সহস্রাধিক লুণ্ঠিত অস্ত্র উদ্ধারে বিশেষ ইউনিট, তথ্য দিলে মিলবে ২ লক্ষ টাকা
- আপডেট সময় : ০৭:১৯:৪৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৬ ২৩ বার পড়া হয়েছে
চব্বিশের জুলাই-আগস্টের গণআন্দোলনের চূড়ান্ত পর্যায়ে দেশের বিভিন্ন থানা, ফাঁড়ি ও পুলিশ স্থাপনায় হামলা, অগ্নিসংযোগ ও লুটপাটের ঘটনায় বিপুলসংখ্যক অস্ত্র ও গোলাবারুদ বেহাত হয়। প্রায় দুই বছর পরও এসব অস্ত্রের একটি বড় অংশ উদ্ধার না হওয়ায় জননিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ রয়েছে। এ অবস্থায় লুণ্ঠিত ও অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে নতুন করে পুরস্কার ঘোষণা করেছে সরকার।
শনিবার ঢাকার রাজারবাগে বাংলাদেশ পুলিশ অডিটোরিয়ামে ত্রৈমাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সম্মেলন শেষে প্রেস ব্রিফিংয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ জানান, অস্ত্র উদ্ধারে বিশেষ ইউনিট গঠন করা হয়েছে। তথ্য দিয়ে সহযোগিতাকারীদের সর্বোচ্চ দুই লাখ টাকা পর্যন্ত পুরস্কার দেওয়া হবে এবং তথ্যদাতার পরিচয় গোপন রাখা হবে।
ভারী অস্ত্রের তথ্যের জন্য সর্বোচ্চ দুই লাখ, পিস্তল, রিভলভার ও শটগানের জন্য ৫০ হাজার টাকা এবং সাউন্ড গ্রেনেড ও লুণ্ঠিত অন্যান্য সরঞ্জামের ক্ষেত্রে পরিস্থিতি অনুযায়ী ১০ থেকে ২০ হাজার টাকা পর্যন্ত পুরস্কার দেওয়া হবে।
পুলিশ সদর দপ্তরের ২০২৪ সালের হিসাব অনুযায়ী, ৪৭০টির বেশি থানা থেকে ৫ হাজার ৮২৯টি আগ্নেয়াস্ত্র লুট হয়েছিল। এর মধ্যে ৩ হাজার ৭৬৩টি উদ্ধার হলেও ২ হাজার ৬৬টির হদিস তখনও মেলেনি। পরবর্তী সময়ে অভিযান চালিয়ে অনেক অস্ত্র উদ্ধার করা হলেও ২০২৬ সালের বিভিন্ন প্রতিবেদনে এখনো ১ হাজার ৩১৮ থেকে ১ হাজার ৩৬২টি অস্ত্র উদ্ধার না হওয়ার তথ্য এসেছে। এর মধ্যে ১১২টি চায়না রাইফেল রয়েছে বলে জানা গেছে।
এর আগে ২০২৫ সালেও লুণ্ঠিত অস্ত্রের তথ্যদাতাদের পুরস্কার ঘোষণা করা হয়েছিল। কিন্তু কাঙ্ক্ষিত ফল না আসায় এবার বিশেষ ইউনিট, গোয়েন্দা সংস্থার সমন্বয় এবং জনসম্পৃক্ততার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছেআইনশৃঙ্খলা বাহিনীর আশঙ্কা, উদ্ধার না হওয়া অস্ত্র ছিনতাই, ডাকাতি, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি ও রাজনৈতিক সহিংসতায় ব্যবহৃত হতে পারে। তাই পুরস্কারের পাশাপাশি গোয়েন্দা তৎপরতা জোরদার, অস্ত্রের উৎস শনাক্ত এবং উদ্ধার না হওয়া অস্ত্রের পূর্ণাঙ্গ তালিকা হালনাগাদ করা জরুরি।



















