ঢাকা ০১:৩৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬, ১২ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
জব্বারের বলীখেলায় ইতিহাস: হ্যাটট্রিক চ্যাম্পিয়ন বাঘা শরীফ উত্তরাঞ্চলে অতিবৃষ্টির শঙ্কা: সিলেট-সুনামগঞ্জে সাময়িক বন্যার পূর্বাভাস বিয়াম স্কুলে শিশুদের সঙ্গে প্রাণবন্ত সময় কাটালেন প্রধানমন্ত্রী উদ্ভাবকদের স্বীকৃতি ও সুরক্ষায় আধুনিক ব্যবস্থা গড়ে তুলছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী শেরপুরের ঝিনাইগাতীতে উত্তরণ কো-অপারেটিভ ক্রেডিট ইউনিয়নের ২৯ তম বার্ষিক সাধারণ সভা পৃষ্ঠপোষকতার অর্থনীতি থেকে বেরিয়ে আসতে সংস্কারে জোর দিচ্ছে সরকার : অর্থমন্ত্রী গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় হামলার শঙ্কা: নজরদারি বাড়িয়েছে সিটিটিসি নির্বাচনের আগেই অস্থিতিশীলতার ষড়যন্ত্র: জামায়াতকে কড়া জবাব মির্জা ফখরুলের লোডশেডিং ৩০০০ মেগাওয়াট : গ্যাস সংকটের কারণে বিদ্যুতের লোডশেডিং বাড়ছে ১৭ জেলায় তাপপ্রবাহ অব্যাহত, ঢাকায় তাপমাত্রা সামান্য কমলেও ভ্যাপসা গরম

যুক্তরাষ্ট্রের ৪৫ মিলিয়ন ডলার সহায়তায় থাইল্যান্ড-কম্বোডিয়ার যুদ্ধবিরতি জোরদার

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৭:৫৬:২১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৯ জানুয়ারী ২০২৬ ১০৬ বার পড়া হয়েছে

যুক্তরাষ্ট্রের ৪৫ মিলিয়ন ডলার সহায়তায় থাইল্যান্ড-কম্বোডিয়ার যুদ্ধবিরতি জোরদার

ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

থাইল্যান্ড ও কম্বোডিয়ার মধ্যে চলমান সীমান্ত সংঘর্ষের পরিপ্রেক্ষিতে যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধবিরতি জোরদার করতে মোট ৪৫ মিলিয়ন ডলারের সহায়তা প্রদান করার ঘোষণা দিয়েছে। কাতার ভিত্তিক গণমাধ্যম আল-জাজিরার প্রতিবেদন অনুযায়ী, মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের পূর্ব এশিয়া বিষয়ক শীর্ষ কর্মকর্তা মাইকেল ডেসোমব্রে উভয় দেশ সফর করছেন এবং সরাসরি আলোচনা চালাচ্ছেন।

ডেসোমব্রে জানিয়েছেন, সহায়তার মধ্যে ২০ মিলিয়ন ডলার থাকবে মাদক পাচার ও সাইবার প্রতারণা দমন এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়নের জন্য। কম্বোডিয়ায় মাদক ও সাইবার অপরাধের মাত্রা উদ্বেগজনক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। এছাড়া যুক্তরাষ্ট্র সাম্প্রতিক সীমান্ত সংঘর্ষে বাস্তুচ্যুত মানুষদের সহায়তায় ১৫ মিলিয়ন ডলার এবং সীমান্তে অব্যবহৃত মাইন অপসারণের জন্য ১০ মিলিয়ন ডলার প্রদান করবে।

তিনি আরও বলেন, যুক্তরাষ্ট্র থাইল্যান্ড ও কম্বোডিয়া সরকারের সঙ্গে সহযোগিতা অব্যাহত রাখবে যাতে কুয়ালালামপুর শান্তি চুক্তি বাস্তবায়িত হয়। এ চুক্তি অক্টোবর মাসে ট্রাম্পের উপস্থিতিতে মালয়েশিয়ায় স্বাক্ষরিত হয়েছিল। ডেসোমব্রে আশা প্রকাশ করেন, এই পদক্ষেপের মাধ্যমে জনগণ ও অঞ্চলে স্থিতিশীলতা, শান্তি ও সমৃদ্ধি ফিরে আসবে।

বর্ণিত সংঘর্ষের পেছনে কম্বোডিয়ার গোলাবর্ষণে থাই সৈন্যদের আহত হওয়ার ঘটনা প্রধান কারণ হিসেবে দেখা দেয়। তবে কম্বোডিয়া জানায়, এটি একটি অপারেশনাল ভুল। দুই দেশের মধ্যে প্রায় ৮০০ কিলোমিটার দীর্ঘ সীমান্তে একাধিক এলাকার জন্য পূর্বনির্ধারিত উপনিবেশিক সীমান্ত বিরোধ এখনও বিদ্যমান। বিশেষ করে কম্বোডিয়া দাবী করেছে, কিছু এলাকায় থাইল্যান্ড সেনা প্রত্যাহার করতে হবে।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এই সংঘর্ষকে তার সমাধান করা একাধিক সীমান্ত সমস্যার মধ্যে একটি হিসেবে উল্লেখ করেছেন। ট্রাম্প জোর দিয়েছেন যে এসব যুদ্ধের অবসানে তার ভূমিকা শান্তির ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ এবং এমন পদক্ষেপ নোবেল শান্তি পুরস্কারের যোগ্য।

মাইকেল ডেসোমব্রে জানিয়েছেন, সহায়তার মূল উদ্দেশ্য হলো কূটনৈতিকভাবে উভয় দেশকে সমঝোতায় আনা, সীমান্তে নতুন সংঘর্ষ রোধ করা এবং স্থানীয় জনগণের জন্য নিরাপদ ও স্থিতিশীল পরিবেশ নিশ্চিত করা। এই পদক্ষেপে আশাপ্রকাশ করা হয়েছে যে, থাইল্যান্ড ও কম্বোডিয়া আবারও সমঝোতার পথে ফিরবে এবং দ্বীপ অঞ্চলের শান্তি ও সমৃদ্ধি বজায় থাকবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

যুক্তরাষ্ট্রের ৪৫ মিলিয়ন ডলার সহায়তায় থাইল্যান্ড-কম্বোডিয়ার যুদ্ধবিরতি জোরদার

আপডেট সময় : ০৭:৫৬:২১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৯ জানুয়ারী ২০২৬

থাইল্যান্ড ও কম্বোডিয়ার মধ্যে চলমান সীমান্ত সংঘর্ষের পরিপ্রেক্ষিতে যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধবিরতি জোরদার করতে মোট ৪৫ মিলিয়ন ডলারের সহায়তা প্রদান করার ঘোষণা দিয়েছে। কাতার ভিত্তিক গণমাধ্যম আল-জাজিরার প্রতিবেদন অনুযায়ী, মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের পূর্ব এশিয়া বিষয়ক শীর্ষ কর্মকর্তা মাইকেল ডেসোমব্রে উভয় দেশ সফর করছেন এবং সরাসরি আলোচনা চালাচ্ছেন।

ডেসোমব্রে জানিয়েছেন, সহায়তার মধ্যে ২০ মিলিয়ন ডলার থাকবে মাদক পাচার ও সাইবার প্রতারণা দমন এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়নের জন্য। কম্বোডিয়ায় মাদক ও সাইবার অপরাধের মাত্রা উদ্বেগজনক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। এছাড়া যুক্তরাষ্ট্র সাম্প্রতিক সীমান্ত সংঘর্ষে বাস্তুচ্যুত মানুষদের সহায়তায় ১৫ মিলিয়ন ডলার এবং সীমান্তে অব্যবহৃত মাইন অপসারণের জন্য ১০ মিলিয়ন ডলার প্রদান করবে।

তিনি আরও বলেন, যুক্তরাষ্ট্র থাইল্যান্ড ও কম্বোডিয়া সরকারের সঙ্গে সহযোগিতা অব্যাহত রাখবে যাতে কুয়ালালামপুর শান্তি চুক্তি বাস্তবায়িত হয়। এ চুক্তি অক্টোবর মাসে ট্রাম্পের উপস্থিতিতে মালয়েশিয়ায় স্বাক্ষরিত হয়েছিল। ডেসোমব্রে আশা প্রকাশ করেন, এই পদক্ষেপের মাধ্যমে জনগণ ও অঞ্চলে স্থিতিশীলতা, শান্তি ও সমৃদ্ধি ফিরে আসবে।

বর্ণিত সংঘর্ষের পেছনে কম্বোডিয়ার গোলাবর্ষণে থাই সৈন্যদের আহত হওয়ার ঘটনা প্রধান কারণ হিসেবে দেখা দেয়। তবে কম্বোডিয়া জানায়, এটি একটি অপারেশনাল ভুল। দুই দেশের মধ্যে প্রায় ৮০০ কিলোমিটার দীর্ঘ সীমান্তে একাধিক এলাকার জন্য পূর্বনির্ধারিত উপনিবেশিক সীমান্ত বিরোধ এখনও বিদ্যমান। বিশেষ করে কম্বোডিয়া দাবী করেছে, কিছু এলাকায় থাইল্যান্ড সেনা প্রত্যাহার করতে হবে।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এই সংঘর্ষকে তার সমাধান করা একাধিক সীমান্ত সমস্যার মধ্যে একটি হিসেবে উল্লেখ করেছেন। ট্রাম্প জোর দিয়েছেন যে এসব যুদ্ধের অবসানে তার ভূমিকা শান্তির ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ এবং এমন পদক্ষেপ নোবেল শান্তি পুরস্কারের যোগ্য।

মাইকেল ডেসোমব্রে জানিয়েছেন, সহায়তার মূল উদ্দেশ্য হলো কূটনৈতিকভাবে উভয় দেশকে সমঝোতায় আনা, সীমান্তে নতুন সংঘর্ষ রোধ করা এবং স্থানীয় জনগণের জন্য নিরাপদ ও স্থিতিশীল পরিবেশ নিশ্চিত করা। এই পদক্ষেপে আশাপ্রকাশ করা হয়েছে যে, থাইল্যান্ড ও কম্বোডিয়া আবারও সমঝোতার পথে ফিরবে এবং দ্বীপ অঞ্চলের শান্তি ও সমৃদ্ধি বজায় থাকবে।