ঢাকা ১২:৫১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬, ১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
তারল্য  সকট মোকাবিলায় ২,৫০০ কোটি টাকার ঋণ দিল বাংলাদেশ ব্যাংক  অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহার রোধে সম্মিলিত উদ্যোগ জরুরি: মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী  দুবাইয়ে গ্রেপ্তার সাবেক আইজিপি বেনজীর প্রত্যর্পণ প্রক্রিয়া শুরু অভিনেত্রীর রহস্যজনক মৃত্যু হত্যার অভিযোগে স্বামী কারাগারে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান শান্তিচুক্তি, ঘোষণা পাকিস্তানের সমর্থক ভাইয়ারা না থাকলে ঘটনা অন্য রকম হয়ে যেতো: নাঈম হাসান আদ্-দ্বীনের কোটি টাকার চাপ উপেক্ষা করে লাইসেন্স বাতিল: স্বাস্থ্যমন্ত্রী গুণীজনদের জীবদ্দশায় সম্মান জানালে সমাজসেবায় উৎসাহ বাড়বে: কৃষিমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর কক্সবাজার সফর শনিবার, উন্নয়ন প্রত্যাশায় মুখিয়ে স্থানীয়রা যৌথ টহল ও গোয়েন্দা তথ্য বিনিময়ে সম্মত বিজিবি-বিএসএফ, নভেম্বরে ঢাকায় পরবর্তী বৈঠক

প্রবল বর্ষণে বন্যা মহারাষ্ট্রে মৃত বেড়ে ১১২

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৭:৫০:৪৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৪ জুলাই ২০২১ ৩২৬ বার পড়া হয়েছে
ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ভারি বৃষ্টিপাতে ব্যাহত হচ্ছে উদ্ধার কার্যক্রম

প্রবল বর্ষণে ভূমিধস ও বন্যায় মহারাষ্ট্রে মৃত বেড়ে ১১০। সাগরে নিম্নচাপের জেরে প্রবল বর্ষেণে এরই মধ্যে ভারতের রাজ্যটির শত শত গ্রাম প্লাবিত হয়ে পড়েছে। জোর তৎপরতা চালাচ্ছে

উদ্ধারকারীরা। এখনও বহু মানুষ নিখোঁজ রয়েছে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

জরুরি বৈঠক করেছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী উদ্ভব ঠাকরে। দুর্গত মানুষদের দ্রুত সহায়তা পাঠাতে নির্দেশ দিয়েছেন। যেসব বাঁধ উপচে পড়ছে সেগুলো খুলে দেওয়ার নির্দেশ দিয়ে দুর্গত মানুষদের

সরিয়ে নেওয়ার পরামর্শও দিয়েছেন তিনি।

মৌসুমি বৃষ্টিপাতে নাকাল ভারতের বেশ কয়েকটি রাজ্য। এরমধ্যে পশ্চিমাঞ্চলীয় মহারাষ্ট্রে টানা বৃষ্টিপাতে বন্যা দেখা দিয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন জলবায়ু পরিবর্তনের কারণেই ভারী বৃষ্টিপাতের

ঘটনা। শুক্রবার ভারতীয় আধিকারীকরা জানিয়েছেন, ভূমিধস ও বন্যায় বেশিরভাগ মৃত্যুই ঘটেছে মহারাষ্ট্রের দুইটি জেলায়।

ভারতের আর্থিক রাজধানী মুম্বাইয়ের দক্ষিণ-পূর্বের একটি ছোট গ্রামে ভূমিধসে নিহত হয়েছে ৩৮ জন। সেনাবাহিনী উদ্ধার তৎপরতায় সহায়তা করলেও কঠিন পরিস্থিতিতে তা ব্যাহত হচ্ছে। সূত্র বিবিসি।

দুর্গম এলাকায় উদ্ধার অভিযান চালাতে পাঠানো হয়েছে ভারতীয় নৌবাহিনী ও দুর্যোগ মোকাবিলা দল। সেতু ও মোবাইল টাওয়ার বিধ্বস্ত হয়ে যাওয়ায় সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে একটি উপকূলীয়

জেলা। আটকে পড়া বাসিন্দাদের শনাক্তের সুবিধার্থে বাড়ির ছাড়ে উঠে যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

অন্যদিকে উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগরে তৈরি হয়েছে নিম্নচাপ। যার জেরে শনিবার সারাদিন দক্ষিণবঙ্গের উপকূলবর্তী জেলায় ভারী বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনার কথা জানাল আবহাওয়া দফতর।

নিম্নচাপ ছাড়াও মৌসুমী অক্ষরেখা ঝাড়খণ্ড, ওড়িশা হয়ে বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে।
শনিবার সকাল থেকেই মুখভার কলকাতা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার আকাশের। বৃষ্টি হয়ে চলেছে

অবিরাম। কলকাতায় হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। আগামী সপ্তাহে রাজ্যে

বৃষ্টির পরিমাণ বাড়তে পারে ইঙ্গিত হাওয়া অফিসের। দক্ষিণবঙ্গের পাশাপাশি উত্তরবঙ্গেও ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে।

এদিকে শুক্রবার মুম্বাইয়ে একটি ভবন ধসে পড়ে দুই জন নিহত এবং আরও দশ জন আহত হয়েছে। বাতিল করা হয়েছে ট্রেন যাত্রা। শহরের নিম্নাঞ্চল বন্যা কবলিত এলাকায় পরিণত হয়েছে।

আবহাওয়াবিদরা জানিয়েছেন আগামী পাঁচদিন ভারি বৃষ্টি অব্যাহত থাকবে। মুম্বাইয়ে ভারি বৃষ্টিপাত অস্বাভাবিক নয়। মৌসুমি বৃষ্টিপাতের সময় শহরটিতে প্রতিবছরই বন্যা হয়। তবে বিগত

কয়েক বছরে বৃষ্টিপাতের পরিমাণ বেড়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

প্রবল বর্ষণে বন্যা মহারাষ্ট্রে মৃত বেড়ে ১১২

আপডেট সময় : ০৭:৫০:৪৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৪ জুলাই ২০২১

ভারি বৃষ্টিপাতে ব্যাহত হচ্ছে উদ্ধার কার্যক্রম

প্রবল বর্ষণে ভূমিধস ও বন্যায় মহারাষ্ট্রে মৃত বেড়ে ১১০। সাগরে নিম্নচাপের জেরে প্রবল বর্ষেণে এরই মধ্যে ভারতের রাজ্যটির শত শত গ্রাম প্লাবিত হয়ে পড়েছে। জোর তৎপরতা চালাচ্ছে

উদ্ধারকারীরা। এখনও বহু মানুষ নিখোঁজ রয়েছে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

জরুরি বৈঠক করেছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী উদ্ভব ঠাকরে। দুর্গত মানুষদের দ্রুত সহায়তা পাঠাতে নির্দেশ দিয়েছেন। যেসব বাঁধ উপচে পড়ছে সেগুলো খুলে দেওয়ার নির্দেশ দিয়ে দুর্গত মানুষদের

সরিয়ে নেওয়ার পরামর্শও দিয়েছেন তিনি।

মৌসুমি বৃষ্টিপাতে নাকাল ভারতের বেশ কয়েকটি রাজ্য। এরমধ্যে পশ্চিমাঞ্চলীয় মহারাষ্ট্রে টানা বৃষ্টিপাতে বন্যা দেখা দিয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন জলবায়ু পরিবর্তনের কারণেই ভারী বৃষ্টিপাতের

ঘটনা। শুক্রবার ভারতীয় আধিকারীকরা জানিয়েছেন, ভূমিধস ও বন্যায় বেশিরভাগ মৃত্যুই ঘটেছে মহারাষ্ট্রের দুইটি জেলায়।

ভারতের আর্থিক রাজধানী মুম্বাইয়ের দক্ষিণ-পূর্বের একটি ছোট গ্রামে ভূমিধসে নিহত হয়েছে ৩৮ জন। সেনাবাহিনী উদ্ধার তৎপরতায় সহায়তা করলেও কঠিন পরিস্থিতিতে তা ব্যাহত হচ্ছে। সূত্র বিবিসি।

দুর্গম এলাকায় উদ্ধার অভিযান চালাতে পাঠানো হয়েছে ভারতীয় নৌবাহিনী ও দুর্যোগ মোকাবিলা দল। সেতু ও মোবাইল টাওয়ার বিধ্বস্ত হয়ে যাওয়ায় সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে একটি উপকূলীয়

জেলা। আটকে পড়া বাসিন্দাদের শনাক্তের সুবিধার্থে বাড়ির ছাড়ে উঠে যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

অন্যদিকে উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগরে তৈরি হয়েছে নিম্নচাপ। যার জেরে শনিবার সারাদিন দক্ষিণবঙ্গের উপকূলবর্তী জেলায় ভারী বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনার কথা জানাল আবহাওয়া দফতর।

নিম্নচাপ ছাড়াও মৌসুমী অক্ষরেখা ঝাড়খণ্ড, ওড়িশা হয়ে বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে।
শনিবার সকাল থেকেই মুখভার কলকাতা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার আকাশের। বৃষ্টি হয়ে চলেছে

অবিরাম। কলকাতায় হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। আগামী সপ্তাহে রাজ্যে

বৃষ্টির পরিমাণ বাড়তে পারে ইঙ্গিত হাওয়া অফিসের। দক্ষিণবঙ্গের পাশাপাশি উত্তরবঙ্গেও ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে।

এদিকে শুক্রবার মুম্বাইয়ে একটি ভবন ধসে পড়ে দুই জন নিহত এবং আরও দশ জন আহত হয়েছে। বাতিল করা হয়েছে ট্রেন যাত্রা। শহরের নিম্নাঞ্চল বন্যা কবলিত এলাকায় পরিণত হয়েছে।

আবহাওয়াবিদরা জানিয়েছেন আগামী পাঁচদিন ভারি বৃষ্টি অব্যাহত থাকবে। মুম্বাইয়ে ভারি বৃষ্টিপাত অস্বাভাবিক নয়। মৌসুমি বৃষ্টিপাতের সময় শহরটিতে প্রতিবছরই বন্যা হয়। তবে বিগত

কয়েক বছরে বৃষ্টিপাতের পরিমাণ বেড়েছে।