ঢাকা ০৪:৫৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি সরকারের সমালোচনা এনসিপি আহ্বায়কের কাগজে নদীর সংখ্যা বাড়ছে নদী রক্ষাই এখন সবচেয়ে বড় সংকট সাশ্রয়ী আবাসন অর্থায়নে বাংলাদেশকে ১০ কোটি ডলার ঋণ দিচ্ছে এডিবি শেরপুর সীমান্তে ভারতীয় সাবান-মদ জব্দ বিজিবির গরু আটক নিয়ে চাঞ্চল্য যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে সংঘাতের সমাধান কেবল কূটনীতিতেই: ইরান চুরির অভিযোগে খুঁটিতে বাঁধা বাবা, চা-রুটি খাইয়ে দিচ্ছিল ৯ বছরের মেয়ে জাতিসংঘ সফর শেষে দেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী বিরাজলক্ষী ঘোষের কবিতা ‘ঈশ্বরের সাথে মেঘের মাঝে’ সমৃদ্ধ, স্বনির্ভর ও কল্যাণমুখী গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করতে চায় বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী আয়ুর্বেদে ভারত-বাংলাদেশ যৌথ  গবেষণা কেন্দ্র গঠনের প্রস্তাব

২০০ মার্কিন পাইলটের আবাসন গুঁড়িয়ে দিলো ইরান, ধ্বংস বেশ কয়েকটি যুদ্ধবিমান

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৬:২৫:৪৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১ এপ্রিল ২০২৬ ১৭০ বার পড়া হয়েছে

ছবি সংগ্রহ

ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনা এক নতুন ও চরম মাত্রায় পৌঁছেছে। ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) দাবি করেছে, তারা পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলে মার্কিন বিমানবাহিনীর ওপর এ যাবৎকালের সবচেয়ে বড় এবং বিধ্বংসী হামলা চালিয়েছে।

এই হামলায় অন্তত ২০০ মার্কিন পাইলটের আবাসিক এলাকা লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে এবং অসংখ্য অত্যাধুনিক মার্কিন যুদ্ধবিমান ধ্বংস বা অকেজো করে দেওয়ার দাবি করেছে তেহরান।

টাইমস্‌ অফ ইন্ডিয়ার এক প্রতিবেদনে প্রকাশিত ভিডিও ফুটেজে দেখা গেছে, ইরান থেকে ছোড়া শত শত দূরপাল্লার ব্যালিস্টিক মিসাইল এবং কামিকাজে ড্রোন আকাশ ছেয়ে ফেলেছে।

দাবি করা হচ্ছে, মার্কিন বিমানঘাঁটির ভেতরে অবস্থিত পাইলটদের ব্যারাক এবং আবাসন লক্ষ্য করে নির্ভুলভাবে এসব মিসাইল আঘাত হেনেছে। প্রাথমিক তথ্যানুযায়ী, এই হামলার ফলে মার্কিন বিমান বহরের কার্যক্ষমতা ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

ইরানি সামরিক সূত্রের দাবি, এই হামলায় মার্কিন পঞ্চম নৌবহরের আওতাধীন বিভিন্ন ঘাঁটিতে রাখা এফ-১৬ এবং অন্যান্য উন্নত প্রজন্মের যুদ্ধবিমানগুলো ‘পঙ্গু’ হয়ে গেছে।

হামলার সময় আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সক্রিয় থাকলেও ড্রোন এবং মিসাইলের সংখ্যা এত বেশি ছিল যে, মার্কিন ‘প্যাট্রিয়ট’ প্রতিরক্ষা ব্যূহটি কার্যত ভেঙে পড়ে।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হওয়া ইরান ও মার্কিন-ইসরায়েল সংঘাতের প্রেক্ষাপটে আজকের এই হামলাকে সবচেয়ে রক্তক্ষয়ী হিসেবে দেখা হচ্ছে।

বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ইরানের সর্বোচ্চ নেতা নিহতের প্রতিশোধ হিসেবেই তেহরান এই ‘অল-আউট’ অ্যাটাক বা সর্বাত্মক হামলার পথ বেছে নিয়েছে।

এই হামলার পর ওয়াশিংটনে জরুরি বৈঠক ডেকেছে পেন্টাগন। যদিও মার্কিন সামরিক বাহিনী এখনও নির্দিষ্ট করে কতজন নিহিত বা কতটি বিমান ধ্বংস হয়েছে তা নিশ্চিত করেনি, তবে তারা এই হামলার কথা স্বীকার করেছে।

হোয়াইট হাউজ থেকে এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ইরানের এই হঠকারী আচরণের চরম মূল্য দিতে হবে।

 

অন্যদিকে, এই হামলার ফলে বিশ্ববাজারে তেলের দাম এক লাফে আকাশচুম্বী হয়েছে এবং হরমুজ প্রণালীতে সব ধরনের বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।

পুরো মধ্যপ্রাচ্য এখন এক অনিশ্চিত ও দীর্ঘমেয়াদী যুদ্ধের দ্বারপ্রান্তে দাঁড়িয়ে। বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এই পরিস্থিতিতে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে এবং ওই অঞ্চলে অবস্থানরত প্রবাসীদের সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছে।

সূত্র: টাইমস্‌ অফ ইন্ডিয়া

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :