ঢাকা ০৭:০৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক জোরদারে ঢাকা-নয়াদিল্লির নতুন প্রত্যাশা খুব দ্রুত বিশ্ববাজারে কমবে জ্বালানি তেলের দাম: ট্রাম্প ইসরায়েলে বহুমুখী হামলার প্রস্তুতি, মিত্রদের একজোট করছে ইরান এলএনজি সংরক্ষণ ও গ্যাসে রূপান্তরে বিনিয়োগে আগ্রহী যুক্তরাষ্ট্র নিউ মেক্সিকো’র নাম পরিবর্তন করে নিউ আমেরিকা রাখার প্রস্তাব ট্রাম্পের রোহিঙ্গা সংকট বাংলাদেশের অন্যতম বড় সংকট : প্রধানমন্ত্রী সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অবৈধ ব্যাটারিচালিত অটো নিয়ন্ত্রণে কঠোর পদক্ষেপ গঙ্গার পানির ন্যায্য হিস্যা নিশ্চিতের আহ্বান জনপ্রশাসন উপদেষ্টার ডেঙ্গুর ভয়াবহ ছোবল একদিনে রেকর্ড ১,৫৫৮ ভর্তি, মৃত্যু ৪ বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক সুদৃঢ় করতে সাংস্কৃতিক আদান-প্রদানে গুরুত্ব

১৫ বছরে হেন অন্যায় কাজ নাই যা পুলিশকে দিয়ে করানো হয়নি

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৮:১৪:৫৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২১ ডিসেম্বর ২০২৪ ২৩৯ বার পড়া হয়েছে
ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

 

বিগত ১৫ বছরে হাসিনা সরকার এমন কোন অন্যায় কাজ নেই, যা পুলিশ দিয়ে করায়নি। আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে পুলিশের ওপর রাজনীতিবিদদের কুপ্রভাব ছিল। সেজন্য পুলিশ প্রশাসন দুঃখিত ও লজ্জিত।

শনিবার বাংরাদেশের সিলেট মহানগর পুলিশ (এসএমপি) কমিশনারের কার্যালয়ে মতবিনিময় সভায় যুক্ত হয়ে এসব কথা বলেন বাংলাদেশের আইজিপি বাহারুল আলম। মতবিনিময় সভায় সভাপতিত্ব করেছেন সিলেটের কমিশনার মো. রেজাউল করিম।

বাংলাদেশের পুলিশ প্রধান বলেন, পুলিশ পুনর্গঠনে কাজ করছে সংস্কার কমিশন। কমিশনে শিক্ষক, বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের ছাত্ররা ও সংশ্লিষ্ট অনেকেই রয়েছেন। তারা সরকারকে সংস্কারের বিষয়ে সুপারিশ করবেন।

৫ আগস্টে দেশজুড়ে বিভিন্ন থানা, ফাঁড়ি থেকে প্রায় ৬ হাজার অস্ত্র লুট হয়েছে, এখনও দেড় হাজার অস্ত্র উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। এসব অস্ত্র উদ্ধারে চেষ্টা চলছে। মাটি খুঁড়ে অস্ত্র বের করা কঠিন। তাই খোয়া যাওয়া অস্ত্র উদ্ধার করতে সমাজের সব নাগরিকের আন্তরিক সহযোগিতা কামনা করেন আইজিপি।

মতবিনিময় সভায় পুলিশ প্রধান আরও বলেন, গণঅভ্যুত্থানে নিহতের ঘটনায় দেশজুড়ে ভুয়া মামলা হচ্ছে। এতে নিরীহ মানুষদের আসামি করে চাঁদাবাজি করা হচ্ছে। তবে তদন্তকারী কর্মকর্তাদের প্রতি নির্দেশ যেন নিরপরাধ মানুষদের গ্রেফতার না করা হয়। নিরীহ মানুষেরা যাতে হয়রানির শিকার না হয়, সেজন্য সঠিকভাবে তদন্ত করবে পুলিশ।

এসময় সাংবাদিকদের আইজিপি বলেন, পুলিশের কর্মস্পৃহা ফিরিয়ে আনাই এখন বড় চ্যালেঞ্জ। তাদের ওপর দিয়ে ঝড় বয়ে গেছে। পট পরিবর্তনের সময় কোনও পুলিশ অফিসার মারা যাননি। যারা মারা গেছেন তারা সবাই ইন্সপেক্টর পদমর্যাদার নিচে। ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নির্দেশ মানতে গিয়ে তারা জনরোষে পড়েছেন। সুতরাং মাঠপর্যায়ের পুলিশ সদস্যদের চাঙা করাই আমাদের মূল কাজ।

আদালত প্রাঙ্গণে আসামিদের মারধরের বিষয়ে পুলিশ মহাপরিদর্শক বলেন, এই বিষয়ে আমাদের সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে। আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়া যাবে না। বিজ্ঞ আদালত অপরাধীদের বিচারের ব্যবস্থা করবেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

১৫ বছরে হেন অন্যায় কাজ নাই যা পুলিশকে দিয়ে করানো হয়নি

আপডেট সময় : ০৮:১৪:৫৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২১ ডিসেম্বর ২০২৪

 

বিগত ১৫ বছরে হাসিনা সরকার এমন কোন অন্যায় কাজ নেই, যা পুলিশ দিয়ে করায়নি। আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে পুলিশের ওপর রাজনীতিবিদদের কুপ্রভাব ছিল। সেজন্য পুলিশ প্রশাসন দুঃখিত ও লজ্জিত।

শনিবার বাংরাদেশের সিলেট মহানগর পুলিশ (এসএমপি) কমিশনারের কার্যালয়ে মতবিনিময় সভায় যুক্ত হয়ে এসব কথা বলেন বাংলাদেশের আইজিপি বাহারুল আলম। মতবিনিময় সভায় সভাপতিত্ব করেছেন সিলেটের কমিশনার মো. রেজাউল করিম।

বাংলাদেশের পুলিশ প্রধান বলেন, পুলিশ পুনর্গঠনে কাজ করছে সংস্কার কমিশন। কমিশনে শিক্ষক, বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের ছাত্ররা ও সংশ্লিষ্ট অনেকেই রয়েছেন। তারা সরকারকে সংস্কারের বিষয়ে সুপারিশ করবেন।

৫ আগস্টে দেশজুড়ে বিভিন্ন থানা, ফাঁড়ি থেকে প্রায় ৬ হাজার অস্ত্র লুট হয়েছে, এখনও দেড় হাজার অস্ত্র উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। এসব অস্ত্র উদ্ধারে চেষ্টা চলছে। মাটি খুঁড়ে অস্ত্র বের করা কঠিন। তাই খোয়া যাওয়া অস্ত্র উদ্ধার করতে সমাজের সব নাগরিকের আন্তরিক সহযোগিতা কামনা করেন আইজিপি।

মতবিনিময় সভায় পুলিশ প্রধান আরও বলেন, গণঅভ্যুত্থানে নিহতের ঘটনায় দেশজুড়ে ভুয়া মামলা হচ্ছে। এতে নিরীহ মানুষদের আসামি করে চাঁদাবাজি করা হচ্ছে। তবে তদন্তকারী কর্মকর্তাদের প্রতি নির্দেশ যেন নিরপরাধ মানুষদের গ্রেফতার না করা হয়। নিরীহ মানুষেরা যাতে হয়রানির শিকার না হয়, সেজন্য সঠিকভাবে তদন্ত করবে পুলিশ।

এসময় সাংবাদিকদের আইজিপি বলেন, পুলিশের কর্মস্পৃহা ফিরিয়ে আনাই এখন বড় চ্যালেঞ্জ। তাদের ওপর দিয়ে ঝড় বয়ে গেছে। পট পরিবর্তনের সময় কোনও পুলিশ অফিসার মারা যাননি। যারা মারা গেছেন তারা সবাই ইন্সপেক্টর পদমর্যাদার নিচে। ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নির্দেশ মানতে গিয়ে তারা জনরোষে পড়েছেন। সুতরাং মাঠপর্যায়ের পুলিশ সদস্যদের চাঙা করাই আমাদের মূল কাজ।

আদালত প্রাঙ্গণে আসামিদের মারধরের বিষয়ে পুলিশ মহাপরিদর্শক বলেন, এই বিষয়ে আমাদের সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে। আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়া যাবে না। বিজ্ঞ আদালত অপরাধীদের বিচারের ব্যবস্থা করবেন।