ঢাকা ০৩:৪০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
একটানে জালে ওঠে আসে ২৬ লাখ টাকার ২ হাজার ২০০টি কাঙ্খিত  ইলিশ  কৃষিপণ্যের আমদানি কমিয়ে উৎপাদন  বাড়ানোর তাগিদ  প্রধানমন্ত্রীর সংযুক্ত আরব  আমিরাতে ৪,৮০০ বাংলাদেশির ভিসা বাতিল ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক রিসেট চায় বাংলাদেশ প্রধানমন্ত্রীর দ্বিপক্ষীয় সফর হওয়া উচিত হুমায়ুন ২১ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্র সফর বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের নতুন ভিশন অগ্রাধিকার তুলে ধরবেন প্রধানমন্ত্রী হঠাৎ রামপালের এক ইউনিট বন্ধ বিদ্যুৎ উৎপাদন কমেছে অর্ধেক শেরপুর সীমান্তে বিজিবির অভিযান ভারতীয় ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট জব্দ শেরপুরে ৫ লাখ টাকার ভারতীয় ওষুধের চালান জব্দ ‘আমেরিকানরা যোদ্ধা হলে ইরানের বীর বাহিনীর মুখোমুখি হোক’: পেজেশকিয়ান আসুন এবার রাষ্ট্রকে আমরা পুনর্গঠন করি’: প্রধানমন্ত্রী

বিজেপি বিরোধী ইন্ডিয়া জোটে ভাঙনের সুর!

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০২:৫১:০৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৩ ২৭০ বার পড়া হয়েছে

বেঙ্গালুরুতে ইন্ডিয়ান জোটের সম্মেলনে ভারতের বিভিন্ন দলের নেতৃবৃন্দ : ছবি সংগৃহীত

ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক

দুয়ারে কড়া নাড়ছে ভারতের জাতীয় লোকসভা নির্বাচন। এর মধ্যেই ফের বিরোধী শিবিরে ভাঙনের সুর। জোটের আপত্তি উপেক্ষা করে গত কয়েকদিনে প্রকাশ্যে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সাথে ঘনিষ্ঠতা বাড়িয়েছেন শারদ পাওয়ার। অন্যদিকে বিরোধী জোটকেই কার্যত এড়িয়ে চলছেন নিতিশ কুমার। দিল্লিতে আসন বোঝাপড়া নিয়ে বিবাদ বেঁধেছে আপ ও কংগ্রেসের মধ্যে। কলকাতায় আবার জোটকে প্রকাশ্যে কটাক্ষ করেছেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

এমন অবস্থায় নির্বাচনের আগে বিরোধী ঐক্যের বার্তা দেওয়ার আগেই প্রকাশ্যে এসে পড়েছে বিরোধী জোট শিবিরের ছন্নছাড়া ছবি।

গত জুন মাসের ২৩ তারিখ ও জুলাই মাসের ১৮ তারিখ পরপর দুই মাস প্রথমে বিহার ও পরে ব্যাঙ্গালোরে বৈঠকে মিলিত হয়েছিলেন বিজেপি বিরোধী সমমনাভাবাপন্ন ২৬ বিরোধী দলের নেতা নেত্রীরা। এরপর ’২৪ এর নির্বাচনের কথা মাথায় রেখে বৃহৎ স্বার্থে বৃহত্তর জোট জোট গঠনের ঘোষণা দেওয়া হয়। যেখানে ইউপিএকে কার্যত কবর দিয়ে গঠন করা হয় বিরোধী জোট ‘ইন্ডিয়ান ন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট ইনক্লুসিভ অ্যালায়েন্স’ বা ইন্ডিয়ার। যে জোট গঠনের অন্যতম কারিগর ছিলেন বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নীতিশ কুমার।

ব্যাঙ্গালোর বৈঠকের পর থেকেই নীতীশের নীরবতা, নিষ্ক্রিয়তা নিয়ে জোর জল্পনা শুরু হয়েছে রাজনৈতিক মহলে। আসলে বিরোধী দলগুলির বেঙ্গালুরুর বৈঠকের পর থেকেই নিজেকে গুটিয়ে নিয়েছেন বিহারের মুখ্যমন্ত্রী। সেখানে বৈঠক শেষে সাংবাদিক সম্মেলনে হাজির ছিলেন না তিনি। পাটনায় ফিরেও বৈঠক নিয়ে প্রায় দশদিন কোনও কথা বলেননি জনতা দল ইউনাইটেডের এই নেতা।

দলীয় সূত্রের খবর, একাধিক কারণে বিরোধী জোটের সঙ্গে দূরত্ব বেড়েছে নীতিশের। কারণ হিসেবেই সামনে এসেছে বিরোধী জোটের ইন্ডিয়া নাম । এই নাম অপছন্দ বিহারের মুখ্যমন্ত্রীর। তার ব্যাখ্যা, সাধারণ মানুষকে এ নামে টানবে না, এটা শহুরে নাম। কিন্তু ভোটের ময়দানে গ্রামের লড়াই মূল লড়াই।

এছাড়া নীতিশকে ইন্ডিয়া জোটের চেয়ারপারসন না করে সনিয়া গান্ধীকে এ পদে বসানোর চেষ্টা হচ্ছে। নীতীশকে আহ্বায়ক করার ভাবনা জোটে। কিন্তু বিহারের মুখ্যমন্ত্রী এই পদ নিতে রাজি নন। ঘনিষ্ঠ মহলে তিনি বলেছেন, বিরোধী দলগুলিকে তিনিই একমঞ্চে নিয়ে এসেছেন। কিন্তু জোটের নেতৃত্ব চলে গিয়েছে কংগ্রেসের হাতে। কংগ্রেস পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতাকে বাড়তি গুরুত্ব দিচ্ছে বলেও অভিযোগ নীতীশের ঘনিষ্ঠ মহলের।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

বিজেপি বিরোধী ইন্ডিয়া জোটে ভাঙনের সুর!

আপডেট সময় : ০২:৫১:০৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৩

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক

দুয়ারে কড়া নাড়ছে ভারতের জাতীয় লোকসভা নির্বাচন। এর মধ্যেই ফের বিরোধী শিবিরে ভাঙনের সুর। জোটের আপত্তি উপেক্ষা করে গত কয়েকদিনে প্রকাশ্যে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সাথে ঘনিষ্ঠতা বাড়িয়েছেন শারদ পাওয়ার। অন্যদিকে বিরোধী জোটকেই কার্যত এড়িয়ে চলছেন নিতিশ কুমার। দিল্লিতে আসন বোঝাপড়া নিয়ে বিবাদ বেঁধেছে আপ ও কংগ্রেসের মধ্যে। কলকাতায় আবার জোটকে প্রকাশ্যে কটাক্ষ করেছেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

এমন অবস্থায় নির্বাচনের আগে বিরোধী ঐক্যের বার্তা দেওয়ার আগেই প্রকাশ্যে এসে পড়েছে বিরোধী জোট শিবিরের ছন্নছাড়া ছবি।

গত জুন মাসের ২৩ তারিখ ও জুলাই মাসের ১৮ তারিখ পরপর দুই মাস প্রথমে বিহার ও পরে ব্যাঙ্গালোরে বৈঠকে মিলিত হয়েছিলেন বিজেপি বিরোধী সমমনাভাবাপন্ন ২৬ বিরোধী দলের নেতা নেত্রীরা। এরপর ’২৪ এর নির্বাচনের কথা মাথায় রেখে বৃহৎ স্বার্থে বৃহত্তর জোট জোট গঠনের ঘোষণা দেওয়া হয়। যেখানে ইউপিএকে কার্যত কবর দিয়ে গঠন করা হয় বিরোধী জোট ‘ইন্ডিয়ান ন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট ইনক্লুসিভ অ্যালায়েন্স’ বা ইন্ডিয়ার। যে জোট গঠনের অন্যতম কারিগর ছিলেন বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নীতিশ কুমার।

ব্যাঙ্গালোর বৈঠকের পর থেকেই নীতীশের নীরবতা, নিষ্ক্রিয়তা নিয়ে জোর জল্পনা শুরু হয়েছে রাজনৈতিক মহলে। আসলে বিরোধী দলগুলির বেঙ্গালুরুর বৈঠকের পর থেকেই নিজেকে গুটিয়ে নিয়েছেন বিহারের মুখ্যমন্ত্রী। সেখানে বৈঠক শেষে সাংবাদিক সম্মেলনে হাজির ছিলেন না তিনি। পাটনায় ফিরেও বৈঠক নিয়ে প্রায় দশদিন কোনও কথা বলেননি জনতা দল ইউনাইটেডের এই নেতা।

দলীয় সূত্রের খবর, একাধিক কারণে বিরোধী জোটের সঙ্গে দূরত্ব বেড়েছে নীতিশের। কারণ হিসেবেই সামনে এসেছে বিরোধী জোটের ইন্ডিয়া নাম । এই নাম অপছন্দ বিহারের মুখ্যমন্ত্রীর। তার ব্যাখ্যা, সাধারণ মানুষকে এ নামে টানবে না, এটা শহুরে নাম। কিন্তু ভোটের ময়দানে গ্রামের লড়াই মূল লড়াই।

এছাড়া নীতিশকে ইন্ডিয়া জোটের চেয়ারপারসন না করে সনিয়া গান্ধীকে এ পদে বসানোর চেষ্টা হচ্ছে। নীতীশকে আহ্বায়ক করার ভাবনা জোটে। কিন্তু বিহারের মুখ্যমন্ত্রী এই পদ নিতে রাজি নন। ঘনিষ্ঠ মহলে তিনি বলেছেন, বিরোধী দলগুলিকে তিনিই একমঞ্চে নিয়ে এসেছেন। কিন্তু জোটের নেতৃত্ব চলে গিয়েছে কংগ্রেসের হাতে। কংগ্রেস পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতাকে বাড়তি গুরুত্ব দিচ্ছে বলেও অভিযোগ নীতীশের ঘনিষ্ঠ মহলের।