ঢাকা ১০:৩৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৬ মার্চ ২০২৬, ২২ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের হামলায় যুক্ত হবেন না, সাফ জানালেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী মার্কিন তেলবাহী জাহাজে হামলার দাবি আইআরজিসির ইরানের সঙ্গে যুদ্ধে চরম মাশুল গুনছে ইসরায়েল, সপ্তাহে ক্ষতি ৯ বিলিয়ন শেকেল কৃষি ও জেলেদের সুরক্ষায় ইলিশা-রাজাপুর খাল পুনঃখননের দাবিতে মন্ত্রণালয়ে স্মারকলিপি আরও তিন সাবেক উপদেষ্টা ও এক বিশেষ সহকারীর ব্যাংক হিসাব তলব বেনাপোল পুটখালী সীমান্ত এলাকায় বিজিবি অভিযানে ৩০ কেজি গাঁজা উদ্ধার শিগগির ঢাকার সক্রিয় চাঁদাবাজদের পূর্ণাঙ্গ তালিকা প্রস্তুত করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের আগুন, জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা, তেলের দাম লাগামছাড়া চাউলের দাম বৃদ্ধির খবরে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নিতে প্রথানমন্ত্রীর নির্দেশ জুলাই সনদ বাস্তবায়ন আদেশ ও গণভোট অধ্যাদেশ কেন অবৈধ নয় জানতে চেয়ে হাই কোর্টের রুল

জাতীয় শোকদিবসে কলাবাগানে বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুস ছালামের উদ্যোগে দুস্থদের মাঝে খাবার বিতরণ

ভয়েস রিপোর্ট
  • আপডেট সময় : ১০:০৯:১৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৬ অগাস্ট ২০২১ ৩৬৯ বার পড়া হয়েছে
ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

উনিশ শ’ একাত্তর সালের সাতই মার্চ ঐতিহাসিক ভাষণ নিয়ে তৎকালীন রেসকোর্স ময়দানে হাজির হন বাংলার অবিসংবাদিত নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। সেদিন রেসকোর্স ময়দান ছাপিয়ে মুক্তিকামী মানুষের স্রোত বয়ে যায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ আশাপাশ এলাকায়। সেদিন

বঙ্গবন্ধুর কালজয়ী ভাষণ শুনতে বাংলাদেশের বিভিন্ন প্রান্তের মানুষের পথ এসে মিশে গিয়েছিলো রমনার রেসকোর্স ময়দানে।

সেসময় ক্যাম্পাস কাঁপানো ছাত্রলীগ নেতা আব্দুস ছালাম। তিনি একজন সংগঠও। দীর্ঘ ন’মাস দেশ মাতৃকাকে শত্রুমুক্ত করতে যুদ্ধ করেছেন। বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে ধারণ করে পথ চলছেন। যুদ্ধকালীন তার পরিবারের ওপরও বয়ে গিয়েছে হাজারো ঝামেলা। কারণ, ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে

বঙ্গবন্ধুর বাড়ির কাছাকাছি সেন্ট্রাল রোড। এখনকার মতো আকাশচুম্বি অট্টালিকা ছিলো না। তাদের বাড়ি থেকে দেখা যেত ৩২ নম্বর বঙ্গবন্ধুর বাড়ি।

আব্দুস ছালাম এক সময়ের তুখোর ছাত্রলীগ নেতা। ৭২ সালে লালবাগ থানা ছাত্রলীগের সভাপতি এবং ঢাকা মহানগর ছাত্রলীগের সহসাধারণ সম্পাদক ছিলেন। বঙ্গবন্ধুর প্রতি অপরিসীম শ্রদ্ধা ও

ভালোবাসা এই বীর মুক্তিযোদ্ধার। আব্দুস ছালাম  ক্যালেন্ডারে কালো তারিখ তথা ১৫ আগস্টের কথা কেউ তাকে মনে করিয়ে দিতে হয় না। তিনি এদিনটির জন্যই সারাটি বছর পথ চেয়ে থাকেন। তিনি  হৃদয়ে রক্তক্ষরণ নিয়ে ১৫ আগস্ট জাতিরজনকের শাহাদৎ বার্ষিকী এবং জাতীয় শোক দিবসের কর্মসূচি পালন করেন।

এরই ধারাবাহিকতায় রবিবারও কলাবাগানে আয়োজন করেন জাতীয় শোকদিবসের কর্মসূচি। এদিন দুস্থদের মাঝে খাদ্যবিতরণ করা হয়। এদিনে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ব্যারিষ্টার ফজলে নূর তাপসের প্রতি সম্মান জানিয়ে শোকদিবসের আয়োজনে আরও যুক্ত হন

এডভোকেট কাজী মোর্শেদ হোসেন কামাল, ১ম যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগ, বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুস ছালাম এবং কলাবাগান থানা আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দ।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

জাতীয় শোকদিবসে কলাবাগানে বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুস ছালামের উদ্যোগে দুস্থদের মাঝে খাবার বিতরণ

আপডেট সময় : ১০:০৯:১৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৬ অগাস্ট ২০২১

উনিশ শ’ একাত্তর সালের সাতই মার্চ ঐতিহাসিক ভাষণ নিয়ে তৎকালীন রেসকোর্স ময়দানে হাজির হন বাংলার অবিসংবাদিত নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। সেদিন রেসকোর্স ময়দান ছাপিয়ে মুক্তিকামী মানুষের স্রোত বয়ে যায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ আশাপাশ এলাকায়। সেদিন

বঙ্গবন্ধুর কালজয়ী ভাষণ শুনতে বাংলাদেশের বিভিন্ন প্রান্তের মানুষের পথ এসে মিশে গিয়েছিলো রমনার রেসকোর্স ময়দানে।

সেসময় ক্যাম্পাস কাঁপানো ছাত্রলীগ নেতা আব্দুস ছালাম। তিনি একজন সংগঠও। দীর্ঘ ন’মাস দেশ মাতৃকাকে শত্রুমুক্ত করতে যুদ্ধ করেছেন। বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে ধারণ করে পথ চলছেন। যুদ্ধকালীন তার পরিবারের ওপরও বয়ে গিয়েছে হাজারো ঝামেলা। কারণ, ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে

বঙ্গবন্ধুর বাড়ির কাছাকাছি সেন্ট্রাল রোড। এখনকার মতো আকাশচুম্বি অট্টালিকা ছিলো না। তাদের বাড়ি থেকে দেখা যেত ৩২ নম্বর বঙ্গবন্ধুর বাড়ি।

আব্দুস ছালাম এক সময়ের তুখোর ছাত্রলীগ নেতা। ৭২ সালে লালবাগ থানা ছাত্রলীগের সভাপতি এবং ঢাকা মহানগর ছাত্রলীগের সহসাধারণ সম্পাদক ছিলেন। বঙ্গবন্ধুর প্রতি অপরিসীম শ্রদ্ধা ও

ভালোবাসা এই বীর মুক্তিযোদ্ধার। আব্দুস ছালাম  ক্যালেন্ডারে কালো তারিখ তথা ১৫ আগস্টের কথা কেউ তাকে মনে করিয়ে দিতে হয় না। তিনি এদিনটির জন্যই সারাটি বছর পথ চেয়ে থাকেন। তিনি  হৃদয়ে রক্তক্ষরণ নিয়ে ১৫ আগস্ট জাতিরজনকের শাহাদৎ বার্ষিকী এবং জাতীয় শোক দিবসের কর্মসূচি পালন করেন।

এরই ধারাবাহিকতায় রবিবারও কলাবাগানে আয়োজন করেন জাতীয় শোকদিবসের কর্মসূচি। এদিন দুস্থদের মাঝে খাদ্যবিতরণ করা হয়। এদিনে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ব্যারিষ্টার ফজলে নূর তাপসের প্রতি সম্মান জানিয়ে শোকদিবসের আয়োজনে আরও যুক্ত হন

এডভোকেট কাজী মোর্শেদ হোসেন কামাল, ১ম যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগ, বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুস ছালাম এবং কলাবাগান থানা আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দ।