রবিবার, ০২ অক্টোবর ২০২২, ০২:১৬ পূর্বাহ্ন

99 percent duty free in China : চীনে ৯৯ শতাংশ শুল্কমুক্ত রফতানির সুযোগ ঢাকার

Reporter Name
  • প্রকাশ: রবিবার, ৭ আগস্ট, ২০২২
  • ৪৩

ছবি বিদেশমন্ত্রকের সৌজন্যে

 

ঢাকা-বেইজিং ৪টি চুক্তি ও সমঝোতা স্মরক সই হয়

 

বিশেষ প্রতিনিধি, ঢাকা

চীনের বাজারে ৯৯ শতাংশ পণ্য শুল্কমুক্ত রফতানি সুবিধার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে চীন। ১ সেপ্টেম্বর থেকে তা কার্যকর হবে। ঢাকা সফরকালে দুই দেশের বিদেশমন্ত্রীর দ্বীপাক্ষিক বৈঠকে ৪টি চুক্তি ও সমঝোতা স্মরক সই হয়। রবিবার সকাল সাড়ে ৭টায় ঢাকার একটি তারকা হোটেলে চীনা বিদেশমন্ত্রী ওয়াং ই এবং বাংলাদেশের বিদেশমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেনের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে চুক্তি ও সমঝোতা স্মারক সই হয়।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে সাক্ষাত চীনা বিদেশমন্ত্রীর

চুক্তি ও সমঝোতা স্মারকের মধ্যে রয়েছে, পিরোজপুরে অষ্টম বাংলাদেশ-চায়না মৈত্রী সেতুর হস্তান্তর সনদ, দুর্যোগ মোকাবিলা সহায়তার জন্য পাঁচ বছর মেয়াদি সমঝোতা স্মারকের নবায়ন, ২০২২-২৭ মেয়াদে সাংস্কৃতিক সহযোগিতা সমঝোতা স্মারকের নবায়ন এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও চীনের ফার্স্ট ইনস্টিটিউট অব ওশেনোগ্রাফির মধ্যে মেরিন সায়েন্স নিয়ে সমঝোতা স্মারক। করোনা মহামারিতে চীন থেকে দেশে এসে বাংলাদেশের অন্তত ৫ হাজার শিক্ষার্থী আটকা পড়েছে।

বাংলাদেশ-চীনা চুক্তি ও সমঝোতা স্মারক সই

আগামী কয়েকদিনের মধ্যে তারা চীনে ফিরতে পারবেন। চীনা দূতাবাস ভিসা দিতে শুরু করেছে। দুই বিদেশমন্ত্রীর ঘণ্টাব্যাপী বৈঠকে দ্বিপক্ষীয় বিষয়ের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক ভূ-রাজনৈতিক ইস্যু গুরুত্ব পেয়েছে বলে ধারণা করছেন বিশ্লেষকেরা। সূত্রের খবর, আন্তর্জাতিক ইস্যুতে বাংলাদেশের সমর্থন চেয়েছে বেইজিং। আর ঢাকা জোর দিয়েছে দ্রুত রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসন বিষয়ে। সকাল সাড়ে ৯টায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে বৈঠক শেষে ঢাকা ত্যাগ করেন চীনা বিদেশমন্ত্রী।

বিমানবন্দরে তাকে বিদায় জানান বিদেশমন্ত্রী ড. কে এ আবদুল মোমেন। শনিবার বিকেল সাড়ে ৫টায় বিশেষ ফ্লাইটে ঢাকায় পৌঁছালে বিমানবন্দরে তাকে স্বাগত জানান কৃষিমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক ও বিদেশ সচিব সচিব মাসুদ বিন মোমেন।

বিমান বন্দরে  চীনা বিদেশমন্ত্রীকে বিদায় জানান বাংলাদেশের বিদেশমন্ত্রী ড. এ কে আবদু মোমেন

চীন সর্বপ্রথম ২০১০ সালের ১ জুলাই স্বল্পোন্নত দেশগুলোকে সে দেশের বাজারে শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার সুবিধার আওতায় বাংলাদেশসহ ৩৩টি স্বল্পোন্নত দেশ চীনের ৬০ শতাংশ শুল্কমুক্ত সুবিধা পায়। ২০২০ সালের ১৬ জুন শর্তহীনভাবে বাংলাদেশের ৯৭ শতাংশ রফতানি পণ্য (৮ হাজার ২৫৬টি পণ্য) দেশটির বাজারে শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার দেয় চীন। এরপর ২০২২ সালের শুরুতে বাংলাদেশ আরও ১ শতাংশ পণ্যকে (৩৮৩টি) শুল্কমুক্ত সুবিধা দেয় দেশটি।

সর্বশেষ নতুন করে ৯৮ শতাংশ শুল্কমুক্ত সুবিধাকে আরও ১ শতাংশ বাড়িয়ে দেশটির বাজারে ৯৯ শতাংশ পণ্যের শুল্কমুক্ত প্রবেশের সুবিধার ঘোষণা দেয়া হলো। চীনে বাংলাদেশের প্রধান রফতানি পণ্য হচ্ছে ওভেন গার্মেন্টস, নিটওয়্যার, হোম টেক্সটাইল, চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, পাদুকা, পাট ও পাটজাত পণ্য এবং প্লাস্টিক পণ্য।

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published.

More News Of This Category
© All rights reserved © 2017 voiceekattor
কারিগরি সহযোগিতায়: সোহাগ রানা
11223