ঢাকা ০৯:৫৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬, ১২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
এলএনজি টার্মিনাল সচলে আরও পাঁচ দিন দেশজুড়ে গ্যাস সংকট তীব্র, বাসা-বাড়ি, শিল্প ও যানবাহনে চরম ভোগান্তি পরিবেশের মারাত্মক প্রভাবে হুমকির মুখে সুন্দরবন সশস্ত্র বাহিনীকে দলীয় হাতিয়ার হতে দেওয়া হবে না বিশ্ব ঐতিহ্যের তালিকায় স্থান ভারতের ঐতিহাসিক বৌদ্ধ তীর্থস্থান সারনাথ স্বামীর নির্যাতন বরিশালে আওয়ামী লীগ নেত্রীর আত্মহত্যা রোববার বঙ্গভবন ছাড়ছেন সদ্যবিদায়ি রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন সংবিধানের ৫৪ অনুচ্ছেদ মেনে রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব গ্রহণ করেছি: স্পিকার রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন তাঁর পদত্যাগপত্রে যা লিখেন রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের গুঞ্জন আপনারা যেমন শুনেছেন, আমিও তেমনই শুনেছি  স্পিকার রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন পদত্যাগ করতে যাচ্ছেন, জোরালো হচ্ছে রাজনৈতিক আলোচনা

পায়ে হেঁটে সমুদ্র থেকে এভারেস্ট কৃষকের ছেলের বিস্ময়কর কীর্তি

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৭:০৫:১২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১ এপ্রিল ২০২৬ ৯৮ বার পড়া হয়েছে

পায়ে হেঁটে সমুদ্র থেকে এভারেস্ট কৃষকের ছেলের বিস্ময়কর কীর্তি: ছবি আনিসুল হকের ফেসবুক থেকে

ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বাংলাদেশের এক কৃষক পরিবারের সন্তান ইকরামুল হাসান শাকিল অসাধারণ এক কীর্তি গড়ে বিশ্বজুড়ে আলোচনায় এসেছেন। নিজেরসি টু সামিটঅভিযানে তিনি কক্সবাজারের ইনানী সৈকত থেকে পায়ে হেঁটে শুরু করে পৃথিবীর সর্বোচ্চ শৃঙ্গ মাউন্ট এভারেস্ট জয় করেছেন।

২০২৫ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি তাঁর যাত্রা শুরু হয়। ইনানী সৈকত থেকে হেঁটে তিনি চট্টগ্রাম, কুমিল্লা, ঢাকা, সিরাজগঞ্জ পঞ্চগড় অতিক্রম করে ভারত হয়ে নেপালে প্রবেশ করেন। দীর্ঘ ,৪০০ কিলোমিটার পথ অতিক্রম করে ২৯ এপ্রিল পৌঁছান এভারেস্ট বেজক্যাম্পে।

পায়ে হেঁটে সমুদ্র থেকে এভারেস্ট কৃষকের ছেলের বিস্ময়কর কীর্তি
পায়ে হেঁটে সমুদ্র থেকে এভারেস্ট কৃষকের ছেলের বিস্ময়কর কীর্তি: ছবি সংগ্রহ

এরপর ধাপে ধাপে অভিযানের প্রস্তুতি নিয়ে ১৬ মে চূড়ান্ত আরোহন শুরু করেন। অবশেষে ১৯ মে দুপুর ২টা ১০ মিনিটে তিনি এভারেস্টের চূড়ায় পৌঁছান এবং নিরাপদে ফিরে আসেন।

এর আগে ২০২৩ সালে তিনি ,৭০০ কিলোমিটার দীর্ঘগ্রেট হিমালয়া ট্রেইলহেঁটে পাড়ি দিয়ে আলোচনায় আসেন। তাঁর এই অসাধারণ সাফল্য নিয়ে বিশিষ্ট লেখক আনিসুল হক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রশংসা করে লিখেছেন, এক কৃষকের ছেলের এমন অর্জন সত্যিই বিস্ময়কর।

পায়ে হেঁটে সমুদ্র থেকে এভারেস্ট কৃষকের ছেলের বিস্ময়কর কীর্তি
শাকিল

ইকরামুল তাঁর এই অভিযানের নাম দিয়েছেনসি টু সামিট’, যার অর্থ সমুদ্র থেকে শৃঙ্গ। এটি অনুপ্রাণিত ১৯৯০ সালে অস্ট্রেলীয় অভিযাত্রী টিম ম্যাকার্টনিস্নেপএর একই ধরনের অভিযাত্রা থেকে।

এর আগে তিনি ভারতের নেহরু ইনস্টিটিউট অব মাউন্টেনিয়ারিং থেকে প্রশিক্ষণ নিয়ে হিমালয়ের কেয়াজোরি, দ্রৌপদী কা ডান্ডা, হিমলুং ডোলমা খাং শৃঙ্গ জয় করেছেন। তাঁর এই অর্জন নতুন প্রজন্মের জন্য অনুপ্রেরণার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

পায়ে হেঁটে সমুদ্র থেকে এভারেস্ট কৃষকের ছেলের বিস্ময়কর কীর্তি

আপডেট সময় : ০৭:০৫:১২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১ এপ্রিল ২০২৬

বাংলাদেশের এক কৃষক পরিবারের সন্তান ইকরামুল হাসান শাকিল অসাধারণ এক কীর্তি গড়ে বিশ্বজুড়ে আলোচনায় এসেছেন। নিজেরসি টু সামিটঅভিযানে তিনি কক্সবাজারের ইনানী সৈকত থেকে পায়ে হেঁটে শুরু করে পৃথিবীর সর্বোচ্চ শৃঙ্গ মাউন্ট এভারেস্ট জয় করেছেন।

২০২৫ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি তাঁর যাত্রা শুরু হয়। ইনানী সৈকত থেকে হেঁটে তিনি চট্টগ্রাম, কুমিল্লা, ঢাকা, সিরাজগঞ্জ পঞ্চগড় অতিক্রম করে ভারত হয়ে নেপালে প্রবেশ করেন। দীর্ঘ ,৪০০ কিলোমিটার পথ অতিক্রম করে ২৯ এপ্রিল পৌঁছান এভারেস্ট বেজক্যাম্পে।

পায়ে হেঁটে সমুদ্র থেকে এভারেস্ট কৃষকের ছেলের বিস্ময়কর কীর্তি
পায়ে হেঁটে সমুদ্র থেকে এভারেস্ট কৃষকের ছেলের বিস্ময়কর কীর্তি: ছবি সংগ্রহ

এরপর ধাপে ধাপে অভিযানের প্রস্তুতি নিয়ে ১৬ মে চূড়ান্ত আরোহন শুরু করেন। অবশেষে ১৯ মে দুপুর ২টা ১০ মিনিটে তিনি এভারেস্টের চূড়ায় পৌঁছান এবং নিরাপদে ফিরে আসেন।

এর আগে ২০২৩ সালে তিনি ,৭০০ কিলোমিটার দীর্ঘগ্রেট হিমালয়া ট্রেইলহেঁটে পাড়ি দিয়ে আলোচনায় আসেন। তাঁর এই অসাধারণ সাফল্য নিয়ে বিশিষ্ট লেখক আনিসুল হক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রশংসা করে লিখেছেন, এক কৃষকের ছেলের এমন অর্জন সত্যিই বিস্ময়কর।

পায়ে হেঁটে সমুদ্র থেকে এভারেস্ট কৃষকের ছেলের বিস্ময়কর কীর্তি
শাকিল

ইকরামুল তাঁর এই অভিযানের নাম দিয়েছেনসি টু সামিট’, যার অর্থ সমুদ্র থেকে শৃঙ্গ। এটি অনুপ্রাণিত ১৯৯০ সালে অস্ট্রেলীয় অভিযাত্রী টিম ম্যাকার্টনিস্নেপএর একই ধরনের অভিযাত্রা থেকে।

এর আগে তিনি ভারতের নেহরু ইনস্টিটিউট অব মাউন্টেনিয়ারিং থেকে প্রশিক্ষণ নিয়ে হিমালয়ের কেয়াজোরি, দ্রৌপদী কা ডান্ডা, হিমলুং ডোলমা খাং শৃঙ্গ জয় করেছেন। তাঁর এই অর্জন নতুন প্রজন্মের জন্য অনুপ্রেরণার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত।