ঢাকা ১১:২১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬, ১২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
এলএনজি টার্মিনাল সচলে আরও পাঁচ দিন দেশজুড়ে গ্যাস সংকট তীব্র, বাসা-বাড়ি, শিল্প ও যানবাহনে চরম ভোগান্তি পরিবেশের মারাত্মক প্রভাবে হুমকির মুখে সুন্দরবন সশস্ত্র বাহিনীকে দলীয় হাতিয়ার হতে দেওয়া হবে না বিশ্ব ঐতিহ্যের তালিকায় স্থান ভারতের ঐতিহাসিক বৌদ্ধ তীর্থস্থান সারনাথ স্বামীর নির্যাতন বরিশালে আওয়ামী লীগ নেত্রীর আত্মহত্যা রোববার বঙ্গভবন ছাড়ছেন সদ্যবিদায়ি রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন সংবিধানের ৫৪ অনুচ্ছেদ মেনে রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব গ্রহণ করেছি: স্পিকার রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন তাঁর পদত্যাগপত্রে যা লিখেন রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের গুঞ্জন আপনারা যেমন শুনেছেন, আমিও তেমনই শুনেছি  স্পিকার রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন পদত্যাগ করতে যাচ্ছেন, জোরালো হচ্ছে রাজনৈতিক আলোচনা

ঢাকায় তাপমাত্রা ১২ দশমিক ৫ ডিগ্রি, কুয়াশা-শীতে নাভিশ্বাস নগরজীবনে

নিজস্ব প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ০১:৩১:৫৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩ জানুয়ারী ২০২৬ ১৪৬ বার পড়া হয়েছে

ঢাকায় তাপমাত্রা ১২ দশমিক ৫ ডিগ্রি, কুয়াশা-শীতে নাভিশ্বাস নগরজীবনে

ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

কনকনে শীত ঘন কুয়াশায় বিপর্যস্ত রাজধানী ঢাকার স্বাভাবিক জীবনযাত্রা। শনিবার ভোর থেকেই সূর্যের দেখা মেলেনি রাজধানীতে। ঠান্ডা বাতাস আর কুয়াশার চাদরে ঢাকা পড়ে থাকে চারপাশ। আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্যমতে, এদিন ঢাকায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১২ দশমিক ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা আগের দিনের তুলনায় কম। শুক্রবার রাজধানীর সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৩ দশমিক ডিগ্রি সেলসিয়াস।

ঘন কুয়াশার কারণে সকালে যানবাহনের গতি ছিল ধীর। অফিসগামী মানুষ, শিক্ষার্থী শ্রমজীবীরা পড়েছেন চরম ভোগান্তিতে। খোলা জায়গায় কাজ করা নিম্নআয়ের মানুষদের জন্য শীত যেন দুর্ভোগ হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিশেষ করে পথশিশু, ভাসমান মানুষ রিকশাচালকদের কষ্ট আরও বেড়েছে।

শুক্রবার দুপুরের দিকে অল্প সময়ের জন্য সূর্যের দেখা মিললেও পরে আবার কুয়াশায় ঢেকে যায় আকাশ। শনিবার পরিস্থিতি আরও শীতল হয়ে ওঠে। সূর্যের অনুপস্থিতির কারণে দিনভর ঠান্ডা অনুভূত হয় বেশি। আবহাওয়াবিদরা বলছেন, বৃষ্টি না হলে কুয়াশা সহজে কাটার সম্ভাবনা নেই।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের সংজ্ঞা অনুযায়ী, কোনো এলাকায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা দশমিক থেকে ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াস হলে সেটিকে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বলা হয়। দশমিক থেকে ডিগ্রি সেলসিয়াস হলে মাঝারি এবং দশমিক থেকে ডিগ্রি হলে তীব্র শৈত্যপ্রবাহ হিসেবে ধরা হয়। রাজধানীর তাপমাত্রা এখনো শৈত্যপ্রবাহের পর্যায়ে না গেলেও কুয়াশা বাতাসের কারণে শীতের অনুভূতি তীব্র হচ্ছে।

আজ দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ডিগ্রি সেলসিয়াস। নওগাঁর বদলগাছি, পাবনা রাজশাহী এলাকায় এই তাপমাত্রা বিরাজ করছে। গতকাল যশোরে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ডিগ্রি সেলসিয়াস। সেই হিসেবে আজ দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা কিছুটা বেড়েছে, যদিও রাজধানীতে উল্টো চিত্র দেখা গেছে।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ মো. হাফিজুর রহমান জানান, রাজধানীতে সূর্যের আলো কম থাকায় তাপমাত্রা খানিকটা নেমে গেছে। তিনি বলেন, দুপুরের দিকে কিছু সময় সূর্যের দেখা মিলতে পারে এবং গতকালের তুলনায় রোদ কিছুটা বেশি সময় স্থায়ী হতে পারে। তবে বৃষ্টি না হলে ঢাকা দেশের পূর্ব উত্তরপূর্বাঞ্চলে কুয়াশা আরও কয়েক দিন থাকতে পারে।

শীতের এই দাপটে স্বস্তির জন্য সরকারি বেসরকারি উদ্যোগে শীতবস্ত্র বিতরণ জোরদারের দাবি জানিয়েছেন নগরবাসী।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

ঢাকায় তাপমাত্রা ১২ দশমিক ৫ ডিগ্রি, কুয়াশা-শীতে নাভিশ্বাস নগরজীবনে

আপডেট সময় : ০১:৩১:৫৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩ জানুয়ারী ২০২৬

কনকনে শীত ঘন কুয়াশায় বিপর্যস্ত রাজধানী ঢাকার স্বাভাবিক জীবনযাত্রা। শনিবার ভোর থেকেই সূর্যের দেখা মেলেনি রাজধানীতে। ঠান্ডা বাতাস আর কুয়াশার চাদরে ঢাকা পড়ে থাকে চারপাশ। আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্যমতে, এদিন ঢাকায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১২ দশমিক ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা আগের দিনের তুলনায় কম। শুক্রবার রাজধানীর সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৩ দশমিক ডিগ্রি সেলসিয়াস।

ঘন কুয়াশার কারণে সকালে যানবাহনের গতি ছিল ধীর। অফিসগামী মানুষ, শিক্ষার্থী শ্রমজীবীরা পড়েছেন চরম ভোগান্তিতে। খোলা জায়গায় কাজ করা নিম্নআয়ের মানুষদের জন্য শীত যেন দুর্ভোগ হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিশেষ করে পথশিশু, ভাসমান মানুষ রিকশাচালকদের কষ্ট আরও বেড়েছে।

শুক্রবার দুপুরের দিকে অল্প সময়ের জন্য সূর্যের দেখা মিললেও পরে আবার কুয়াশায় ঢেকে যায় আকাশ। শনিবার পরিস্থিতি আরও শীতল হয়ে ওঠে। সূর্যের অনুপস্থিতির কারণে দিনভর ঠান্ডা অনুভূত হয় বেশি। আবহাওয়াবিদরা বলছেন, বৃষ্টি না হলে কুয়াশা সহজে কাটার সম্ভাবনা নেই।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের সংজ্ঞা অনুযায়ী, কোনো এলাকায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা দশমিক থেকে ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াস হলে সেটিকে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বলা হয়। দশমিক থেকে ডিগ্রি সেলসিয়াস হলে মাঝারি এবং দশমিক থেকে ডিগ্রি হলে তীব্র শৈত্যপ্রবাহ হিসেবে ধরা হয়। রাজধানীর তাপমাত্রা এখনো শৈত্যপ্রবাহের পর্যায়ে না গেলেও কুয়াশা বাতাসের কারণে শীতের অনুভূতি তীব্র হচ্ছে।

আজ দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ডিগ্রি সেলসিয়াস। নওগাঁর বদলগাছি, পাবনা রাজশাহী এলাকায় এই তাপমাত্রা বিরাজ করছে। গতকাল যশোরে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ডিগ্রি সেলসিয়াস। সেই হিসেবে আজ দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা কিছুটা বেড়েছে, যদিও রাজধানীতে উল্টো চিত্র দেখা গেছে।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ মো. হাফিজুর রহমান জানান, রাজধানীতে সূর্যের আলো কম থাকায় তাপমাত্রা খানিকটা নেমে গেছে। তিনি বলেন, দুপুরের দিকে কিছু সময় সূর্যের দেখা মিলতে পারে এবং গতকালের তুলনায় রোদ কিছুটা বেশি সময় স্থায়ী হতে পারে। তবে বৃষ্টি না হলে ঢাকা দেশের পূর্ব উত্তরপূর্বাঞ্চলে কুয়াশা আরও কয়েক দিন থাকতে পারে।

শীতের এই দাপটে স্বস্তির জন্য সরকারি বেসরকারি উদ্যোগে শীতবস্ত্র বিতরণ জোরদারের দাবি জানিয়েছেন নগরবাসী।