ঢাকা ০৪:৫২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০১ জুন ২০২৬, ১৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
রোহিঙ্গাদের জন্য ২০ লাখ ইউরো সহায়তা দিচ্ছে ফিনল্যান্ড মায়ের টানে ৭৮ তলা সমান গভীর গুহা থেকে অলৌকিক ফেরা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান: সামনে কঠিন সময়, দায়িত্বশীল না হলে দেশের ক্ষতি হবে সমঝোতা না হলে ইরানে আবারও হামলার হুঁশিয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের দেশ গঠনে নাগরিক দায়িত্ব আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর ঈদের টানা সাতদিনের ছুটি শেষে সোমবার খুলছে অফিস-আদালত ঢাকায় পশু কোরবানি ৭লাখ: সাভার ট্যানারী পল্লীতে চামড়া  ঢুকেছে সোয়া ৫ লাখ প্রথম ফিরতি ফ্লাইটে  ৪১৯ জন হজযাত্রী ঢাকায় পৌঁছেছেন চামড়া: অর্থনীতিতে আয়ের উৎস, সেই মূল্যবান সম্পদের এমন অর্থহীন পরিণতি! সড়ক নয়, যেন মৃত্যুর উপত্যকা! লোবানের গন্ধে ফিকে ঈদের আনন্দ

বসুন্ধরায় ষড়যন্ত্রমূলক বৈঠক নিয়ে তদন্ত করছে পুলিশ, গ্রেফতার ২২

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৭:৫৭:৪৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১ অগাস্ট ২০২৫ ২২১ বার পড়া হয়েছে

বসুন্ধরায় ষড়যন্ত্রমূলক বৈঠক নিয়ে তদন্ত করছে পুলিশ, গ্রেফতার ২২

ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ঢাকা মহানগর পুলিশের গণমাধ্যম ও জনসংযোগ বিভাগের উপকমিশনার মুহাম্মদ তালেবুর রহমান বলেছেন, ঢাকার বসুন্ধরা এলাকায় ষড়যন্ত্রমূলক বৈঠকের রহস্য উদঘাটন এবং পেছনে জড়িতদের বের করতে গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করা হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, গত ৮ জুলাই বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা সংলগ্ন একটি কনভেনশন সেন্টারে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের কয়েকশ কর্মীর গোপন বৈঠকের ঘটনায় জড়িত থাকার অপরাধে ইতোমধ্যে ২২ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

আমরা বিষয়টা অত্যন্ত গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করছে পুলিশ। এ ঘটনার অন্য কোনো দিক আছে কি না, এর প্রকৃত রহস্য কী এবং কারা কারা এর পেছনে দায়ী, সেগুলো শিগগিরই উন্মোচন করা হবে।

মেজর সাদিকুল হক নামের এক সেনা কর্মকর্তার বৈঠকে অংশ নেওয়ার অভিযোগ ওঠায় তাকে হেফাজতে নিয়েছে সেনাবাহিনী। তার বিরুদ্ধে রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে সেনাবাহিনীর তদন্ত আদালত গঠনেরও খবর এসেছে।

আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে শুক্রবার বিকেলে ডিএমপির সংবাদ সম্মেলনে এ বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের মুখোমুখি হন ঢাকা মহানগর পুলিশের গণমাধ্যম ও জনসংযোগ বিভাগের উপকমিশনার মুহাম্মদ তালেবুর রহমান।

অন্তর্বর্তী সরকারের বর্ষপূর্তি উপলক্ষে ৮ অগাস্ট ঘিরে নানা হুমকির কথা সোশাল মিডিয়ায় ভাসলেও নিরাপত্তা নিয়ে কোনো ধরনের শঙ্কা নেই বলে জানায় এই কর্মকর্তা।

তালেবুর রহমান বলেন, গত ৮ জুলাই বসুন্ধরা এলাকায় কে বি কনভেনশন হলে বৈঠক নিয়ে আমাদের কাছে তথ্য ছিল। কনভেনশন হলটি ভাড়া নেন শামীমা নাসরিন শম্পা নামে একজন। সে সময় তিনি বিদেশে লোক পাঠানোর নাম করে একটি প্রতিষ্ঠানের নাম ব্যবহার করেছিলেন।

সেখানে ষড়যন্ত্রমূলকভাবে লোকজনকে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল, যার প্রেক্ষিতে গত ১৩ জুলাই ভাটারা থানায় একটি মামলা করা হয়।

ভাটারা থানায় পুলিশের দায়ের করা মামলায় বলা হয়, গত ৮ জুলাই বসুন্ধরাসংলগ্ন কে বি কনভেনশন সেন্টারে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ গোপন বৈঠকের আয়োজন করে। দিনভর বৈঠকে ছাত্রলীগ, আওয়ামী লীগ ও অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মচারীরা মিলে অংশ নেন তিন থেকে চারশ জন । সেখানে তারা সরকারবিরোধী স্লোগান দেন।

মামলার এজাহারে বলা হয়, ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশ পেলে সারা দেশ থেকে ঢাকায় লোক জড়ো করা, শাহবাগ মোড় দখল করে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টি করা, মানুষের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি করে শেখ হাসিনার দেশে ফেরা নিশ্চিত করার মত পরিকল্পনা করা হয় সেখানে।

বৈঠক এবং ৮ অগাস্ট ঘিরে সামাজিক মাধ্যমে নানা হুমকির আলোচনা নিয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে তালেবুর রহমান বলেন, আমরা গত একটা বছরে বিভিন্ন সময় দেখেছি, নানা সময়ে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি বিনষ্ট করার জন্য পরিকল্পিতভাবে কার্যক্রম অনেকেই করেছে। এরই প্রেক্ষিতে আমরা সজাগ রয়েছি।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

বসুন্ধরায় ষড়যন্ত্রমূলক বৈঠক নিয়ে তদন্ত করছে পুলিশ, গ্রেফতার ২২

আপডেট সময় : ০৭:৫৭:৪৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১ অগাস্ট ২০২৫

ঢাকা মহানগর পুলিশের গণমাধ্যম ও জনসংযোগ বিভাগের উপকমিশনার মুহাম্মদ তালেবুর রহমান বলেছেন, ঢাকার বসুন্ধরা এলাকায় ষড়যন্ত্রমূলক বৈঠকের রহস্য উদঘাটন এবং পেছনে জড়িতদের বের করতে গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করা হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, গত ৮ জুলাই বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা সংলগ্ন একটি কনভেনশন সেন্টারে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের কয়েকশ কর্মীর গোপন বৈঠকের ঘটনায় জড়িত থাকার অপরাধে ইতোমধ্যে ২২ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

আমরা বিষয়টা অত্যন্ত গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করছে পুলিশ। এ ঘটনার অন্য কোনো দিক আছে কি না, এর প্রকৃত রহস্য কী এবং কারা কারা এর পেছনে দায়ী, সেগুলো শিগগিরই উন্মোচন করা হবে।

মেজর সাদিকুল হক নামের এক সেনা কর্মকর্তার বৈঠকে অংশ নেওয়ার অভিযোগ ওঠায় তাকে হেফাজতে নিয়েছে সেনাবাহিনী। তার বিরুদ্ধে রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে সেনাবাহিনীর তদন্ত আদালত গঠনেরও খবর এসেছে।

আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে শুক্রবার বিকেলে ডিএমপির সংবাদ সম্মেলনে এ বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের মুখোমুখি হন ঢাকা মহানগর পুলিশের গণমাধ্যম ও জনসংযোগ বিভাগের উপকমিশনার মুহাম্মদ তালেবুর রহমান।

অন্তর্বর্তী সরকারের বর্ষপূর্তি উপলক্ষে ৮ অগাস্ট ঘিরে নানা হুমকির কথা সোশাল মিডিয়ায় ভাসলেও নিরাপত্তা নিয়ে কোনো ধরনের শঙ্কা নেই বলে জানায় এই কর্মকর্তা।

তালেবুর রহমান বলেন, গত ৮ জুলাই বসুন্ধরা এলাকায় কে বি কনভেনশন হলে বৈঠক নিয়ে আমাদের কাছে তথ্য ছিল। কনভেনশন হলটি ভাড়া নেন শামীমা নাসরিন শম্পা নামে একজন। সে সময় তিনি বিদেশে লোক পাঠানোর নাম করে একটি প্রতিষ্ঠানের নাম ব্যবহার করেছিলেন।

সেখানে ষড়যন্ত্রমূলকভাবে লোকজনকে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল, যার প্রেক্ষিতে গত ১৩ জুলাই ভাটারা থানায় একটি মামলা করা হয়।

ভাটারা থানায় পুলিশের দায়ের করা মামলায় বলা হয়, গত ৮ জুলাই বসুন্ধরাসংলগ্ন কে বি কনভেনশন সেন্টারে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ গোপন বৈঠকের আয়োজন করে। দিনভর বৈঠকে ছাত্রলীগ, আওয়ামী লীগ ও অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মচারীরা মিলে অংশ নেন তিন থেকে চারশ জন । সেখানে তারা সরকারবিরোধী স্লোগান দেন।

মামলার এজাহারে বলা হয়, ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশ পেলে সারা দেশ থেকে ঢাকায় লোক জড়ো করা, শাহবাগ মোড় দখল করে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টি করা, মানুষের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি করে শেখ হাসিনার দেশে ফেরা নিশ্চিত করার মত পরিকল্পনা করা হয় সেখানে।

বৈঠক এবং ৮ অগাস্ট ঘিরে সামাজিক মাধ্যমে নানা হুমকির আলোচনা নিয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে তালেবুর রহমান বলেন, আমরা গত একটা বছরে বিভিন্ন সময় দেখেছি, নানা সময়ে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি বিনষ্ট করার জন্য পরিকল্পিতভাবে কার্যক্রম অনেকেই করেছে। এরই প্রেক্ষিতে আমরা সজাগ রয়েছি।