ঢাকা ০৩:১২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২১ মে ২০২৬, ৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
তৈরি হচ্ছে ‘সুপার এল নিনো’, বিশ্বজুড়ে রেকর্ড তাপমাত্রা ও মানবিক বিপর্যয়ের আশঙ্কা প্রাকৃতিক উপায়ে উৎপাদিত মাংস রপ্তানিতে নতুন ইতিহাস গড়তে যাচ্ছে বাংলাদেশ: মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী বলাৎকার ও আত্মহত্যায় প্ররোচণার: মাদ্রাসা শিক্ষককে গ্রেফতার, আরও ৪ শিশুকে বলাৎকারের অভিযোগ গ্রাহক পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম বাড়াতে বিইআরসির গণশুনানি শুরু অভ্যন্তরীণ নদী ব্যবস্থাপনায় গুরুত্ব দিতে চায় বাংলাদেশ কোরবানির বর্জ্য ৮ ঘণ্টার মধ্যেই অপসারণ করা হবে: ডিএসসিসি প্রশাসক আনসার বাহিনীকে আরও দক্ষ-গতিশীল করতে সুনির্দিষ্ট কর্মপরিকল্পনা: প্রধানমন্ত্রী পুঁজিবাজার, এনবিআর ও ব্যাংক খাত বিকেন্দ্রীভূত করা হবে: অর্থমন্ত্রী সেনা কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট তানজিম হত্যা, ৪ জনের মৃত্যুদণ্ড, ৯ জনের যাবজ্জীবন ২০০১-২০২৬ সাল পর্যন্ত ২৫ বছরে সীমান্তে সাতবার সংঘর্ষে জড়ায় বিজিবি-বিএসএফ

প্রাকৃতিক উপায়ে উৎপাদিত মাংস রপ্তানিতে নতুন ইতিহাস গড়তে যাচ্ছে বাংলাদেশ: মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ১২:৪৩:২১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২১ মে ২০২৬ ৫২ বার পড়া হয়েছে

প্রাকৃতিক উপায়ে উৎপাদিত মাংস রপ্তানিতে নতুন ইতিহাস গড়তে যাচ্ছে বাংলাদেশ: মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী

ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বাংলাদেশ আগামী তিন বছরের মধ্যে প্রাকৃতিক উপায়ে উৎপাদিত মাংস রপ্তানিতে নতুন  ইতিহাস গড়তে যাচ্ছে বাংলাদেশ।

বাংলাদেশ প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিএলআরআই) এবং চার্লস স্টার্ট বিশ্ববিদ্যালয়-এর যৌথ উদ্যোগে অনুষ্ঠিত  সেমিনারে এই সুখবর দেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ ও  কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ।

তিনি বলেন, কোনো ধরনের জিনেটিক পরিবর্তন ছাড়াই প্রাকৃতিক ও পুষ্টিসমৃদ্ধ ঘাস গবাদিপশুকে খাওয়ানোর মাধ্যমে উৎপাদিত মাংস আন্তর্জাতিক বাজারে রপ্তানির উপযোগী করা হবে।

এর ফলে দেশের প্রাণিসম্পদ খাতে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচিত হবে এবং বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের পাশাপাশি বাংলাদেশের সুনামও বিশ্ববাজারে বৃদ্ধি পাবে।

রাজধানীর স্থানীয় একটি তারকা হোটেলে-এ আয়োজিত অস্ট্রেলিয়া-বাংলাদেশ রিসার্চ শোকেস শীর্ষক এক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

অনুষ্ঠানে অস্ট্রেলিয়া সরকারের ডিপার্টমেন্ট অব ফরেন অ্যাফেয়ার্স অর্থায়ন করে। সেমিনারের মূল প্রতিপাদ্য ছিল “জলবায়ু সহনশীল খাদ্য ব্যবস্থা : ব্যবহারিক সমাধান ও অংশীদারিত্ব।

মন্ত্রী বলেন, বর্তমান বিশ্বে নিরাপদ ও পুষ্টিকর খাদ্যের চাহিদা দ্রুত বাড়ছে। বিশেষ করে অর্গানিক বা প্রাকৃতিক খাদ্যের প্রতি মানুষের আগ্রহ এখন আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি। তিনি উল্লেখ করেন, জেনেটিক্যালি মডিফায়েড খাদ্য প্রত্যাশিত কল্যাণ বয়ে আনতে পারেনি।

তাই গবেষণার মাধ্যমে এমন একটি নেপিয়ার ঘাস উদ্ভাবন করা হয়েছে, যাতে প্রায় ১৮ শতাংশ প্রোটিন রয়েছে। এই উচ্চ প্রোটিনসমৃদ্ধ ঘাস গবাদিপশুর পুষ্টি নিশ্চিত করবে এবং মাংসের গুণগত মান উন্নত করবে।

তিনি আরও বলেন, খরা-সহিষ্ণু ও উচ্চ পুষ্টিমানসম্পন্ন ঘাস উদ্ভাবন প্রাণিসম্পদ খাতে যুগান্তকারী পরিবর্তন আনতে পারে।

প্রাকৃতিক উপায়ে উৎপাদিত মাংস রপ্তানিতে নতুন ইতিহাস গড়তে যাচ্ছে বাংলাদেশ: মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী
বাংলাদেশে নিযুক্ত অস্ট্রেলিয়ার ডেপুটি হাই কমিশনার ক্লিনটন পবকি এবং প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মোঃ শাহজামান খানসহ উর্ধতন কর্মকতারা

এতে স্বল্প খরচে উন্নতমানের প্রাণিখাদ্য উৎপাদন সম্ভব হবে, যা মাংস উৎপাদনের খরচ কমাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। ফলস্বরূপ সাধারণ মানুষের জন্য মাংসের দাম তুলনামূলকভাবে সহনীয় পর্যায়ে রাখা সম্ভব হবে।

গবেষক ও বিজ্ঞানীদের উদ্দেশ্যে মন্ত্রী বলেন, দেশের উন্নয়ন ও মানুষের কল্যাণে স্বাধীনভাবে গবেষণা ও উদ্ভাবনী কার্যক্রম পরিচালনার সুযোগ সৃষ্টি করতে হবে।

তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন, বাংলাদেশের বিজ্ঞানীদের উদ্ভাবন আন্তর্জাতিক পর্যায়ে স্বীকৃতি পাবে এবং দেশের কৃষি ও প্রাণিসম্পদ খাতকে আরও সমৃদ্ধ করবে।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেন, গবাদিপশুর খাদ্য উৎপাদন ব্যয় কমাতে পারলে মাংস উৎপাদনের ব্যয়ও কমবে। এতে ভোক্তারা সাশ্রয়ী মূল্যে মাংস কিনতে পারবেন। তিনি গবেষণা ও প্রযুক্তিনির্ভর উদ্যোগের ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, কম খরচে উন্নতমানের ঘাস ও প্রাণিখাদ্য উৎপাদনের জন্য বিজ্ঞানভিত্তিক পরিকল্পনা প্রয়োজন।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিএলআরআই-এর মহাপরিচালক ড. শাকিলা ফারুক। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব মোঃ দেলোয়ার হোসেন, বাংলাদেশে নিযুক্ত অস্ট্রেলিয়ার ডেপুটি হাই কমিশনার ক্লিনটন পবকি এবং প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মোঃ শাহজামান খান।

প্রাকৃতিক উপায়ে উৎপাদিত মাংস রপ্তানিতে নতুন ইতিহাস গড়তে যাচ্ছে বাংলাদেশ:
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু

সেমিনারে পরিবেশবান্ধব ও স্বল্প ব্যয়ী গরুর মাংস উৎপাদন, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলা এবং টেকসই প্রাণিসম্পদ ব্যবস্থাপনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।

মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বিএলআরআই-এর ঊর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ও প্রকল্প সমন্বয়কারী ড. মোহাম্মদ খায়রুল বাশার। তিনি প্রাণিসম্পদ খাতে গ্রীনহাউস গ্যাস ও মিথেন নিঃসরণ কমানোর বিভিন্ন উপায় তুলে ধরেন।

গবেষকদের মতে, উন্নত খাদ্য ব্যবস্থাপনা, সবুজ ঘাস উৎপাদন বৃদ্ধি, বায়োগ্যাস প্রযুক্তির ব্যবহার এবং কার্বন ব্যালেন্সিং পদ্ধতির মাধ্যমে পরিবেশবান্ধব প্রাণিসম্পদ খাত গড়ে তোলা সম্ভব।

সেমিনারে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধি, গবেষক, শিক্ষাবিদ, নীতিনির্ধারক, উন্নয়ন সহযোগী এবং খামারিরা অংশ নেন।

সংশ্লিষ্টরা মনে করেন, জলবায়ু পরিবর্তনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় টেকসই ও স্বল্প ব্যয়ী প্রাণিসম্পদ উৎপাদন ব্যবস্থা গড়ে তুলতে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

বাংলাদেশের এই উদ্যোগ সফল হলে ভবিষ্যতে আন্তর্জাতিক বাজারে দেশীয় অর্গানিক মাংসের ব্যাপক চাহিদা তৈরি হবে এবং দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

প্রাকৃতিক উপায়ে উৎপাদিত মাংস রপ্তানিতে নতুন ইতিহাস গড়তে যাচ্ছে বাংলাদেশ: মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী

আপডেট সময় : ১২:৪৩:২১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২১ মে ২০২৬

বাংলাদেশ আগামী তিন বছরের মধ্যে প্রাকৃতিক উপায়ে উৎপাদিত মাংস রপ্তানিতে নতুন  ইতিহাস গড়তে যাচ্ছে বাংলাদেশ।

বাংলাদেশ প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিএলআরআই) এবং চার্লস স্টার্ট বিশ্ববিদ্যালয়-এর যৌথ উদ্যোগে অনুষ্ঠিত  সেমিনারে এই সুখবর দেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ ও  কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ।

তিনি বলেন, কোনো ধরনের জিনেটিক পরিবর্তন ছাড়াই প্রাকৃতিক ও পুষ্টিসমৃদ্ধ ঘাস গবাদিপশুকে খাওয়ানোর মাধ্যমে উৎপাদিত মাংস আন্তর্জাতিক বাজারে রপ্তানির উপযোগী করা হবে।

এর ফলে দেশের প্রাণিসম্পদ খাতে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচিত হবে এবং বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের পাশাপাশি বাংলাদেশের সুনামও বিশ্ববাজারে বৃদ্ধি পাবে।

রাজধানীর স্থানীয় একটি তারকা হোটেলে-এ আয়োজিত অস্ট্রেলিয়া-বাংলাদেশ রিসার্চ শোকেস শীর্ষক এক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

অনুষ্ঠানে অস্ট্রেলিয়া সরকারের ডিপার্টমেন্ট অব ফরেন অ্যাফেয়ার্স অর্থায়ন করে। সেমিনারের মূল প্রতিপাদ্য ছিল “জলবায়ু সহনশীল খাদ্য ব্যবস্থা : ব্যবহারিক সমাধান ও অংশীদারিত্ব।

মন্ত্রী বলেন, বর্তমান বিশ্বে নিরাপদ ও পুষ্টিকর খাদ্যের চাহিদা দ্রুত বাড়ছে। বিশেষ করে অর্গানিক বা প্রাকৃতিক খাদ্যের প্রতি মানুষের আগ্রহ এখন আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি। তিনি উল্লেখ করেন, জেনেটিক্যালি মডিফায়েড খাদ্য প্রত্যাশিত কল্যাণ বয়ে আনতে পারেনি।

তাই গবেষণার মাধ্যমে এমন একটি নেপিয়ার ঘাস উদ্ভাবন করা হয়েছে, যাতে প্রায় ১৮ শতাংশ প্রোটিন রয়েছে। এই উচ্চ প্রোটিনসমৃদ্ধ ঘাস গবাদিপশুর পুষ্টি নিশ্চিত করবে এবং মাংসের গুণগত মান উন্নত করবে।

তিনি আরও বলেন, খরা-সহিষ্ণু ও উচ্চ পুষ্টিমানসম্পন্ন ঘাস উদ্ভাবন প্রাণিসম্পদ খাতে যুগান্তকারী পরিবর্তন আনতে পারে।

প্রাকৃতিক উপায়ে উৎপাদিত মাংস রপ্তানিতে নতুন ইতিহাস গড়তে যাচ্ছে বাংলাদেশ: মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী
বাংলাদেশে নিযুক্ত অস্ট্রেলিয়ার ডেপুটি হাই কমিশনার ক্লিনটন পবকি এবং প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মোঃ শাহজামান খানসহ উর্ধতন কর্মকতারা

এতে স্বল্প খরচে উন্নতমানের প্রাণিখাদ্য উৎপাদন সম্ভব হবে, যা মাংস উৎপাদনের খরচ কমাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। ফলস্বরূপ সাধারণ মানুষের জন্য মাংসের দাম তুলনামূলকভাবে সহনীয় পর্যায়ে রাখা সম্ভব হবে।

গবেষক ও বিজ্ঞানীদের উদ্দেশ্যে মন্ত্রী বলেন, দেশের উন্নয়ন ও মানুষের কল্যাণে স্বাধীনভাবে গবেষণা ও উদ্ভাবনী কার্যক্রম পরিচালনার সুযোগ সৃষ্টি করতে হবে।

তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন, বাংলাদেশের বিজ্ঞানীদের উদ্ভাবন আন্তর্জাতিক পর্যায়ে স্বীকৃতি পাবে এবং দেশের কৃষি ও প্রাণিসম্পদ খাতকে আরও সমৃদ্ধ করবে।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেন, গবাদিপশুর খাদ্য উৎপাদন ব্যয় কমাতে পারলে মাংস উৎপাদনের ব্যয়ও কমবে। এতে ভোক্তারা সাশ্রয়ী মূল্যে মাংস কিনতে পারবেন। তিনি গবেষণা ও প্রযুক্তিনির্ভর উদ্যোগের ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, কম খরচে উন্নতমানের ঘাস ও প্রাণিখাদ্য উৎপাদনের জন্য বিজ্ঞানভিত্তিক পরিকল্পনা প্রয়োজন।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিএলআরআই-এর মহাপরিচালক ড. শাকিলা ফারুক। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব মোঃ দেলোয়ার হোসেন, বাংলাদেশে নিযুক্ত অস্ট্রেলিয়ার ডেপুটি হাই কমিশনার ক্লিনটন পবকি এবং প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মোঃ শাহজামান খান।

প্রাকৃতিক উপায়ে উৎপাদিত মাংস রপ্তানিতে নতুন ইতিহাস গড়তে যাচ্ছে বাংলাদেশ:
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু

সেমিনারে পরিবেশবান্ধব ও স্বল্প ব্যয়ী গরুর মাংস উৎপাদন, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলা এবং টেকসই প্রাণিসম্পদ ব্যবস্থাপনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।

মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বিএলআরআই-এর ঊর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ও প্রকল্প সমন্বয়কারী ড. মোহাম্মদ খায়রুল বাশার। তিনি প্রাণিসম্পদ খাতে গ্রীনহাউস গ্যাস ও মিথেন নিঃসরণ কমানোর বিভিন্ন উপায় তুলে ধরেন।

গবেষকদের মতে, উন্নত খাদ্য ব্যবস্থাপনা, সবুজ ঘাস উৎপাদন বৃদ্ধি, বায়োগ্যাস প্রযুক্তির ব্যবহার এবং কার্বন ব্যালেন্সিং পদ্ধতির মাধ্যমে পরিবেশবান্ধব প্রাণিসম্পদ খাত গড়ে তোলা সম্ভব।

সেমিনারে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধি, গবেষক, শিক্ষাবিদ, নীতিনির্ধারক, উন্নয়ন সহযোগী এবং খামারিরা অংশ নেন।

সংশ্লিষ্টরা মনে করেন, জলবায়ু পরিবর্তনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় টেকসই ও স্বল্প ব্যয়ী প্রাণিসম্পদ উৎপাদন ব্যবস্থা গড়ে তুলতে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

বাংলাদেশের এই উদ্যোগ সফল হলে ভবিষ্যতে আন্তর্জাতিক বাজারে দেশীয় অর্গানিক মাংসের ব্যাপক চাহিদা তৈরি হবে এবং দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে।