ঢাকা ০৬:২৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬, ৩০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
স্কুল ফিডিংয়ে শতভাগ শিক্ষার্থী অন্তর্ভুক্তি চায় শিক্ষক-অবিভাবকরা সীতাকুণ্ডে জাহাজভাঙা কারখানায় বিষাক্ত গ্যাসে পাঁচ শ্রমিকের মৃত্যু ভিক্ষার ঝুলিতে ৪৬ হাজার ৬০০ ডলার সহানুভূতির আড়ালে প্রতারণার ভয়াবহ চিত্র বঙ্গভবনের পথে মির্জা ফখরুল বাকি শুধু সাংবিধানিক আনুষ্ঠানিকতা সীতাকুণ্ডের শিপইয়ার্ডে পাঁচ বছরে ৩৪ প্রাণহানি  অবসরে  ৪৯ পুলিশ পরিদর্শক  এক বছরে ১০.৬৩ বিলিয়ন ডলারের জ্বালানি তেল আমদানি মায়ের ছোট্ট অনুরোধে ভারতীয় ভিসা কেন্দ্রে শিশুদের ‘খেলা ঘর’ প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে প্রধান ভারতীয় হাইকমিশনারের সৌজন্য সাক্ষাৎ ১০ বছরের জ্বালানি পরিকল্পনা কক্মাসবাজার তারবাড়ী কয়লা বিদ্যুৎকেন্দ্র পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রী

স্কুল ফিডিংয়ে শতভাগ শিক্ষার্থী অন্তর্ভুক্তি চায় শিক্ষক-অবিভাবকরা

বিশেষ প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ০৬:২২:৩৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬ ৫ বার পড়া হয়েছে

মাইকেল মধুসূধন কালচারাল একাডেমীর ও মধুমঞ্চের শিক্ষার্থীরা

ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

সরকারের ‘স্কুল ফিডিং’ কর্মসূচিতে শতভাগ শিক্ষার্থীকে অন্তর্ভুক্ত করার দাবি জানিয়েছেন শিক্ষক, অভিভাবক ও নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা। তাঁদের মতে, পুষ্টিকর খাবার দেওয়ার কারণে বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি বেড়েছে, ঝরে পড়ার প্রবণতা কমেছে এবং শ্রেণিকক্ষে মনোযোগও বেড়েছে। তবে বর্তমানে ৯০ শতাংশ শিক্ষার্থীর জন্য খাবার বরাদ্দ থাকায় অনেক বিদ্যালয়ে উপস্থিত শিক্ষার্থীদের তুলনায় খাবারের পরিমাণ কম পড়ে যাচ্ছে।
যশোর জেলার কেশবপুর, অভয়নগর ও ঝিকরগাছা উপজেলার বিভিন্ন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ঘুরে শিক্ষক ও সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে এসব তথ্য জানা গেছে। দেখা গেছে, বিদ্যালয়গুলোতে পাঁচ সদস্যের খাদ্য মনিটরিং কমিটি রয়েছে। কমিটির সদস্যরা খাবারের মান, পরিমাণ ও সুষ্ঠু বণ্টন তদারকি করছেন। প্রকল্প বাস্তবায়নে কাজ করছে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা সুশীলন। সংস্থাটি দুর্যোগপ্রবণ এই জনপদে নানা প্রতিকূলতা মোকাবিলা করেও নিয়মিত শিশুদের কাছে খাবার পৌঁছে দিচ্ছে। এতে একদিকে শিশুদের পুষ্টির চাহিদা পূরণ হচ্ছে, অন্যদিকে বাড়ছে বিদ্যালয়ে উপস্থিতি ও ভর্তির আগ্রহ।

শিক্ষার প্রসারে উদ্যোগেরে একাংশ

জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের তথ্যানুযায়ী, যশোরের এই তিন উপজেলায় ৪০৬টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে স্কুল ফিডিং কর্মসূচি চালু রয়েছে। এর মধ্যে ঝিকরগাছায় ১৩১টি, অভয়নগরে ১১৭টি এবং কেশবপুরে ১৫৮টি বিদ্যালয় রয়েছে। এসব বিদ্যালয়ের মোট ৫৯ হাজার ৯১ শিক্ষার্থীকে সপ্তাহে পাঁচ দিন পুষ্টিকর খাবার দেওয়া হচ্ছে। খাবারের তালিকায় রয়েছে সিদ্ধ ডিম, বনরুটি, বিস্কুট, কলা ও দুধ।
কেশবপুরের মজিদপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সুদেব কুমার দেবনাথ বলেন, স্কুল ফিডিং কর্মসূচি চালুর পর প্রতিটি শ্রেণিতে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি বেড়েছে। পুষ্টির ঘাটতি থাকা শিক্ষার্থীরা খাবার পাওয়ায় তাদের শ্রেণিকক্ষে মনোযোগও বেড়েছে। অনেক শিক্ষার্থীকে এখন দুপুরে বাড়ি থেকে খাবার আনতে হয় না। তবে শতভাগ শিক্ষার্থীর জন্য খাবার বরাদ্দ না থাকায় কখনো কখনো খাবার ভাগ করে দিতে হচ্ছে।

অভয়নগরের অভিভাবক ও স্কুল খাদ্য কমিটির সদস্য নাসিমা বেগম বলেন, টিফিনের সময় বিদ্যালয়ের আশপাশের অস্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়ার প্রবণতাও কমেছে। পুষ্টিকর খাবার পাওয়ায় দুপুরের ক্লান্তি কমে শিক্ষার্থীরা শ্রেণিকক্ষে মনোযোগী থাকছে। ফলে প্রাথমিক শিক্ষায় এ কর্মসূচি ইতিবাচক প্রভাব ফেলছে।

সবুজ ছায়ায় সম্ভবনাময় আগামীর সৈনিকেরা

যশোর জেলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সভাপতি মো. শাহীনুর রহমান বলেন, স্কুল ফিডিং চালুর পর বিদ্যালয়ে শুধু উপস্থিতিই বাড়েনি, নতুন শিক্ষার্থী ভর্তির হারও বেড়েছে। অভিভাবকদের সন্তানদের স্কুলে পাঠানোর আগ্রহ তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে দরিদ্র পরিবারের শিশুদের জন্য পুষ্টিকর খাবারের এ ব্যবস্থা বাড়তি সহায়তা হিসেবে কাজ করছে।
এ বিষয়ে কথা হয়, ঝিকরগাছার নাগরিক সমাজের প্রতিনিধি মো. নাজমূল আলমসহ অনেকের সঙ্গে। তারা বলেন, নতুন প্রজন্মের সুস্বাস্থ্য ও মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করতে স্কুল ফিডিং কর্মসূচি অব্যাহত রাখার পাশাপাশি সারাদেশে তা সম্প্রসারণ করা প্রয়োজন। একই সঙ্গে উপস্থিতির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে খাবারের বরাদ্দ নির্ধারণ এবং পর্যায়ক্রমে শতভাগ শিক্ষার্থীকে কর্মসূচির আওতায় আনতে হবে। তার এই বক্তব্যের সঙ্গে একমত প্রকাশ করেন শিক্ষক ও অবিভাবকরাও।

পরিবেশ রক্ষায় সচেতনতা মূলক আলোচনায় বক্তব্য দেন শেরে-বাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগী অধ্যাপক মীর মোহাম্মদ আলী

শিক্ষক-অবিভাবকদের দাবির সঙ্গে একমত প্রকাশ করেছেন সুশীলনের উপ-পরিচালক শাহিনা পারভীন বলেন, শিশুদের পুষ্টি সুরক্ষা ও সরকারের এই মহৎ উদ্যোগ বাস্তবায়নে আমরা বদ্ধ পরিকর। সব ধরনের দুর্যোগ ও দুর্ভোগ মোকাবিলা করে প্রত্যন্ত স্কুলগুলোতে টিফিন পৌছি দিচ্ছি। পাশাপাশি শতভাগ শিক্ষার্থীর জন্য খাবার সরবরাহের দাবিটি আমরাও সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তরকে জানিয়েছি।
কেশবপুর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. নজরুল ইসলাম বলেন, তিনটি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে বিভিন্ন ধরনের খাবার সরবরাহ করা হচ্ছে। সুশীলন কলা, রুটি ও ডিম, আকিজ দুধ এবং প্রাণ বিস্কুট সরবরাহ করছে। কোনো খাবার নষ্ট বা ভেঙে গেলে তা পরদিন সমন্বয় করে দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়। তিনি বলেন, শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি প্রতিদিন কমবেশি হয়। এ কারণে আশপাশের বিদ্যালয়গুলোর সঙ্গে সমন্বয় করে খাবার ব্যবস্থাপনার চেষ্টা করা হচ্ছে। এটি পাইলট প্রকল্প হওয়ায় বাস্তবায়নের বিভিন্ন সমস্যা চিহ্নিত করে ভবিষ্যতে কর্মসূচিটি আরও ফলপ্রসূ ও সম্প্রসারণ করা সম্ভব হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

স্কুল ফিডিংয়ে শতভাগ শিক্ষার্থী অন্তর্ভুক্তি চায় শিক্ষক-অবিভাবকরা

আপডেট সময় : ০৬:২২:৩৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬

সরকারের ‘স্কুল ফিডিং’ কর্মসূচিতে শতভাগ শিক্ষার্থীকে অন্তর্ভুক্ত করার দাবি জানিয়েছেন শিক্ষক, অভিভাবক ও নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা। তাঁদের মতে, পুষ্টিকর খাবার দেওয়ার কারণে বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি বেড়েছে, ঝরে পড়ার প্রবণতা কমেছে এবং শ্রেণিকক্ষে মনোযোগও বেড়েছে। তবে বর্তমানে ৯০ শতাংশ শিক্ষার্থীর জন্য খাবার বরাদ্দ থাকায় অনেক বিদ্যালয়ে উপস্থিত শিক্ষার্থীদের তুলনায় খাবারের পরিমাণ কম পড়ে যাচ্ছে।
যশোর জেলার কেশবপুর, অভয়নগর ও ঝিকরগাছা উপজেলার বিভিন্ন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ঘুরে শিক্ষক ও সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে এসব তথ্য জানা গেছে। দেখা গেছে, বিদ্যালয়গুলোতে পাঁচ সদস্যের খাদ্য মনিটরিং কমিটি রয়েছে। কমিটির সদস্যরা খাবারের মান, পরিমাণ ও সুষ্ঠু বণ্টন তদারকি করছেন। প্রকল্প বাস্তবায়নে কাজ করছে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা সুশীলন। সংস্থাটি দুর্যোগপ্রবণ এই জনপদে নানা প্রতিকূলতা মোকাবিলা করেও নিয়মিত শিশুদের কাছে খাবার পৌঁছে দিচ্ছে। এতে একদিকে শিশুদের পুষ্টির চাহিদা পূরণ হচ্ছে, অন্যদিকে বাড়ছে বিদ্যালয়ে উপস্থিতি ও ভর্তির আগ্রহ।

শিক্ষার প্রসারে উদ্যোগেরে একাংশ

জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের তথ্যানুযায়ী, যশোরের এই তিন উপজেলায় ৪০৬টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে স্কুল ফিডিং কর্মসূচি চালু রয়েছে। এর মধ্যে ঝিকরগাছায় ১৩১টি, অভয়নগরে ১১৭টি এবং কেশবপুরে ১৫৮টি বিদ্যালয় রয়েছে। এসব বিদ্যালয়ের মোট ৫৯ হাজার ৯১ শিক্ষার্থীকে সপ্তাহে পাঁচ দিন পুষ্টিকর খাবার দেওয়া হচ্ছে। খাবারের তালিকায় রয়েছে সিদ্ধ ডিম, বনরুটি, বিস্কুট, কলা ও দুধ।
কেশবপুরের মজিদপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সুদেব কুমার দেবনাথ বলেন, স্কুল ফিডিং কর্মসূচি চালুর পর প্রতিটি শ্রেণিতে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি বেড়েছে। পুষ্টির ঘাটতি থাকা শিক্ষার্থীরা খাবার পাওয়ায় তাদের শ্রেণিকক্ষে মনোযোগও বেড়েছে। অনেক শিক্ষার্থীকে এখন দুপুরে বাড়ি থেকে খাবার আনতে হয় না। তবে শতভাগ শিক্ষার্থীর জন্য খাবার বরাদ্দ না থাকায় কখনো কখনো খাবার ভাগ করে দিতে হচ্ছে।

অভয়নগরের অভিভাবক ও স্কুল খাদ্য কমিটির সদস্য নাসিমা বেগম বলেন, টিফিনের সময় বিদ্যালয়ের আশপাশের অস্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়ার প্রবণতাও কমেছে। পুষ্টিকর খাবার পাওয়ায় দুপুরের ক্লান্তি কমে শিক্ষার্থীরা শ্রেণিকক্ষে মনোযোগী থাকছে। ফলে প্রাথমিক শিক্ষায় এ কর্মসূচি ইতিবাচক প্রভাব ফেলছে।

সবুজ ছায়ায় সম্ভবনাময় আগামীর সৈনিকেরা

যশোর জেলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সভাপতি মো. শাহীনুর রহমান বলেন, স্কুল ফিডিং চালুর পর বিদ্যালয়ে শুধু উপস্থিতিই বাড়েনি, নতুন শিক্ষার্থী ভর্তির হারও বেড়েছে। অভিভাবকদের সন্তানদের স্কুলে পাঠানোর আগ্রহ তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে দরিদ্র পরিবারের শিশুদের জন্য পুষ্টিকর খাবারের এ ব্যবস্থা বাড়তি সহায়তা হিসেবে কাজ করছে।
এ বিষয়ে কথা হয়, ঝিকরগাছার নাগরিক সমাজের প্রতিনিধি মো. নাজমূল আলমসহ অনেকের সঙ্গে। তারা বলেন, নতুন প্রজন্মের সুস্বাস্থ্য ও মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করতে স্কুল ফিডিং কর্মসূচি অব্যাহত রাখার পাশাপাশি সারাদেশে তা সম্প্রসারণ করা প্রয়োজন। একই সঙ্গে উপস্থিতির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে খাবারের বরাদ্দ নির্ধারণ এবং পর্যায়ক্রমে শতভাগ শিক্ষার্থীকে কর্মসূচির আওতায় আনতে হবে। তার এই বক্তব্যের সঙ্গে একমত প্রকাশ করেন শিক্ষক ও অবিভাবকরাও।

পরিবেশ রক্ষায় সচেতনতা মূলক আলোচনায় বক্তব্য দেন শেরে-বাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগী অধ্যাপক মীর মোহাম্মদ আলী

শিক্ষক-অবিভাবকদের দাবির সঙ্গে একমত প্রকাশ করেছেন সুশীলনের উপ-পরিচালক শাহিনা পারভীন বলেন, শিশুদের পুষ্টি সুরক্ষা ও সরকারের এই মহৎ উদ্যোগ বাস্তবায়নে আমরা বদ্ধ পরিকর। সব ধরনের দুর্যোগ ও দুর্ভোগ মোকাবিলা করে প্রত্যন্ত স্কুলগুলোতে টিফিন পৌছি দিচ্ছি। পাশাপাশি শতভাগ শিক্ষার্থীর জন্য খাবার সরবরাহের দাবিটি আমরাও সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তরকে জানিয়েছি।
কেশবপুর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. নজরুল ইসলাম বলেন, তিনটি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে বিভিন্ন ধরনের খাবার সরবরাহ করা হচ্ছে। সুশীলন কলা, রুটি ও ডিম, আকিজ দুধ এবং প্রাণ বিস্কুট সরবরাহ করছে। কোনো খাবার নষ্ট বা ভেঙে গেলে তা পরদিন সমন্বয় করে দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়। তিনি বলেন, শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি প্রতিদিন কমবেশি হয়। এ কারণে আশপাশের বিদ্যালয়গুলোর সঙ্গে সমন্বয় করে খাবার ব্যবস্থাপনার চেষ্টা করা হচ্ছে। এটি পাইলট প্রকল্প হওয়ায় বাস্তবায়নের বিভিন্ন সমস্যা চিহ্নিত করে ভবিষ্যতে কর্মসূচিটি আরও ফলপ্রসূ ও সম্প্রসারণ করা সম্ভব হবে।