ঢাকা ০৫:৫১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬, ৩১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
তারল্য  সকট মোকাবিলায় ২,৫০০ কোটি টাকার ঋণ দিল বাংলাদেশ ব্যাংক  অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহার রোধে সম্মিলিত উদ্যোগ জরুরি: মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী  দুবাইয়ে গ্রেপ্তার সাবেক আইজিপি বেনজীর প্রত্যর্পণ প্রক্রিয়া শুরু অভিনেত্রীর রহস্যজনক মৃত্যু হত্যার অভিযোগে স্বামী কারাগারে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান শান্তিচুক্তি, ঘোষণা পাকিস্তানের সমর্থক ভাইয়ারা না থাকলে ঘটনা অন্য রকম হয়ে যেতো: নাঈম হাসান আদ্-দ্বীনের কোটি টাকার চাপ উপেক্ষা করে লাইসেন্স বাতিল: স্বাস্থ্যমন্ত্রী গুণীজনদের জীবদ্দশায় সম্মান জানালে সমাজসেবায় উৎসাহ বাড়বে: কৃষিমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর কক্সবাজার সফর শনিবার, উন্নয়ন প্রত্যাশায় মুখিয়ে স্থানীয়রা যৌথ টহল ও গোয়েন্দা তথ্য বিনিময়ে সম্মত বিজিবি-বিএসএফ, নভেম্বরে ঢাকায় পরবর্তী বৈঠক

বিজেপি বিরোধী ইন্ডিয়া জোটে ভাঙনের সুর!

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০২:৫১:০৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৩ ২৪৭ বার পড়া হয়েছে

বেঙ্গালুরুতে ইন্ডিয়ান জোটের সম্মেলনে ভারতের বিভিন্ন দলের নেতৃবৃন্দ : ছবি সংগৃহীত

ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক

দুয়ারে কড়া নাড়ছে ভারতের জাতীয় লোকসভা নির্বাচন। এর মধ্যেই ফের বিরোধী শিবিরে ভাঙনের সুর। জোটের আপত্তি উপেক্ষা করে গত কয়েকদিনে প্রকাশ্যে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সাথে ঘনিষ্ঠতা বাড়িয়েছেন শারদ পাওয়ার। অন্যদিকে বিরোধী জোটকেই কার্যত এড়িয়ে চলছেন নিতিশ কুমার। দিল্লিতে আসন বোঝাপড়া নিয়ে বিবাদ বেঁধেছে আপ ও কংগ্রেসের মধ্যে। কলকাতায় আবার জোটকে প্রকাশ্যে কটাক্ষ করেছেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

এমন অবস্থায় নির্বাচনের আগে বিরোধী ঐক্যের বার্তা দেওয়ার আগেই প্রকাশ্যে এসে পড়েছে বিরোধী জোট শিবিরের ছন্নছাড়া ছবি।

গত জুন মাসের ২৩ তারিখ ও জুলাই মাসের ১৮ তারিখ পরপর দুই মাস প্রথমে বিহার ও পরে ব্যাঙ্গালোরে বৈঠকে মিলিত হয়েছিলেন বিজেপি বিরোধী সমমনাভাবাপন্ন ২৬ বিরোধী দলের নেতা নেত্রীরা। এরপর ’২৪ এর নির্বাচনের কথা মাথায় রেখে বৃহৎ স্বার্থে বৃহত্তর জোট জোট গঠনের ঘোষণা দেওয়া হয়। যেখানে ইউপিএকে কার্যত কবর দিয়ে গঠন করা হয় বিরোধী জোট ‘ইন্ডিয়ান ন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট ইনক্লুসিভ অ্যালায়েন্স’ বা ইন্ডিয়ার। যে জোট গঠনের অন্যতম কারিগর ছিলেন বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নীতিশ কুমার।

ব্যাঙ্গালোর বৈঠকের পর থেকেই নীতীশের নীরবতা, নিষ্ক্রিয়তা নিয়ে জোর জল্পনা শুরু হয়েছে রাজনৈতিক মহলে। আসলে বিরোধী দলগুলির বেঙ্গালুরুর বৈঠকের পর থেকেই নিজেকে গুটিয়ে নিয়েছেন বিহারের মুখ্যমন্ত্রী। সেখানে বৈঠক শেষে সাংবাদিক সম্মেলনে হাজির ছিলেন না তিনি। পাটনায় ফিরেও বৈঠক নিয়ে প্রায় দশদিন কোনও কথা বলেননি জনতা দল ইউনাইটেডের এই নেতা।

দলীয় সূত্রের খবর, একাধিক কারণে বিরোধী জোটের সঙ্গে দূরত্ব বেড়েছে নীতিশের। কারণ হিসেবেই সামনে এসেছে বিরোধী জোটের ইন্ডিয়া নাম । এই নাম অপছন্দ বিহারের মুখ্যমন্ত্রীর। তার ব্যাখ্যা, সাধারণ মানুষকে এ নামে টানবে না, এটা শহুরে নাম। কিন্তু ভোটের ময়দানে গ্রামের লড়াই মূল লড়াই।

এছাড়া নীতিশকে ইন্ডিয়া জোটের চেয়ারপারসন না করে সনিয়া গান্ধীকে এ পদে বসানোর চেষ্টা হচ্ছে। নীতীশকে আহ্বায়ক করার ভাবনা জোটে। কিন্তু বিহারের মুখ্যমন্ত্রী এই পদ নিতে রাজি নন। ঘনিষ্ঠ মহলে তিনি বলেছেন, বিরোধী দলগুলিকে তিনিই একমঞ্চে নিয়ে এসেছেন। কিন্তু জোটের নেতৃত্ব চলে গিয়েছে কংগ্রেসের হাতে। কংগ্রেস পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতাকে বাড়তি গুরুত্ব দিচ্ছে বলেও অভিযোগ নীতীশের ঘনিষ্ঠ মহলের।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

বিজেপি বিরোধী ইন্ডিয়া জোটে ভাঙনের সুর!

আপডেট সময় : ০২:৫১:০৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৩

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক

দুয়ারে কড়া নাড়ছে ভারতের জাতীয় লোকসভা নির্বাচন। এর মধ্যেই ফের বিরোধী শিবিরে ভাঙনের সুর। জোটের আপত্তি উপেক্ষা করে গত কয়েকদিনে প্রকাশ্যে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সাথে ঘনিষ্ঠতা বাড়িয়েছেন শারদ পাওয়ার। অন্যদিকে বিরোধী জোটকেই কার্যত এড়িয়ে চলছেন নিতিশ কুমার। দিল্লিতে আসন বোঝাপড়া নিয়ে বিবাদ বেঁধেছে আপ ও কংগ্রেসের মধ্যে। কলকাতায় আবার জোটকে প্রকাশ্যে কটাক্ষ করেছেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

এমন অবস্থায় নির্বাচনের আগে বিরোধী ঐক্যের বার্তা দেওয়ার আগেই প্রকাশ্যে এসে পড়েছে বিরোধী জোট শিবিরের ছন্নছাড়া ছবি।

গত জুন মাসের ২৩ তারিখ ও জুলাই মাসের ১৮ তারিখ পরপর দুই মাস প্রথমে বিহার ও পরে ব্যাঙ্গালোরে বৈঠকে মিলিত হয়েছিলেন বিজেপি বিরোধী সমমনাভাবাপন্ন ২৬ বিরোধী দলের নেতা নেত্রীরা। এরপর ’২৪ এর নির্বাচনের কথা মাথায় রেখে বৃহৎ স্বার্থে বৃহত্তর জোট জোট গঠনের ঘোষণা দেওয়া হয়। যেখানে ইউপিএকে কার্যত কবর দিয়ে গঠন করা হয় বিরোধী জোট ‘ইন্ডিয়ান ন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট ইনক্লুসিভ অ্যালায়েন্স’ বা ইন্ডিয়ার। যে জোট গঠনের অন্যতম কারিগর ছিলেন বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নীতিশ কুমার।

ব্যাঙ্গালোর বৈঠকের পর থেকেই নীতীশের নীরবতা, নিষ্ক্রিয়তা নিয়ে জোর জল্পনা শুরু হয়েছে রাজনৈতিক মহলে। আসলে বিরোধী দলগুলির বেঙ্গালুরুর বৈঠকের পর থেকেই নিজেকে গুটিয়ে নিয়েছেন বিহারের মুখ্যমন্ত্রী। সেখানে বৈঠক শেষে সাংবাদিক সম্মেলনে হাজির ছিলেন না তিনি। পাটনায় ফিরেও বৈঠক নিয়ে প্রায় দশদিন কোনও কথা বলেননি জনতা দল ইউনাইটেডের এই নেতা।

দলীয় সূত্রের খবর, একাধিক কারণে বিরোধী জোটের সঙ্গে দূরত্ব বেড়েছে নীতিশের। কারণ হিসেবেই সামনে এসেছে বিরোধী জোটের ইন্ডিয়া নাম । এই নাম অপছন্দ বিহারের মুখ্যমন্ত্রীর। তার ব্যাখ্যা, সাধারণ মানুষকে এ নামে টানবে না, এটা শহুরে নাম। কিন্তু ভোটের ময়দানে গ্রামের লড়াই মূল লড়াই।

এছাড়া নীতিশকে ইন্ডিয়া জোটের চেয়ারপারসন না করে সনিয়া গান্ধীকে এ পদে বসানোর চেষ্টা হচ্ছে। নীতীশকে আহ্বায়ক করার ভাবনা জোটে। কিন্তু বিহারের মুখ্যমন্ত্রী এই পদ নিতে রাজি নন। ঘনিষ্ঠ মহলে তিনি বলেছেন, বিরোধী দলগুলিকে তিনিই একমঞ্চে নিয়ে এসেছেন। কিন্তু জোটের নেতৃত্ব চলে গিয়েছে কংগ্রেসের হাতে। কংগ্রেস পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতাকে বাড়তি গুরুত্ব দিচ্ছে বলেও অভিযোগ নীতীশের ঘনিষ্ঠ মহলের।