ঢাকা ০৯:০৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬, ১২ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
শেরপুরের ঝিনাইগাতীতে উত্তরণ কো-অপারেটিভ ক্রেডিট ইউনিয়নের ২৯ তম বার্ষিক সাধারণ সভা পৃষ্ঠপোষকতার অর্থনীতি থেকে বেরিয়ে আসতে সংস্কারে জোর দিচ্ছে সরকার : অর্থমন্ত্রী গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় হামলার শঙ্কা: নজরদারি বাড়িয়েছে সিটিটিসি নির্বাচনের আগেই অস্থিতিশীলতার ষড়যন্ত্র: জামায়াতকে কড়া জবাব মির্জা ফখরুলের লোডশেডিং ৩০০০ মেগাওয়াট : গ্যাস সংকটের কারণে বিদ্যুতের লোডশেডিং বাড়ছে ১৭ জেলায় তাপপ্রবাহ অব্যাহত, ঢাকায় তাপমাত্রা সামান্য কমলেও ভ্যাপসা গরম লাইনে দাঁড়িয়ে স্বস্তি: অল্প সময়েই তেল পেলেন বাইকচালক মোহাম্মদ আলী দেশের স্বার্থে বিরোধী দলের সঙ্গে আলোচনায় প্রস্তুত সরকার: তারেক রহমান সোনার ভরিতে ৩২৬৫ ও রুপার ভরিতে ৩৫০ টাকা কমলো জাতীয় মহিলা পার্টির আহ্বায়ক নুরুন নাহার বেগম সদস্য সচিব জেসমীন নূর প্রিয়াংকা

বিআরটিসিকে বদলে দেওয়া মানুষটির নাম মো. তাজুল ইসলাম

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা
  • আপডেট সময় : ১০:৩৪:৫৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১ জুন ২০২৪ ৩২৬ বার পড়া হয়েছে

মোহাম্মদপুর বিআরটিসি বাস ডিপোর নবনির্মীত ভবনের উদ্বোধেন করেন বিআরটিসির চেয়ারম্যান মো. তাজুল ইসলাম

ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

 

মাত্র তিন বছরে ডুবে যাওয়া বিআরটিসিকে বদলে দিয়েছেন তিনি। বলা যায় বিপ্লব বসত করে যেখানে। বাংলাদেশের একমাত্র রাষ্ট্রীয় পরিবহণ সংস্থা বিআরটিসি বছর তিনেক আগেও ছিলো ডুবন্ত তরী। খুড়িয়ে খুড়িয়ে চলছি রাষ্ট্রয়ি পতকাবাহী যানবাহনগুলো। একের পর এক বাস অচল হয়ে বিছানা নেয় তেজগাও বিশাল আকারের কেন্দ্রীয় মেরামত ও ট্রেনিং সেন্টারে।

সেখানে একটু বৃষ্টিতেই জলকাদায় একাকার হয়ে যেতো। তখন আর কাজের পরিবেশ তো দূরের কথা যানবাহন নিয়েও ভেতরে প্রবেশ করা ছিলো দুষ্কর। কেন এমন হলো স্বাধীন বাংলার একমাত্র রাষ্ট্রীয় পরিবহন সংস্থা। এতোটা লজ্জাস্কর পরিস্থিতি সৃষ্টি হলো?

অবশেষে ত্রাণকর্তা হিসাবে ভঙ্কুর সংস্থাটির চেয়ারম্যান হিসাবে হাল ধরলেন মো. তাজুল ইসলাম। চোখেমুখে তার বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন বাস্তবায়নের অঙ্গিকার। শক্তি হাতে দায়িত্ব পালনের স্বপ্ন জয়ের ব্যকুলতা অনেক রাত ঘুমাতে পারেননি। অবশেষে অনুকুল পরিস্থিতি তার হাতের মুঠোয়।

জঞ্জাল পরিষ্কার করে একের পর এক সফলতার পতাকা উড়াতে থাকেন তাজুল ইসলাম। তেজগাঁওয়ের কেন্দ্রীয় কারখানাটি আজ নান্দিক পিকনিক স্পট বলে মনে হয়। বিশাল ট্রাক শেট, পাশেই প্রশিক্ষণ কেন্দ্রটি গাছগাছালিতে ঘেরা। কেন্দ্রীয় মেরামত কারখানায় একদিন যেখানে জলকাদায় একাকার ছিলো, আজ বড় আকারের উচু স্ট্যান্ড পাখার বাতাসে একমনে বড়ি তৈরির কাজ করে চলেছেন গর্বিত শ্রমিকরা।

বিআরটিসি কেন্দ্রীয় কারখানায় রয়েছে নান্দনিক ডিজাইনের তিনতলা মসজিদ। গোটা কারখানা পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন। তেমনি কমলাপুর আন্তর্জাতিক বাসটার্মিনালের অবস্থাটা ছিলো শোচনীয়। বর্তমানে সেখানে সোফা, বসার চেয়ার থেকে শুরু করে বাথরুম ফিটিংস সব মিলিয়ে আধুনিক রুচিশীল পরিবেশ।

৩ বছর আগেও মোহাম্মদপুর বাস ডিপো পরিবেশ ছিলো অত্যন্ত জরাজীর্ণ ও ভঙ্গুর। এই ডিপোতে অফিস করার মতো কোন পরিবেশ ছিলো না। বর্তমান চেয়ারম্যানের জাদুকরী হাতের ছোয়ায় প্রশাসনিক ভবন, ইয়ার্ড, প্রধান ফটক নির্মাণের মধ্য দিয়ে মোহাম্মদপুর বাস ডিপোর ইতিহাস বদলে গেছে। শুধু মোহাম্মদপুর, কমলাপুর, তেজগাঁও নয়, বিআরটিসির প্রত্যেকটা কোণায় কোণায় বদলে দেওয়া মানুষটির নাম মো. তাজুল ইসলাম।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

বিআরটিসিকে বদলে দেওয়া মানুষটির নাম মো. তাজুল ইসলাম

আপডেট সময় : ১০:৩৪:৫৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১ জুন ২০২৪

 

মাত্র তিন বছরে ডুবে যাওয়া বিআরটিসিকে বদলে দিয়েছেন তিনি। বলা যায় বিপ্লব বসত করে যেখানে। বাংলাদেশের একমাত্র রাষ্ট্রীয় পরিবহণ সংস্থা বিআরটিসি বছর তিনেক আগেও ছিলো ডুবন্ত তরী। খুড়িয়ে খুড়িয়ে চলছি রাষ্ট্রয়ি পতকাবাহী যানবাহনগুলো। একের পর এক বাস অচল হয়ে বিছানা নেয় তেজগাও বিশাল আকারের কেন্দ্রীয় মেরামত ও ট্রেনিং সেন্টারে।

সেখানে একটু বৃষ্টিতেই জলকাদায় একাকার হয়ে যেতো। তখন আর কাজের পরিবেশ তো দূরের কথা যানবাহন নিয়েও ভেতরে প্রবেশ করা ছিলো দুষ্কর। কেন এমন হলো স্বাধীন বাংলার একমাত্র রাষ্ট্রীয় পরিবহন সংস্থা। এতোটা লজ্জাস্কর পরিস্থিতি সৃষ্টি হলো?

অবশেষে ত্রাণকর্তা হিসাবে ভঙ্কুর সংস্থাটির চেয়ারম্যান হিসাবে হাল ধরলেন মো. তাজুল ইসলাম। চোখেমুখে তার বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন বাস্তবায়নের অঙ্গিকার। শক্তি হাতে দায়িত্ব পালনের স্বপ্ন জয়ের ব্যকুলতা অনেক রাত ঘুমাতে পারেননি। অবশেষে অনুকুল পরিস্থিতি তার হাতের মুঠোয়।

জঞ্জাল পরিষ্কার করে একের পর এক সফলতার পতাকা উড়াতে থাকেন তাজুল ইসলাম। তেজগাঁওয়ের কেন্দ্রীয় কারখানাটি আজ নান্দিক পিকনিক স্পট বলে মনে হয়। বিশাল ট্রাক শেট, পাশেই প্রশিক্ষণ কেন্দ্রটি গাছগাছালিতে ঘেরা। কেন্দ্রীয় মেরামত কারখানায় একদিন যেখানে জলকাদায় একাকার ছিলো, আজ বড় আকারের উচু স্ট্যান্ড পাখার বাতাসে একমনে বড়ি তৈরির কাজ করে চলেছেন গর্বিত শ্রমিকরা।

বিআরটিসি কেন্দ্রীয় কারখানায় রয়েছে নান্দনিক ডিজাইনের তিনতলা মসজিদ। গোটা কারখানা পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন। তেমনি কমলাপুর আন্তর্জাতিক বাসটার্মিনালের অবস্থাটা ছিলো শোচনীয়। বর্তমানে সেখানে সোফা, বসার চেয়ার থেকে শুরু করে বাথরুম ফিটিংস সব মিলিয়ে আধুনিক রুচিশীল পরিবেশ।

৩ বছর আগেও মোহাম্মদপুর বাস ডিপো পরিবেশ ছিলো অত্যন্ত জরাজীর্ণ ও ভঙ্গুর। এই ডিপোতে অফিস করার মতো কোন পরিবেশ ছিলো না। বর্তমান চেয়ারম্যানের জাদুকরী হাতের ছোয়ায় প্রশাসনিক ভবন, ইয়ার্ড, প্রধান ফটক নির্মাণের মধ্য দিয়ে মোহাম্মদপুর বাস ডিপোর ইতিহাস বদলে গেছে। শুধু মোহাম্মদপুর, কমলাপুর, তেজগাঁও নয়, বিআরটিসির প্রত্যেকটা কোণায় কোণায় বদলে দেওয়া মানুষটির নাম মো. তাজুল ইসলাম।