোর নির্দেম দিয়েছেন, আওয়ামী লীগ প্রধান তথা বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

আটদিনে ১ কোটি মানুষকে টিকা দেওয়ার যে পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে, তানিয়ে বুধবার আওয়ামী লীগ কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। যেখানে দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের সভাপতিত্ব করেন।


সভায় আওয়ামী লীগসহ বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের নেতারা উপস্তিত ছিলেন। সেখানে জানানো হয়, ৭ আগস্টের গণটিকা কার্যক্রম শুরু হচ্ছে। এই বিষয়ে সাধারণ মানুষকে সচেতন করতে দলের তরফে কর্মসূচি নিয়ে মাঠে থাকতে হবে।

টিকাকার্যক্রম শুরুদিন শনিবার ৩২ লাখ ৩০ হাজার ৬০০ জনকে টিকা দেওয়ার লক্ষ্য ঠিক করা হয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত হয় বুধবার সন্ধ্যায়। যেখানে প্রতিটি

জেলার জেলা প্রশাসক, সিভিল সার্জন, পুলিশ সুপার (এসপি), উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও), উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তাসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা অংশ নেন।

সেখানে জানানো হয়, টিকা দিতে স্বাস্থ্যকর্মীদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। আবার কোন পর্যায়ে কয়টি করে টিকাকেন্দ্র হবে, কোথায় টিকাকেন্দ্রগুলো করা হবে, তা-ও ঠিক হয়েছে। এ বিষয়ে মাঠপর্যায়ে ইতিমধ্যে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর বলেছে, প্রতিটি ইউনিয়নে সপ্তাহে দু’দিন নিয়মিত টিকাদান ঠিক রাখা হবে। এর বাইরে তিন দিন করোনার টিকা দেওয়া হবে।

সভায় করোনা ভ্যাকসিন ব্যবস্থাপনা টাস্কফোর্স কমিটির সদস্যসচিব ডা. মো. শামসুল হক বলেন, একেক দিন প্রায় ৩২ লাখ ৩০ হাজার ৬০০ জনকে টিকা দেওয়ার লক্ষ্য ঠিক করা হয়েছে।

কর্মসূচির প্রথম দিন এ রকম পরিমাণ টিকাই দেওয়া হবে। সারা দেশে ৮১ হাজার ১৬৫ জন স্বাস্থ্যকর্মী ও স্বেচ্ছাসেবী এ কাজে নিয়োজিত থাকবেন। ইদানিং দিন ধরে দিনে ৩ লাখের মতো করোনার টিকা দেওয়া হচ্ছে। ইউনিয়ন পর্যায়ে ১৪ হাজার টিকা দিতে কেন্দ্র থাকবে।

বর্তমানে সরকারের হাতে মজুত টিকার পরিমাণ প্রায় সোয়া কোটি। ১ আগস্ট এই তথ্য জানিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক জানিয়েছিলেন, চলতি মাসেই আরও ১ কোটির মতো টিকা আসবে। ৭ থেকে ১৪ আগস্টের মধ্যে সরকার এক কোটি মানুষকে টিকা দিতে চায়।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

৭ আগস্ট ৩২ লাখের বেশি মানুষকে টিকা দেওয়া হবে

আপডেট সময় : ১২:১০:২৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ অগাস্ট ২০২১

আগামী ৭ আগস্ট থেকে দেশজুড়ে শুরু হতে যাচ্ছে গণটিকা কর্যক্রম। এবিষয়ে সরকারের তরফে জোর প্রস্তুতি প্রায় সম্পন্ন। টিকাকার্যক্রম বাস্তবায়নে তৃণমূল পর্যায়ে সচেতনতামূলক প্রচারণা চালানোর নির্দেম দিয়েছেন, আওয়ামী লীগ প্রধান তথা বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

আটদিনে ১ কোটি মানুষকে টিকা দেওয়ার যে পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে, তানিয়ে বুধবার আওয়ামী লীগ কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। যেখানে দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের সভাপতিত্ব করেন।


সভায় আওয়ামী লীগসহ বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের নেতারা উপস্তিত ছিলেন। সেখানে জানানো হয়, ৭ আগস্টের গণটিকা কার্যক্রম শুরু হচ্ছে। এই বিষয়ে সাধারণ মানুষকে সচেতন করতে দলের তরফে কর্মসূচি নিয়ে মাঠে থাকতে হবে।

টিকাকার্যক্রম শুরুদিন শনিবার ৩২ লাখ ৩০ হাজার ৬০০ জনকে টিকা দেওয়ার লক্ষ্য ঠিক করা হয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত হয় বুধবার সন্ধ্যায়। যেখানে প্রতিটি

জেলার জেলা প্রশাসক, সিভিল সার্জন, পুলিশ সুপার (এসপি), উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও), উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তাসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা অংশ নেন।

সেখানে জানানো হয়, টিকা দিতে স্বাস্থ্যকর্মীদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। আবার কোন পর্যায়ে কয়টি করে টিকাকেন্দ্র হবে, কোথায় টিকাকেন্দ্রগুলো করা হবে, তা-ও ঠিক হয়েছে। এ বিষয়ে মাঠপর্যায়ে ইতিমধ্যে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর বলেছে, প্রতিটি ইউনিয়নে সপ্তাহে দু’দিন নিয়মিত টিকাদান ঠিক রাখা হবে। এর বাইরে তিন দিন করোনার টিকা দেওয়া হবে।

সভায় করোনা ভ্যাকসিন ব্যবস্থাপনা টাস্কফোর্স কমিটির সদস্যসচিব ডা. মো. শামসুল হক বলেন, একেক দিন প্রায় ৩২ লাখ ৩০ হাজার ৬০০ জনকে টিকা দেওয়ার লক্ষ্য ঠিক করা হয়েছে।

কর্মসূচির প্রথম দিন এ রকম পরিমাণ টিকাই দেওয়া হবে। সারা দেশে ৮১ হাজার ১৬৫ জন স্বাস্থ্যকর্মী ও স্বেচ্ছাসেবী এ কাজে নিয়োজিত থাকবেন। ইদানিং দিন ধরে দিনে ৩ লাখের মতো করোনার টিকা দেওয়া হচ্ছে। ইউনিয়ন পর্যায়ে ১৪ হাজার টিকা দিতে কেন্দ্র থাকবে।

বর্তমানে সরকারের হাতে মজুত টিকার পরিমাণ প্রায় সোয়া কোটি। ১ আগস্ট এই তথ্য জানিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক জানিয়েছিলেন, চলতি মাসেই আরও ১ কোটির মতো টিকা আসবে। ৭ থেকে ১৪ আগস্টের মধ্যে সরকার এক কোটি মানুষকে টিকা দিতে চায়।