ঢাকা ১০:০২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৯ জুন ২০২৬, ২৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ঈদযাত্রায় সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৪০২, দুর্ঘটনার শীর্ষে মোটরসাইকেল মতিঝিলে প্রকাশ্যে ব্যবসায়ীকে গুলি করে ১৭ হাজার ডলার ছিনতাই বাজেট অধিবেশন ৯ জুলাই পর্যন্ত চলবে, চারদিন দুই বেলা বসবে সংসদ সন্তানহারা পরিবারকে ৮০ লাখ টাকা: প্রশাসনিক তৎপরতায় দায় স্বীকারে বাধ্য আদ-দ্বীন রামিসা হত্যা মামলার রায়, ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় রাষ্ট্রের দৃঢ় অবস্থান বজ্রপাত দেশের বিভিন্ন জেলায় ১১ জনের প্রাণহানি এটি বাংলাদেশের ও গণতন্ত্রের জয় সভাপতি নির্বাচিত হয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ব্যস্ত হওয়ার কিছু নেই, জাতিসংঘের সভাপতি পদে জয়ী হয়ে আশ্বস্ত করলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাদি হত্যাকাণ্ড নিয়ে বক্তব্যের জেরে পশ্চিমবঙ্গের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মমতার বিরুদ্ধে মামলা আদ-দ্বীনে  ৬ নবজাতকের মৃত্যু: হাসপাতালের অবহেলার প্রমাণ পেয়েছে তদন্ত কমিটি

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানিয়ে চিঠি যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প-এর

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৫:৩৫:৩১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ ৬৪ বার পড়া হয়েছে

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানিয়ে চিঠি যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প-এর

ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানিয়ে চিঠি দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। চিঠিটি পাঠানো হয়েছে হোয়াইট হাউস থেকে এবং পরে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক্স (সাবেক টুইটার) অ্যাকাউন্টে প্রকাশ করা হয়।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে পাঠানো অভিনন্দনবার্তায় দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নেওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। হোয়াইট হাউস থেকে পাঠানো এ চিঠিতে তিনি বাংলাদেশের সাম্প্রতিক নির্বাচনকে “ঐতিহাসিক” আখ্যা দিয়ে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তারেক রহমানের সাফল্য কামনা করেন এবং দুই দেশের কৌশলগত অংশীদারত্ব আরও জোরদারের প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।

চিঠিতে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প উল্লেখ করেন, যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশের সম্পর্ক পারস্পরিক শ্রদ্ধা, গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ এবং একটি মুক্ত ও অবাধ ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চল গঠনের অভিন্ন অঙ্গীকারের ওপর ভিত্তি করে প্রতিষ্ঠিত। তিনি বলেন, দক্ষিণ এশিয়ায় স্থিতিশীলতা, আঞ্চলিক সংযোগ বৃদ্ধি এবং অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি নিশ্চিত করতে বাংলাদেশের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ; এই প্রেক্ষাপটে ওয়াশিংটন ঢাকার সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করতে আগ্রহী।

বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক সহযোগিতার প্রসঙ্গে ট্রাম্প পারস্পরিক বাণিজ্য চুক্তি বাস্তবায়নের ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন। তার ভাষায়, এ ধরনের উদ্যোগ দুই দেশের কৃষক, শ্রমিক ও ব্যবসায়ীদের জন্য নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মুক্ত করবে। যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান রপ্তানি গন্তব্য হওয়ায় দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য সম্প্রসারণ, বিনিয়োগ বৃদ্ধি এবং সরবরাহ শৃঙ্খলে অংশীদারত্ব গভীর করার সুযোগ রয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তা সহযোগিতার ক্ষেত্রেও অগ্রগতির প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। তিনি বলেন, নিয়মিত প্রতিরক্ষা চুক্তিগুলো দ্রুত সম্পন্ন হলে বাংলাদেশের সশস্ত্র বাহিনী আধুনিক প্রযুক্তি ও সক্ষমতা অর্জনের সুযোগ পাবে, যা আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও সামুদ্রিক স্থিতিশীলতা রক্ষায় সহায়ক হবে।

চিঠিতে বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেনের প্রতি পূর্ণ আস্থার কথা জানিয়ে ট্রাম্প বলেন, ঢাকার সঙ্গে সমন্বিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে উভয় দেশ আরও সমৃদ্ধ ও নিরাপদ ভবিষ্যৎ নির্মাণ করতে পারবে।

পর্যবেক্ষকদের মতে, এ অভিনন্দনবার্তা কেবল আনুষ্ঠানিক শুভেচ্ছা নয়; বরং এটি বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্ককে কৌশলগত, অর্থনৈতিক ও প্রতিরক্ষা সহযোগিতার নতুন কাঠামোয় এগিয়ে নেওয়ার এক ইতিবাচক ইঙ্গিত।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানিয়ে চিঠি যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প-এর

আপডেট সময় : ০৫:৩৫:৩১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানিয়ে চিঠি দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। চিঠিটি পাঠানো হয়েছে হোয়াইট হাউস থেকে এবং পরে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক্স (সাবেক টুইটার) অ্যাকাউন্টে প্রকাশ করা হয়।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে পাঠানো অভিনন্দনবার্তায় দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নেওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। হোয়াইট হাউস থেকে পাঠানো এ চিঠিতে তিনি বাংলাদেশের সাম্প্রতিক নির্বাচনকে “ঐতিহাসিক” আখ্যা দিয়ে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তারেক রহমানের সাফল্য কামনা করেন এবং দুই দেশের কৌশলগত অংশীদারত্ব আরও জোরদারের প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।

চিঠিতে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প উল্লেখ করেন, যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশের সম্পর্ক পারস্পরিক শ্রদ্ধা, গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ এবং একটি মুক্ত ও অবাধ ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চল গঠনের অভিন্ন অঙ্গীকারের ওপর ভিত্তি করে প্রতিষ্ঠিত। তিনি বলেন, দক্ষিণ এশিয়ায় স্থিতিশীলতা, আঞ্চলিক সংযোগ বৃদ্ধি এবং অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি নিশ্চিত করতে বাংলাদেশের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ; এই প্রেক্ষাপটে ওয়াশিংটন ঢাকার সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করতে আগ্রহী।

বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক সহযোগিতার প্রসঙ্গে ট্রাম্প পারস্পরিক বাণিজ্য চুক্তি বাস্তবায়নের ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন। তার ভাষায়, এ ধরনের উদ্যোগ দুই দেশের কৃষক, শ্রমিক ও ব্যবসায়ীদের জন্য নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মুক্ত করবে। যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান রপ্তানি গন্তব্য হওয়ায় দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য সম্প্রসারণ, বিনিয়োগ বৃদ্ধি এবং সরবরাহ শৃঙ্খলে অংশীদারত্ব গভীর করার সুযোগ রয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তা সহযোগিতার ক্ষেত্রেও অগ্রগতির প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। তিনি বলেন, নিয়মিত প্রতিরক্ষা চুক্তিগুলো দ্রুত সম্পন্ন হলে বাংলাদেশের সশস্ত্র বাহিনী আধুনিক প্রযুক্তি ও সক্ষমতা অর্জনের সুযোগ পাবে, যা আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও সামুদ্রিক স্থিতিশীলতা রক্ষায় সহায়ক হবে।

চিঠিতে বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেনের প্রতি পূর্ণ আস্থার কথা জানিয়ে ট্রাম্প বলেন, ঢাকার সঙ্গে সমন্বিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে উভয় দেশ আরও সমৃদ্ধ ও নিরাপদ ভবিষ্যৎ নির্মাণ করতে পারবে।

পর্যবেক্ষকদের মতে, এ অভিনন্দনবার্তা কেবল আনুষ্ঠানিক শুভেচ্ছা নয়; বরং এটি বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্ককে কৌশলগত, অর্থনৈতিক ও প্রতিরক্ষা সহযোগিতার নতুন কাঠামোয় এগিয়ে নেওয়ার এক ইতিবাচক ইঙ্গিত।