ঢাকা ০৪:০৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ ২০২৬, ৪ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ইসলামবিদ্বেষ রোধে বৈশ্বিক জিরো টলারেন্স নীতির ডাক বেইজিংয়ের ঈদের ছুটিতেও দায়িত্বে অবিচল প্রধানমন্ত্রী বৃহস্পতিবার চাঁদ দেখা গেলে শুক্রবার ঈদ স্বস্তির ঈদযাত্রা: নির্বিঘ্নে ঢাকা ছাড়ছেন লাখো মানুষ মার্কিন কমিশনের রিপোর্ট আরএসএস ও ‘র’-এর ওপর নিষেধাজ্ঞার সুপারিশ, ভারতের তীব্র প্রতিক্রিয়া ইরান যুদ্ধে সমর্থন নেই’ মার্কিন  এনসিটিসি প্রধানের পদত্যাগ পহেলা বৈশাখে  কৃষক কার্ড বিতরণের যুগান্তকারী উদ্যোগ নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী মহাসড়ক উন্নয়নে দ্রুত সুখবরের আশ্বাস, গোমা সেতু উদ্বোধন শিলাবৃষ্টির আতঙ্কে ধর্মপাশা-মধ্যনগরের কৃষক, ফসল রক্ষায় দুশ্চিন্তা বাড়ছে কৃষকের কল্যাণে দোয়া ও ইফতার, ভোলায় মানবিকতা ও সংহতির অনন্য আয়োজন

সোনার বাংলাদেশ গড়ার মধ্য দিয়ে জাতির পিতার রক্তের ঋণ শোধ করতে হবে: মেখ হাসিনা

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৯:৩৬:০৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ অগাস্ট ২০২১ ২২৬ বার পড়া হয়েছে
ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ছবি সংগ্রহ

বাংলাদেশকে জাতির পিতার স্বপ্নের ক্ষুধা ও দারিদ্র মুক্ত এবং উন্নত-সমৃদ্ধ সোনার বাংলা হিসেবে গড়ে তোলার অঙ্গীকার ব্যক্ত করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, বঙ্গবন্ধু এদেশের মানুষের জন্য রক্ত দিয়ে যে ঋণে আবদ্ধ করে গিয়েছেন, সেই ঋণ শোধ করতে তার সরকার কাজ করে

চলেছেন। জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় বিটিভিতে প্রচারিত এক আলোচনা অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে এ কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।

বাংলাদেশের স্বাধীনতার চার বছরের মধ্যে ১৯৭৫ সালের ১৫ অগাস্ট জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যা করা হয়। তার দুই মেয়ে শেখ হসিনা ও শেখ রেহানা বিদেশে থাকায় প্রাণে বেঁচে যান।

স্বজন হারানোর সেই বেদনার কথা তুলে ধরে শেখ হাসিনা বলেন, আমি সব হারিয়েছি। আমি জানি, হারানোর বেদনা খুব কষ্টকর। সেই কষ্ট সহ্য করে একটা লক্ষ্য নিয়েই কাজ করে যাচ্ছি। সেই শোককে শক্তিতে পরিণত করে এদেশের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তন করাই লক্ষ্য।

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উদযাপন জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটি নিবেদিত এ অনুষ্ঠানের শিরোনাম ছিল ‘শোক থেকে শক্তি, শোক থেকে জাগরণ’। শেখ হাসিনা বলেন, বাংলাদেশ আজকে সারা বিশ্বের কাছে উন্নয়নের বিস্ময়। জাতির পিতার এই আত্মত্যাগ

কখনো বৃথা যেতে পারে না। তিনি এদেশের মানুষের জন্য রক্ত দিয়ে গেছেন। রক্তের ঋণে আমাদের আবদ্ধ করে গেছেন।

শেখ হাসিনা বলেন, যে বাংলাদেশকে জাতির পিতা স্বল্পোন্নত দেশ হিসেবে রেখে গিয়েছিলেন আজকে বাংলাদেশ উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে। মাথাপিছু আয় ২ হাজার ২শ’ ২৭ ডলারে উন্নীত হয়েছে। অর্থনৈতিক উন্নয়নের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ আজকে বিশ্বে একটা মর্যাদা

পেয়েছে, দারিদ্র্যের হার আমরা হ্রাস করতে সক্ষম হয়েছি। যেখানে ৪৫ ভাগ ছিল সেখানে আমরা ২০ ভাগে নামিয়ে এনেছি। মানুষের গড় আয়ু ৭২ বছরে উন্নীত হয়েছে।

এসময় প্রধানমন্ত্রী ১৫ অগাস্ট নিহত সবার আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন এবং তাদের জন্য দেশবাসীর কাছে দোয়া চান। বক্তব্যের শুরুতে তিনি বলেন, এ দিনটি আমাদের জন্য শোকের

দিন, কষ্টের দিন। কিন্তু সব থেকে বড় কথা হল, বাঙালি জাতির জন্য সব হারানোর দিন, শোকের দিন।

শোষিত বঞ্চিত মানুষের অধিকার আদায়ে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আজীবন সংগ্রামের কথা তুলে ধরার পাশাপাশি স্বাধীনতার পর দেশ ও দেশের মানুষের কল্যাণে তার নেওয়া নানা পদক্ষেপের কথাও তুলে ধরেন তার বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

সোনার বাংলাদেশ গড়ার মধ্য দিয়ে জাতির পিতার রক্তের ঋণ শোধ করতে হবে: মেখ হাসিনা

আপডেট সময় : ০৯:৩৬:০৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ অগাস্ট ২০২১

ছবি সংগ্রহ

বাংলাদেশকে জাতির পিতার স্বপ্নের ক্ষুধা ও দারিদ্র মুক্ত এবং উন্নত-সমৃদ্ধ সোনার বাংলা হিসেবে গড়ে তোলার অঙ্গীকার ব্যক্ত করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, বঙ্গবন্ধু এদেশের মানুষের জন্য রক্ত দিয়ে যে ঋণে আবদ্ধ করে গিয়েছেন, সেই ঋণ শোধ করতে তার সরকার কাজ করে

চলেছেন। জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় বিটিভিতে প্রচারিত এক আলোচনা অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে এ কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।

বাংলাদেশের স্বাধীনতার চার বছরের মধ্যে ১৯৭৫ সালের ১৫ অগাস্ট জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যা করা হয়। তার দুই মেয়ে শেখ হসিনা ও শেখ রেহানা বিদেশে থাকায় প্রাণে বেঁচে যান।

স্বজন হারানোর সেই বেদনার কথা তুলে ধরে শেখ হাসিনা বলেন, আমি সব হারিয়েছি। আমি জানি, হারানোর বেদনা খুব কষ্টকর। সেই কষ্ট সহ্য করে একটা লক্ষ্য নিয়েই কাজ করে যাচ্ছি। সেই শোককে শক্তিতে পরিণত করে এদেশের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তন করাই লক্ষ্য।

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উদযাপন জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটি নিবেদিত এ অনুষ্ঠানের শিরোনাম ছিল ‘শোক থেকে শক্তি, শোক থেকে জাগরণ’। শেখ হাসিনা বলেন, বাংলাদেশ আজকে সারা বিশ্বের কাছে উন্নয়নের বিস্ময়। জাতির পিতার এই আত্মত্যাগ

কখনো বৃথা যেতে পারে না। তিনি এদেশের মানুষের জন্য রক্ত দিয়ে গেছেন। রক্তের ঋণে আমাদের আবদ্ধ করে গেছেন।

শেখ হাসিনা বলেন, যে বাংলাদেশকে জাতির পিতা স্বল্পোন্নত দেশ হিসেবে রেখে গিয়েছিলেন আজকে বাংলাদেশ উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে। মাথাপিছু আয় ২ হাজার ২শ’ ২৭ ডলারে উন্নীত হয়েছে। অর্থনৈতিক উন্নয়নের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ আজকে বিশ্বে একটা মর্যাদা

পেয়েছে, দারিদ্র্যের হার আমরা হ্রাস করতে সক্ষম হয়েছি। যেখানে ৪৫ ভাগ ছিল সেখানে আমরা ২০ ভাগে নামিয়ে এনেছি। মানুষের গড় আয়ু ৭২ বছরে উন্নীত হয়েছে।

এসময় প্রধানমন্ত্রী ১৫ অগাস্ট নিহত সবার আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন এবং তাদের জন্য দেশবাসীর কাছে দোয়া চান। বক্তব্যের শুরুতে তিনি বলেন, এ দিনটি আমাদের জন্য শোকের

দিন, কষ্টের দিন। কিন্তু সব থেকে বড় কথা হল, বাঙালি জাতির জন্য সব হারানোর দিন, শোকের দিন।

শোষিত বঞ্চিত মানুষের অধিকার আদায়ে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আজীবন সংগ্রামের কথা তুলে ধরার পাশাপাশি স্বাধীনতার পর দেশ ও দেশের মানুষের কল্যাণে তার নেওয়া নানা পদক্ষেপের কথাও তুলে ধরেন তার বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।