ঢাকা ১১:২১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬, ১২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
এলএনজি টার্মিনাল সচলে আরও পাঁচ দিন দেশজুড়ে গ্যাস সংকট তীব্র, বাসা-বাড়ি, শিল্প ও যানবাহনে চরম ভোগান্তি পরিবেশের মারাত্মক প্রভাবে হুমকির মুখে সুন্দরবন সশস্ত্র বাহিনীকে দলীয় হাতিয়ার হতে দেওয়া হবে না বিশ্ব ঐতিহ্যের তালিকায় স্থান ভারতের ঐতিহাসিক বৌদ্ধ তীর্থস্থান সারনাথ স্বামীর নির্যাতন বরিশালে আওয়ামী লীগ নেত্রীর আত্মহত্যা রোববার বঙ্গভবন ছাড়ছেন সদ্যবিদায়ি রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন সংবিধানের ৫৪ অনুচ্ছেদ মেনে রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব গ্রহণ করেছি: স্পিকার রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন তাঁর পদত্যাগপত্রে যা লিখেন রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের গুঞ্জন আপনারা যেমন শুনেছেন, আমিও তেমনই শুনেছি  স্পিকার রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন পদত্যাগ করতে যাচ্ছেন, জোরালো হচ্ছে রাজনৈতিক আলোচনা

বৈজ্ঞানিক মাছ চাষে খাদ্য নিরাপত্তায় নতুন সম্ভাবনা: মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা

বিশেষ প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ০৯:২১:৫৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ ডিসেম্বর ২০২৫ ৩৪০ বার পড়া হয়েছে

বৈজ্ঞানিক মাছ চাষে খাদ্য নিরাপত্তায় নতুন সম্ভাবনা: মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা

ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা ফরিদা আখতার বলেছেন, বৈজ্ঞানিকভাবে সিবাছ (কোরাল) মাছ চাষ বাংলাদেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও মাছের সরবরাহ ব্যবস্থায় নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করছে। এই উদ্যোগ দেশের মাছ উৎপাদন বৃদ্ধির পাশাপাশি টেকসই ও আধুনিক মৎস্যখাত গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

রোববার সন্ধ্যায় কক্সবাজারের কলাতলিতে অবস্থিত আধুনিক ‘গ্রিন হাউজ মেরিকালচার’ হ্যাচারি পরিদর্শন শেষে তিনি এসব কথা বলেন।

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা বলেন,  একেবারে ব্রুড মাছ থেকে ডিম উৎপাদন পর্যন্ত পুরো প্রক্রিয়াটি অত্যন্ত বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে পরিচালিত হচ্ছে দেখে আমি অত্যন্ত সন্তুষ্ট। একটি হ্যাচারি হিসেবে এর গুরুত্ব অনেক এবং এটি দেশের মৎস্যখাতে একটি উল্লেখযোগ্য মাইলফলক।

তিনি আরও বলেন, সবচেয়ে আশাব্যঞ্জক দিক হলো, এই ধরনের মাছ চাষ শুধু কক্সবাজারের মতো উপকূলীয় এলাকায় সীমাবদ্ধ থাকবে না। উত্তরবঙ্গসহ দেশের অন্যান্য অঞ্চলগুলোতেও এই প্রযুক্তি প্রয়োগ করা সম্ভব হবে। ফলে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে মাছ উৎপাদন বাড়বে এবং জাতীয় খাদ্য সরবরাহ ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী হবে।

বৈজ্ঞানিক মাছ চাষে খাদ্য নিরাপত্তায় নতুন সম্ভাবনা: মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা
বৈজ্ঞানিক মাছ চাষে খাদ্য নিরাপত্তায় নতুন সম্ভাবনা: মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা

ফরিদা আখতার বলেন, সরকার সামুদ্রিক মৎস্য চাষ বা মেরিকালচার সম্প্রসারণে নীতিগত ও প্রাতিষ্ঠানিক সহায়তা প্রদান করবে। তবে এ খাতে বেসরকারি উদ্যোক্তাদের উদ্যোগই হবে প্রধান চালিকাশক্তি। যত বেশি বেসরকারি খাত যুক্ত হবে, তত বেশি প্রযুক্তি উন্নয়ন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং বৈজ্ঞানিক মাছ উৎপাদন নিশ্চিত হবে।

তিনি উল্লেখ করেন, এ ধরনের আধুনিক ও টেকসই উদ্যোগ ভবিষ্যতে বাংলাদেশের ব্লু ইকোনমিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে। এটি শুধু সরকারের একটি লক্ষ্য নয়, বরং দেশের অর্থনীতি শক্তিশালী করা ও দীর্ঘমেয়াদে খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করার একটি কার্যকর ভিত্তি তৈরি করবে।

পরিদর্শনকালে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় ও মৎস্য অধিদপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাসহ সংশ্লিষ্ট অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, দেশে প্রথমবারের মতো কক্সবাজারের ‘গ্রিন হাউজ মেরিকালচার’ হ্যাচারি সামুদ্রিক সিবাছ বা কোরাল মাছের কৃত্রিম প্রজননে সাফল্য অর্জন করেছে। এর ফলে ভবিষ্যতে পুকুরে সামুদ্রিক কোরাল মাছ চাষের বাস্তব সম্ভাবনা সৃষ্টি হয়েছে। কোরাল মাছের পোনা উৎপাদন সংক্রান্ত এ গবেষণা কার্যক্রমে মৎস্য অধিদপ্তর প্রয়োজনীয় কারিগরি ও আর্থিক সহায়তা প্রদান করেছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

বৈজ্ঞানিক মাছ চাষে খাদ্য নিরাপত্তায় নতুন সম্ভাবনা: মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা

আপডেট সময় : ০৯:২১:৫৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ ডিসেম্বর ২০২৫

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা ফরিদা আখতার বলেছেন, বৈজ্ঞানিকভাবে সিবাছ (কোরাল) মাছ চাষ বাংলাদেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও মাছের সরবরাহ ব্যবস্থায় নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করছে। এই উদ্যোগ দেশের মাছ উৎপাদন বৃদ্ধির পাশাপাশি টেকসই ও আধুনিক মৎস্যখাত গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

রোববার সন্ধ্যায় কক্সবাজারের কলাতলিতে অবস্থিত আধুনিক ‘গ্রিন হাউজ মেরিকালচার’ হ্যাচারি পরিদর্শন শেষে তিনি এসব কথা বলেন।

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা বলেন,  একেবারে ব্রুড মাছ থেকে ডিম উৎপাদন পর্যন্ত পুরো প্রক্রিয়াটি অত্যন্ত বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে পরিচালিত হচ্ছে দেখে আমি অত্যন্ত সন্তুষ্ট। একটি হ্যাচারি হিসেবে এর গুরুত্ব অনেক এবং এটি দেশের মৎস্যখাতে একটি উল্লেখযোগ্য মাইলফলক।

তিনি আরও বলেন, সবচেয়ে আশাব্যঞ্জক দিক হলো, এই ধরনের মাছ চাষ শুধু কক্সবাজারের মতো উপকূলীয় এলাকায় সীমাবদ্ধ থাকবে না। উত্তরবঙ্গসহ দেশের অন্যান্য অঞ্চলগুলোতেও এই প্রযুক্তি প্রয়োগ করা সম্ভব হবে। ফলে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে মাছ উৎপাদন বাড়বে এবং জাতীয় খাদ্য সরবরাহ ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী হবে।

বৈজ্ঞানিক মাছ চাষে খাদ্য নিরাপত্তায় নতুন সম্ভাবনা: মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা
বৈজ্ঞানিক মাছ চাষে খাদ্য নিরাপত্তায় নতুন সম্ভাবনা: মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা

ফরিদা আখতার বলেন, সরকার সামুদ্রিক মৎস্য চাষ বা মেরিকালচার সম্প্রসারণে নীতিগত ও প্রাতিষ্ঠানিক সহায়তা প্রদান করবে। তবে এ খাতে বেসরকারি উদ্যোক্তাদের উদ্যোগই হবে প্রধান চালিকাশক্তি। যত বেশি বেসরকারি খাত যুক্ত হবে, তত বেশি প্রযুক্তি উন্নয়ন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং বৈজ্ঞানিক মাছ উৎপাদন নিশ্চিত হবে।

তিনি উল্লেখ করেন, এ ধরনের আধুনিক ও টেকসই উদ্যোগ ভবিষ্যতে বাংলাদেশের ব্লু ইকোনমিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে। এটি শুধু সরকারের একটি লক্ষ্য নয়, বরং দেশের অর্থনীতি শক্তিশালী করা ও দীর্ঘমেয়াদে খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করার একটি কার্যকর ভিত্তি তৈরি করবে।

পরিদর্শনকালে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় ও মৎস্য অধিদপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাসহ সংশ্লিষ্ট অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, দেশে প্রথমবারের মতো কক্সবাজারের ‘গ্রিন হাউজ মেরিকালচার’ হ্যাচারি সামুদ্রিক সিবাছ বা কোরাল মাছের কৃত্রিম প্রজননে সাফল্য অর্জন করেছে। এর ফলে ভবিষ্যতে পুকুরে সামুদ্রিক কোরাল মাছ চাষের বাস্তব সম্ভাবনা সৃষ্টি হয়েছে। কোরাল মাছের পোনা উৎপাদন সংক্রান্ত এ গবেষণা কার্যক্রমে মৎস্য অধিদপ্তর প্রয়োজনীয় কারিগরি ও আর্থিক সহায়তা প্রদান করেছে।