ঢাকা ১১:১৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
কৃষিপণ্যের আমদানি কমিয়ে উৎপাদন  বাড়ানোর তাগিদ  প্রধানমন্ত্রীর সংযুক্ত আরব  আমিরাতে ৪,৮০০ বাংলাদেশির ভিসা বাতিল ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক রিসেট চায় বাংলাদেশ প্রধানমন্ত্রীর দ্বিপক্ষীয় সফর হওয়া উচিত হুমায়ুন ২১ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্র সফর বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের নতুন ভিশন অগ্রাধিকার তুলে ধরবেন প্রধানমন্ত্রী হঠাৎ রামপালের এক ইউনিট বন্ধ বিদ্যুৎ উৎপাদন কমেছে অর্ধেক শেরপুর সীমান্তে বিজিবির অভিযান ভারতীয় ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট জব্দ শেরপুরে ৫ লাখ টাকার ভারতীয় ওষুধের চালান জব্দ ‘আমেরিকানরা যোদ্ধা হলে ইরানের বীর বাহিনীর মুখোমুখি হোক’: পেজেশকিয়ান আসুন এবার রাষ্ট্রকে আমরা পুনর্গঠন করি’: প্রধানমন্ত্রী বিদ্যুৎকেন্দ্রে একের পর এক কারিগরি ত্রুটি, নাশকতার আশঙ্কা রিজভীর

নির্বাচনে ঋণখেলাপি ও দ্বৈত নাগরিকের অংশগ্রহণ বড় ব্যর্থতা হিসেবে দেখছে সুজন

বিশেষ প্রতিনিধি, ঢাকা
  • আপডেট সময় : ০৫:৪০:৩৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ ২১৪ বার পড়া হয়েছে

সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন সুজন সম্পাদক ড. বদিউল আলম মজুমদার

ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অভিযুক্ত ঋণখেলাপি দ্বৈত নাগরিকদের প্রতিদ্বন্দ্বিতার সুযোগকে সবচেয়ে বড় ব্যর্থতা হিসেবে চিহ্নিত করেছে। সংস্থার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অন্তত ৪৫ জন ঋণখেলাপি প্রার্থী নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেছেন, যার মধ্যে বিএনপির ৪১ জন এবং জামায়াতে ইসলামীর চারজন। এই প্রার্থীদের মধ্যে বিএনপির ১১ জন জয়ী হয়েছেন।

গতকাল জাতীয় প্রেস ক্লাবে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে সুজনের জাতীয় কমিটির সদস্য একরাম হোসেন লিখিত বক্তব্য তুলে ধরেন। সভার সভাপতিত্ব করেন সুজনের সম্পাদক . বদিউল আলম মজুমদার, এবং সঞ্চালনা করেন কেন্দ্রীয় সমন্বয়ক দিলীপ কুমার সরকার।

সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, জাতীয় নির্বাচন গণভোট তুলনামূলকভাবে শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হয়েছে। বিজয়ী দলের নেতা পরাজিত দলের নেতাদের মধ্যে সাক্ষাৎ এবং অভিনন্দনের দৃশ্য নতুন রাজনৈতিক সংস্কৃতির ইঙ্গিত দেয়। তবে সংবিধান সংশোধন মন্ত্রিসভার শপথ অনুষ্ঠানে বিরোধ সৃষ্টি হওয়ায় শঙ্কা দেখা দিয়েছে।

সুজন বলেছে, নির্বাচন আংশিকভাবে বিতর্কমুক্ত হলেও সম্পূর্ণ প্রশ্নাতীত বলা সম্ভব নয়। দীর্ঘ সময় পর নির্বাচন তুলনামূলকভাবে অংশগ্রহণমূলক প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ হয়েছে, যা গণতান্ত্রিক বৈধতা বৃদ্ধি করেছে। তবে কিছু সীমাবদ্ধতা অনিয়মের অভিযোগ রয়েছে, যেগুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত জবাবদিহি নিশ্চিত করা প্রয়োজন।

সংস্থার প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ আছে, কয়েকজন প্রার্থী দ্বৈত নাগরিকত্ব ত্যাগের প্রমাণ না থাকা সত্ত্বেও নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে পেরেছেন। নির্বাচন কমিশন আইনের ব্যাখ্যা প্রদানে এখতিয়ার বহির্ভূতভাবে সিদ্ধান্ত নেয়ার অভিযোগ উঠেছে।

এছাড়া প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিএনপি জামায়াত জোট সম্মিলিতভাবে প্রায় ৯০ শতাংশ ভোট এবং ২৮৯ আসনে প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করতে সক্ষম হয়েছে। নির্বাচনের প্রতিদ্বন্দ্বিতা আশাতীতভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে, যা গণতন্ত্রের জন্য ইতিবাচক দিক নির্দেশ করে।

বদিউল আলম মজুমদার বলেন, “নির্বাচনে জনগণ ভোট দিতে পেরেছে এবং নির্বাচন মোটামুটি শান্তিপূর্ণ হয়েছে। সব দল ফলাফল মেনে নিয়েছে। যেসব অভিযোগ আছে, তা তদন্ত করা নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব, এবং এই কমিশনের মেয়াদকালে তা সমাধান হবে বলে আমরা আশাবাদী।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

নির্বাচনে ঋণখেলাপি ও দ্বৈত নাগরিকের অংশগ্রহণ বড় ব্যর্থতা হিসেবে দেখছে সুজন

আপডেট সময় : ০৫:৪০:৩৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অভিযুক্ত ঋণখেলাপি দ্বৈত নাগরিকদের প্রতিদ্বন্দ্বিতার সুযোগকে সবচেয়ে বড় ব্যর্থতা হিসেবে চিহ্নিত করেছে। সংস্থার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অন্তত ৪৫ জন ঋণখেলাপি প্রার্থী নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেছেন, যার মধ্যে বিএনপির ৪১ জন এবং জামায়াতে ইসলামীর চারজন। এই প্রার্থীদের মধ্যে বিএনপির ১১ জন জয়ী হয়েছেন।

গতকাল জাতীয় প্রেস ক্লাবে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে সুজনের জাতীয় কমিটির সদস্য একরাম হোসেন লিখিত বক্তব্য তুলে ধরেন। সভার সভাপতিত্ব করেন সুজনের সম্পাদক . বদিউল আলম মজুমদার, এবং সঞ্চালনা করেন কেন্দ্রীয় সমন্বয়ক দিলীপ কুমার সরকার।

সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, জাতীয় নির্বাচন গণভোট তুলনামূলকভাবে শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হয়েছে। বিজয়ী দলের নেতা পরাজিত দলের নেতাদের মধ্যে সাক্ষাৎ এবং অভিনন্দনের দৃশ্য নতুন রাজনৈতিক সংস্কৃতির ইঙ্গিত দেয়। তবে সংবিধান সংশোধন মন্ত্রিসভার শপথ অনুষ্ঠানে বিরোধ সৃষ্টি হওয়ায় শঙ্কা দেখা দিয়েছে।

সুজন বলেছে, নির্বাচন আংশিকভাবে বিতর্কমুক্ত হলেও সম্পূর্ণ প্রশ্নাতীত বলা সম্ভব নয়। দীর্ঘ সময় পর নির্বাচন তুলনামূলকভাবে অংশগ্রহণমূলক প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ হয়েছে, যা গণতান্ত্রিক বৈধতা বৃদ্ধি করেছে। তবে কিছু সীমাবদ্ধতা অনিয়মের অভিযোগ রয়েছে, যেগুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত জবাবদিহি নিশ্চিত করা প্রয়োজন।

সংস্থার প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ আছে, কয়েকজন প্রার্থী দ্বৈত নাগরিকত্ব ত্যাগের প্রমাণ না থাকা সত্ত্বেও নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে পেরেছেন। নির্বাচন কমিশন আইনের ব্যাখ্যা প্রদানে এখতিয়ার বহির্ভূতভাবে সিদ্ধান্ত নেয়ার অভিযোগ উঠেছে।

এছাড়া প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিএনপি জামায়াত জোট সম্মিলিতভাবে প্রায় ৯০ শতাংশ ভোট এবং ২৮৯ আসনে প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করতে সক্ষম হয়েছে। নির্বাচনের প্রতিদ্বন্দ্বিতা আশাতীতভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে, যা গণতন্ত্রের জন্য ইতিবাচক দিক নির্দেশ করে।

বদিউল আলম মজুমদার বলেন, “নির্বাচনে জনগণ ভোট দিতে পেরেছে এবং নির্বাচন মোটামুটি শান্তিপূর্ণ হয়েছে। সব দল ফলাফল মেনে নিয়েছে। যেসব অভিযোগ আছে, তা তদন্ত করা নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব, এবং এই কমিশনের মেয়াদকালে তা সমাধান হবে বলে আমরা আশাবাদী।