ঢাকা ১২:২১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৯ জুন ২০২৬, ২৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
১০০ কোটির প্রথম নায়িকা, বিয়ের পরই রুপালি পর্দা থেকে বিদায়, এখন কোথায় আসিন? টসে হেরে ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশ, ১৫ বছর পর দেশের মাটিতে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজ শুরু ইসরায়েলকে সতর্ক করলেন ট্রাম্প: ইরানে হামলা হলে পাশে থাকবে না ওয়াশিংটন ফিলিপাইনে শক্তিশালী ভূমিকম্পে নিহত বেড়ে ৩৫, বাস্তুচ্যুত প্রায় ১০ হাজার পরিবার নতুন টোল বসানোর পরিকল্পনা: হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলতে যাচ্ছে ইরান-ওমান দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক ও বৈশ্বিক সহযোগিতা জোরদারে একমত বাংলাদেশ-রাশিয়া পুশইন বন্ধে ভারতকে ১৩টি চিঠি: সীমান্তে বাড়তি সতর্কতা, আজ দিল্লিতে বিজিবি-বিএসএফ বৈঠক ঈদযাত্রায় সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৪০২, দুর্ঘটনার শীর্ষে মোটরসাইকেল মতিঝিলে প্রকাশ্যে ব্যবসায়ীকে গুলি করে ১৭ হাজার ডলার ছিনতাই বাজেট অধিবেশন ৯ জুলাই পর্যন্ত চলবে, চারদিন দুই বেলা বসবে সংসদ

বাংলাদেশে খাদ্য ঘাটতি নেই: খাদ্যমন্ত্রী

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৭:৪৮:২৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ জুন ২০২৩ ২১১ বার পড়া হয়েছে

খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার : ছবি সংগ্রহ

ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক

বাংলাদেশে বর্তমানে খাদ্য ঘাটতি নেই বলে দাবি করেছেন খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার। সোমবার জাতীয় সংসদের প্রশ্নোত্তরে আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য আলী আজমের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ দাবি করেন।

সাধন চন্দ্র মজুমদার বলেন, বিবিএস গত ২০২১-২২ অর্থবছরে দুইশত ১ দশমিক ৮৬ লাখ মেট্রিক টন ধান, ত্রিশ দশমিক ১ লাখ মেট্রিক টন আউস ও একশত ৪৯ দশমিক ৫৮ লাখ মেট্রিক টন আমন চাল এবং দশ দশমিক ৮৬ লাখ মেট্রিক টন গম সর্বমোট তিনশত ৯২ দশমিক ৩১ লাখ মেট্রিক টন খাদ্যশস্য উৎপাদিত হয়েছে।

বিবিএস পরিচালিত (Household Income and Expenditure Survey (HIES 2022) অনুসারে মানুষের দৈনিক গড় খাদ্যশস্য গ্রহণের পরিমাণ ৩৫১ দশমিক ৮ গ্রাম (চাল ৩২৮ দশমিক ৯ গ্রাম এবং গম ২২ দশমিক ৯ গ্রাম)। সে হিসাবে ২০২১-২২ অর্থ বছরে দেশের মোট ১৬ কোটি ৯৮ লাখ ২০ হাজার হলে মোট খাদ্যশস্যের প্রয়োজন হয় ২১৭ দশমিক ৫৮ লাখ মেট্রিক টন (চাল ২০৩ দশমিক ৯৪ লাখ মেট্রিক টন এবং গম ১৩ দশমিক ৬৪ লাখ মেট্রিক টন) যা ২০২১-২২ অর্থবছরের খাদ্যশস্যের মোট উৎপাদনের চেয়ে কম।

বাংলাদেশের জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার ১ দশমিক ২২ বিবেচনায় ২০২৩ সালের ১ জানুয়ারিতে দেশের মোট জনসংখ্যা দাঁড়াবে ১৭১ দশমিক ৯০ মিলিয়ন (প্রাক্কলিত)। সে হিসাবে দেশে খাদ্যশস্যের মোট চাহিদা হবে ২২০ দশমিক ৭৩ লাখ মেট্রিক টন। ২০২২-২৩ অর্থ বছরে খাদ্যশস্য উৎপাদনের পূর্ববর্তী ধারা যদি বজায় থাকে তবুও দেশে খাদ্য ঘাটতির কোনও আশঙ্কা নাই।

এসময় খাদ্যমন্ত্রী আরও বলেন, ২০২২-২৩ অর্থ বছরে সরকারিভাবে ৬ দশমিক ৩৪ লাখ মেট্রিক টন চাল এবং ৬ দশমিক ৮০ লাখ মেট্রিক টন গম অর্থাৎ ১৩ দশমিক ১৪ লাখ মেট্রিক টন খাদ্যশস্য আমদানি হয়েছে। বেসরকারিভাবে ৪ দশমিক ২২ লাখ টন চাল এবং ২৭ দশমিক ২৪ লাখ মেট্রিক টন গম অর্থাৎ মোট ৩১ দশমিক ৪৬ লাখ মেট্রিক টন খাদ্যশস্য আমদানি করা হয়েছে।

খাদ্য অধিদফতরের তথ্যমতে বর্তমানে (৪ জুন পর্যন্ত) সরকারি খাদ্যশস্য মজুত রয়েছে ১৭ দশমিক ৪৪ লাখ মেট্রিক টন (১৩ দশমিক ৮৩ লাখ মেট্রিক টন চাল এবং ৩ দশমিক ৬১ লাখ মেট্রিক টন গম)।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

বাংলাদেশে খাদ্য ঘাটতি নেই: খাদ্যমন্ত্রী

আপডেট সময় : ০৭:৪৮:২৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ জুন ২০২৩

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক

বাংলাদেশে বর্তমানে খাদ্য ঘাটতি নেই বলে দাবি করেছেন খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার। সোমবার জাতীয় সংসদের প্রশ্নোত্তরে আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য আলী আজমের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ দাবি করেন।

সাধন চন্দ্র মজুমদার বলেন, বিবিএস গত ২০২১-২২ অর্থবছরে দুইশত ১ দশমিক ৮৬ লাখ মেট্রিক টন ধান, ত্রিশ দশমিক ১ লাখ মেট্রিক টন আউস ও একশত ৪৯ দশমিক ৫৮ লাখ মেট্রিক টন আমন চাল এবং দশ দশমিক ৮৬ লাখ মেট্রিক টন গম সর্বমোট তিনশত ৯২ দশমিক ৩১ লাখ মেট্রিক টন খাদ্যশস্য উৎপাদিত হয়েছে।

বিবিএস পরিচালিত (Household Income and Expenditure Survey (HIES 2022) অনুসারে মানুষের দৈনিক গড় খাদ্যশস্য গ্রহণের পরিমাণ ৩৫১ দশমিক ৮ গ্রাম (চাল ৩২৮ দশমিক ৯ গ্রাম এবং গম ২২ দশমিক ৯ গ্রাম)। সে হিসাবে ২০২১-২২ অর্থ বছরে দেশের মোট ১৬ কোটি ৯৮ লাখ ২০ হাজার হলে মোট খাদ্যশস্যের প্রয়োজন হয় ২১৭ দশমিক ৫৮ লাখ মেট্রিক টন (চাল ২০৩ দশমিক ৯৪ লাখ মেট্রিক টন এবং গম ১৩ দশমিক ৬৪ লাখ মেট্রিক টন) যা ২০২১-২২ অর্থবছরের খাদ্যশস্যের মোট উৎপাদনের চেয়ে কম।

বাংলাদেশের জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার ১ দশমিক ২২ বিবেচনায় ২০২৩ সালের ১ জানুয়ারিতে দেশের মোট জনসংখ্যা দাঁড়াবে ১৭১ দশমিক ৯০ মিলিয়ন (প্রাক্কলিত)। সে হিসাবে দেশে খাদ্যশস্যের মোট চাহিদা হবে ২২০ দশমিক ৭৩ লাখ মেট্রিক টন। ২০২২-২৩ অর্থ বছরে খাদ্যশস্য উৎপাদনের পূর্ববর্তী ধারা যদি বজায় থাকে তবুও দেশে খাদ্য ঘাটতির কোনও আশঙ্কা নাই।

এসময় খাদ্যমন্ত্রী আরও বলেন, ২০২২-২৩ অর্থ বছরে সরকারিভাবে ৬ দশমিক ৩৪ লাখ মেট্রিক টন চাল এবং ৬ দশমিক ৮০ লাখ মেট্রিক টন গম অর্থাৎ ১৩ দশমিক ১৪ লাখ মেট্রিক টন খাদ্যশস্য আমদানি হয়েছে। বেসরকারিভাবে ৪ দশমিক ২২ লাখ টন চাল এবং ২৭ দশমিক ২৪ লাখ মেট্রিক টন গম অর্থাৎ মোট ৩১ দশমিক ৪৬ লাখ মেট্রিক টন খাদ্যশস্য আমদানি করা হয়েছে।

খাদ্য অধিদফতরের তথ্যমতে বর্তমানে (৪ জুন পর্যন্ত) সরকারি খাদ্যশস্য মজুত রয়েছে ১৭ দশমিক ৪৪ লাখ মেট্রিক টন (১৩ দশমিক ৮৩ লাখ মেট্রিক টন চাল এবং ৩ দশমিক ৬১ লাখ মেট্রিক টন গম)।