ঢাকা ০৭:৪৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬, ১১ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
দেশের স্বার্থে বিরোধী দলের সঙ্গে আলোচনায় প্রস্তুত সরকার: তারেক রহমান সোনার ভরিতে ৩২৬৫ ও রুপার ভরিতে ৩৫০ টাকা কমলো জাতীয় মহিলা পার্টির আহ্বায়ক নুরুন নাহার বেগম সদস্য সচিব জেসমীন নূর প্রিয়াংকা পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচন প্রথম দফায় ১৫২ আসনে ভোটগ্রহণ চলছে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান অবরোধে অচলাবস্থা, আলোচনায় চাপ বাড়াচ্ছে পাকিস্তান হরমুজে নৌ-সংঘাত: ইরানের হামলায় তিন জাহাজ ক্ষতিগ্রস্ত, আটক দুটি ১০ বছর পর তনু হত্যা রহস্যে অগ্রগতি, সাবেক সেনা সদস্য রিমান্ডে পাচারের অর্থ উদ্ধারে ১০ দেশের সঙ্গে চুক্তি প্রক্রিয়াধীন: সংসদে প্রধানমন্ত্রী ইরান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষেপণাস্ত্র ভাণ্ডারে টান: প্যাট্রিয়ট ও থাডের অর্ধেক প্রায় শেষ ভারত-শাসিত কাশ্মীরে যাত্রীবাহী বাস খাদে পড়ে অন্তত ২১ জনের প্রাণহানি

সাবমেরিন বিতর্ক: প্রথম বারের মতো বৈঠক ম্যাক্রোঁ-ব্লিংকেন

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০১:২১:১২ অপরাহ্ন, বুধবার, ৬ অক্টোবর ২০২১ ৩১৮ বার পড়া হয়েছে
ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

সাবমেরিন বিতর্কের পর প্রথম বারের মতো বৈঠকে বসলেন যুক্তরাষ্ট্রের বিদেশ মন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিংকেন ও ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ। অস্ট্রেলিয়াকে পরমাণু-চালিত সাবমেরিন বিক্রি

করার কথা ছিল ফ্রান্সের। দু’দশের মধ্যে আলোচনা অনেক দূর এগিয়ে যায়। কিন্তু শেষ পর্যন্ত ফ্রান্সকে অন্ধকারে রেখে যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্য পরমাণু-চালিত সাবমেরিন নিয়ে একটি চুক্তি করে

অস্ট্রেলিয়ার সঙ্গে। এতেই ব্যাপক চটে যায় ফ্রান্স। আমেরিকা ও অস্ট্রেলিয়া থেকে রাষ্ট্রদূতকে ডেকে পাঠানো হয়। পরে বাইডেন ফোনে কথা বলেন ম্যাক্রোঁর সঙ্গে। তাতে কিছুটা বরফ গলে।

ব্লিংকেন দু’দিনের সফরে ফ্রান্সে যান। তবে তার সঙ্গে ম্যাক্রোঁর বৈঠক হবে, তা আগে ঠিক ছিল না। ফলে এই বৈঠক অনেককেই অবাক করেছে। দুই নেতা ৪০ মিনিট ধরে কথা বলেন।

মার্কিন বিদেশ মন্ত্রক জানিয়েছে, দু’দেশের সহযোগিতা কী করে বাড়ানো যায়, তা নিয়েই কথা হয়েছে। ব্লিংকেন ম্যাক্রোঁকে জানিয়েছেন, ন্যাটোর গুরুত্ব না কমিয়ে নিজেদের সুরক্ষা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ইউরোপ যে উদ্যোগ নেবে, যুক্তরাষ্ট্র তাতে সমর্থন জানাবে।

ম্যাক্রোঁর অফিসও জানিয়েছে, এই বৈঠক হয়েছে। তারা বলেছে, ব্লিংকেনের সফরের ফলে দু’দেশের মধ্যে আবার আস্থা ফিরবে।

ম্যাক্রোঁ ও বাইডেনও চলতি মাসে বৈঠকে বসতে পারেন। তা নিয়েও দুই নেতার মধ্যে কথা হয়েছে। ব্লিংকেন ফ্রান্সের বিদেশ মন্ত্রীর সঙ্গেও বৈঠক করেছেন।

অস্ট্রেলিয়ার সঙ্গে আমেরিকা ও যুক্তরাজ্যের সাবমেরিন নিয়ে চুক্তির পর ফ্রান্স বলেছিল, তাদের পিছন থেকে ছুরি মারা হয়েছে।

তারপরই ম্যাক্রোঁ আমেরিকা ও অস্ট্রেলিয়া থেকে রাষ্ট্রদূতদের ডেকে পাঠান। বাইডেন প্রশাসন এরপর থেকেই বলে আসছে, এই পরিস্থিতি ভিন্নভাবে মোকাবিলা করা উচিত ছিল। আরও খোলাখুলি আলোচনা হলে সব পক্ষই উপকৃত হতো।

পরে বাইডেন ফোন করেন ম্যাক্রোঁকে। তিনি পদ্ধতিগত ভুল স্বীকার করে নেন। কিন্তু তারপরও ম্যাক্রোঁ বলেছেন, ইউরোপের উচিত নিজেদের নিরাপত্তা কৌশল নিজেরাই বসে ঠিক করা। সূত্র: ডয়েচে ভেলে

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

সাবমেরিন বিতর্ক: প্রথম বারের মতো বৈঠক ম্যাক্রোঁ-ব্লিংকেন

আপডেট সময় : ০১:২১:১২ অপরাহ্ন, বুধবার, ৬ অক্টোবর ২০২১

সাবমেরিন বিতর্কের পর প্রথম বারের মতো বৈঠকে বসলেন যুক্তরাষ্ট্রের বিদেশ মন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিংকেন ও ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ। অস্ট্রেলিয়াকে পরমাণু-চালিত সাবমেরিন বিক্রি

করার কথা ছিল ফ্রান্সের। দু’দশের মধ্যে আলোচনা অনেক দূর এগিয়ে যায়। কিন্তু শেষ পর্যন্ত ফ্রান্সকে অন্ধকারে রেখে যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্য পরমাণু-চালিত সাবমেরিন নিয়ে একটি চুক্তি করে

অস্ট্রেলিয়ার সঙ্গে। এতেই ব্যাপক চটে যায় ফ্রান্স। আমেরিকা ও অস্ট্রেলিয়া থেকে রাষ্ট্রদূতকে ডেকে পাঠানো হয়। পরে বাইডেন ফোনে কথা বলেন ম্যাক্রোঁর সঙ্গে। তাতে কিছুটা বরফ গলে।

ব্লিংকেন দু’দিনের সফরে ফ্রান্সে যান। তবে তার সঙ্গে ম্যাক্রোঁর বৈঠক হবে, তা আগে ঠিক ছিল না। ফলে এই বৈঠক অনেককেই অবাক করেছে। দুই নেতা ৪০ মিনিট ধরে কথা বলেন।

মার্কিন বিদেশ মন্ত্রক জানিয়েছে, দু’দেশের সহযোগিতা কী করে বাড়ানো যায়, তা নিয়েই কথা হয়েছে। ব্লিংকেন ম্যাক্রোঁকে জানিয়েছেন, ন্যাটোর গুরুত্ব না কমিয়ে নিজেদের সুরক্ষা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ইউরোপ যে উদ্যোগ নেবে, যুক্তরাষ্ট্র তাতে সমর্থন জানাবে।

ম্যাক্রোঁর অফিসও জানিয়েছে, এই বৈঠক হয়েছে। তারা বলেছে, ব্লিংকেনের সফরের ফলে দু’দেশের মধ্যে আবার আস্থা ফিরবে।

ম্যাক্রোঁ ও বাইডেনও চলতি মাসে বৈঠকে বসতে পারেন। তা নিয়েও দুই নেতার মধ্যে কথা হয়েছে। ব্লিংকেন ফ্রান্সের বিদেশ মন্ত্রীর সঙ্গেও বৈঠক করেছেন।

অস্ট্রেলিয়ার সঙ্গে আমেরিকা ও যুক্তরাজ্যের সাবমেরিন নিয়ে চুক্তির পর ফ্রান্স বলেছিল, তাদের পিছন থেকে ছুরি মারা হয়েছে।

তারপরই ম্যাক্রোঁ আমেরিকা ও অস্ট্রেলিয়া থেকে রাষ্ট্রদূতদের ডেকে পাঠান। বাইডেন প্রশাসন এরপর থেকেই বলে আসছে, এই পরিস্থিতি ভিন্নভাবে মোকাবিলা করা উচিত ছিল। আরও খোলাখুলি আলোচনা হলে সব পক্ষই উপকৃত হতো।

পরে বাইডেন ফোন করেন ম্যাক্রোঁকে। তিনি পদ্ধতিগত ভুল স্বীকার করে নেন। কিন্তু তারপরও ম্যাক্রোঁ বলেছেন, ইউরোপের উচিত নিজেদের নিরাপত্তা কৌশল নিজেরাই বসে ঠিক করা। সূত্র: ডয়েচে ভেলে