ঢাকা ১১:৪৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৯ মার্চ ২০২৬, ২৫ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বাড়ির দরজা খুলেই প্রধানমন্ত্রী বললেন, ‘চলুন, যুদ্ধে যাই’ দেশে নারী ক্ষমতায়নের ভিত্তি স্থাপন করেন জিয়াউর রহমান : রাষ্ট্রপতি ইউনূস জমানায় চুক্তিতে নিয়োগ ৪ কূটনীতিককে ঢাকায় ফেরানো হলো অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত হয়েছে অন্ধকারে: টিআইবি ১০ মাসের সর্বোচ্চে মূল্যস্ফীতি, চাপে সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতা এক বছরে ধর্ষণ মামলা বেড়েছে ২৭ শতাংশ গুম হওয়া পরিবারের সন্তানদের জন্য ভাতা চালুর উদ্যোগ: মির্জা ফখরুল যুদ্ধের প্রভাব জ্বালানি খাতে, বাংলাদেশের তেলের জন্য লম্বা লাইন কুয়েতের আল-আদিরি ঘাঁটিতে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার দাবি ইরানের সংঘাতের আগে হরমুজ ত্যাগ করা জ্বালানিবাহী ১৫ জাহাজ চট্টগ্রামে পৌঁছাতে শুরু করেছে

জামাল-তপুদের হাতেই ফুটবলের জিয়নকাঠি

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১১:২৪:২৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ মে ২০২১ ২৯৭ বার পড়া হয়েছে
ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

নিজেদের পায়েই গড়তে হবে দেশের ফুটবলের ভাগ্মায। জামাল-তপুদের হাতেই বাংলাদেশ ফুটবলের জিয়নকাঠি। তাঁদের ওপর হয়তো শেষবারের মতো ভরসা রেখে জেমি ডে বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামে শুরু করেছেন বিশ্বকাপ বাছাই পর্বের অনুশীলন।

 
kalerkantho

বাছাই পর্বে শেষ তিন ম্যাচের ওপরই যে এই ইংলিশ কোচের চাকরি নির্ভর করছে অনেকখানি। জেমির ওপর ক্ষুব্ধ বাফুফের একটি পক্ষ। সর্বশেষ নেপাল সফরে ব্যর্থতার পর খোদ বাফুফে সভাপতির সমালোচনার তীর ছুটে গিয়েছিল তার দিকে। তাই চুক্তির অনেক সময় বাকি থাকলেও খাদের কিনারায় দাঁড়িয়ে কোচ জেমি। চাকরি হারানোর ভয় নিয়ে কখনো তিনি সরব নন।

এখানকার ফুটবল অবকাঠামোর ঘাটতি নিয়ে কথা বললেও কখনো দায় চাপাননি ফুটবলারদের ওপর। কাল অনুশীলনের প্রথম দিনেও জেমি আগলে রেখেছেন তাঁর শিষ্যদের, ওরা ভালো অ্যাথলেট, নিজেদের খেয়াল রাখে। খাবারের ব্যাপারেও তারা সচেতন।

তবে একটি বিরতির পর নিজেদের ফিরে পেতে কয়েকটি সেশন লেগে যায়। ফুটবলারদের যেরকম চেয়েছিলাম আমি সেরকমই পেয়েছি। হাতে এখনো তিন সপ্তাহ সময় আছে, ফিটনেসের দিক দিয়ে ওরা সেরা জায়গায় পৌঁছে যাবে।

চোটের কারণে ডিফেন্ডার বিশ্বনাথ ঘোষ বাদে ডাক পাওয়া ৩২ জনই ক্যাম্পে যোগ দিয়েছেন। এত দিন প্রিমিয়ার লিগ চলায় সবাই ছিলেন খেলার মধ্যে। মাঝে ঈদের ছোট্ট বিরতি গেলেও খেলোয়াড়দের ফিটনেসের খুব দুর্দশা হওয়ার কথা নয়। প্রথম দিন সকালের সেশনে ইয়ো ইয়ো টেস্টেও তা-ই দেখা গেছে। কারো কারো ফিটনেসে এক-আধটু সমস্যা আছে। ‘

আন্তর্জাতিক ম্যাচের জন্য জাতীয় দলে ঢুকতে গেলে অবশ্যই খেলোয়াড়দের ফিটনেস একটা পর্যায়ে থাকতে হবে। প্রথম দিন দেখে ছেলেদের সেটা আছে বলেই মনে হয়েছে। আগামী পাঁচ দিন ফিটনেস নিয়েই কাজ হবে, এরপর আবার টেস্ট হবে। এরপর দলটাকে ২৫ জনে নামিয়ে আনা হবে। তারপর ম্যাচের আগে আমরা ১২ দিনের মতো সময় হাতে পাব, তখন ট্যাকটিক্যাল সেশন হবে’—বলেছেন জাতীয় দলের কোচ।

ফিটনেস ফেরানোর পর শুরু হবে ট্যাকটিক্যাল অনুশীলন। রক্ষণ সামলানো এবং কাউন্টার অ্যাটাকের চর্চা হবে ট্রেনিংয়ে। আফগানিস্তান ও ভারতের বিপক্ষে যখন পয়েন্টের স্বপ্ন সার্থক করতে এই দুটো কাজ করতে হবে নিখুঁতভাবে। যে রক্ষণ নিয়ে জেমির গর্ব, সেটাও ভেঙে খান খান হয়ে গেছে বিশ্বকাপ বাছাইয়ে। বাংলাদেশ সর্বোচ্চ ১৩ গোল হজম করেছে পাঁচ ম্যাচে।

তাই ডিফেন্ডার বিশ্বনাথের ইনজুরিও একটি ধাক্কা। নেপালে জাতীয় দলের হয়ে খেলতে গিয়েই চোট পান বসুন্ধরা কিংসের এই ডিফেন্ডার। এরপর ক্লাব দলের হয়েও আর মাঠে নামতে পারেননি তিনি। চোট সারলেও তিনি এখন পুনর্বাসন প্রক্রিয়ার মধ্যে আছেন। তাঁর জায়গায় জেমি ডে নতুন কাউকে ডাকার প্রয়োজন দেখছেন না।

কোচ ভরসা রাখছেন ৩২ জনের ওপরই, ‘নতুন কোনো ফুটবলার ডাকার ভাবনা নেই, ক্যাম্পে যথেষ্ট খেলোয়াড় আছে। চূড়ান্ত একটা সিদ্ধান্তের জন্য আমরা অপেক্ষা করছি। কাতারে গিয়ে আমাদের ভালো ট্রেনিং হবে এবং দলের সুন্দর চেহারা দাঁড়িয়ে যাবে আশা করি।’ এই চেহারার ওপর নির্ভর করছে বাংলাদেশের পয়েন্টের স্বপ্ন, সম্ভবত বাংলাদেশে জেমির চাকরিও!

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

জামাল-তপুদের হাতেই ফুটবলের জিয়নকাঠি

আপডেট সময় : ১১:২৪:২৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ মে ২০২১

নিজেদের পায়েই গড়তে হবে দেশের ফুটবলের ভাগ্মায। জামাল-তপুদের হাতেই বাংলাদেশ ফুটবলের জিয়নকাঠি। তাঁদের ওপর হয়তো শেষবারের মতো ভরসা রেখে জেমি ডে বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামে শুরু করেছেন বিশ্বকাপ বাছাই পর্বের অনুশীলন।

 
kalerkantho

বাছাই পর্বে শেষ তিন ম্যাচের ওপরই যে এই ইংলিশ কোচের চাকরি নির্ভর করছে অনেকখানি। জেমির ওপর ক্ষুব্ধ বাফুফের একটি পক্ষ। সর্বশেষ নেপাল সফরে ব্যর্থতার পর খোদ বাফুফে সভাপতির সমালোচনার তীর ছুটে গিয়েছিল তার দিকে। তাই চুক্তির অনেক সময় বাকি থাকলেও খাদের কিনারায় দাঁড়িয়ে কোচ জেমি। চাকরি হারানোর ভয় নিয়ে কখনো তিনি সরব নন।

এখানকার ফুটবল অবকাঠামোর ঘাটতি নিয়ে কথা বললেও কখনো দায় চাপাননি ফুটবলারদের ওপর। কাল অনুশীলনের প্রথম দিনেও জেমি আগলে রেখেছেন তাঁর শিষ্যদের, ওরা ভালো অ্যাথলেট, নিজেদের খেয়াল রাখে। খাবারের ব্যাপারেও তারা সচেতন।

তবে একটি বিরতির পর নিজেদের ফিরে পেতে কয়েকটি সেশন লেগে যায়। ফুটবলারদের যেরকম চেয়েছিলাম আমি সেরকমই পেয়েছি। হাতে এখনো তিন সপ্তাহ সময় আছে, ফিটনেসের দিক দিয়ে ওরা সেরা জায়গায় পৌঁছে যাবে।

চোটের কারণে ডিফেন্ডার বিশ্বনাথ ঘোষ বাদে ডাক পাওয়া ৩২ জনই ক্যাম্পে যোগ দিয়েছেন। এত দিন প্রিমিয়ার লিগ চলায় সবাই ছিলেন খেলার মধ্যে। মাঝে ঈদের ছোট্ট বিরতি গেলেও খেলোয়াড়দের ফিটনেসের খুব দুর্দশা হওয়ার কথা নয়। প্রথম দিন সকালের সেশনে ইয়ো ইয়ো টেস্টেও তা-ই দেখা গেছে। কারো কারো ফিটনেসে এক-আধটু সমস্যা আছে। ‘

আন্তর্জাতিক ম্যাচের জন্য জাতীয় দলে ঢুকতে গেলে অবশ্যই খেলোয়াড়দের ফিটনেস একটা পর্যায়ে থাকতে হবে। প্রথম দিন দেখে ছেলেদের সেটা আছে বলেই মনে হয়েছে। আগামী পাঁচ দিন ফিটনেস নিয়েই কাজ হবে, এরপর আবার টেস্ট হবে। এরপর দলটাকে ২৫ জনে নামিয়ে আনা হবে। তারপর ম্যাচের আগে আমরা ১২ দিনের মতো সময় হাতে পাব, তখন ট্যাকটিক্যাল সেশন হবে’—বলেছেন জাতীয় দলের কোচ।

ফিটনেস ফেরানোর পর শুরু হবে ট্যাকটিক্যাল অনুশীলন। রক্ষণ সামলানো এবং কাউন্টার অ্যাটাকের চর্চা হবে ট্রেনিংয়ে। আফগানিস্তান ও ভারতের বিপক্ষে যখন পয়েন্টের স্বপ্ন সার্থক করতে এই দুটো কাজ করতে হবে নিখুঁতভাবে। যে রক্ষণ নিয়ে জেমির গর্ব, সেটাও ভেঙে খান খান হয়ে গেছে বিশ্বকাপ বাছাইয়ে। বাংলাদেশ সর্বোচ্চ ১৩ গোল হজম করেছে পাঁচ ম্যাচে।

তাই ডিফেন্ডার বিশ্বনাথের ইনজুরিও একটি ধাক্কা। নেপালে জাতীয় দলের হয়ে খেলতে গিয়েই চোট পান বসুন্ধরা কিংসের এই ডিফেন্ডার। এরপর ক্লাব দলের হয়েও আর মাঠে নামতে পারেননি তিনি। চোট সারলেও তিনি এখন পুনর্বাসন প্রক্রিয়ার মধ্যে আছেন। তাঁর জায়গায় জেমি ডে নতুন কাউকে ডাকার প্রয়োজন দেখছেন না।

কোচ ভরসা রাখছেন ৩২ জনের ওপরই, ‘নতুন কোনো ফুটবলার ডাকার ভাবনা নেই, ক্যাম্পে যথেষ্ট খেলোয়াড় আছে। চূড়ান্ত একটা সিদ্ধান্তের জন্য আমরা অপেক্ষা করছি। কাতারে গিয়ে আমাদের ভালো ট্রেনিং হবে এবং দলের সুন্দর চেহারা দাঁড়িয়ে যাবে আশা করি।’ এই চেহারার ওপর নির্ভর করছে বাংলাদেশের পয়েন্টের স্বপ্ন, সম্ভবত বাংলাদেশে জেমির চাকরিও!